নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আল্লাহ অসীম দয়ালু @http://howcanigetanemailaddress.com/

শুভ জাহিদ @ http://howcanigetanemailaddress.com/

শুভ জািহদ

Some Were Saying Erasers Are for People Who Make Errors, But The Wise Said; Erasers Are for People Who Are WILLING to Correct their Mistake!!! http://howcanigetanemailaddress.com/

শুভ জািহদ › বিস্তারিত পোস্টঃ

"একই দিনে সকল মুসলিমকে অবশ্যই সওম (রোজা) ও ঈদ পালন করতে হবে"

০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ বিকাল ৪:৩১



"একই দিনে সকল মুসলিমকে অবশ্যই সওম (রোজা) ও ঈদ পালন করতে হবে"



ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিকান



একই দিনে ঈদ পালন ও ভিন্ন ভিন্ন দিনে ঈদ পালন নিয়ে মুসলিমদের মধ্যে মতবিরোধ রয়েছে সেই বহু আগে থেকে। আর আল্লাহ তায়ালা বলেছেন

"....যদি তোমাদের মাঝে কোন একটি বিষয় নিয়েও মতবিরোধ হয় তাহলে তা আল্লাহ ও রাসূলের দিকে ফিরিয়ে দাও।" - সূরা নিসা-৪/৫৯

এই আয়াত অনুযায়ী সকল মতবিরোধ মিটাতে হবে আল্লাহ এবং তার রাসূলের ব্যাখ্যার আলোকে। কোন আলিমের ফাতওয়ার আলোকে নয়। এই বইটিতে তাই কুরআন ও সহীহ সনদে বর্ণিত হাদিসের উদ্ধৃতি ছাড়া কোন আলেমের ফাতওয়া নিয়ে আলোচনা করা হয় নি।



বাংলাদেশে অনেকে সৌদির সাথে মিলিয়ে রোজা রাখে ও ঈদ করে। এই দলে মধ্যে আছে অনেক পীরের মুরিদ রা। তারা মূলত দলিল ছাড়াই তাদের পীরের বক্তব্য অনুযায়ী এটি করে থাকে।



অনেকে করে থাকে বাপ দাদার অনুসরণে যেমন চাঁদপুর বা অন্যান্য জেলাগুলোতে।

আবার কিছু মানুষ করে থাকে যারা পীরের মুরিদও না, বাপদাদার অনুসারীও না, যারা রোজা ও ঈদ বিশ্বব্যাপী একই দিনে পালন করে থাকে স্পষ্ট দলিল প্রমাণ সহকারে অর্থ্যাৎ কোরআন ও সহীহ হাদিস অনুযায়ী। বইটিতে কোরআন ও সহীহ হাদিস দিয়ে প্রমাণ করা হয়েছে যে রোজা ও ঈদ হতে হবে একই দিনে। একই দিনে রোজা ও ঈদ পালন করা সারা বিশ্বের মুসলিমদের উপর ফরজ।



এ বইটি সহায়ক সেই সমস্ত লোকদের জন্য-

=> যারা এক চাঁদে রোজা ও ঈদ রাখেন কিন্তু ঠিক ভাবে দাওয়াতী কাজ করতে পারছেন না।

=> যারা আলেমদের মতবিরোধ নিয়ে দ্বিধান্বিত।

=> যারা প্রকৃত সত্য জানতে চান যে কোনটা সঠিক।

=> যারা ঈদের দিন রোজা রাখাকে হারাম মনে করেন এবং হারামকে কঠোরভাবে পরিহার করেন।

=> যারা সত্য গ্রহণে প্রস্তুত।

=> যেই সমস্ত আহলে হাদিস পরিচয়ধারী ব্যক্তিবর্গের যারা হাদিসের ধারক বাহক হিসেবে নিজেদের পরিচয় দেন কিন্তু একই দিনে রোজা ও ঈদ পালনের বিরুদ্ধে।

=> সেই সমস্ত আলেমদের জন্য যারা এ বিষয়ে গবেষনা করতে চান।

=> সেই সমস্ত নব্য দাঈ, যারা ইসলামের জন্য কাজ করতে আগ্রহী।

=> সেই সমস্ত মুসলিমদের জন্য যারা শুধুমাত্র আল্রাহর সন্তুষ্টির জন্যই যাবতীয় ইবাদাত করে থাকেন।

=> সেই সমস্ত পীরের মুরিদদের যারা সারা বিশ্বের সাথে মিল রেখে একই দিনে রোজা ও ঈদ পালন করে কিন্তু কোরআন-হাদিসের দলিল জানে না।



==========================================





বইয়ের নাম: "কাফির বলার প্রয়োজনীয়তা ও নিয়ম"

লেখক: মুহাম্মদ ইকবাল বিন ফাখরুল

ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিকান



এই প্রথম বারের মতো কাফির বলা নিয়ে কোন বই প্রকাশ পেতে যাচ্ছে। বইটি কিনতে ও পড়তে হবে। বইটি পড়লে জানতে পারবেন-

=> কাফিরকে কেন কাফের বলতে হবে?

=> কাফিরকে কাফির না বলে গোপন করলে তার পরিণতি কি?

=> কোন মুসলিমকে কাফির বললে তার পরিণতি?

=> ঢালাওভাবে কাফির বলা থেকে কেন বিরত থাকতে হবে?

=> কাফির বলা নিয়ে আলেমদের মধ্যে যে সকল মতবিরোধ হয়েছে তা সমাধানের জন্য।

মন্তব্য ৪ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (৪) মন্তব্য লিখুন

১| ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ বিকাল ৪:৪৫

রাজবন্দীর জবানবন্দী বলেছেন: আচ্ছা..! আমেরিকার সাথে তো আমাদের রাত দিনের ডিফারেন্স..! আমাদের দিন শেষ হলে ওদের দিন শুরু হয় । তাহলে দেখা যাচ্ছে একি সময় বা একি দিনে কোনটাই হচ্ছে না।
সময়ের মতো দিনের গরমিলটাও একটা স্বাভাবিক ব্যপার । এটা নিয়ে এতো হৈচৈ করেন কেন...?....!
আর বারবার একই জিনিস পোস্ট করেন কেন..?...!

২| ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ বিকাল ৪:৪৫

কবীর হুমায়ূন বলেছেন:
"একই দিনে সকল মুসলিমকে অবশ্যই সওম (রোজা) ও ঈদ পালন করতে হবে"



তা' হলে নামাজের সময় কোন নিয়ম মানা উচিৎ ?
সৌদী আরবের সাথে মিল রেখে কি নামাজ পড়া যাবে?

৩| ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ বিকাল ৫:৩৮

ত্রিভকাল বলেছেন: আপনার পোস্ট পড়ে আমি ঠিক বুঝে উঠতে পারিনি, আপনি কি একই দিনে পৃথিবীর সকল জায়গায় রোজা রাখার পক্ষে না বিপক্ষে। যদি পক্ষে হয়ে থাকেন তাহলে একটি প্রশ্ন আছে আমার, পৃথিবীর সকল জায়গায় সূর্যোদয় এবং সূর্যাস্ত একই সময়ে হয় না, কোন কোন জায়গায় ব্যবধান প্রায় একদিনের কাছাকাছি। সেক্ষেত্রে একই দিনে রোজা রাখা কিভাবে সম্ভব এবং কেন এটি যুক্তিক। আপনি হয়তো এর উত্তরে বলবেন বইটি পড়ার জন্য, যা আমার পক্ষে এই মুহূর্তে সম্ভব নয়। তাই দয়া করে যদি এক দুই লাইনে আমার প্রশ্নটির ব্যাক্ষ্যা করেন তাহলে উপক্রিত হবো।

৪| ১৯ শে নভেম্বর, ২০১২ সকাল ৮:৫৬

আজমল হক (আজম) বলেছেন: বিশ্বের মুসলিম উম্মাহ’র সকল ইবাদত একই দিনে

আস্‌সালামু আলাইকুম ওয়া রাহ্‌মাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু ওয়া মাগফিরাতুহ ।

বিষয়টি সমসাময়িক সময়ে খুবই জরুরী, গুরুত্বপূর্ণ যা প্রত্যেক মুসলিমকে চিন্তা ভাবনা করার ঈমানী দায়িত্ব । আল্লাহপাক বলেন-

‘জ্ঞানীরাই চিন্তা-ভাবনা করে’ (সূরা ইব্রাহীম-৫২)

এ যাবত অনেক ইসলামিক চিন্তাবিদ একই দিনে সিয়াম ঈদ পালনের জন্য লেকচার, বইয়ের মাধ্যমে প্রচারনা করে আসছে ।

অনেকে সৌদির সাথে এক হওয়ার কথা বলছেন……ইত্যাদি । কিন্তু সময়ের ব্যবধান কোন দেশে সন্ধ্যা, একই সময়ে অন্য দেশে সুবহে সাদিক!! …… ইত্যদি নানা সমস্যা আছে । এগুলোর সমাধান জন্য শরিয়া কি বলে বা কিভাবে সমাধান হবে ?

তার কোন সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবনা তাদের প্রচারনায় পাওয়া যায় না!!

আমি যথাসাধ্য কুরআন-হাদিসের রেফারেন্স, বিভিন্ন লেকচার, বই ঘেটে সকল সমস্যা সমাধানের সামান্য চেষ্টা করেছি ।

এটা গ্রহনযোগ্য কিনা তা জানার জন্য আপনারদের শরিয়া দলিল বা ব্যক্তিগত মত, প্রশ্ন, বা আরও কোন সমস্যা থাকলে জানানোর অনুরোধ জানাচ্ছি ।

আপনাদের সকলকে আমি আন্তরিকভাবে আমার সংগ্রহটি ১ম অংশ থেকে ৮ম অংশ (শেষ) পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে সম্পূর্ণ পড়ার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি ।

অনেক ব্যস্ততার মধ্যে আপনাদের মূল্যবান সময়ের জন্য এবং বার্তার কোন ভাষায় কষ্ট পেলে আমাকে আল্লাহ’র ওয়াস্তে ক্ষমা করবেন ।

বিস্তারিত দেখার জন্য অনুগ্রহ করে নীচের লিঙ্কগুলো ক্লিক করুন ।

১ম অংশ- Click This Link

১ম অংশে পাবেন- নামায কিভাবে একই দিনে হয় ? এর কিছু দলিল ।

২য় অংশ- Click This Link

২য় অংশে চাঁদ দেখার স্বাক্ষী কয়জন, কোথাকার তার দলিল পাবেন ।

৩য় অংশ- Click This Link

৩য় অংশে বিশ্বে চাঁদ দেখার বিভিন্নতা এবং একই ইবাদতের দিন দেশ অনুযায়ী ভিন্ন ভিন্ন হয় । এর কিছু তথ্য পাবেন ।

৪র্থ অংশ- Click This Link

৪র্থ অংশে প্রথম চাঁদ কোনটা গ্রহনযোগ্য এ নিয়ে বিশ্ব বরেণ্য ফেকাহ বিদ ও উল্লেখযোগ্য আলেমেদ্বীন্দের কিছু ফতোয়া ও দলিল পাবেন ।

৫ম অংশ- Click This Link

৫ম অংশে ৪ মাযহাবের ইমামদের ফতোয়া, দলিল এবং কেন তারা বাস্তবায়ন করতে পারেননি তার কিছু কথা পাবেন ।

৬ষ্ঠ অংশ- Click This Link

৬ষ্ঠ অংশে পূর্বে চাঁদ দেখার খবর কিভাবে পৌঁছানো হত এবং আধুনিক প্রচার মাধ্যম ব্যবহার করা যায় কিনা ? সৌদির সাথে এক করা কুরআন হাদিস অনুযায়ী কিনা এর কিছু সমাধানের দলিল পাবেন ।

৭ম অংশ- Click This Link

৭ম অংশে মক্কায় যখন সন্ধ্যা তক্ষণাৎ ১ম চাঁদের খবর প্রচার করা হলে অন্য দেশে তখন সুবহে সাদিক হবে । রমযানের তারাবী, সেহেরী, নিয়ত ঐ দেশের লোকেরা কিভাবে করবে ? এর কিছু সমসধানের দলিল পাবেন ।

৮ম অংশ- Click This Link

৮ম অংশে শেষ কথা ও (OIC) ও. আই. সি’র. কিছু তথ্য পাবেন ।

আল-কুরআন- তোমরা দ্বীনকে প্রতিষ্ঠিত কর এবং তাতে অনৈক্য সৃষ্টি কর না (আশ শুরা আয়াত ১৫);

তোমাদের নিকট যে জ্ঞান পৌঁছেছে তারপরও যদি তোমরা তাদের (কুরআন-হাদিস বহির্ভূত কারো কথা) মনের ইচ্ছা ও বাসনার (দলিল বিহীন মতবাদ) অনুসরণ কর তাহলে নিশ্চিত রুপে তোমরা যালিমদের মধ্যে গণ্য হবে (বাক্বারা আয়াত ১৪৫);

লেখাটি গ্রহনযোগ্য হলে প্রচার প্রকাশের জন্য আন্তরিকভাবে বিশেষ অনুরোধ করচ্ছি ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.