নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

দেশ

বলোগে ামি খোব পোচোনডো কোরি

যোবায়ে৫

আমি একজন আনমনা মানুষ সবকিছু সহজে ভুলে যাই ...

যোবায়ে৫ › বিস্তারিত পোস্টঃ

ধর্ম বিদ্বেষীকে হত্যা করা বৈধ কিনা?

০১ লা এপ্রিল, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:১৮


---------------------------------
প্রশ্ন: কেউ যদি ইসলাম ধর্মের বিরুদ্ধে এবং আল্লাহ ও
রসূলের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ ছড়ায় এবং এই কাজে চরম
বাড়াবাড়ি করে, তাহলে তাকে হত্যা করা বৈধ কিনা?
বৈধ না হলে এ ব্যাপারে ঈমানদার মুসলিমদের দায়িত্ব
কী? কারন, যারা এ ধরনের বিদ্বেষ ছড়ায় তারা তো
মুসলিমদের অন্তরে ও বিশ্বাসে প্রচণ্ড আঘাত হানে।
জবাব : এ বিষয়টি খুবই সেনসেটিভ। এ বিষয়ে ইসলামের
বিধান এবং করণীয়:
কেউ যদি ইসলাম ধর্মের এবং আল্লাহ ও রসূলের বিরুদ্ধে
বিদ্বেষ ছড়ায় এবং এক্ষেত্রে বাড়াবাড়ি করে, এটা
একটা জঘন্য অন্যায় ও আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। শুধু ইসলাম
কেন, যেকোনো ধর্মের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ ছড়ানো এবং
আঘাত দিয়ে কথা বলা ইসলাম সমর্থন করেনা। তবে
যুক্তিপূর্ণ সমালোচনা করা হলে ভিন্ন কথা।
এ প্রসংগে ইসলামে বিধান হলো:
১. কেউ ইসলাম এবং আল্লাহ ও রসূলের বিরুদ্ধে আঘাত
হেনে বিদ্বেষমূলক অপপ্রচার চালালে সেটা একটা
দণ্ডনীয় অপরাধ। কিন্তু ব্যক্তিগতভাবে সিদ্ধান্ত নিয়ে
এ ধরনের লোকদের উপর দণ্ড কার্যকর করা বা তাদেরকে
হত্যা করা ইসলাম সমর্থন করেনা। কোনো মুসলিম এ
ধরনের কাজ করতে পারেনা।(দেখুন আল কুরআন ১৭ঃ ৩৩)
২. ইসলামের দৃষ্টিতে এই ধরনের লোকদের শাস্তির
আওতায় আনার দায়িত্ব হচ্ছে সরকারের। এদেরকে
আইনের আওতায় এনে সাক্ষ্য প্রমাণের মাধ্যমে অপরাধ
প্রমাণ করতে হবে। এভাবে ন্যায্য বিচার নিশ্চিত করে
প্রশাসনকে তাদের উপর নির্ধারিত দণ্ড প্রয়োগ করতে
হবে।(দেখুন আল কুরআন ১৭ঃ ৩৩)
৩. ধর্মবিশ্বাসীদের বিশ্বাসে আঘাত হানার কারণে
তারা সংক্ষুদ্ধ হয়ে এ ধরনের লোকদের দণ্ড প্রদানের
জন্যে সরকারের নিকট দাবী জানাতে পারেন এবং
জানানো উচিত। তারা নিজেরাও আদালতে এদের
বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারেন।
৪. সরকার, প্রশাসন ও বিচার বিভাগের দায়িত্ব হলো, এ
ধরনের অপরাধীদের উপর যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা কার্যকর
করা। এ ব্যাপারে এ তিনটি বিভাগের যে কেউ অবহেলা
করলে সে কারণে বাড়াবাড়ি এবং সীমালংঘন মূলক
কাজের পথ খুলে যেতে পারে। এ ব্যাপারে সবারই সতর্ক
থাকা উচিত।
৫. অন্য কোনো ধর্মের লোকেরা আল্লাহকে গালি-
গালাজ করলেও মহান আল্লাহ তাদের দেবতাদের
গালি-গালাজ করতে মুসলিমদের নিষেধ করেছেন। (দ্র.
আল কুরআন: ০৬: ১০৮)
সুতরাং মুসলমানদেরকে এসব ক্ষেত্রে অত্যন্ত সহনশীল
হতে হয়। মুসলিমদের উচিত বেশি বেশি আল্লাহর
শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করা ও প্রচার করা। প্রয়োজনীয়
ক্ষেত্রে গঠনমূলক সমালোচনা করা এবং পজেটিভ কাজ
করাই মুসলিমদের কর্তব্য।
======================
Abdus Shaheed Naseem

মন্তব্য ৫ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (৫) মন্তব্য লিখুন

১| ০১ লা এপ্রিল, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:২০

মোহাম্মাদ আব্দুলহাক বলেছেন: মগের মুলুকে সব হালাল।

বাংলাদেশে আইন নেই।

২| ০১ লা এপ্রিল, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:৩১

নুর ইসলাম রফিক বলেছেন: কোরআন এর বাংলা অনুবাদ গুলি কি ভাবে পেলেন একটু জানাবেন কি দয়া করে?

৩| ০১ লা এপ্রিল, ২০১৫ রাত ৮:৩১

কাউন্টার নিশাচর বলেছেন: Click This Link

৪| ০১ লা এপ্রিল, ২০১৫ রাত ১০:২৮

নবীউল করিম বলেছেন: আপনি যে দলীল যেখানে দিয়েছেন (১৭:৩৩) তা অন্যান্য বিষয়ের সাথে জড়িত।ভবিষ্যতে এই ভুল যেন না হয় সেই বিষয়ে সতর্ক থাকবেন

এই বিষয়ে কোরআনের দলীল হচ্ছে

“যারা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের সাথে সংগ্রাম করে এবং দেশে হাঙ্গামা সৃষ্টি করতে সচেষ্ট হয়, তাদের শাস্তি হচ্ছে এই যে, তাদেরকে হত্যা করা হবে অথবা শূলীতে চড়ানো হবে অথবা তাদের হস্তপদসমূহ বিপরীত দিক থেকে কেটে দেয়া হবে অথবা দেশ থেকে বহিষ্কার করা হবে। এটি হল তাদের জন্য পার্থিব লাঞ্ছনা আর পরকালে তাদের জন্যে রয়েছে কঠোর শাস্তি”।৫:৩৩

লক্ষ্য করুন, এখানে ৪টা বিকল্প ব্যবস্থার কথা বলা আছে।স্থান, কাল, পাত্র ভেদে এর যে কনও একটা প্রয়োগ কোরতে হবে।

কোরআন পড়তে এবং বিভিন্ন ভাষায় পেতে Click This Link

০৪ ঠা মে, ২০১৫ রাত ১:৪৪

যোবায়ে৫ বলেছেন: আমি কিন্তুু বিকল্প গুলোকে নিষিদ্দ করেনি,,,, নবীউল

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.