| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
জহুরুল ইসলাম মিলন
আমি মানুষ। এটাই আমার পরিচয়।।।

"থানা থেকে আসছি" (২০১০)
মেঘ ডাকছে, ঝুম ঝুম বৃষ্টিও হচ্ছে। টিমটিমে আলোয় এক নারী ড্রয়ার খুলে ব্লেড বের করে সোফায় বসে আছে অপলক দৃষ্টিতে। কয়েক মুহূর্ত পরে আমরা (দর্শক) শুনতে পাই হাত কাটার শব্দ। হ্যা, আত্মহত্যা!!
অন্যদিকে শহরে কোন এক বাড়ীতে চলছে বিলাস বহুল অনুষ্ঠান। বিশিষ্ট ব্যবসায়ী অমরনাথ মল্লিকের মেয়ের বিয়ের এংগেইজমেন্ট। দুটি পৃথক জায়গা, পৃথক পরিবেশ, পৃথক ঘটনা। সম্পর্ক কী হতে পারে?
যাইহোক, এরপর অনুষ্ঠান শেষে অমরনাথ মল্লিকের স্ত্রী সুতপা মল্লিক,একমাত্র ছেলে অরিন, মেয়ে রিনিতা এবং মেয়ের হবু জামাই রজত বসে গল্প গুজব করছে। এমন সময় আমরা দেখতে পাই থানা থেকে “তিনকড়ি হালদার” নামে একজন পুলিশ অফিসার সেখানে উপস্থিত হন। একটি ডায়েরি হাতে অফিসার বলেন এক বস্তিতে সন্ধ্যা মন্ডল নামে একজন আত্মহত্যা করেছে। তার পাশ থেকেই ডায়েরিটা পাওয়া গেছে। যেখানে তার আত্মহত্যার কারন বর্ননা দেয়া আছে এবং ডায়রীতে তাদের সবার নাম আলাদা ভাবে উল্লেখ করা আছে। এরপরেই শুরু হয় সেখানে উপস্থিত সকলের সাথে সেই আত্মহননের চাঞ্চল্যকর যোগসুত্র।
এভাবেই এগোতে থাকে গল্প। ঠিক গল্প নয়, জাদু বলতে পারেন। কিভাবে আপনি সিনেমায় ঢুকে যাবেন টের ই পাবেন না। ট্র্যাজেডিক ঘটনায় গল্পকার দেখিয়ে গেছেন আমাদের আশেপাশে ভদ্রতার আড়ালে লুকিয়ে থাকা কিছু মানুষের কুৎসিত রূপ। নিম্নবিত্ত মানু্ষের বেঁচে থাকার লড়াই। নিম্নবিত্ত পরিবারের তরুণী “সন্ধ্যা মন্ডল” যেন এই সমাজের সকল নিপীড়িত মানুষেরই অবয়ব।
অভিনয়!!?
গল্পের আবহে ঘরের সোফাটিও যেন অভিনয় করে গেছে।
পাওলি দাম ছিলেন অনবদ্য। পুরো সিনেমায় খুব কম ডায়লগ ছিল তার। সত্যি বলতে তার চাহনিতেই যেন সব কথা ফুটে উঠেছে। (অবহেলা, কষ্ট, সব সয়ে যাওয়া/মেনে নেয়া)
যার কথা না বললেই নয়- সব্যসাচী চক্রবর্তী। পুরো সিনেমায় রস দিয়ে গেছেন তার অভিনয়, বাচনভংগী দিয়ে। রুদ্রনীল, পরমব্রত প্রমুখের অভিনয় ছিল দেখার মত। তারা সবাই যেন সবার জায়গায় সেরাটাই দিয়ে গেছেন।
ড্রামা, থ্রিলার জনরার সিনেমা হলেও আমার কাছে এটি কেন জানি কোর্ট রুম ড্রামা মনে হয়েছে।
১ ঘণ্টা ৫০ মিনিটের সিনেমা শুরু করবেন ঠিক আছে, কিন্তু দেখতে দেখতে কখন ফুরিয়ে যাবে বুঝবেনই না।
দেখার আমন্ত্রণ রইল। আশা করছি নিরাশ হবেন না।
২|
০৩ রা অক্টোবর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:২২
ফারিহা হোসেন প্রভা বলেছেন: ধন্যবাদ রিভিউর জন্য। দেখবো দেখবো।
৩|
০৩ রা অক্টোবর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৩৯
জহুরুল ইসলাম মিলন বলেছেন:
![]()
৪|
০৩ রা অক্টোবর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:২১
প্রশ্নবোধক (?) বলেছেন: আগে দেখি । তারপর মন্তব্য করব।
৫|
০৩ রা অক্টোবর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৪৩
জহুরুল ইসলাম মিলন বলেছেন: প্রশ্নবোধক (?)
অপেক্ষায় রইলাম!!! ![]()
৬|
০৩ রা অক্টোবর, ২০১৮ রাত ৯:১৫
যুক্তি না নিলে যুক্তি দাও বলেছেন: #ফেসবুকে দেখলাম একজন পোস্ট দিয়েছে যে কোন মুভির নামের শেষে বাথরুম শব্দ যোগ করতে, যোগ করে বেশ মজা পেলাম।
# মুভি রিভিউ বেশ লাগল, ধন্যবাদ
৭|
০৩ রা অক্টোবর, ২০১৮ রাত ৯:৩৩
রাজীব নুর বলেছেন: দেখেছি। এটাও দেখেছি। আগের পুরানটাও দেখেছি। যেটা উত্তমকুমার অভিনয় করেছে।
৮|
০৪ ঠা অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ১০:৪২
আতোয়ার রহমান বাংলা বলেছেন: রিভিউ পড়ে দেখতে মন চাইলো, আজ দেখবো। ধন্যবাদ শেয়ার করার জন্য
০৪ ঠা অক্টোবর, ২০১৮ দুপুর ১২:২৭
জহুরুল ইসলাম মিলন বলেছেন: লেখকের লেখা সার্থক!!!
![]()
৯|
০৪ ঠা অক্টোবর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৩৬
প্রশ্নবোধক (?) বলেছেন: পাওলি দামের অভিনয় অনবদ্য। পরমব্রতের টা মানান সই। রুদ্রনীল ঘোষের অভিনয়টা বাড়াবাড়ি না হয়ে পাগলামির দিকে মোড় নিয়েছে, যা রুদ্রনীলের মত একজন বলিষ্ঠ অভিনেতার ক্ষেত্রে দৃষ্টিকটু মনে হয়েছে।
সব্যসাচী? অসাম অসাম......।।
©somewhere in net ltd.
১|
০৩ রা অক্টোবর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:১০
তারেক ফাহিম বলেছেন: ২০১০ সালেই দেখছি সম্ভবত।
সিনেমার নামটি এখনও মনে আছে।
ব্লগে দেখতে পাওয়ায় পুণরায় অনুভব হল।
রিভিউ ভালো হয়েছে।
শেয়ারে ধন্যবাদ।