| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
''মহিউদ্দীন খান আলমগীর সচিব ছিলেন, সরাসরি রাজনীতি করতেন সবই জানা ছিল। কিন্তু তিনি ১৯৭১ সালে রাজাকার রিক্রুটমেন্টের সরকারী দায়িত্ব পালন করতেন তা জাতি জানতো না। জানলেও প্রকাশ করা হয়নি। কাদের সিদ্দীকি সেটা প্রকাশ করলেন। মহিউদ্দীন খান আলমগীর পাকিস্তান আর্মির অধীনে ১৯৭১ সালে জেলা প্রশাসকের দায়িত্ব পালন করতেন এবং সেই জেলা প্রশাসকের অন্যতম কাজ ছিল রাজাকার রিক্রুট করা। তার নেতৃত্বে সংশ্লিষ্ট জেলায় রাজাকার নিয়োগ দেয়া হতো। তথ্যেটি কাদের সিদ্দীকি প্রকাশ করার পর মন্ত্রী কোন প্রতিবাদ করেন নি। অর্থাৎ কাদের সিদ্দীকি যা বলেছেন তা পুরোপুরি সত্য। পুরো পরিবার ১৯৭১ সালে পাকিস্তান আর্মির অধীনে চাকুরী করে, পাকিস্তানের চুড়ান্ত অনুগত থেকে, পাকিস্তান আর্মির ঘাটিতে বসবাস করে, তাদেরকে সহযোগীতা করে, রাজাকার নিয়োগের দায়িত্ব পালন করে, স্বাধীন বাংলাদেশে তারা সবাই স্বাধীনতার
চেতনাবাহী! একেই বলে ভাগ্য! তারাই এখন যুদ্ধাপরাধের বিচারের মূল সৈনিক ও স্ক্রীপ্ট লেখক! ওদের দিয়েই স্বাধীনতার চেতনার বাস্তবায়ন করবেন শেখ হাসিনা।''
------------সংগৃহীত
২|
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সকাল ৯:১৩
চৌকশ বলেছেন: শাহাবাগের প্ল্যাটফর্ম থেকে ।এইসব লুকিয়ে থাকা রাজাকারদের মুখোস উম্মোচন করে দেয়া উচিত । চাচাতো ভাই, বেয়াই যত সম্পর্ক আছে, সবাইকে বয়কট করতে হবে । যে দল করবে না, জনগন তাদেরকেই বয়কট করবে ।
৩|
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সকাল ৯:১৫
মো ঃ আবু সাঈদ বলেছেন: আম্লীগে গেলে কেউ আর রাজাকার থাকতে পারে না। ঠিক যেমন সেই দল হতে কোন মুক্তিযোদ্ধা বের বা বহিস্কার হলে সে আর মুক্তিযোদ্ধা থাকতে পারে না। আপনি হাসিনার সার্টিফিকেটের বিরুদ্ধে বলার জন্য আপনার রাষ্ট্রদ্রুহ মামলা হইবেক
(
৪|
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সকাল ৯:১৯
ভুলামন বলেছেন: ৪২ বছর ধরে আজ অবধি বাঙালি জাতি, কলঙ্কের বুঝা বয়ে চলেছে, এই অধ্যায় শাহবাগ আন্দোলনের মধ্য দিয়ে শেষ হতে হবে। তাই সব প্রশ্নের জবাব চাই আমরা।
৫|
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সকাল ৯:৩৫
রাফা বলেছেন: আমরা চাইবো আওয়ামি লীগ সরকার এদের বিচার না করলেও অন্য দলের সরকার আসলে এদের বিচার করুক।
সাথে সাথে অন্য কোন দলে সরকার কর্মচারি থাকলে তাদেরও বিচার করবে আশা করি ।
এমন কি সামরিক বাহিনিতে থাকলে তার বিচারও করা হবে আশা করি।
৬|
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সকাল ৯:৪২
kawser বলেছেন: এখনি সময় এসেছে আপনি যদি রাজাকার থাকেন তাহলে চুপ থাকেন না। কথা বলে। আপনার অবস্থান পরিস্কার করুন।
৭|
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সকাল ৯:৫৯
মিজান আফতাব বলেছেন: আমার জানা মতে তিনি কোন মানবতাবিরোধী কাজের সাথে জড়িত ছিলেন না। কারণ হত্যা, নির্যাতন, ধর্ষন ইত্যাদি ইত্যাদি কাজের কোন প্রমাণ এ পর্যন্ত পাওয়া যায় নি। কোন পরিবারের পক্ষ থেকে এ ধরণের কাজের আভিযোগও তার নামে নেই। আমার এই লেখাটা আপনার কাজে আসবে।
Click This Link
তবে যদি তার নামে মানবতাবিরোধী কাজের প্রমাণ পাওয়া যায় তবে কোন শর্তেই তাকে ক্ষমা নয় ... নিজামী গো আযম মুজাহিদ কাদের গং দের যেই শাস্তি তাকেও সেটা পেতে হবে।
৮|
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সকাল ১০:৪৮
ক্যাপ্টেন ম্যাকক্লাস্কি বলেছেন:
উদ্ভাসিত বলেছেন: মখা ছিল চাঁদপুরের ডিসি যুদ্ধচলাকালীন সময়ের আগে, পরে পাকি আর্মি ক্ষমতা বুঝে নেয় এর কাছ থেকে। আমাদের এরিয়া চাঁদপুর। আঠার বছর থাকসি চাঁদপুরে, কখনও কেউ মখারে রাজাকার ডাকে নাই। ওই বেটারে রাজাকার বলতে হলে তো আগে এমকে আনোয়ারকে বলতে হবে যুদ্ধাপরাধী। আনোয়ার ঢাকার ডিসি ছিল।
"১৯৭১ সালে যখন সারা দেশে পাকিস্থানী অফিসাররা জেলায় জেলায় ডিসির দায়িত্ব পালন করেছেন, সেখানে বাঙ্গালী এমকে আনোয়ার পাকিস্থানীদের এতটাই বিশ্বাসভাজন ছিলেন যে মুক্তিযুদ্ধের পুরোটা সময় পাকিস্থানীদের পক্ষে ঢাকা জেলার ডিসি হিসেবে প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করেছেন। তার পাকিস্থান প্রীতি ও কওমের সেবাতে মুগ্ধ হয়ে পাকিস্থান সরকার তাকে """তঘমায়ে পাকিস্তান""" উপাধিতে ভূষিত করে। "
হাসিনার বেয়াইএর টা বলতে পারি না। শুধু শুনসি বেয়াই বেটার বাপ নাকি শান্তি কমিটিতে ছিল।
©somewhere in net ltd.
১|
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সকাল ৯:১১
বাকাট্টা বলেছেন: আম্লীগে গেলে কেউ আর রাজাকার থাকতে পারে না। ঠিক যেমন সেই দল হতে কোন মুক্তিযোদ্ধা বের বা বহিস্কার হলে সে আর মুক্তিযোদ্ধা থাকতে পারে না। আপনি হাসিনার সার্টিফিকেটের বিরুদ্ধে বলার জন্য আপনার রাষ্ট্রদ্রুহ মামলা হইবেক