| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
পুলিশের উপর যেভাবে হামলা চালাচ্ছে জামায়াত-শিবির তাতে এটা হয়তো স্পষ্ট যে তারা চায় সরকার বাধ্য হয়ে দেশে মিলিটারি নামাক..মিলিটারি আসলে কি হয় তা তো সবাই জানে..একটা ভালো জিনিস ঘটার আশা থাকে, অন্তত আমার, সেটা হলো সব করাপ্ট রাজনীতি-দুর্নীতিবাজদের চিরতরে নির্মুল করার একটা সুযোগ..কিন্তু মিলিটারির মাঝেও করাপশন, ক্ষমতার লোভ আর বিদেশী ক্ষমতাধর বড় ভাইদের (যাদের প্রত্যেকেই এদেশের কোনো না কোনো করাপ্ট রাজনীতিকদের স্নেহের চোখে দেখে থাকেন) আগ্রাসনী প্রকোপে এবং আমাদের নিরীহ বাঙালির স্বাধীনতা(!)র পথে বিরাট বাধা হয়ে দাঁড়ানোর ভয়টা থেকে যায় বলেই করাপশন পুরোপুরি নির্মুল করাটা কখনোই সম্ভব হবে না মিলিটারির পক্ষেও। আর তাই আমার এই দেশের জন্য মিলিটারি খুব ভালো কনসেপ্ট না। এমতাবস্থায় আমি হতবাক..উপায় হয়তো একটাই, জনগণকেই একাত্ম হয়ে জামাত-শিবিরের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে..পুলিশদের রক্ষা করতে হবে, যাতে মিলিটারি নামার মত অবস্থা সৃষ্টি না হয়। প্রয়োজনে সশস্ত্র সংগ্রামই করতে হবে.. হ্যাঁ, এটা যেহেতু মুক্তিযুদ্ধ, আর জামাত-শিবির যেহেতু কলম-কীবোর্ডে সীমাবদ্ধ না থেকে অস্ত্র হাতে মাঠে আছে, তাই বাঙালিকেও অস্ত্র হাতেই মুক্তিযুদ্ধে নামতে হবে বৈকি.. জয় বাংলা.. বঙ্গবন্ধু থাকলে অবশ্যই বলতেন.. এবারের সংগ্রাম, বাংলাদেশ রক্ষার সংগ্রাম..
©somewhere in net ltd.
১|
০৩ রা মার্চ, ২০১৩ সকাল ১০:১৭
হাবিব০৪২০০২ বলেছেন: ক্ষমতাসীন ব্যক্তিদের এক শাহবাগ দিয়ে সারা দেশকে কল্পনা করা ঠিক নয়, এছাড়াও ভুলে যাওয়া উচিত নয় শহরের কোট-টাই পরা লোকজন পুলিশের হুমকিতে পুতু পুতু করলেও গ্রামের লুঙ্গি পরা লোকজনকে দমানো যাবে না, এদের ভালভাবে বুঝিয়ে শুনিয়ে থামাতে হবে অন্যথায় এদের হুঙ্কারে প্রত্যন্ত এলাকায় ডিউটিরত পুলিশদের খবর হয়ে যাবে