নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ব্লগ আর মডারেটর, কে কার অলংকার

অতি দক্ষ মিথ্যুক না হলে সত্যবাদিতা উৎকৃষ্ট পন্থা

রাসেল ( ........)

অনেক অনেক চেষ্টা হয়েছে ব্লগানোর বাংলা করা নিয়ে, আমার এখন ব্লগের নতুন বাংলা করতে ইচ্ছা করলো তাই দিলাম এর নাম নেটনামচা- আর এই ধারাবাহিক নেটনামচা ধরে রাখা হবে নেটনামায়- সত্য বড় কঠিন, সত্য বড় কঠোর,সত্য শক্তসমর্থ সত্যের হোগামারা খাইলে যাদের মাথা আউলাইয়া যায় তাগোর জন্য বলি আমি মিথ্যার হোগা মারি, মিথ্যা কইয়া হোগা মারা পছন্দ করি না। সুজন সামলে নায়ে উঠো, মাঝবদীতে পড়লে আমার দায় নেই। এটা বড়দের জন্য পদ্য পদ্য খেলার একটা পাতা, যারা সস্তা অশ্লিলতা খুজছেন চলে যান নীলক্ষেতের চিপায়, তেমন সস্তা আদিরস আমি করি না। কিন্তু মাঝে মাঝে কবিতার খাতিরে যৌনবিষয়ক আলাপন চলে আসতে পারে, পরিশেষে ধন্যবাদ মুখফোড় সুমন চৌধুরি কে। আমরা অনেক পদ্য করবো ছাতিম গাছের তলে, আমরা নিত্য শংকর খাবো ব্যোম ভোলানাথ বলে।

রাসেল ( ........) › বিস্তারিত পোস্টঃ

ইনসেস্ট হওয়ার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে বিশ্ব?

০১ লা জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৫

উডি এলেন এবং তার প্রাক্তন স্ত্রীর পালক কন্যার প্রেম, বিবাহ একটা সময়ে ব্যপক আলোড়ন তুলেছিলো সংবাদপত্রে, যদিও এটা নিষিদ্ধ হওয়ার মতো কোনো সম্পর্ক ছিলো না, বরং পালক পিতা-মাতা সম্পর্কে যে শুদ্ধতার বোধ কাজ করতো মানুষের ভেতরে, সেই শুদ্ধতার বোধকে আহত করেছে।



আয়ারল্যান্ডের রাজধানী ডাবলিন ১৯৯৭ সাল থেকে সেখানে সংঘটিত ধর্ষণ ও শিশু নির্যাতনের অভিযোগের পরিসংখ্যান প্রকাশ করছে- ১৯৯৭ সনে শতকরা ৩৫ শতাংশ শিশুর যৌন নিপীড়ক ছিলো তার বাবা, ভাই এবং মা।

১৯৯৮ সালে সে সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৪৫ শতাংশ, এবং ১৯৯৯ সালে সেটা ৪৫ শতাংশেই স্থির থাকে, সেই পরিসংখ্যান বলছে ডাবলিন শহরে শিশুদের যৌন নিপীড়নের প্রায় অর্ধেকই সংঘটিত হচ্ছে পরিবারের সদস্যদের হাতে , যাদের সাথে রক্তের সম্পর্ক রয়েছে এবং শতকরা ৫০ শতাংশ ধর্ষণ করছে আত্মীয় স্বজন। যদি আমরা পরিসংখ্যানটির দিকে তাকাই, তবে একটা ভয়াবহ সত্য উপলব্ধি করবো, শিশুর উপরে যৌন নির্যাতনকারী কিংবা চাইল্ড মোলেস্টর আসলে জঙ্গলে কিংবা অপরিচতি মানুষের ভেতরে থাকে না, বরং নিপীড়িত ৪জন শিশুর ৩ জনই নিপীড়িত হয়েছে তাদের কাছের আত্মীয়দের হাতে।



এসব দীর্ঘমেয়াদী এবং স্বল্পমেয়াদী যৌননিপীড়ন এবং ধর্ষণের কোনোটা কোনোটা এসেছে সংবাদের পাতায়, এটা পড়ে মানুষ শিউড়ে উঠেছে, এবং সংবাদপত্র এবং তার প্রকোপ যেহেতু অত্যন্ত প্রত্যন্ত অঞ্চলে নেই, সুতরাং পরিসংখ্যানে যে হার উঠে এসেছে, বাস্তবের পরিস্থিতি তার তুলনায় ভয়াবহ হওয়াটাই স্বাভাবিক।



শিশু কোথাও নিরাপদ নয়, এমন কি নিজস্ব গৃহে, গৃহপরিচারিকা কিংবা গৃহপরিচারক, বাবা, মা, ভাই, মামা, চাচা, কেউই শিশুর রক্ষক নয়- আইওয়া স্টেট আইন করেছে আদালতের দন্ডপ্রাপ্ত কোনো শিশু নিপীড়ক স্কুল, খেলার মাঠ কিংবা বিনোদন পার্কের আশে পাশে ১ মাইলের ভেতরে বসতি গড়তে পারবে না, কিন্তু আইওয়া স্টেট কি প্রতিটা শিশুকে নিজস্ব অনাথাশ্রম কিংবা নিরাপদ আশ্রয়ে নিয়ে যেতে পারবে?



তবে কি আমরা শিশুদের জন্মের পর হাসপাতাল থেকে বাসায় না নিয়ে এসে রেখে আসবো রাষ্ট্রের তত্ত্বাবধানে, যেখানে অন্তত তারা যৌন নিপীড়নের শিকার হবে না?



ইনসেস্ট বিষয়ে মানুষের একটা ট্যাবু আছে, তারা এই বিষয়টা ভাবতেই শিউড়ে উঠে, আমাদের ইতিহাসের পাতা ২০০০ বছর পিছিয়ে নিলেই দেখা যাবে সে সময়ে এইসব পারিবারিক সম্পর্ক সামাজিক ভাবেই স্বীকৃত ছিলো, বাইবেলের নবী লুত, তার দুই মেয়েকে নিয়ে যখন সোডোম থেকে পালিয়ে আসছেন, পেছনে রেখে এসেছেন অবিশ্বস্ত স্ত্রীকে, সমকামীতার পাপে কিংবা অবৈধ যৌনাচারের পাপে ইশ্বর সে শহরের সকল বাসিন্দাকে হত্যা করেন।



এই দুই মেয়ে, যাদের লুত ক্ষিপ্ত শহরবাসীকে উপহার দিতে চেয়েছিলো, এমন ভাবে, যেনো এই সুন্দরী দুই মেয়ের সাথে শাররীক সম্পর্ক স্থাপন করে হলেও লুতের বাসায় আশ্রয় নিতে আসা অতিথিকে তারা আক্রমন না করে- এই দুই মেয়েই পাহাড়ের গুহায় পিতাকে মাতাল করে তার সাথে সঙ্গমলিপ্ত হয় এবং তাদের ঔরসে লুতের সন্তান জন্মে-



এই প্রথা নিষিদ্ধ ঘোষিত হয়ে যায় কিংবা অপ্রচলিত হয়ে যায় ১৮০০ বছর আগেই। এরপর আমরা এইসব ইনসেস্টের যত ঘটনা পড়েছি পত্রিকায় তার কোনোটাই সমাজস্বীকৃত নয়, এমন কি এসব সম্পর্কের সামাজিক বৈধতা না থাকলেও এইসব অঘটন থেমে থাকে নি।



প্রেমের কিংবা মোহের সম্পর্ক তৈরি হওয়ার মতো সামাজিক পরিবেশ থাকলে কি হতো আমি জানি না, তবে গত ৫ বছরে পত্রিকায় অন্তত ১০০ থেকে ৫০০ সংবাদ পাওয়া যাবে যেখানে পিতা তার কন্যাকে ধর্ষণের দায়ে অভিযুক্ত হয়েছেন, কোনো কোনো ক্ষেত্রে এই অভিযোগ শাস্তি পর্যন্ত গড়িয়েছে।



নৈতিকতার প্রশ্নে এটাকে সামাল দেওয়া হবে কি ভাবে সেটা নিয়ে ভাববার সময় হয়তো এখনও আসে নি, এখনও পারস্পরিক সম্মতিতে এমন সম্পর্ক তৈরি হচ্ছে না, কিন্তু খুব শীঘ্রই একটা অসস্তিকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে আমাদের,



উডি এলেনের মতো প্রাক্তন স্ত্রীর পালক কন্যা বুক ফুলিয়ে যেমন বলেছিলো আমি তাকে ভালোবাসি এবং তার সাথে আমি সচেতন ভাবে সংসার করবার সিদ্ধান্ত নিয়েছি, হয়তো কোনো এক দিন আমরা কোনো কন্যাকে এমন ভাবে সংবাদ মাধ্যমের সামনে দেখবো বলছে- আমি তাকে ভালোবাসি এবং সচেতন ভাবে তার সাথে সংসার করবার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।



সেই সময়ে আমাদের মানসিক বিপর্যয়ের খানিকটা এখনই অনুমাণ করা যাচ্ছে। আদতে কন্যা কিংবা পূত্রকে কেউ এমন যৌন অবকাঠামো চিন্তা করছে না এখনও, তবে এটার ব্যপকতা মানুষের নিজস্ব দর্শন এবং দৃষ্টিভঙ্গিকে বদলাতে বাধ্য করবে এবং বলা যায় না, তখন লোলপুরুষ নিজের কন্যার শরীর দেখে যৌনউত্তেজিত হবে এবং মেয়ের সাথেও ফ্ল্যার্ট করা শুরু করবে।

মন্তব্য ৩৮ টি রেটিং +২৬/-১

মন্তব্য (৩৮) মন্তব্য লিখুন

১| ০১ লা জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩২

কবন্ধ বলেছেন: বিশ্বে এই যে 'ইনসেস্ট' এর বিস্তার ঘটছে, আপনার কি মনে হয়, এর পেছনে সামাজিক, মনস্তাত্বিক কি কারন থাকতে পারে?

০১ লা জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪৩

রাসেল ( ........) বলেছেন: এখন যা ঘটছে পিতা কন্যা কিংবা ভাই বোনকে ধর্ষণ করবার ঘটনাগুলোকে ইনসেস্ট বলা এবং জেনা আর ধর্ষণকে একই সংজ্ঞায় সংজ্ঞায়িত করা একই রকম ভুল।

এটা একেবারে নিরেট ধর্ষণ, যদিও ধর্ষিতার সাথে ধর্ষকের একটা পারিবারিক সম্পর্ক আছে এরপরও এটাকে ইনসেস্ট বলতে আমার আপত্তি আছে।

যৌনসম্পর্ক বিষয়টা পারস্পরিক সম্মতিতে এবং পারস্পরিক উদ্যোগে সংগঠিত হয়, এমন ঘটনা ঘটলে সেটাকে ইনসেস্ট হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা যায়, কিন্তু ১৮ বছরের কম বয়সী কোনো মেয়েকে যখন তার বাবা কিংবা ভাই ধর্ষণ করে সেটাকে ইনসেস্ট নামক ফ্রেমওয়ার্কে রাখবার অর্থ নেই।

একটা সামাজিক কারণ আইসোলেশন, মানে বিচ্ছিন্নতা এবং নির্জনতা, হয়তো পুরুষত্ববোধটুকু মানুষ নিজে লালন করে এবং তার কামনার পরিসর কখনই কোনো জায়গায় গিয়ে নৈতিক বাধা পায় না।

পুরুষ নিজে নিজের কামনা ও লিপ্সাকে নিয়ন্ত্রন করে না, বরং অন্য মানুষের উপস্থিতি, অদৃশ্য ভাবে হলেও সমাজের একটা অবকাঠামোর উপস্থিতি তার এই কামনাকে দমন করতে শেখায়-

যদিও বিস্তারিত নেই, যদি জানা যেতো এইসব ভুক্তভোগীদের কতজন শহরে, কিংবা বস্তিতে কিংবা মহল্লায় বসবাস করে, কতজন শহর থেকে দুরে, বিচ্ছিন্ন এবং নির্জন পরিবেশে বসবাস করে এবং তাদের ভেতরে এই ঘটনা ঘটবার হার জানা যেতো, তবে এটা নির্ধারণ করা যেতো সমাজের অদৃশ্য উপস্থিতি-- যেটা একান্তই আমার অভিমত- এই শিশু নির্যাতন এবং পরিবারকতৃক ধর্ষণের ঘটনাকে নিয়ন্ত্রন করতে পারে- সেটা কতটুকু যৌক্তিক।

২| ০১ লা জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩৫

অপরিচিত_আবির বলেছেন: ভয়াবহ ব্যাপার। অপরাহ উইনফ্রের শোর একটা পর্ব ছিল ইনসেস্ট নিয়ে। সেটা দেখেই প্রথম পশ্চিমা বিশ্বে, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে ইনসেস্টের মাত্রা সম্পর্কে একটা ধারণা পাই। এর আগ পর্যন্ত আমি মনে করতাম যে ইডিপাস বা লূতেরা কেবলই মিথ। কিন্তু সারা বিশ্বে বিকৃতকাম মানুষের সংখ্যা যেভাবে বাড়ছে তাতে হয়তো এটাই একসময় স্বাভাবিক হয়ে যাবে। মানুষ পশুর আরো কাছাকাছি চলে যাবে। উল্টোদিকে হাঁটার পালা শুরু হল বলে।

৩| ০১ লা জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪১

েপচাইললা বলেছেন: বোঝা মুশকিল। সভ্যতা মানুষের বাহ্যিক আচরণ কাঠামো পরিবর্তন করেছে ঠিকই কিন্তু তার প্রতিটি কোষে থেকে যাওয়া জিনগত মৌলিকত্বকে কতটুকু পরিবর্তন করা সম্ভব হয়েছে তা প্রশ্নসাপেক্ষ, অন্তত আপনার দেয়া এই ব্লগ থেকে সে প্রশ্ন আসা নিতান্ত অযৌক্তিক হবে না। চিন্তা করুন মাতৃতান্ত্রিক সমাজের সেই কথা যেখানে একজন মা তার যুবক ছেলেকে সবার সামনে থেকে আড়ালে নিয়ে যাচ্ছে। বেশিদিন আগের কথা তো নয় মাত্র আড়াই-তিন হাজার বছর আগের কথা এগুলো।

৪| ০১ লা জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৪

সিটিজি৪বিডি বলেছেন: ভ........য়া................ব..................হ............!!!

৫| ০১ লা জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৬

ত্রিভুজ বলেছেন: মানুষ সম্ভবত এগুলোকে স্বাভাবিক ভাবে নিতে শুরু করবে কিছুদিন পর থেকে.. যেমনটা সমকামীতার ক্ষেত্রে হয়েছে।

০১ লা জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০০

রাসেল ( ........) বলেছেন: যদি মানুষ এগুলোকে স্বাভাবিক ভাবে নিতে শুরু করে তাহলে হয়তো বিষয়টা তেমন ঝামেলার হবে না।

আমাদের আইবুড়ো মেয়েদের কিংবা আইবুড়ো ছেলেদের সমস্যা কেটে যাবে।

৬| ০১ লা জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৬

জটিল বলেছেন: প্রাচীন ফারাওদের ভাই-বোনের বিয়ে হত সম্ভবত !
এই প্রজম্নের জন্যেতো ইন্সেস্ট পর্ণ আর এমআইএলএফ নিয়ে আলাদা ক্যাটাগরী খোলা আছে রগরগে সব জিনিস দিয়ে ,
আশা করা যায় সেইদিন আর বেশিদূরে নয় যখন সবই ডালভাত কিছু হয়ে যাবে ...
দেখা যাক , এখন আসলে সব দেখারই সময় ।

০১ লা জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৮

রাসেল ( ........) বলেছেন: হিস্টোরি রিপিটস ইটসেলফ।

যুক্তরাষ্ট্রে গত ১০ বছরে শিশুর উপরে যৌন নির্যাতনের হার বেড়েছে ১০ গুণের বেশী।

এবং তার অর্ধেকের বেশী ঘটেছে বাবা, মা, ভাই, বোন এবং কাছের আত্মীয়ের হাতে-

ধর্ষিত হওয়া প্রতি ১০০জন মেয়ের ৬০ জনই ধর্ষিত হয় পরিচিত মানুষের দ্বারা। অপরিচিত যৌনবুভুক্ষু মানুষ ঝাপিয়ে পড়ে ধর্ষণ করছে এমন ঘটনা ঘটবার সম্ভবনাও কম।

৭| ০১ লা জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৬

কবন্ধ বলেছেন: গ্র্যাজুয়ালি এই ঘটনাগুলির সংখ্যা বাড়ছে, নাকি ঘটনা আগেও সংঘটতি হতো, কিন্তু রিপোর্টেড হতো না, এখন শুধু আমাদের সচেতনতা বাড়ছে দেখে সংখ্যা-উপাত্তে আরো বেশি জানছি...

যেটাই হোক, পুরুষের (ক্ষীন ক্ষেত্রে নারীর) অবদমিত যৌনতার বিকৃত প্রকাশই কি এসবের জন্য দায়ী মনে করেন?

বানিজ্য তাড়িত এই বৈশ্বিক আবহে মানুষের জীবন পন্যের মোড়কে শেলফে উঠে গেছে, সেই মানুষই স্বাভাবিকত্ব হারিয়ে কেন যে বিকৃতির চর্চায় সুখ খোঁজে, ভেবে বের করতে চাই।

মাথাটা মনে হয় বেশি ছোট... এতো চিন্তা ধরে না।

০১ লা জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২২

রাসেল ( ........) বলেছেন: সচেতনতা বাড়লে রিপোর্টেড ঘটনার সংখ্যা বাড়বে। সুতরাং এখানে হয়তো উপাত্ত যতটা প্রকাশ করছে , বাস্তবে এটা ঘটবার হার হয়তো তার চেয়ে বেশী।

এখন যদি প্রতি ১০০০ জন শিশুর একজন নির্যাতিত হয় পরিসংখ্যান মতে, হয়তো বাস্তবে সংখ্যাটা হয়তো এর দ্বিগুন কিংবা ৩ গুন। সময় বিশেষে হয়তো শতকরা ১ জন শিশু এই অভিজ্ঞতার ভেতর দিয়ে যায়।

অন্য একটা পরিসংখ্যানে দেখলাম, এই সংখ্যাটা ১৩ শতাংশ।

হয়তো এটা যে বিকৃত এমন ধারণাও মানুষের নেই।

৮| ০১ লা জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৫

কবন্ধ বলেছেন: ধর্ষন / ইনসেস্ট / পেডোফিলিয়া বিষয়গুলি গুলিয়ে যাচ্ছে না তো!

০১ লা জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৮

রাসেল ( ........) বলেছেন: ধর্ষণ, ইনসেস্ট, পেডোফেলিয়া, সবগুলোই শিশুর উপরে যৌননির্যাতন। বিষয়টা এখানেই।

ইনসেস্ট যদি ধর্ষণ হিসেবেও চিহ্নিত করি, তবে শিশুদের যৌন নিপীড়নের রিপোর্টেড ঘটনাগুলোর ৫০ শতাংশই ঘটেছে তার পরিবাসের সদস্যদের হাতে।

৯| ০১ লা জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৯

কবন্ধ বলেছেন: ""হয়তো এটা যে বিকৃত এমন ধারণাও মানুষের নেই""

বাংলাদেশে অন্ততঃ নেই, এ বিষয়ে আমি নিশ্চিত। বাংলাদেশে শিশু মর্ষনকারীকে অতোটা ঘৃনার চোখে দেখা হয় না, যতোটা উন্নত দেশগুলিতে দেখা হয়।

উন্নত বিশ্বে শিশুদের অগ্রাধিকার সবচে আগে... সুতরাং তাদের উপর হওয়া অপরাধের শাস্তিও তেমনি ভয়ানক।

বাংলাদেশে আমরা শিশুদের অগ্রাধিকারের ব্যাপারে আরো উচ্চকন্ঠ হওয়া উচিত।

আমাদের 'কালচার' বদলও জরুরী,....

সবকিছু একই সুতায় গ্রন্থিত...

১০| ০১ লা জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৯

শাল্লা, ভািটর আই িপ. বলেছেন: মানুষ একদিন সত্যিই উল্টো হাটবে !

১১| ০১ লা জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৬

জ্বিনের বাদশা বলেছেন: সম্ভবতঃ মরমনদের বা সেরকম কোন একটা সেক্টের মধ্যে ইনসেস্ট প্রচলিত আছে ... পিতা বা আত্মীয় পুরুষ কর্তৃক কন্যাসন্তানের উপর যৌন নির্যাতন যেটা পরিলক্ষিত হয় তাকে ইনসেস্ট বলে কিনা জানিনা, তবে সেখানে কবন্ধের মন্তব্যের ধর্ষক/পিডোফাইল মানসিকতাও থাকে ...
তবে পারস্পরিক বোঝাপড়ার ইনসেস্টের খবরও আমরা পেতে শুরু করেছি ... গত বছর অস্ট্রেলিয়া/যুক্তরাজ্যের দুটো ঘটনা আমি টিভিতে দেখেছি, যেখানে বাবা-কন্যা আর ভাই-বোনকে আদালত মেলামেশা করতে বাঁধা দিয়েছেন ... নরওয়েতেও এরকম একটি ঘটনা ঘটেছে ...

ঠিক বলেছেন, হয়তো একসময় এটাকে স্বাভাবিক বলে সবাই মেনে নেবে, রিসার্চ পেপার বের হবে এটা কতটা স্বাভাবিক তার পার্সেন্টেজ নির্ণয়ে ...

০১ লা জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৮

রাসেল ( ........) বলেছেন: এটা গত ১ দশক ধরেই সাইকোলজি আর এন্থ্রোপলজি রিসার্চের বিষয়বস্তু হয়ে আছে।

এটার ধরণ এবং কার্যকরণ নির্ধারণের চেষ্টা করছে মানুষ।

১২| ০১ লা জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৮

ওমর হাসান আল জাহিদ বলেছেন: সেদিন বেশি দূরে নয়, যেদিন সাধারণ মানুষ 'ইনসেস্ট'কে খুব সাধারণভাবেই নেয়া শুরু করবে।

১৩| ০১ লা জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৪

কবন্ধ বলেছেন: ইনসেস্টেকে আমরা একটু ভিন্নদৃষ্টিতে দেখতে পারি, যেখানে দুই পক্ষ এডাল্ট হতেও পারে। সম্মতির ভিত্তিতে এধরনের সম্পর্ক স্থাপিত হলে, 'কনসেন্টিং এডাল্ট' হিসেবে আইনগত কোন বাধার মুখে পড়বে না।

তবে সামাজিক বিধি-নিষেধ একে নিরুৎসাহিত করে।

অন্যদিকে পুর্নবয়ষ্ক নারীতে ইচ্ছার বিরূদ্ধে উপগত হওয়া যেমন আইনতঃ দন্ডনীয়, তেমনি অপ্রাপ্তবয়ষ্ক বালিকা/বালকের সাথে যৌন আচরন (পরিবারের ভেতরে বা বহিরে) উচ্চ দন্ড প্রাপ‌্য।

১৪| ০১ লা জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৬

কবন্ধ বলেছেন: এপারেন্টলি... কোন কোন দেশে কনসেন্টিং এডাল্টের মাঝেও ইনসেস্ট নিষিদ্ধ...

১৫| ০১ লা জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৭

ত্রিভুজ বলেছেন: লেখক বলেছেন: যদি মানুষ এগুলোকে স্বাভাবিক ভাবে নিতে শুরু করে তাহলে হয়তো বিষয়টা তেমন ঝামেলার হবে না।
---

বায়োলজি কী বলে?

১৬| ০১ লা জুলাই, ২০০৯ রাত ৮:০১

কবন্ধ বলেছেন: @ত্রিভুজ (আপনাকে তিনকোনা বলে কেন সবাই? ;) ) জামার্নীর ভাই-বোন কেস মোতাবেক... (যাদের একটি শিশু সন্তান রয়েছে ৮ বছর বয়সী) বায়োলজি কোন ফ্যাক্টর নয়।


তবে আপনি যে মহলের মুমিন.. তাতে বায়োলজির দিকে না তাকিয়ে ঔ বইটা ঘাঁটলেই তো পারেন... :)

১৭| ০১ লা জুলাই, ২০০৯ রাত ৮:০৬

কাঙাল মামা বলেছেন: নিজের বউরে উলটায় পালটায় সামনে পিছনে করা যায়, কিন্তু নিজের বোন বা মেয়েকে!!!?? মানুষ হিসাবে আমাদের মনুষত্য বজায় রাখা উচিত। পাখিপশুর মত হইলে তো আর হবে না!

১৮| ০১ লা জুলাই, ২০০৯ রাত ৮:১০

নাজিম উদদীন বলেছেন: গত বছর তো দুইটা বিশাল নিউজ হইছে, একটা অস্ট্রেলিয়ায় আরেকটা ইয়োরোপে। আমেরিকায় কালোদের মধ্যে খুব চলে, সবচেয়ে বেশি হয় মধ্যপ্রাচ্যে।

১৯| ০১ লা জুলাই, ২০০৯ রাত ৮:৪৪

কবন্ধ বলেছেন: মধ্যপ্রাচ্যের ব্যাপারে কিছু বলা বারন আছে নাজিমউদদীন... ;)

এপারেন্টলি ওখানে চৌদ্দশ বছর আগে কিছু ঘটে থাকলে সেটা এখনো ঘটাবার অনুমতি আছে...

২০| ০১ লা জুলাই, ২০০৯ রাত ১০:১৫

কিউরিয়াস বলেছেন: কবন্ধ বলেছেন: জামার্নীর ভাই-বোন কেস মোতাবেক... (যাদের একটি শিশু সন্তান রয়েছে ৮ বছর বয়সী) বায়োলজি কোন ফ্যাক্টর নয়।

আমি যদ্দুর জানি, বায়োলজি মতে ইনসেস্ট সমাজের জন্য ক্ষতিকারক কিছু জিনিস নিয়ে আসে Click This Link

(এখনে সিন্গল কেস নয়, বরং পুরো সমাজের ওপর এফেক্টটা দেখানো হয়েছে)

২১| ০১ লা জুলাই, ২০০৯ রাত ১০:৩১

কিউরিয়াস বলেছেন: এই ধরনের ব্যাপারগুলায় "হোয়াট ইজ দা রাইট থিং টু ডু" এর উত্তরে যে কনফ্লিকটিং আইডিয়াগুলো আসে, তার কারণ হচ্ছে, এইগুলোকে ২ তরফ থেকে দেখা যায়:
১। ব্যাক্তি দৃষ্টিকোণ থেকে ("দুটি মানুষ বেডরুমে কী করবে এটা একান্তই তাদের ব্যাপার")
২। সমাজ দৃষ্টিকোণ থেকে("ইনসেস্ট থেকে ইনব্রিডিং হবে, যেটা সমাজের জেনেটিক সুস্থতার পথে বাধা দিতে পারে") (অনেকেই মনে করেন এ কারণেই ইনসেস্ট এর সাথে সামাজিক ট্যাবু জড়ানো হয়েছে)

শেষ পর্যন্ত, ২ দৃষ্টিকোণের একটা সমঝোতায় আসতে হবে।

আরেকটা ২ দৃষ্টিকোণ টপিকের উদাহরণ "মানুষের কবে বিয়ে করা উচিৎ"। ভেবে দেখেন, সেই একই কনফ্লিকটিং আনসার পাবেন।

২২| ০২ রা জুলাই, ২০০৯ রাত ১:৪৩

বৈকুনঠ বলেছেন: উডি এ্যালেন আর তার পালক মেয়ের ঘটনাটা সম্বল করে এই ধরনের একটা সম্ভাবনার কথা অবতারনা করাটা মনে হয় একটু বেশি পেসিমিস্টিক ( নাকি অপটিমিস্টিক????)

আর শিশুদের সাথে বিকৃত যৌন সম্পর্ক স্থাপন করা ইনসেস্ট হৈতে পারেনা। এইটা পেডোফিলিয়া। এরমত বিকৃত, ন্যাক্কারজনক আর কাপুরুষোচিত অপরাধ মনে হয় লুতের আমলেও মানুষ ঘৃনা করতো। এইটা একটা সেক্সুয়াল এবিউজ। কিন্তু দুইজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ, হোক না তারা রক্ত সম্পরকের মানুষ যদি সেচ্ছায় যৌনকর্মে লিপ্ত হয় সেইটারে সমালোচনা করার অধিকার আমরা সবসময় রাখিনা। আর আমাদের সমাজেতো এইটা অহরহ। কাজিনদের মধ্যে বিয়ে, প্রেম যৌনসম্পরকতো আমাদের ঘরোয়া ব্যাপার।

কাজেই ইনসেস্ট আর পিডোফিলিয়ার মইদ্যে কনফিউশ সৃস্টি করার কোনো কারন নাই।

তবে আপনার লেখাটা ভালো লাগসে। সবসময়ের মতই। দেয়ার ইজ ওনলি ওয়ান ডটেড রাসেল।

২৩| ০২ রা জুলাই, ২০০৯ রাত ২:০১

রাগ ইমন বলেছেন: বায়োলজি যা বলেঃ হাজার বছর ধরে মানুষ যা খেয়াল করে এসেছে , আজকাল জেনেটিকালি আরো সূক্ষ্ম ভাবে প্রমানিত হচ্ছে যে ইন ব্রিডিং এর জন্মগত ত্রুটি অনেক বেশি হয় । বিকলাঙ্গ শিশু জন্মায় বেশি , অসুখ বিসুখের হারও এদের মধ্যে বেশি।

সমাজ যা বলেঃ এই হাজার বছরের অবজার্ভেশনাল সাইন্স শেষে সামাজিক রীতিতে পরিণত হতেই পারে যা এখন আমরা কালচার হিসেবে শিখতে শিখতে বড় হই এবং আমাদের মূল্যবোধ গুলো সে ভাবেই তৈরী হয়।
ধর্ম যা বলেঃ লৌকিক অনেক জ্ঞানই তো প্রচলিত ধর্মে পাওয়া যায়। সুতরাং যে ধর্ম যত পরে এসেছে , সেই ধর্মে তত বেশি লৌকিক জ্ঞানের প্রায়োগিক রীতিনীতি পাওয়া যাওয়াটাই স্বাভাবিক ।

ইনসেস্ট এখনও বেশির ভাগ সমাজেই ট্যাবু । পরিবারের বাইরে যেহেতু সঙ্গীর আকাল পড়ে নাই , খুব দ্রুত পড়বেও না , ইনসেস্ট গ্রহনযোগ্য হইতে দেরী আছে । তবে , শিশু নির্যাতন বাড়ছে , বাড়বেই । শিশুরা সবচেয়ে সহজ টার্গেট ।

০২ রা জুলাই, ২০০৯ সকাল ১১:০৩

রাসেল ( ........) বলেছেন: Click This Link

ঝুঁকিটা তেমন বাড়াবাড়ি রকমের বেশী নয়। বরং বিবেচনা হলো, যারা সন্তানের জন্ম দিচ্ছে তাদের নিজস্ব কোনো জেনেটিক ডিসওর্ডার আছে কি নেই এটা।

ধরা যাক এমন একটা আদর্শ পরিবার, যেখানে কোনো জেনেটিক ডিসওর্ডার নেই, সেই ক্ষেত্রে ক্লোজ ক্রসওভারে কোনো অসুখ, যা জিনবাহিত তা পরবর্তী প্রজন্মে ছড়িয়ে যাওয়ার ঝুঁকি নেই- এ ক্ষেত্রে বক্তব্য কি হবে?

১০০% জেনেটিক প্রোফাইল দেখে কেউ বৈবাহিক সম্পর্ক গড়ে তুলছে না, নিজস্ব প্রয়োজন এবং পছন্দের বিবেচনায় মানুষ যৌনসম্পর্ক গড়ে তুলছে এবং তারা আকছার সন্তানের জন্ম দিচ্ছে- এইসব আপাত বিচ্ছিন্ন দম্পতিদের ভেতরে কোনো একজনের জেনেটিক ডিসওর্ডার থাকবার সম্ভবনা পরিসংখ্যান বিবেচনায় যতটা ঠিক ততটাই রক্তের সম্পর্কে সংযুক্ত দম্পতিদের ভেতরে-

যৌক্তিক ভিত্তির বাইরে গিয়ে ভাবতে হবে বিষয়টা, এটা আমাদের সংস্কার প্রথমতঃ এবং এই সংস্কারের প্রাচীরের আঘাত আসলে কি আচরণ করবো আমরা?

২৪| ০২ রা জুলাই, ২০০৯ ভোর ৪:৩২

শয়তান বলেছেন: এক ফাকে এই লেখাটা দেইখেন । http://www.amarblog.com/Naradham/1399

অসমাপ্ত বিতর্ক । তবে যতটুকু হয়েছে তাই বা মন্দ কিসের ।

০২ রা জুলাই, ২০০৯ সকাল ১১:০৪

রাসেল ( ........) বলেছেন: পড়লাম, তবে আলোচনাটা ঠিক সেখানে কেন্দ্রীভূত থাকলো না। নাস্তিকের ধর্মকথার প্রশ্নের উত্তরে নরাধম যা বলে গেলো, সেটা পড়ে মনে হলো নরাধম বিষয়টা উপলব্ধি করে নি, কিংবা নাস্তিকের ধর্মকথার যুক্তিটা বুঝতে পারে নি।

তার হাতে অবসর আসুক, তখন আলোচনা করা যাবে।

২৫| ০২ রা জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৭

শয়তান বলেছেন: মনে হয় না সেরকম অবসর কারো আছে । অসমাপ্ত বিতর্কের সংখ্যা নয়ত দিন দিন বাড়ছে কেন ? আমার ধারনা এটাই একটা স্টাইল । :)

২৬| ০৬ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:১৯

জুনায়েদ হাসান বলেছেন: একটা বিষয় আপনারা সবাই এড়িযে গেছেন, সেটা হল 'যৌন শিক্ষা'। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে যৌন শিক্ষা বিভিন্নভাবে দেয়া হয়। আমার ধারণা যদি একজন শিশু বিষয়গুলো ঠিকমত বুঝতে পারে তাহলে এদের দ্বারা ভবিষ্যতে (যখন তারা বড় হবে) ইনসেস্ট বা পেডোফেলিয়ার বিষয়গুলো হবে না। আশা করি।

২৭| ০৬ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:৩২

মুক্ত বয়ান বলেছেন: পড়ল ৪০০ জনে.. কিন্তু মন্তব্য মাত্র ৩৩!!
কেন?? এই বিষয়ে মতামত দিতে লজ্জা লাগে!!!

২৮| ০৬ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১১:০৩

আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন: পড়লাম।ভালো লেখা। গলার ভিতরে কি যেন আটকে গেলো!

শালার পৃথিবীতে মানুষে মানুষে সম্পর্কে ক্ষেত্রে কি সেক্স ছাড়া আর কিছুই বিবেচ্য থাকবে না!

দৃষ্টিসীমায় জীব-জড় যা কিছু চোখে পড়বে সবকিছুই মানুষ দেখবে কামের দৃষ্টিতে!

১৪ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৫

রাসেল ( ........) বলেছেন: আমি অন্য একটা বিষয় বুঝবার চেষ্টা করছি অনেক দিন ধরে, মানুষের যৌনকল্পনা নির্মাণ করা যায়, এবং একটা নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে এটার চর্চাও ছড়িয়ে দেওয়া যায়। মর্ষকামীতা হয়তো তেমন ভাবে ছিলো না, সাদ কিংবা মাচো'র জন্ম এবং তাদের দ্বারা অতিরিক্ত চর্চিত না হলে হয়তো মর্ষকামীতা হঠাৎ ঘটে যাওয়া দুর্ঘটনা হয়ে থাকতো।
কিন্তু মানুষের তবত যৌনকল্পনাকে ধারণ করা ওয়েব সাইটগুলো দেখে মানুষ কি আলোড়িত হচ্ছ কিংবা এসব কাজে উদ্বুদ্ধ করে?

২৯| ১৭ ই মে, ২০১২ দুপুর ১:৪২

এইযেদুনিয়া বলেছেন: কঠঠিইইইইইন!

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.