| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আজ বিশ্ব বিবেক দিশেহারা , চারো দিকে একই স্বর, ইভটিজিং আর মাদক আতংক ! এটা এমন এক ব্যাধি যা সমস্ত পৃথীবির শাসকগোষ্ঠির ঘুম হারাম করার পাশ্বপাশি জনসাধারণের মাঝে উদ্বেগ ও উৎকন্ঠার জন্ম দিয়েছে।
তা হতে জাতীকে পরিত্রাণের উপায় !
আইন প্রনয়ণ করা ।
জন সচেতনতার জন্য কোটি-কোটি কাটা ব্যয় করা।
আইন শৃংখলা বাহিনীর তৎপর হওয়া ইত্যাদি ।
আদৌ কি সম্ভব এভাবে জাতীকে এ ধরণের জীবন ধ্বংসকারী অপরাধ হতে পরিত্রাণ দেয়া ? যেভাবে আমাদের সমাজে অশ্লীলতা বেড়ে চলেছে তাতে কি ইভটিজিং প্রতিরোধ সম্ভব ? তবে মাদক ইভটিজিং হতেও আরো ভয়াবহ আকারে বেড়ে চলছে।
বিশেষ করে মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে-মেয়ে থেকে উচ্চ পরিবারের ছেলে-মেয়েদের মাঝে অবাধে তা বিস্তার করছে। এটা দিবালকের ন্যয় স্পষ্ট যে,এ প্রকার অপকর্মে নতুন প্রজন্ম প্রতিযোগীতামূলক ভাবে এগিয়ে আছে। সচেতন প্রতিটি পরিবারের মাঝেই উদ্বেগ আর উৎকন্ঠার শেষ নেই । কিন্তু সচেতন মানুষ হিসেবে আপনি কি একবারও ভেবে দেখেছেন আপনার সন্তানের এ অবস্থায় জন্য কে দায়ী ?
তবে জরিপ বলছে, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর ছাত্র-ছাত্রীরা এ ধরনের অপরাধের সাথে তাদের সামান্য পরিমানও অংশ গ্রহন নেই। সচেতন নাগরীক হিসেবে আপনাকে এর সত্যতা যাচাই করে দেখার জন্য অনুরোধ রইল।
সুতরাং আপনার সন্তানের চরিত্র গঠনে আপনাকে সর্বপ্রথম প্রধান ভূমিকা পালন করতে হবে। সরকার কোটি টাকা ও যত আইন প্রনয়ন করুন না কেন এ ধরনের অপরাধ হতে বেচে থাকতে হলে সরকারকে অবশ্যই ধর্মীয় বিধান বাস্তাবায়ন করতে হবে। আপনাকে সে বিধান মেনে চলতে হবে। চরিত্র গঠনে ও আমাদের সমাজকে মাদক ও ইভটিজিং এর মত ভয়াবহ ব্যাধি হতে রক্ষা করতে ধর্মীয় অনুশাসনই প্রধান ভূমিকা হিসেবে কাজ করতে পারে। আমি মনে করি সরকার কেন? প্রতিটি নাগরিকই এটুকু সত্য আগে থেকেই জানেন। কিন্তু তার পরও উল্টো পথে সিন্ধান্ত নেয়া কি বোকামী নয় । আপনি কি আপনার সন্তানের চারিত্রিক অধপতনের জন্য দায়ী নন ? এ অপরাধের দায় ভার আপনাকেই বহন করতে হবে। অন্যথায় আপনার সন্তানকে ধর্মীয় অনুশাসনে পারিচালিত করুন। তাহলে আপনাকে আপনার কন্যাসন্তানের ইভটিজিং এর শিকার হওয়া নিয়ে ভয় পেতে হবে না । আপনার সন্তান মাদকের মত জীবন ধ্বংসকারী অপরাধে জড়িত হওয়া নিয়ে চিন্তা করতে হবে না । এভাবে আর কোন শাসকগোষ্ঠিকে আর ঘুম হারাম করতে হবে না ।
©somewhere in net ltd.
১|
০৩ রা ডিসেম্বর, ২০১৪ সকাল ৮:১৮
খেলাঘর বলেছেন:
সোমালিয়া ও আফগানিস্তান আপনার ঠিকানা