| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
জানেন কি ? বাংলাদেশ নাকি বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত মুসলিম দেশ !এটা কিভাবে সম্ভব যেদেশের একজন সিনিয়র মন্ত্রী ইসলামের স্তম্ভ যার উপর ইসলামের ভিত্তি এমন বিষয়কে নিয়ে কটুক্তি করার পর সেদেশের সরকার তার বিরুদ্ধে সিন্ধান্ত নিতে দ্বিধাবোধ করে ? হজ্জের মত একটা গুরুত্বপূর্ণ বিধানকে নিয়ে কিভাবে বাজে মন্তব্য করেন ? পৃথীবির মানুষ যখন গভীর অন্ধকারে নিমজ্জিত তখনও পর্যন্ত সেকালের আরবের কাফেররা রাসূলে আরবি মুহাম্মাদুর রসূল (সা ) এর অানিত কোন বিধান সম্পর্কে সমালোচনা করতে ভয় পেত, সেই আন্ধকার যুগতো এখন আর নেই ! মানুষের মাঝে ইসলামের শ্বশত বানী সে্ই চদ্দশত বসর পূর্বে থেকে যেই রাসূলের দ্বারা প্রতিটি ঘরে ঘরে প্রবেশ করেছে , আর সেই রাসূল নাকি আরবের আসহায় মানুষকে আর্থিকভাবে লাভবান করার জন্য হজ্জের মত একটা অনর্থক বিধান চালু করেছেন। এমন মন্তব্য একটা মুসলিম দেশের মন্ত্রী কিভাবে করতে পারেন ? তবে কি আমরা নামে মাত্র একটি মুসলিম দেশে বাস করছি ? আপনি কি বলবেন মুসলিম দেশ ঠিকই আছে ? তবে মন্ত্রীর ইসলাম প্রতি বিদ্বেশই তার মূল কারণ । তাহলে যেদেশের সরকার তাহাজ্জুদ নামাজ পড়েন বলে জনসম্মুখে প্রচার করেন । সেই সরকারই বা তাঁর মন্ত্রী পরিষদে এমন ইসলাম বিদ্বেশী মন্ত্রী কিভাবে স্থান দেন ? তাহলে কি বলবো সরকার ইসলাম বিদ্বেশীদের মদদদাতা ? বা সরকার মুখে একটা বলেন কিন্তু কাজে অন্যটা করেন ? তাহলেতো এটা মুনাফিকের আলামত ! তবে আমরাই বা মুসলমান হিসেবে আমাদের ঈমানী দায়িত্ব কতটুকু পালন করলাম ? ইসলামের স্তম্ভ কেন ? সামান্যতম একটা বিধানকে নিয়ে সমালোচনা করার সাথে সাথে আমাদের উচিত তার দাত ভা্ঙ্গা জবাব দেয়া, সাথে সাথে ঈমানী চেতনায় গর্জে উঠা । সরকারকে ব্যবস্থা্ নিতে বাধ্য করা । হায় ! কোথায় আমরা আজ মুসলমানরা ? কোথায় আমাদের ঈমান ? একের পর এক ইসলাম ধর্মের উপর আঘাত সহ্য করে কি আমাদের বেচে থাকতে হবে ? জানিনা এদেশে ইসলাম নিয়ে টিকে থাকা যাবে কি না ?
ভেঙ্গে দাও সেই শাসকের মসনদ ,যারা ইসলামকে নিয়ে কটুক্তিকারীদের দেয় মদদ, যারা জনসম্মুখে নিজেদের ভন্ডামীকে প্রকাশ করতে করেনা দ্বিধা । ( It's time to awake )
৩০ শে নভেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:৪৬
জারাছিম বলেছেন: আপনার কথার অর্থ হলো , পৃথীবিতে যে যেভাবে পারে সেভাবে অন্যায় অপরাধ করবে, তবে কেউ তার প্রতিবাদ করবে না ? কেউ তার বিরুদ্ধে মুখ খুলবে না ? তাহলেতো ভালই হতো !
ইসলামে আল্লাহ পাক শাস্তিকে দুভাগে ভাগ করে দিয়েছেন , কিছু শাস্তি দুুনিয়াতে প্রধান করা হবে আর কিছু শাস্তি মরার পর আল্লাহ প্রদান করবেন । (ইসলামের হুদুদ সম্পর্কে জানার জন্য আপনাকে অনুরোধ করা হলো) ।
২|
৩০ শে নভেম্বর, ২০১৪ রাত ৮:০১
দ্যা ফ্রীল্যান্সার বলেছেন: লেখক বলেছেন: আপনার কথার অর্থ হলো , পৃথীবিতে যে যেভাবে পারে সেভাবে অন্যায় অপরাধ করবে, তবে কেউ তার প্রতিবাদ করবে না ? কেউ তার বিরুদ্ধে মুখ খুলবে না ? তাহলেতো ভালই হতো !
আল্লাহ যদি মানুষের সকল অপরাধ, সকল অপকর্ম নিরবে সহ্য করে যেতে পারেন, তাহলে আপনি পারবেন না কেন? আবার তো বলেন: "তোমরা আল্লাহর রঙে নিজেদের রাঙাও"! সত্যি আপনারা মানে ধার্মিকরা মারাত্মক ভন্ড।
৩০ শে নভেম্বর, ২০১৪ রাত ১০:১২
জারাছিম বলেছেন: দ্যা ফ্রীল্যান্সার, "তোমরা আল্লাহর রঙে নিজেদের রাঙাও" ভালভাবে এর ব্যাখ্যা জানুন। আল্লাহতো সকল কিছু সহ্য করে আছেনই । আল্লাহর শাস্তিতো পরকালে দেয়া হবে। তবে তাই বলে দুনিয়ার শাস্তি হতে আপনি রেহায় পাবনে না। এটাও আল্লাহর বিধান ।
৩|
৩০ শে নভেম্বর, ২০১৪ রাত ৮:০২
খেলাঘর বলেছেন:
"(ইসলামের হুদুদ সম্পর্কে জানার জন্য আপনাকে অনুরোধ করা হলো) । "
-ইসলামের হুদুদ মুদুদ পাকিস্তানে, আফগানিস্তানে, বাংলাদেশে নয়; বাংলাদেশে সাংবিধানিক আইন।
৪|
৩০ শে নভেম্বর, ২০১৪ রাত ৮:২০
সামুরাই০০৮ বলেছেন: এখানে সবার মন্তব্য পড়ে মনে হচ্ছে আমরা আসলেই নামেই মুসলিম।
৫|
৩০ শে নভেম্বর, ২০১৪ রাত ৮:৪০
খেলাঘর বলেছেন: @সামুরাই০০৮ ,
আপনি কিভাবে আলাদা স্পেসিস?
৬|
০১ লা ডিসেম্বর, ২০১৪ রাত ১:২১
দ্যা ফ্রীল্যান্সার বলেছেন: আল্লাহ কি দুনিয়াতে শাস্তি দিতে সক্ষম?
০১ লা ডিসেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৬:১৮
জারাছিম বলেছেন: আল্লাহ এমন কোন জিনিস নেই যা পারেন না । আল্লাহ সর্বশক্তিমান ।
৭|
০২ রা ডিসেম্বর, ২০১৪ সকাল ১১:০০
দ্যা ফ্রীল্যান্সার বলেছেন: লেখক বলেছেন: আল্লাহ এমন কোন জিনিস নেই যা পারেন না । আল্লাহ সর্বশক্তিমান।
বাস্তবতা তো তা বলে না।
©somewhere in net ltd.
১|
৩০ শে নভেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:২৯
খেলাঘর বলেছেন:
ইসলামের বিরু্দ্ধে কথা বললে আল্লাহ ও নবী ব্যবস্হা নেবেন; আপনি শান্ত হোন।
সরকার আল্লাহ ও নবী থেকে বড় নয়; বিচারের ভার আল্লাহের উপর ছেড়ে দেন; আল্লাহের উপর আপনার ইমান কমে গেছে।