নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

\"আমি জন্মেছি বাংলায় আমি বাংলায় কথা বলি।আমি বাংলার আলপথ দিয়ে, হাজার বছর চলি। আমি বাঙালি.....

জহুরুল ইসলাম মিলন

আমি মানুষ। এটাই আমার পরিচয়।।।

জহুরুল ইসলাম মিলন › বিস্তারিত পোস্টঃ

সিনেমা রিভিউ - The Secret Life of Walter Mitty (2013)

০৮ ই অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ১১:৫৯



"The Secret Life of Walter Mitty" (2013)
আমরা সচরাচর যে মুভি গুলো দেখি সেগুলো মূলত কাহিনী নির্ভর হয়ে থাকে। অথবা বিভিন্ন জনরা যেমন- sci-fi একশন, কমেডি, রোমান্স ইত্যাদি। এগুলোর মধ্যে কিছু মুভি হয়তো অ্যাকশন বা কমেডি বা রোমান্টিকতা নতুবা থ্রিল থাকার কারণে আমাদের মনের মধ্যে জায়গা করে নেয়।
সাধারণত বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মুভি দেখার সময় আমাদের মাথায় বারবার কিছু প্রশ্ন ঘোরাফেরা করে যেমন- এরপর কাহিনী কোন দিকে মোড় নেবে? রহস্যের জট কিভাবে খুলবে? শেষে একটা বিশাল টুইস্ট আসছে অথবা ভিলেনকে নায়ক কিভাবে ধরাশায়ী করবে ইত্যাদি ইত্যাদি। একটা মুভি তখনই সার্থক হয় যখন সেটি দর্শককে মুভির সাথে আঁকড়ে রাখতে পারে। এবং ঐ প্রশ্নগুলো যখন একজন দর্শক মুভির মধ্যে খুঁজতে থাকে তখনই এটির সার্থকতা আসে।
আবার কোন কোন ক্ষেত্রে মেকিং, স্ক্রীন প্লে, ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক, ডিরেকশন এগুলো দেখেও আমরা মুভির প্রেমে পড়ে যাই। ঠিক এ রকমই একটি মুভি "The Secret Life of Walter Mitty"
শুধু স্ক্রিন প্লে, মেকিং, ডিরেকশন দিয়ে কিভাবে মানুষকে প্রায় দুই ঘন্টা একটি মুভিতে অপলক দৃষ্টিতে বসিয়ে রাখা যায় সেটি এই মুভি না দেখলে বোঝা যাবে না। ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক এবং পরের দৃশ্যটা কি বা কেমন হবে এই দুটি কারণই যথেষ্ট মুভিটি দেখার জন্য।
পরিচালকের দায়িত্ব বা মূল চরিত্রে অভিনয় সব মিলিয়ে বেন স্টিলার নিজেকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন এই মুভিতে। বেন স্টিলার কমেডি ধাঁচের অভিনেতা হলেও এরকম একটা চরিত্রে নিজেকে বলতে গেলে চমৎকার (ভয়ংকর সুন্দর ) ভাবে উপস্থাপন করেছেন।
এবার আসি প্লটে:
লাইফ ম্যাগাজিনের ছবি সম্পাদনা বিভাগে কাজ করেন ওয়াল্টার মিটি। খুব সাদাসিধে টাইপের, আম জনতাদের মধ্যে একজন বলতে পারেন। কিন্তু কল্পনা জগতের রাজা এই মানুষটি মাঝে মাঝেই কল্পনাতে নিজেকে হারিয়ে ফেলেন। একই ম্যাগাজিনে কাজ করেন শেরিল মেলহফ নামে একজন মহিলা (মিটির ক্রাশ)। যাকে তিনি ডেটে নিয়ে যেতে চান। কিন্তু বলতে পারেন না। সেটিও সেই কল্পনাতেই আবদ্ধ।
ম্যাগাজিনের শেষ প্রকাশনার প্রচ্ছদ এর জন্য শন ও কনর নামে বিখ্যাত চিত্রগ্রাহকের পাঠানো একটি নেগেটিভ উধাও হয়ে যায়। সেটির খোজ পেতে বা শন ও কনর আদৌ পাঠিয়েছিলেন কিনা তা জানতে মিটি বেরিয়ে পরেন প্রকৃতিপ্রেমী সেই শনকে খুঁজতে। হ্যাঁ, বলতে গেলে এখান থেকেই শুরু হয় মুভিটি। এরপর যা দেখবেন তাতে নিজেকে বারবার হারিয়ে ফেলবেন এটা আমি হলফ করে বলতে পারি। সত্যি বলতে, পুরো কাহিনী বলে দিয়ে আপনাকে স্ক্রিনের সামনে বসিয়ে দিলে আমার মনে হয় না এক বিন্দু পরিমান বিরক্ত হবেন বা খারাপ লাগবে। ঠান্ডা মেজাজের মুভিটি শেষ করে তৃপ্তির ঢেকুর আসবে এটা বলাই বাহুল্য।
একশন, মার মার, কাট কাট মুভি প্রেমীদের হয়তো ভালো নাও লাগতে পারে।
যান্ত্রিকতায় হারিয়ে যাচ্ছেন, প্রকৃতিপ্রেমী, প্রকৃতিতে একটু ডুব দিয়ে আসতে চান, ভ্রমণ ভালোবাসেন, ভাবছেন একবার সুযোগ পেলেই বেরিয়ে পড়বেন দুনিয়াটা দেখতে।
সেই ইচ্ছে গুলোকে জাগিয়ে তুলবে আবার
"The Secret Life of Walter Mitty"
"Stop dreaming, start living"

মন্তব্য ৩ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (৩) মন্তব্য লিখুন

১| ০৮ ই অক্টোবর, ২০১৮ বিকাল ৩:১৮

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন: মন্দ নয়।

২| ০৮ ই অক্টোবর, ২০১৮ বিকাল ৩:৫৩

সনেট কবি বলেছেন: বেশ

৩| ০৮ ই অক্টোবর, ২০১৮ রাত ১০:২২

রাজীব নুর বলেছেন: মুভিটা এখনই দেখব।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.