নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

কলাবাগান১

বাংলাদেশ হোক রাজাকার মুক্ত

কলাবাগান১ › বিস্তারিত পোস্টঃ

পাঠ্যবইয়ে বিবর্তন

০৫ ই জুলাই, ২০১৯ রাত ৩:১৮

Life passes through time, and changes continually. The only life forms that don't change are dead ones.

সেদিন এক হাফেজী হুজুরকে দেখলাম দাবী করছেন যে বাংলাদেশের সব পাঠ্যবই থেকে বিবর্তন বাদ চ্যাপ্টারগুলিকে বাদ দেওয়ার জন্য...উনারা নিজেরা গুহায় এক পা দিয়ে আছেন সাথে করে পুরা জাতিকে নিয়ে যেতে চান...যারা বিবর্তন বাদ পড়াচ্ছেন তারা তো দাবী করছেন না যে ইসলামিয়াত পড়ানো উচিত না!!! দুই পক্ষের ই অপর পক্ষের বিষয় গুলি জানা দরকার....তাতে বিবেক বুদ্ধি কে কাজে লাগিয়ে যার যার মত করে ডিসিসন নিবে সে কি বিবর্তন বাদ বিশ্বাস করবে বা করবে না....প্রবলেম হল যে হুজুর অপর পক্ষের বিষয় টা ভাসা ভাসা ভাবে জেনেই এই বিরদ্ধাচারন করেন.। উনার জানার কথা না কংকাল এর গঠন প্রনালীর সাদৃশ্য, ফসিল এর প্রমান, ডিএনএ, জিন, ক্রমোজম, টেলোমিয়ার, সেন্ট্রোমিয়ার, হোমোলোগাস রোকোম্বিনেশন ইত্যাদি জেনে কিভাবে বিবর্তন এর প্রমান পাওয়া যাচ্ছে।

গত কয়েক দশক ধরেই, হাড়, কংকাল, ফসিল ইত্যাদির সাহায্যে কিভাবে আমরা প্রানী কুল এর মাঝে একে অন্যের সাথে মিল আছে তা কে মোাটামুটি এস্টাবলিশ করা হয়েছে..কিন্তু জিনোম যুগে এসে সেই সব প্রমান এর চেয়ে বড় প্রমান গুলি এখন হাতের কাছেই...
আমরা কি করি, আমার গঠন, আমার চরিত্র, সবই নিয়ন্ত্রিত হয় ডিএনএ দ্বারা..আর ডিএনএ থাকে কোষের নিউক্লিয়াসের মাঝে ক্রমোজমের মাঝে জড়িয়ে থেকে....আমাদের সবার কোষে থাকে ২৩ জোড়া ক্রমোজম (৪৬ টা) ..।২৩টা আসে মায়ের থেকে ২৩টা আসে বাবার থেকে...কিন্তু কেন ২৩ জো্ড়া??? বেশী ও না কম ও না????

আমরা আদিকাল থেকে শুনে আসছি মানুষের খুব কাছের প্রজাতি তিনটি .Chimpanzee, Orangutans, Gorilla...এক সময় এসে মিউটেশনের মাঝে নতুন প্রজাতি সৃস্টি হয়ে তাদের থেকে আলাদা প্রজাতি হয় প্রায় ১০-১৮ মিলিয়ন বছর আগে.... মানুষ যদি তাদের সাথে মিল থাকে তাহলে মিল টা হবে ডিএনএ লেভেলে...।সেখানে মানুষের সাথে তাদের মিল হল ৯৯.৯% এর মত....

আর ক্রমোজম এর সংখ্যা???? আমাদের যেখানে ৪৬টা তাদের সবার ৪৮টা ....তাদের থেকে যদি আমাদের উৎপত্তি হয় তাহলে ক্রমোজম দুটা বেশী কি করে হল... রিয়েল কিকার টা জানা গেল ১৯৮২ সনে উপরের ছবিটা প্রকাশ হওয়ার পর...যেখানে পাশাপাশি মানুষের সাথে বাকী তিন প্রজাতির ক্রমোজমের ছবি কে দেখানোর পর। উপরে ছবিটা দেখাচ্ছে
Side-by-side comparison of the chromosomes of humans, chimpanzees, gorillas, and orangutans (from left to right for each chromosome....মিল দেখতে পারছেন???? দেখবেন যে সবগুলি ক্রমোজম এক রকম অনলি ক্রমোজম নাম্বার দুইটা ডিফারেন্ট...।নিচের ছবিটা ভাল করে দেখুন

এখানে দেখবেন শিম্পান্জীদের ২এ ও ২বি ক্রমোজম দুইটা জোড়া লেগে মানুষের ক্রমোজম নাম্বার ২ তৈরী হয়েছে..তাই আমাদের ক্রমোজম নাম্বার ২৩ জোড়া আর শিম্পান্জীদের ২৪ জোড়া।

জিনোম স্টাডি এর টেকনোলজি উন্নত হওয়ার পর মানুষের এবং শিম্পান্জীদের পুরা জিনোম টা যখন সিকোয়েন্স করা হল, তখন দেখা গেল যে কি অদ্ভুত ভাবে এই থিয়োরী টা সাপোর্ট করে....শিম্পান্জী এর দুইটা ক্রমোজমের শেষ প্রান্ত (টেলোমিয়ার)গুলি (চারটা) ই মানুষের দুই নাম্বার ক্রমোজমে বিদ্যমান..বাকী ২২ জোড়াতে দুইটা করেই টেলোমিয়ার। কিছু 'শিক্ষিত' পাদ্রীরা চেস্টা চালাচ্ছেন বলার জন্য টেলোমিয়ার-টেলোমিয়ার ফিউশন সম্ভব না...কিন্তু নেচার তো দেখালো এটা সম্ভব....উনারা বললেন যে ফিউশনে যায়গায় কোন জিন থাকতে পারবে না কিন্তু মিলিয়ন বছরের উৎপত্তি পর ফিউশনের যায়গা কেন চেন্জ হবে না সেটা উনারা বুঝতে নারাজ..।
যারা এই ব্যাপারে বুঝেন তাদের জন্য নিচের ছবিটাই যথেস্ট এই ফিউশনের প্রমান..না বুঝলে আওয়াজ দিবেন..বুঝানোর চেস্টা করব।



মন্তব্য ২৪ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (২৪) মন্তব্য লিখুন

১| ০৫ ই জুলাই, ২০১৯ সকাল ৭:১০

কলাবাগান১ বলেছেন: যেখানে মানুষের সব ক্রমোজমে একটা করে সেনট্রোমিয়ার, কিন্তু দুই নাম্বার ক্রমোজমে দুইটা সেনট্রোমিয়ার (একটা স্পস্ট আরেকটা ক্রিপটিক) এবং সেনট্রোমিয়ার এর আশে পাশের ডিএনএগুলি প্রায় শিম্পান্জীর ডিএনএ মত...এটা প্রমানকরে যে মানুষের দুই নাম্বার ক্রমোজম শিম্পান্জী ও সম গোত্রীয় প্রানী থেকে জোড়া লেগে তৈরী হয়েছে....

২| ০৫ ই জুলাই, ২০১৯ সকাল ৭:৫৮

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: কোনটা সত্য আর কোনটা মিথ্যা, সেটা আমাদের মতো সাধারণ মানুষের পক্ষে বুঝা সম্ভব না।

০৫ ই জুলাই, ২০১৯ সকাল ৮:২৬

কলাবাগান১ বলেছেন: বিজ্ঞান মিথ্যা বলে না..এক্সপেরিমেন্ট করে নিশ্চিত ও হয়েই ফল প্রকাশ করে...মানুষের ২ নং ক্রমোজম যে আমাদের সবচেয়ের কাছের প্রানীর দুইটা ক্রমোজম এর জোড়া লেগে তৈরী হয়েছে সেটা তো এক্সপেরিমেন্ট এর মাধ্যমেই প্রমানিত যার কিছু ছবি আমি উপরে দিয়েছি...

এখন আপনি কোনটা বিশ্বাস করবেন??? সিমপল বিশ্বাস (কোন প্রমান ছাড়া) নাকি প্রমান সহ কোন রেজাল্ট??? আপনার জ্ঞান বুদ্ধির লেভেল বুঝা যায় আপনার ডিসিসনে উপরের কোনটা আপনি বেছে নিলেন..

৩| ০৫ ই জুলাই, ২০১৯ সকাল ৯:৪৫

কানিজ রিনা বলেছেন: বাংলাদেশের গর্ব শ্রেষ্ট বিজ্ঞামী ডঃ
চৌধুরী মাহমুদের সাথে এবিষয়ে
আপনি আলাপ করতে পারেন।
এর সদউত্তর উনি আপনাকে
দিতে পারবেন নিশ্চয়। তাছারা
এবিষয়ে অনেক বিজ্ঞানীদের
নেগেটিভ তর্ক বিতর্ক আছে
অনলাইনে সার্স করলে হয়ত
পেয়ে যাবেন। ধন্যবাদ।

০৫ ই জুলাই, ২০১৯ সকাল ৯:৫২

কলাবাগান১ বলেছেন: বাংলাদেশের গর্ব শ্রেষ্ট বিজ্ঞামী ডঃ চৌধুরী মাহমুদের নাম প্রথম শুনলাম!!!!! উনি কি বিষয়ে গবেষনা করে শ্রেস্ঠ বিজ্ঞানী হয়েছেন??? উনি কি বিবর্তনবাদ নিয়ে কাজ করেন???

আমার কোন প্রশ্ন নাই...আমি আমার বিশ্বাস এ অটল...বিজ্ঞান মিথ্যা বলে না

৪| ০৫ ই জুলাই, ২০১৯ সকাল ৯:৫৯

ঢাবিয়ান বলেছেন: ধর্মের ভিত্তি হচ্ছে বিশ্বাস। বিবর্তনবাদ বা অন্য আর দশটা ধর্ম সম্পর্কে জানলেই , কেউ নাস্তিক হয়ে যাবে না। হুজুরদের জ্ঞানবুদ্ধিতো নাইই সেই সাথে নাই বিবেচনাবোধও। ধর্ম যে জোর করে চাপানোর বিষয় নয় সেটা এরা কবে বুঝবে কে জানে!

০৫ ই জুলাই, ২০১৯ সকাল ১০:০৪

কলাবাগান১ বলেছেন: আপনার বিবর্তন দেখে টাশকি!!!! আমার পোস্টে প্লাস আর সুচিন্তিত মন্তব্য!!!! ধর্ম থেকে মানুষ জন দুরে চলে যাওয়ার মুল কারন হল কট্রর বাদীতা... আপনি কোন ধর্মকে না মানতে পারেন কিন্তু টলারেট তো করতে হবে...

৫| ০৫ ই জুলাই, ২০১৯ সকাল ১০:৩৪

ঢাবিয়ান বলেছেন: ভাল কোন পোস্টে লাইক দিতে আমার কোন কার্পন্য নাই। কট্টরবাদিতা ইদানিং শুধু দেশে নয়, প্রবাসী বাংলাদেশীদের মাঝেও বাড়ছে যেটা বেশ উদেগজনক। চারপাশে এমনও দেখেছি যে মাতা পিতা দুই জনই উচ্চশিক্ষিত কিন্ত বর্তমানে কট্টরপথীতে পরিনত হয়ে সন্তান্দের বিদেশের মাদ্রাসায় পাঠাচ্ছে!! তালিম করছে, অন্যদের নিজেদের দলে ভেড়াতে নানান কার্যক্রম চালাচ্ছে।

০৫ ই জুলাই, ২০১৯ রাত ৯:০৪

কলাবাগান১ বলেছেন: পিএইচডি করা পিতা -মাতা, মেয়ে কে কলেজে পড়ানোর চেয়ে বয়স বাড়িয়ে আমেরিকাতে বিয়ে দিচ্ছে ধর্মের ধোহাই দিয়ে

৬| ০৫ ই জুলাই, ২০১৯ সকাল ১০:৫৬

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: সময়টা বিভ্রান্তি ছড়ানোর, যে যেখানে আছে সেখানে থেকে ধর্মের দোহায় দিয়ে কাজটি চালিয়ে যাচ্ছে, পাঠ্য বই এখন নর্দমায় পরিনত হতে যাচ্ছে অথবা কে বলবে হয়তো নর্দমা হয়ে গেছে। ক্লাস থ্রি ফোর ফাইভের পড়া এখন আমার বোঝার বাইরে - মাঝে মাঝে মনে হয় আমার নিজের আবার বাল্য শিক্ষা গ্রহণ করতে হবে অথবা শিক্ষা পরিবর্তনকারীদের কানে ধরে উঠবস করন সহ তাদের আবার বাল্যশিক্ষা গ্রহন বাধ্যতামুলক করতে হবে।

পোষ্টে+++
দুঃখজনক ব্লগে এখন ব্লক চলছে। গাধা গর্দভরা ব্লগকে ব্লক করে ছেড়েছে।

০৫ ই জুলাই, ২০১৯ রাত ৯:০৫

কলাবাগান১ বলেছেন: ছাগল দিয়ে হাল চাষ হয় না

৭| ০৫ ই জুলাই, ২০১৯ সকাল ১১:৪৫

কানিজ রিনা বলেছেন: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসী বিভাগের ডিন
ডঃ চৌধুরী মাহামুদ হাসান। এখন সার্স দিন পেয়ে
যাবেন উনি কি বিষয়ে গবেষনা করে শ্রেষ্ট
বিজ্ঞানী হয়েছেন।
এখন ধর্ম বা বিজ্ঞান নিয়ে তর্ক বিতর্ক
করাটা মনে হয় উচিৎ না। ধর্ম ধর্মের
গতিতে চলুক বিজ্ঞান বিজ্ঞানের গতিতে।
যার যেটা বিশ্বাস। কট্ররপন্থি বা উগ্রপন্থি
সব দেশেই সব ধর্মেই আছে। ভারতের
দিকে তাকালেই বুঝতে পারবেন।
কিভাবে ভারতে উগ্রপন্থিরা মাথা চাঁড়া
দিয়ে উঠেছে। উগ্রপন্থিরা সব সময়
কোনও ধর্মের আওতায় নিজেকে নিজে
জাহেরী করে। আসলে কি তারা ধার্মিক?
তর্কবাজ মানুষ কখনও জ্ঞানী হতে পারেনা
বা সে ধার্মীকও নয়।

০৬ ই জুলাই, ২০১৯ সকাল ৯:১১

কলাবাগান১ বলেছেন: ডঃ চৌধুরী মাহামুদ হাসান স্যার এর জন্য বিনন্ম্র শ্রদ্ধা।

৮| ০৫ ই জুলাই, ২০১৯ দুপুর ১২:৩৭

রাজীব নুর বলেছেন: হুজুরে তাদের সুবিধার জন্য চায় দেশটা পিছিয়ে থাকুক।

০৫ ই জুলাই, ২০১৯ রাত ৯:০৭

কলাবাগান১ বলেছেন: সব হুজুর আবার তা না

৯| ০৫ ই জুলাই, ২০১৯ বিকাল ৩:১৭

আরইউ বলেছেন: শ্রেষ্ঠ...??? ... হবে হয়ত! Google Scholar এ এটা পেলাম Click This Link বেশ এভারেজ মানের মনে হলো!

০৫ ই জুলাই, ২০১৯ রাত ৯:০৯

কলাবাগান১ বলেছেন: তাও তো রিসার্চ করছেন এই সীমিত পরিসরে ..।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রিসার্চের যে বাজেট, তা অনেক দেশের একটা ল্যাবে ও তার চেয়ে বেশী থাকে।

১০| ০৫ ই জুলাই, ২০১৯ রাত ৯:১৪

কলাবাগান১ বলেছেন: একজন ব্লগারকে ও দেখলাম না পোস্টের কন্টেন্ট নিয়ে কমেন্ট করতে। হয়ত বুঝাতে পারি নাই..

মুল প্রতিপাদ্য হল যে মানুষের শরীরে কেন ২৩ জোড়া ক্রমোজম....বেশী ও না কম ও না????..যেহেতু মানুষের উৎপত্তি হয়েছে শিম্পান্জী জাতীয় প্রানী থেকে, শিম্পান্জী এর ২৪ জোড়া ক্রমোজমের মধ্যে থেকে দুইটা ক্রমোজম ফিউশন হয়ে মানুষের ক্রমোজম নাম্বার দুই তৈরী হয়েছে.। সেহেতু মানুষের এখন ২৩ জোড়া ক্রমোজম।
আর ক্রমোজম ই হল জীবনের আসল রূপরেখা।

১১| ০৫ ই জুলাই, ২০১৯ রাত ১০:০১

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
বিভিন্ন ধর্ম পুস্তক বলে ঈশ্বর মাটি দিয়ে একটি মানব ও মানবি তৈরি করেছিলেন। পরে তাদের জীবন দেয়া হয়।
তাদেরকে কোন এবাদত করতে বলা হয় নি। বরং সকল ফেরেস্তা হুর দের হুকুম দেয়া হয় মানুষকে এবাদত করতে।

এভাবেই চলছিলো। একটি ভুলের কারনে ঈশ্বর এদের উপর রাগ হয়ে নীচে মর্ত্যে পাঠিয়ে দিয়েছেন।

অনেক পরে মানুষ সভ্য শিক্ষিত হয়ে দেখলো মানুষ পৃথিবীর অন্যান্ন জীব জন্তু প্রানীর মত একটি প্রানী মাত্র। অংগপ্রতংগ হার্ট লাং ব্লাড প্রায় সেইম।

০৫ ই জুলাই, ২০১৯ রাত ১০:৫৯

কলাবাগান১ বলেছেন: ধন্যবাদ সুচিন্তিত মন্তব্যের জন্য

১২| ০৬ ই জুলাই, ২০১৯ রাত ১২:৪৭

এলিয়ানা সিম্পসন বলেছেন: বিবর্তনবাদ বাদ দিয়ে ছাগলবাদ পড়ালে ভাল হয়।

০৬ ই জুলাই, ২০১৯ সকাল ৯:১৫

কলাবাগান১ বলেছেন: ভালো বলেছেন

১৩| ০৬ ই জুলাই, ২০১৯ দুপুর ১:৩২

নাহিদ০৯ বলেছেন: হাফেজ্জী হুজুরের কাজ এগুলো না। উনি হুজুর হয়েছেন বা আলেম হয়েছেন। মাশাল্লাহ। উনার কিছু দায়িত্ব আছে, কিছু কর্তব্য আছে। বিবর্তনবাদ দেওয়া ছুড়ে ফেলা এসব কাজের জন্য উনাকে আলেম বানানো হয়নি।

০৬ ই জুলাই, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৪০

কলাবাগান১ বলেছেন: sensible comment

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.