নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

কাল্পনিক_জীবন

কাল্পনিক_জীবন › বিস্তারিত পোস্টঃ

ভারতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনের শুরুর দিকের সর্বকনিষ্ঠ ও প্রভাবশালী এক বিপ্লবী যার নাম ক্ষুদিরাম বসু

২৫ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ৮:৪৫


ভারতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনের শুরুর দিকের সর্বকনিষ্ঠ ও প্রভাবশালী এক বিপ্লবীক্ষুদিরাম বসু যাকে দেশ প্রেমের জন্য মাত্র ১৮ বছর ৮ মাস ৮ দিন তার বয়সে ফাঁসি পড়তে হয়েছিল।ক্ষুদিরাম বসু ডিসেম্বর ১৮৮৯ তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির অন্তর্গত মেদিনীপুর জেলা শহরের খুব কাছের কেশপুর থানার অন্তর্গত মোহবনী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তার পিতা ত্রৈলক্যনাথ বসু ছিলেন নাড়াজোল প্রদেশের শহরে আয় এজেন্ট। তার মা লক্ষীপ্রিয় দেবী। তিন কন্যার পর তিনি তার মায়ের চতুর্থ সন্তান হিসেবে পৃথিবীর আলো দেখেন। তার আগে জন্ম নেয়া দুই ভাই আগেই মৃত্যুবরণ করেন।আর সেজন্য যাতে ক্ষুদিরামের মৃত্যু না হয় বা সে আশঙ্কায় ক্ষুদিরামের মা তখনকার সমাজের নিয়ম অনুযায়ী তার পুত্র ক্ষুদিরামকে তার বড় বোনের কাছে অর্থাত ক্ষুদিরামের খালার কাছে তিন মুঠি খুদের বিনিময়ে বিক্রি করে দেন। খুদের বিনিময়ে ক্রয়কৃত শিশুটির নাম পরবর্তীকালে ক্ষুদিরাম রাখা হয়। ক্ষুদিরাম বসু পরবর্তিতে ক্ষুদিরামের খালার কাছেই বড় হন।ক্ষুদিরাম বসু তার প্রাপ্তবয়সে পৌঁছানোর অনেক আগেই একজন ডানপিটে, বাউণ্ডুলে, রোমাঞ্চপ্রিয় হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। ১৯০২ সাল থেকে ০৩সালে যখন বিপ্লবী নেতা শ্রী অরবিন্দ এবং সিস্টার-নিবেদিতা মেদিনীপুর ভ্রমণ করে জনসম্মুখে বক্তব্য রাখেন এবং বিপ্লবী দলগুলোর সাথে গোপন পরিকল্পনা করেন, তখন তরুণ ছাত্র ক্ষুদিরাম বিপ্লবে যোগ দিতে অনুপ্রাণিত হন। ১৯০৪ সালে ক্ষুদিরাম তার বোন অপরূপার স্বামী অম্রিতার সাথে তমলুক শহর থেকে মেদিনীপুরে চলে আসেন।
মেদিনীপুরে তার বিপ্লবী জীবনের অভিষেক হয়েছিল। তিনি বিপ্লবীদের একটি নবগঠিত আখড়ায় যোগ দেন। ১৯০২ সালে জ্ঞানেন্দ্রনাথ বসু এবং রাজনারায়ণ বসুর প্রভাবে মেদিনীপুরে একটি গুপ্ত বিপ্লবী সংগঠন গড়ে উঠেছিল। সেই সংগঠনের নেতা ছিলেন হেমচন্দ্র দাস কানুনগো এবং সত্যেন্দ্রনাথ বসু ছিলেন হেমচন্দ্র দাসের সহকারী আর সেটি রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় ব্রিটিশবিরোধীদের দ্বারা পরিচালিত হতো। অল্প কিছু সময়ের মধ্যেই ক্ষুদিরাম তার গুণাবলীর জন্য সবার চোখে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেন। ক্ষুদিরাম সত্যেন্দ্রনাথের সাহায্যে বিপ্লবী দলভুক্ত হয়ে সেখানে আশ্রয় পান। ক্ষুদিরাম তারই নির্দেশে সোনার বাংলা শীর্ষক বিপ্লবাত্মক ইশতেহার বিলি করে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। ১৯০৬ সালে কাঁসাই নদীর বন্যার সময়ে রণপার সাহায্যে ত্রাণকাজও চালান।
ক্ষুদিরাম বসু তার শিক্ষক সত্যেন্দ্রনাথ বোসের নিকট হতে এবং শ্রীমদ্ভগবদগীতা পড়ে ব্রিটিশ উপনিবেশের বিরুদ্ধে বিপ্লব করতে অনুপ্রাণিত হন। তিনি বিপ্লবী রাজনৈতিক দল যুগান্তরে যোগ দেন। ১৬ বছর বয়সে ক্ষুদিরাম পুলিশ স্টেশনের কাছে বোমা পুতে রাখেন এবং ইংরেজ কর্মকর্তাদের লক্ষ্য করেন। একের পর এক বোমা হামলার দায়ে ৩ বছর পর তাকে আটক করা হয়। ১৯০৮ সালের ৩০শে এপ্রিল মুজাফরপুর,বিহারে রাতে সাড়ে আটটায় ইওরোপিয়ান ক্লাবের সামনে বোমা ছুড়ে তিনজনকে হত্যার দায়ে অভিযুক্ত ক্ষুদিরামের বিচার শুরু হয় ১৯০৮ সালের ২১শে মে তারিখে যা আলিপুর বোমা মামলা নামে পরিচিত হয়। বিচারক ছিলেন জনৈক বৃটিশ মিঃ কর্নডফ এবং দুইজন ভারতীয়, লাথুনিপ্রসাদ ও জানকিপ্রসাদ। রায় শোনার পরে ক্ষুদিরামের মুখে হাসি দেখা যায়। তার বয়স খুব কম ছিল। বিচারক কর্নডফ তাকে প্রশ্ন করেন তাকে যে ফাসিতে মরতে হবে সেটা সে বুঝেছে কিনা? ক্ষুদিরাম আবার মুচকে হাসলে বিচারক আবার প্রশ্নটি করেন। ক্ষুদিরাম তখন ওপরে উদ্ধৃত কথাটি বলেন। তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয় ভোর ছয় টায়। ফাসির মঞ্চ ওঠার সময়ে তিনি হাসিখুশি ছিলেন। ক্ষুদিরামকে নিয়ে কাজী নজরুল ইসলাম কবিতা লিখেছিলেন এবং অনেক গানও তখন রচিত হয়েছিল। যেমন, একবার বিদায় দে মা। তার মৃত্যুর পর বৃটিশদের খুন করার জন্য তরুণরা উদ্বুদ্ধ হয়ে উঠেছিল।

মন্তব্য ৮ টি রেটিং +৪/-০

মন্তব্য (৮) মন্তব্য লিখুন

১| ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ৯:২৮

একজন অশিক্ষিত মানুষ বলেছেন: ভাল লাগল পড়ে।

২| ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ৯:৪৩

ফরিদ আহমদ চৌধুরী বলেছেন: তাঁর অবদান অদানে যায়নি। সবাই তাঁকে মনে রেখেছে। আমার (বিডিপি) নির্বাচনী ইশতেহার

৩| ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ১০:৪০

সনজিত বলেছেন: বেশ

৪| ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ১০:৫৭

বনসাই বলেছেন: আরো পড়ালেখা করুন। উইকি কপি পেস্ট করলে তো আর আগাতে পারবেন না। ক্ষুদিরাম নিয়ে যা দিলেন নিজে ঠিকভাবে পড়েছেন কি?

ক্ষুদিরাম তখন ওপরে উদ্ধৃত কথাটি বলেন। কোন কথা ওপরে ছিল বলুন তো?

আর ৩০/০৪/১৯০৮ তারিখের ঘটনা আরো বিস্তারিত না লেখা এই বিপ্লবীর প্রতি অশ্রদ্ধার নামান্তর বলে মনে করি।

অনলাইনে যা পড়েন তা সব সময় সত্য হবে এই দিব্যি কে দিলো আপনাকে!

৫| ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ১১:১৩

রাজীব নুর বলেছেন: বনসাই এর মন্তব্য পড়ার পর পোষ্টটি আর পড়তে ইচ্ছা করেনি।

৬| ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১২:৩২

বাংলার মেলা বলেছেন: ক্ষুদিরাম আন্দোলন করেছিল ইংরেজদের বিরুদ্ধে কিন্তু তার বোমা হামলার শিকারেরা বেশিরভাগই ছিল মুসলিম। পিওরলি সাম্প্রদায়িক বিপ্লবী।

৭| ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১২:৫৬

বনসাই বলেছেন: হায় বাংলার মেলা, ধিক! কত সহজেই কত হাবিজাবি লেখা যায়! ক্ষুদিরামের কারণে মুসলমান নিহত হয়েছেন এমন উদাহরণ দিবেন নয়তো মাফ চাইবেন এখানে।

ক্ষুদিরাম বসু বিষয়ে জানতে নিচের এড্রেসে যেতে পারেন পাঠক।
https://www.google.com/amp/10minuteschool.com/blog/khudiram-bose/amp/

৮| ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৩৭

:):):)(:(:(:হাসু মামা বলেছেন: সুন্দর ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.