| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
জুল ভার্ন
এপিটাফ এক নিঃশব্দ প্রচ্ছদে ঢাকা আছে আমার জীবনের উপন্যাস... খুঁজে নিও আমার অবর্তমানে... কোনো এক বর্তমানের মায়াবী রূপকথায়। আমার অদক্ষ কলমে... যদি পারো ভালোবেসো তাকে... ভালোবেসো সেই অদক্ষ প্রচেষ্টা কে, যে অকারণে লিখেছিল মানব শ্রাবণের ধারা.... অঝোর শ্রাবণে।।
কাঁটাচামচ বিতর্ক....
বাঙালির একদল তথাকথিত ভদ্রলোকের এখন মহাসংকট! তারেক সাহেব কাঁটাচামচ কোন হাতে ধরেছেন, ছুরি কোন হাতে রেখেছেন- তা নিয়েই জাতীয় চরিত্রের ময়নাতদন্ত চলছে! যারা সমালোচনায় নেতৃত্ব দিচ্ছে- তাদের কয়েকজন দুস্ত -উদবাস্তু কোটায় প্রবাসী। মনে হচ্ছে, কাঁটাচামচের হাতবদল হলেই রাষ্ট্রীয় শিষ্টাচার ধসে পড়বে!
কাঁটাচামচ দিয়ে খাওয়ার কিছু আন্তর্জাতিক টেবিল ম্যানার আছে, সন্দেহ নেই। কিন্তু সেগুলো সামাজিক শিষ্টাচার, সংবিধানের ধারা নয়। ফরমাল ডিনারে নিয়ম মানা সৌজন্য; আর ব্যক্তিগত স্বাচ্ছন্দ্যে খাওয়াটা অপরাধ নয়।
আমাদের বাঙালি সংস্কৃতিতে ডান হাতে খাওয়াই স্বাভাবিক। কেউ সেই অভ্যাস বজায় রেখে কাঁটাচামচ ব্যবহার করলে তাতে ভদ্রতা কোথায় আহত হলো, বুঝলাম না!
যাঁরা কাঁটাচামচের হাত দেখে মানুষের রুচি, শিক্ষা ও ব্যক্তিত্বের সার্টিফিকেট দেন, তাঁদের জন্য বিনীত পরামর্শ- কাঁটাচামচের ম্যানুয়াল মুখস্থ করার আগে একটু মানবিকতার ম্যানুয়াল পড়ুন।
কারণ, কাঁটাচামচ ধরার কায়দা না জানলে মানুষ অভদ্র হয় না; কিন্তু অন্যের খাবার খাওয়ার ভঙ্গি নিয়ে বিদ্রূপ করলে নিজের ভদ্রতার মুখোশটাই খুলে যায়।
ভদ্রলোক হওয়ার জন্য কাঁটাচামচ লাগে না, লাগে রুচি। আর সেই রুচিরই অভাব চামে নেতা হওয়া রাজনৈতিক ভৃত্যদের!
©somewhere in net ltd.
১|
৩০ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৩
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: ভদ্রলোক হওয়ার জন্য কাঁটাচামচ লাগে না, লাগে রুচি।
..................................................................................
কিন্ত ছোটবেলায় জানতাম, ইংল্যান্ডে কাঁটা চামচের ব্যবহার নিয়ে
অনেক গল্প আছে ।
খাবার শেষ হলেও কিভাবে তা রাখতে হবে এমন নির্দেশনা আছে ।