| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
‘আমি’ কিংবা ‘আমার’- এই শব্দ গুলোর মধ্যে যে আমিত্ত প্রকাশ পায় তা থেকে বের হয়ে আসা উচিত। আমিও চাই এই ‘আমিত্ত’ থেকে বের হয়ে আসতে। আমি বা আমার থেকে ‘আমরা কিংবা আমাদের’ মাঝে যেতে চাই। কিন্তু আমি আসলেই চাই?
ঠিক বুঝে উঠতে পারছি না। গতকাল রাত থেকে এই ব্যপার টা মাথায় ঘুরছে। আমিত্ত টা কি প্রয়োজন? নাকি আমিত্ত থেকে বের হয়ে আসা টা প্রয়োজন? আবার আমিত্ত থেকে বের হয়ে যাদের কে নিয়ে ‘আমাদের – আমরা’ বলব তাদের মনোভাবটাও তো খুব গুরুত্তপূর্ন। তাইবা আমি কিভাবে বুঝব?
সকাল টাও কাটলো চিন্তার সুতো বুনতে বুনতে। ভাবতে ভাবতেই যথারীতি টিউশনিতে গেলাম। এর পর আজ কেন যেনো বাসায় ফিরতে মন চাইলো না। একটা আপুর বাসায় গেলাম। অশান্ত মনটাকে শান্ত করার অনেক চেষ্টা চালালাম। কাজ হল না। খুব ইচ্ছে করছিল- দূর থেকে দূরান্তে হাড়িয়ে যাই। কারো হাতে নির্ভরতা খুজে পা ভিজিয়ে দাঁড়িয়ে থাকি নোনা জলে। কিংবা অন্তত একবার কাধে মাথা রেখে অনন্ত ঘুমে আচ্ছন্ন হই। ভাবতে ভাবতে আপুকে বাইরে ঘুরতে যাওয়ার ইচ্ছা টা প্রকাশ করলাম। দুপুরের পর আমরা দুজন বের হলাম। রিক্সা ভ্রমন শেষে নির্দিষ্ট্য জায়গায় যখন সবাই আসল তখন আস্তে আস্তে অশান্ত মন ভুলে গেলো কিছুক্ষনের জন্য, কি করে নিজেকে একা ভাবতে হয়। বেশি চিনি দিয়ে চা টা খেয়ে বুঝলাম, হয়ত খুজলেই আশ-পাশে পাব অস্থিরতা কমানোর মত কোমল ও নির্ভরতার হাত টা।
কিন্তু………………………………।।
মাঝে মাঝেই হাড়িয়ে যাচ্ছিলাম আমার জগতে। আমি চাইছিলাম আমাদের জগতে ফিরে আসতে। জানি না পেরেছিলাম কিনা। আপু সহ বিদায় নিলাম সবার কাছ থেকে। বিদায় টা বেশ মজার ছিল। নীড়ের পাখি ফিরে এল তার আপন নীড়ে। কিন্তু কি যেন ফেলে এসেছে। হুম মনে হয় স্থির ভাব টা। আবার সেই পুরোনো অস্থিরতার চোরাবালি গ্রাস করছে। অন্ধকার রা চেপে ধরতে চাইছে। আমি হাড়বো না। আলোর মুখ দেখা অব্দি অপেক্ষা করে বসে থাকব। আজ আমি আছি কেবল সকাল হবার প্রত্যয়ে।
©somewhere in net ltd.