নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

নিঃসঙ্গ পথচারী

মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ

তারপরও মুষ্ঠিবদ্ধ হাতে ঘুরে দাড়াব.....।

মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ › বিস্তারিত পোস্টঃ

“উন্নয়নের দুর্ভিক্ষে বাংলাদেশ”

২৬ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৪:৫৮



বাং/লাদেশের মূর্খ জনগণ উন্নয়নের চেয়ে কথিত ফ্যাসিবাদকে বড় করে দেখেছে কিন্তু “উন্নয়নের দুর্ভিক্ষ” কি জিনিস তা দেখেনি।

দেখতে থাকুক….। আর ভাতের দুর্ভিক্ষ শুরু হলে বলে…..।

ফ্যাসিবাদ দূর করতে গিয়ে উন্নয়নই "নাই" করে দিয়েছে জুlie নামক মেটিকিউলাস ডিজাইনের মহা জাদু দিয়ে।

ফ্যাসিবাদকে বাদ দেয়ার লড়াইয়ে, এরা নিজেদের বর্তমান-ভবিষ্যতই নগদে বরবাদ করে ফেলেছে….পেটে না খেয়ে কদিন পিঠে সইতে পারে সেটিই এখন দেখার বিষয়।

৭১ এ মুক্তিযুদ্ধের পরও যে দেশ তলাবিহীন ঝুড়ি হয়নি, সেই দেশ আজ স্বাধীনতা বিরোধী জামায়াতের পরীক্ষিত বন্ধুর সক্রিয় সহযোগিতায় সত্যি সত্যিই তলাবিহীন ঝুড়ি…!

দুর্ভিক্ষের আওয়াজ কি আমরা বাংলাদেশিরা শুনতে পাচ্ছি?

মন্তব্য ১৫ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (১৫) মন্তব্য লিখুন

১| ২৬ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৫:২৭

অপলক বলেছেন: বিবেগের দুর্ভীক্ষ আগেও ছিল, এখনও আছে। মিথ্যার কালচার আগের সব সরকারের ছিল বর্তমানেরটাতেও আছে। এটা প্রথমত সরকারের চেয়ারের ম্যাগনেটিক ফিল্ডের কারনে হয় এবং তারপর হল পরিবারতন্ত্র যদি গনতন্ত্রের মুখোস পরে থাকে, তবে এমন হয়।

২| ২৬ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৫:৫৯

নিমো বলেছেন: জে-১০সিই যুদ্ধবিমান কিনে আমরা উন্নয়নের সপ্ত আকাশে উড্ডশন করবো।

৩| ২৬ শে আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৯

মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ বলেছেন:



বেশি না কেবল উত্তরাঞ্চল আর দক্ষিনাঞ্চলে আমাদের যে দুটো মুরগীর গলা আছে ওগুলো ভারতীয়রা হালকা চেপে ধরলেই (মানে বন্দর নগরী চট্টগ্রাম আর বাংলাদেশের মানচিত্রের মাথার অংশটা) game over. উত্তরাঞ্চল নামক মাথাটা বিচ্ছিন্ন করে ওরা একটা নিরাপত্তামূলক বাফার জোন (ভারতীয় মুরগীর গলা সুরক্ষার স্বার্থে) তৈরি করে নেবে। আর সমুদ্র বন্দর বিচ্ছিন্ন করে দিলে আমরা কয়দিন টিকবো সেটিই দেখার বিষয়।

গোটা বাংলাদেশ দখল করার কোন প্রয়োজনই নেই ওদের।

জে-১০সিই যু্দ্ধ বিমান ওড়ানো কাজ। হয়তো উড়িয়ে যাবো।

৪| ২৬ শে আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৫৮

মাথা পাগলা বলেছেন: শেখ হাসিনা দেশকে গরীব বানিয়ে দিয়ে গেছেন। ক্যু করে এদের আর একজনের ধবংস করে যাওয়া অর্থনীতি দখল করার দরকার কি ছিলো? নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম আকাশছোঁয়া আর অন্যদিকে আম্রিকা-চায়না থেকে বিমান কিনছে। জাহেদ "সব দোষ" হাসিনার বলাতে ব্যাকফায়ার করেছে। আজকে ডেমেজ কন্ট্রোল করতে গিয়ে নতুন ভিডিওতে আরও বেশি গালি খাচ্ছেন।


২৬ শে আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২০

মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ বলেছেন: ইউক্রেন পশ্চিমা শক্তির প্রেম ভালোবাসায় সিক্ত কিংবা নিষিক্ত হয়ে রাশিয়ার সাথে পাল্লা দিতে গিয়ে আরো যে ভূখন্ড হারালো (ক্রায়মিয়া হারানোর পর) তা কি আর ফেরত পাবে? এখন নাকি আমরা বাংলাদেশিরা যুক্ত হবে মক্কা প্যাক্টে। কালক্রমে ইউক্রেনের মতো ভূখন্ড (বা তার চাইতেও আরো বেশি) হারাবো।

৫| ২৭ শে আগস্ট, ২০২৬ ভোর ৬:৩৪

ক্লোন রাফা বলেছেন: সমস‍্যা’তো লালবদর,আলবদর,চাদাপার্টির কিংবা পুর্ব, পশ্চিম, উত্তর, দক্ষিণের দালালদের না । সমস্যা হলো যারা দেশ’কে কিছু দেয় তাদের। সমস্যা ১৮ কোটি মানুষের ভাতের যোগান দেয় যারা তাদের।যারা সরকারি কর্মচারীদের বেতন ভাতা দেয় তাদের ।

ফকিন্নির ছেলে আর টোকাই, জঙ্গিদের তো পোয়া বারো করে দিয়েছে এই জুlie‼

২৭ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১০:২৯

মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ বলেছেন: যে কারনে (মুসলিম ছিলো কিন্তু তাদের মধ্যে ইসলাম ছিলো না) পাকিস্তান টেকেনি, সেই একই কারনে গলার রগ ফুলিয়ে চিৎকার যারা "দিল্লী না ঢাকা" বলছে তাদের গুপ্ত উদ্দেশ্যও টিকবে না। ইসলামী আর্দশের ভিত্তিতে চললে তো বৈষম্যই থাকতো না। পাকিস্তানও ভাঙ্গতো না। আজও যারা ইসলামের নাম ভাঙ্গিয়ে রাজনীতি করে, তারা ইসলামের স্বঘোষিত ইজারাদার। মূলতঃ এরাই মোনাফেক, মিথ্যাবাদী, আল্লাহর জমিনে ফিতনা ফ্যাসাদ ও নৈরাজ্য সৃষ্টিকারী।

তাই এরা আগেও ব্যর্থ হয়েছিলো, এখনও ব্যর্থ (কারন এরা আর গুপ্ত নেই, প্রকাশ্য)। বাঙ্গালী জাতিসত্তার পরিচয়ে আমরা যারা বিশ্বাসী এবং বাংলাদেশ নামের এই দেশটির পরিচয় নিয়ে গর্ববোধ করি, তাদেরও আত্ম-সমালোচনার সুযোগ করে দিয়েছে এই ২৪ এর তথাকথিত আন্দোলন। প্রয়োজনে গৃহযুদ্ধের মত মূল্য দিতে হলেও এদের পর্যুদস্ত করে আমাদের গোলামী চুক্তির মাধ্যমে বিক্রী হয়ে যাওয়া স্বাধীনতা পুনরূদ্ধার করতে হবে। আমাদের পূর্ব প্রজন্ম যদি ৭১ এ সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করে স্বাধীনতা অর্জন করতে পারে, আমরা কেন সেই কষ্টার্জিত স্বাধীনতা ফিরিয়ে আনতে পারবো না?

৬| ২৭ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:২০

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: বাংলাদেশ কীভাবে তলাবিহীন ঝুড়ি হলো? এখন তো বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ প্রায় ৩২ বিলিয়ন ডলার। এই রিজার্ভ দিয়ে প্রায় পাঁচ মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব। এফডিআই বাংলাদেশ কখনোই খুব বেশি পেত না। বরং রেমিট্যান্সের প্রবাহ এখন অনেক ভালো—গত বছর প্রায় ৩৫ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স দেশে এসেছে। রপ্তানিও আগের অবস্থান ধরে রেখেছে, যা প্রায় ৪৮ বিলিয়ন ডলারের আশপাশে ।

৭| ২৭ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ২:২১

নতুন বলেছেন: বেশি না কেবল উত্তরাঞ্চল আর দক্ষিনাঞ্চলে আমাদের যে দুটো মুরগীর গলা আছে ওগুলো ভারতীয়রা হালকা চেপে ধরলেই (মানে বন্দর নগরী চট্টগ্রাম আর বাংলাদেশের মানচিত্রের মাথার অংশটা) game over. উত্তরাঞ্চল নামক মাথাটা বিচ্ছিন্ন করে ওরা একটা নিরাপত্তামূলক বাফার জোন (ভারতীয় মুরগীর গলা সুরক্ষার স্বার্থে) তৈরি করে নেবে। আর সমুদ্র বন্দর বিচ্ছিন্ন করে দিলে আমরা কয়দিন টিকবো সেটিই দেখার বিষয়।

B:-)

ভারত আমাদের উত্তরান্চল এবং চট্রগ্রাম বিছিন্ন করে দেবে এটা আপনারা কাছে সাভাবিক মনে হচ্ছে?

আমার তো মনে হয় অনেকেই ভারতের এই দখল অভিজানে সাহাজ্য করতেও রাজি হয়ে যাবে!!! /:)

২৭ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৫:১২

মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ বলেছেন: ‌ইউক্রেন কিন্তু ন্যাটোতে যোগ দিয়ে সারেনি কিন্তু সে যোগ দেয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে এবং তাতেই তার ফলাফল কি হয়েছে তা তো আমরা দেখতেই পাচ্ছি। সে আরো ভূখন্ড হারিয়েছে। মক্কা প্যাক্টে নিজেদের যুক্ত করে আমরা সেরকম বিপদ/বিপত্তি ডেকে আনছি কিনা সেটাও ভেবে দেখার বিষয়।

১। ভারতীয় মুরগীর গলা গিলে খাওয়ার খায়েশ (Shiliguri Corridor/Indian chicken neck),
২। ভারতের উত্তর পূর্বাঞ্চলীও সাত বোনের দিকে কু-নজর দেয়া,

স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশের কোনও দ্বায়িত্বশীল সরকার (সামরিক সরকার বা গনতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকার) ভারতের উপরোল্লিখিত স্পর্শকাতর বিষয় নিয়ে টু শব্দটিও করেনি। কিন্তু সর্ব প্রথম এ নিয়ে মুখ খুললো ইউনুস নিজে। কি উদ্দেশ্যে?
আমাদের রণনীতি সর্বাবস্থায় আত্মরক্ষামূলক ছিলো, আক্রমণাত্মক নয় (বিডিআর বনাম বিএসএফ এর রৌমারী সীমান্ত সংঘর্ষ এর প্রমাণ)। কিন্তু ইউনুস আর নেতৃত্ত্বাধীন ছাপড়ী লাল বদর শুরু করলো ভারতীয় চিকেন নেক (ইংরেজিতে চিকেন নেক লিখতে দিলেও এই ছাপড়ী লাল বদররা বানান ভুল করবে, গ্যারান্টি দিলাম) ও সেভেন সিস্টার্স গিলে খেয়ে নেয়ার চোখ রাঙ্গানী।

নিজে গায়ে পড়ে সামরিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক দিয়ে শক্তিশালী প্রতিবেশী দেশের সাথে গায়ে পড়ে অস্বাভাবিক/অপ্রাসঙ্গিক আচরন করলে তারও একটা প্রতিক্রিয়া ফেরত আসতে পারে সেটা কি স্বাভাবিক না?

আর আমাদের যে একটা সেনাবাহিনী আছে না, সেটা তো মোটা দাগে, জাতিসংঘের বেতনভোগী দারোয়ান, দেশে ঠিকাদারদের সর্দার আর ২৪ এ দেখা গেলো যে এরা ৭১ এর স্মৃতি বিজরিত স্থাপনা/ভাস্কর্য/যাদুঘর ধ্বংশের কার্যক্রম নিজস্ব তত্তাবধানে নিশ্চিত করেছিলো। এই্ হলো আমাদের সেনাবাহিনীর সক্ষমতা।

৭১ এর রাজাকারদের নাতিপুতিদের উস্কানিতে উসকে দিয়ে ভারত যদি আমাদের আক্রমণ করেই বসে, তবে এই নাতিপুতিদের কি যায় আসে? মানে যে বাংলাদেশ তারা own ই করে না সেই বাংলাদেশকে যদি প্রতিবেশী দেশ গিলে খায় তবে ওদের কি যায় আসে? আমরা যদি ভারতের মাঝে বিলীন হয়ে যাই তাতে ঘুরে পেচিয়ে তো ওদের আদর্শিক গুরু মওদুদির স্বপ্নই পূরণ হবে। কারণ হায়দ্রাবাদে জন্ম নেয়া মওদুদি পাকিস্তান চায়নি, অখণ্ড ভারত শাসন করতে চেয়েছিলো।

৮| ২৭ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৫:৩৯

নতুন বলেছেন: লেখক বলেছেন: ‌ইউক্রেন কিন্তু ন্যাটোতে যোগ দিয়ে সারেনি কিন্তু সে যোগ দেয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে এবং তাতেই তার ফলাফল কি হয়েছে তা তো আমরা দেখতেই পাচ্ছি। সে আরো ভূখন্ড হারিয়েছে। মক্কা প্যাক্টে নিজেদের যুক্ত করে আমরা সেরকম বিপদ/বিপত্তি ডেকে আনছি কিনা সেটাও ভেবে দেখার বিষয়।


পাকিস্তানিদের আমি অবিশ্বাস করি, যখন তারা গোলাপ নিয়ে আসে, তখনও। - হুমায়ুন আজাদ তো বলেই গেছেন।

অবশ্যই ভারত আক্রমন করলে পাকিস্তান এগিয়ে আসতে পারবেনা, এতো দুরে থেকে তাদের কিছু করারও নাই। আর পাকি সাহাজ্য আমাদের দরকার ও নাই।

কিন্তু আমলীগের ভারতীয়দের দালালীও কিন্তু চোখে পড়ার মতন। তারা ভারতকে প্রভু মানার পেছনে তারা কত বড় কি কি করতে পারে সেটা দিয়ে ভয় দেখায়। আমরাও স্বাধীন সার্মভৌম দেশ। ভারতের সাথে আমরা ভয়ে সম্পর্ক রাখবো না। বরং তাদের সাথে ব্যবসায়ীক সম্র্পক রাখবো।

বাংলাদেশ ভারত কোনদিনই আক্রমন করবেনা। ভারতের সাথে ব্যবসার সম্পর্ক রাখলে আমাদেরও লাভ তাদেও লাভ। সেই কার্ড হাতেনিয়ে আমাদের ভারতের সাথে খেলতে হবে।

জামাতী জারজেরা পাকি চুক্তিতে বগল বাজাবে কিন্তু সেটা করা ঠিক হবেনা।

২৭ শে আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৮

মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ বলেছেন: (বিডিআর বনাম বিএসএফ এর রৌমারী সীমান্ত সংঘর্ষ এর প্রমাণ) এই কথাটা এজন্যই বলা যে বিনা উস্কানিতে আমাদের ওপর ভারত আক্রমন করলে আমরা আমাদের সম্মান সমুন্নত রাখার স্বার্থে তা যেকোন মূল্যে প্রতিহত করবো, কোন ব্যাতিক্রম ছাড়াই।

যারা ভারতের দালাল, তারাতো পাকি দালাদেরই অপর পিঠ। রৌমারীতে বিডিআর বিএসএফ সীমান্ত সংঘর্ষের পর প্রথম আলোয় আবেদ খান যে কলাম (অদৃশ্য শক্তির সন্ধান চাই) লিখেছিলো, তাতেই টের পেয়েছিলাম যে ভারতীয় দালাল কি জিনিষ!

৯| ২৭ শে আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৩৮

রাজীব নুর বলেছেন: আসলে বাংলাদেশের জনগন অসহায়। এবং বোকা।

১০| ২৭ শে আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৯

নতুন বলেছেন: লেখক বলেছেন: (বিডিআর বনাম বিএসএফ এর রৌমারী সীমান্ত সংঘর্ষ এর প্রমাণ) এই কথাটা এজন্যই বলা যে বিনা উস্কানিতে আমাদের ওপর ভারত আক্রমন করলে আমরা আমাদের সম্মান সমুন্নত রাখার স্বার্থে তা যেকোন মূল্যে প্রতিহত করবো, কোন ব্যাতিক্রম ছাড়াই।

যদিও প্রথমে বিডিওর ই পাদুয়াতে গিয়ে ঝামেলা শুরু করেছিলো। কিন্তু রৌমারীতে এসে ভারত হেরেছে।

তবে পরে ঠিকই ভারত পিলখানাতে অফিসার হত্যা করে তাদের প্রতিশোধ নিয়েছে।

কারুর সাথেই শত্রুতা করা উচিত না। ভারত বড় রাস্ট তাই তাদের সাথে শুধুই রাজনিতিক মাঠ গরম করার জন্য কথা বলা অপরিপক্কতার প্রমান দেয়।

২৭ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১১:০১

মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ বলেছেন: পাদুয়া আমাদের সীমানার ভেতরের একটা ছোট এলাকা যেখানে ৭১ এ মুক্তিযুদ্ধের সময় বিএসএফ ক্যাম্প স্হাপন করেছিলো, মুক্তিযোদ্ধাদের সমর্থনে। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর তারা ফিরে যায়নি। কিন্তু তাই বলে বিডিআর বা বাংলাদেশ সরকার পরবর্তীতে ক্যাম্প প্রত্যাহারের ব্যাপারে ভারতীয়দের কাছে উচ্চবাচ্চ্য করেনি।

সমস্যা তখনই শুরু হলো যখন বিএসএফ অবৈধভাবে ভারতের মূল ভুখন্ডের সাথে ঐ ক্যাম্পকে সংযুক্ত করে এমন একটা সংযোগ সড়ক নির্মান করা শুরু করে। বিডিআর প্রতিবাদ করলেও বিএসএফ তা কর্নপাত না করে সড়ক নির্মান অব্যাহত রাখে। মানে বাংলাদেশের ভেতরের পাদুয়ার এলাকাটাকে ভারতের স্থায়ী একটা অংশে রূপান্তরের কুমতলব ছিলো বিএসএফ এর। যেহেতু তারা আলোচনা করতে আগ্রহী ছিলো না, সেহেতু বাধ্য হয়ে বিডিআরকে বল প্রয়োগ করতে হয়েছে। এখন বিডিআর যেভাবে সাফল্যের সাথে বিএসএফ এর ক্যাম্প ঘিরে ফেলে জিম্মি করে ফেলেছিলো, তেমনটা বিএসএফ রৌমারীতে করতে পারেনি। চূরান্ত ব্যার্থ হয়েছিলো।

পাদুয়া রৌমারীতে বিডিআর এর কোন ভুল/দোষ আমি দেখিনা দেশের স্বার্থে তারা যা করার, তারা তাই করেছে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.