![]() |
![]() |
নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আমি কিছুটা ভ্রমণবিলাসী আর ফুলের প্রতি আছে আমার আজন্ম ভালোবাসা
আফগানিস্তানের প্রকৃতি
প্রথম পর্বে আফগানিস্তানের পরিচিতি অনেকটাই লিখেছি। আজ প্রকৃতি নিয়ে কিছুটা লিখতে বসেছি।
আফগান প্রকৃতি অনেকটা বৈরীই বলা যায়। পাথরের পাহাড়, মরুভুমি, ফসলী জমি সবই আছে। পাহাড়ে কোন রকমের গাছ দেখা যায় না বললেই চলে।
আফগানিস্তানের আয়তন ৬,৪৭,৫০০ বর্গ কিলোমিটার, জনসংখ্যা মাত্র তিন কোটি। প্রচুর খালি সমভুমি পড়ে আছে, তা রেখে কেন যে ওরা গাদাগাদি করে পাহাড়ের উপর বাস করে, তা আমার মাথায় আসে না। দূর থেকে দেখলে মনে হয় যেন, একটার উপর আরেকটা ম্যাচের বক্স সাজানো আছে।
আফগানদের প্রধান খাবার রুটি। সেই রুটির সাইজ মাশ আল্লাহ্ জীবনেও ভুলবো না। দৈর্ঘে তিন ফুট হবে, প্রস্থে হবে দেড় ফুট আর ঊচ্চতায় এক ইঞ্চি। আমাদের দেশে তন্দুর রুটি যেমন চুলায় তৈরী করে, চেমনি চুলায় বানানো। সাধারনতঃ সবাই ওই রুটি কিনেই খায়। যখন কিনে নিয়ে যায়, সে আরেক দৃশ্য- কাঁধে করে নিয়ে যেতে হয়। আমি যে গেষ্ট হাউসে ছিলাম, সেটা অফিসের গেষ্ট হাউস। দুপুরে সব অফিস স্টাফরা ওখানেই খেত। আমি এক পাঠান ড্রাইভারকে ওই রুটি দুইটা খেতে দেখছি সাথে বড় এক ডিস সবজি। যেখানে আমি দুপুরে ছয় ভাগের এক ভাগ খেতে পেরেছি। ওখানে মাছ খুব কমই পাওয়া যায়। ভেড়া, দুম্বা, গরু, খাশী সব কিছুর গোশতই পাওয়া যায়। এক কেজি গোশত প্রায় দশ লিটার পানি দিয়ে রান্না করে, মানে ঝোল রাখে। ওরা ওই তরকারীটাকে বলে "সুরুয়া।" বাটি ভর্তি সুরুয়া আর খুব বেশি হলে দু'টুকরো গোশত নিয়ে তাতে রুটি ভিজিয়ে খায়। আমিও খেয়েছি, মজাই লাগে। আফগানরা তৈলাক্ত খাবার বেশী খায়, ভীষণ পরিশ্রমী আর পাহাড় বেয়ে উঠতে হয় বলে, হয়তোবা সেটা বার্ন হয়ে যায়। আশেপাশের দেশ থেকে ভাল বাসমতি চালও আসে, ওরা বিরিয়ানীও পছন্দ করে। ভেড়া বা দুম্বার গোশতে প্রচুর চর্বি হয়, সেটা ওরা খুব পছন্দ করে খায়। আমরা একদিন ফ্রেশ ভাত রান্না করতে বলেছিলাম, খাবার সময় দেখি তাতে লবন দেয়া আছে, আর আছে আস্ত জিরা। লবণ ছাড়াও যে ভাত রান্না হয়, এটা ওরা চিন্তাই করতে পারে না।
-----------------------------পাহাড়ী নদির ভিতরে অতিথীশালা
------------------------এমন দুর্গম স্থানেও সুর্য্যের কী দারুণ রঙিন আভা
নানা রকমের ফলের চাষ হয় এখানে। অসম্ভব মিষ্টি সব ফল। আপেল বা আঙ্গুরের কথা না হয় বাদই দিলাম। খারবুজা নামে একটা ফল হয়, যা আমাদের দেশের ফুটি বা বাঙ্গির মত। প্রায় তরমুজের মতই রসালো এবং দারুন মিষ্টি। আর বাদামেরতো কথাই নেই। কত প্রজাতির বাদাম যে ওই দেশে চাষ হয় তার ইয়ত্তা নেই। সব্জিও চাষ হয়, তবে তা সীমিত।
আর চাষ হয় পপি। পপির ফল থেকে হেরোইন তৈরী হয়। কি ভাবে তা বানানো হয় সেটা আমি বলতে পারছি না। মুলতঃ তা’ পাচার হয় আমেরিকাতেই। আমেরিকানদের ধ্বংস করবার এটাও এক ষড়যন্ত্র।
-----------------------------------------------নিষিদ্ধ পপি চাষ
শীতের সময় তুষারে আবৃত হয় সিংহ ভাগ অঞ্চল। মাঝে মাঝে তুষার ঝড়ও হয়। আবার মরু ঝড়ও দেখা যায়। পাহাড় আর মরুভুমিতে ঘেরা বলেই হয়তোবা পানির অভাব ওই দেশে। পানির স্তর অনেক নিচে। তবে আল্লাহ্র রহমতে, পাহাড় বেয়ে ঝরনা নামে। সেই পানিই সুপেয়, একেবারে ডিসটিলড্ ওয়াটার। পাহাড়ী নদীগুলোতে যখন পানি থাকে না, তখন মনে হয় যেন পাথরের নদী। আর যখন পানি আসে, প্রবল খরোস্রোতা। দু'একটা জায়গায় পাহাড়ী ঝর্ণা দেখা যায়, যার পানি রঙ্গীন। খাওয়া যায়। স্বাদ একেবারে কোমল পানীয় কোকের মত। অবিশ্বাস্য!!! সুবহান আল্লাহ্। মনে পড়ে, সূরা আর রাহ্মানের সেই ক'টা লাইন," তোমরা বিধাতার কোন নিয়ামতকে অস্বীকার করবে।"( ফাবিয়াইয়ে আ'লা এ রব্বেকুমা তুকাজ্জেবান)।
-------------------------------------প্রাকৃতিক কোলার ঝর্ণা
--------------------------------------শীতের আফগানিস্থান
-----------------------------------------বর্ষার পাহাড়ি নদি
আফগানিস্তানে এখন গাড়ী কিনতে কোন ট্যাক্স দিতে হয় না, আমেরিকা শাষিত বলেই হয়তোবা। আমাদের দেশে যেখানে ২০০%, ৩০০% ট্যাক্স দিতে হয়। বিভিন্ন ধরনের ব্র্যান্ডের গাড়ী ওখানে পাওয়া যায়। আমি দেখেছি, সাধারন টাউন সার্ভিসের গাড়ীগুলো মার্সিডিসের বাস। তারপরও পাহাড়ী অঞ্চলে এখনো চলছে ঘোড়া, গাধা। চলছে মানুষ, বইছে বোঝা। মরুভূমিতে চলে উট।
---------------------------------- মরু/পাহাড়ি বাহন
ওদের জাতীয় খেলার নাম," বুচ কাশি"। খেলোয়াররা সব ঘোড়-সওয়ারী। মেশের চামড়ার ভিতর খর ঢুকিয়ে একটা আকৃতি বানায়। তারপর সেটা নিয়ে চললো খেলোয়ার, কোন একটা গোলপোষ্টে সেটা প্রবেশ করাতে হবে।আরেকদল কেড়ে নেবার চেষ্টায় থাকে। এভাবেই খেলা এগিয়ে চলে। উটের যুদ্ধও ওদের প্রিয় খেলার একটি, আমাদের দেশের মোরগ যুদ্ধের মত। অবশ্য আমাদের দেশে মোরগ যুদ্ধ এখন বিলুপ্ত প্রায়।
----------------------জাতীয় খেলা," বুচ কাশি"
-----------------------------------------লড়াকু উট
এখনো মাঝে মাঝে দেখা যায়, তালেবানদের তান্ডবের দৃশ্য। এখানে ওখানে পরিত্যক্ত পোড়া গাড়ী, বিকল ট্যাংক, দেয়ালে অজস্র বুলেটের চিহ্ন। তালেবানদের গেরিলা আক্রমন এখনও আছে। সব আমেরিকা বিরোধী। আফগানদেরও সরকারী চাকুরী করতে দেবে না তালেবানরা। আমি যখন ছিলাম, তখন একটা সিডি বেরিয়েছিল। কয়েকজন আফগান পুলিশ সদস্যকে তালেবানরা ধরে নিয়ে গেছে। তাদের সবাইকে জবাই করে, ধরের বুকের উপর মাথাটা রেখে দিয়েছে। সেই দৃশ্য ভিডিও করে বাজারে ছেড়ে দিয়েছে। তাতে হুমকী দেয়া হয়েছে, "কেউ যদি আমেরিকার অধীনে চাকুরী করে তাদেরো এই দশা হবে"। কী হিংস্র, নরপিশাচ এরা!!! আমার হাসবেন্ড এই সিডি টা দেখেছিলেন। আমি সইতে পারব না বলে, আমাকে দেখান নি। সাধারন আফগানরা তালেবান বিরোধী। তারা শান্তি চায়।
------------------------------টিভিটাও গুলি করে ভেঙ্গে রেখে গেছে
ইউ এন-এর রোড প্রজেক্টের কাজ দেখার জন্য মন্ত্রীর গাড়ী বহর এবং ইউ এন-এর গাড়ী বহর যাচ্ছিল, সাথে আগে পিছে পুলিশের গাড়িতো ছিলই। সিকিউরিটি টীমকে বলা হয়েছিল নির্দিষ্ট একটা সময়ে মন্ত্রী ওই এলাকা ক্রস করবেন। সম্ভবত কেউ একজন খবরটা তালেবানদের জানিয়ে দেয়। গাড়ী বহর যাবার সময় সামনে থেকে পুলিশের গাড়ী একটা উড়ে গেল, মাটিতে পুঁতে রাখা এক ধরনের বোমা যা রিমোট দিয়ে ফাটানো হয়েছিল। ওই গাড়িতে তিনজন পুলিশ সদস্য ছিল, তাদের একজন সাথে সাথেই মারা যায়, একজনার পা উড়ে যায়, আরেকজন গুরুতর আহত ছিল। মন্ত্রী সাহেব নিজের গাড়ী রেখে আগেই মাঝের দিকে থাকা ইউ এন-এর গাড়ীতে ছিলেন। তার মানে এনারা জেনেই বের হন, কিছু একটা অঘটন হয়তো হতেও পারে। পরে আরো কয়েকটা পুঁতে রাখা বোমা উদ্ধার করা হয়।
-----------------------------------------উদ্ধারকৃত বোমা
পাঠান মুলুকে - ১ (এক)
ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ
১২ ই নভেম্বর, ২০১৫ সকাল ১০:১৯
কামরুন নাহার বীথি বলেছেন: ভাল লাগল ভাই আপনার আন্তরিক মন্তব্য!!!
অনেক অনেক শুভেচ্ছা!!
২| ১২ ই নভেম্বর, ২০১৫ ভোর ৫:৩৯
হাসান মাহবুব বলেছেন: বীরের জাতি। জাত যোদ্ধা। ছবিগুলো সুন্দর,তবে বড় রুক্ষ জায়গা! শীতের ছবিগুলো বেশি ভালো লেগেছে।
১২ ই নভেম্বর, ২০১৫ সকাল ১০:২২
কামরুন নাহার বীথি বলেছেন: হ্যা, রুক্ষ জায়গা বলেই প্রকৃতির সাথেও যুদ্ধ করে এদের বাঁচতে হয়।
অনেক অনেক শুভেচ্ছা ভাই আপনাকে!!
৩| ১২ ই নভেম্বর, ২০১৫ ভোর ৬:২৬
এ কে এম রেজাউল করিম বলেছেন:
আমি এ দেশে ১ বছর ছিলাম। চারটি যুদ্ধ ক্ষেত্রে আমেরিকানদের সাথে কাজ করেছি। এ দেশের মানুষগুলির সা্রীরিক গঠন এ পোষ্টে বিস্তারিত জানানো হয় নি। পাঠক-পাঠীকাদের জানানোর জন্য বলছি- আফগানরা দেহের গঠনে খুব সুন্দর, বলিষ্ঠ, কঠিন পরিশ্রমি ও সাহসী। আর আফগান মেয়েরা অসাধারন সুন্দরী।
১২ ই নভেম্বর, ২০১৫ সকাল ১০:২৬
কামরুন নাহার বীথি বলেছেন: এই পর্বে লিখিনি, আপনি আমার প্রথম পর্বটা কি পড়েছেন?
না পড়ে থাকলে, দেখতে পারেন ওখানে দৈহিক বর্ণনা কিছুটা হলেও আছে।
আর আফগানিস্তান নিয়ে আমার লেখা এখানেই শেষ নয়।
আশা করছি সাথেই থাকবেন।
অনেক অনেক শুভেচ্ছা ভাই আপনাকে!!
৪| ১২ ই নভেম্বর, ২০১৫ সকাল ৮:২৩
কি করি আজ ভেবে না পাই বলেছেন: বীর জাতি আফগান
রুক্ষ স্বাধীনচেতা;
শত ক্লেশে অবিচল
রুখবে তাদের কে তা!!
চিরকালি দেখে এসেছি
নির্ভিক তারা যোদ্ধা;
তাদের তরে ভালোবাসা
হৃদয়ের সব শ্রদ্ধা।
আবেগের পোষ্টিতে
মন দিলে নাড়িয়ে;
শুকরিয়া তোমাকে
থ্যাংকস্ দিনু দাঁড়িয়ে।
১২ ই নভেম্বর, ২০১৫ সকাল ১০:৪১
কামরুন নাহার বীথি বলেছেন: হ্যা, বীরের জাত, মনটাও ভাল।
কিন্তু ভাল লাগে না এই তালেবানদের অত্যাচার!!
তা, ছাড়া কাবুলের পথে বেড়ানোর সময় স্থানীয় একজন ইঞ্জিনীয়ার, আরেকজন অফিস ম্যানেজার আমাদের সাথেই থাকত।
তারা বলতো কাবুল কতটা সমৃদ্ধ দেশ ছিল, শহরের মধ্যেও কেবল কার চলতো।
এখোনো নিদর্শন দেখা যায়।
এখন আফগানিস্তান আর সে সমৃদ্ধ দেশ নেই, যুদ্ধে যুদ্ধে বিধ্বস্ত।
দরীদ্রের সংখ্যা বেশী, আর যারা উচ্চ বিত্ত সব দূর্নীতিবাজ।
আপনার আন্তরিক মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ ভাই!!!
৫| ১২ ই নভেম্বর, ২০১৫ সকাল ৯:১৭
কান্ডারি অথর্ব বলেছেন:
চমৎকার, চমৎকার, চমৎকার পোস্ট।
১২ ই নভেম্বর, ২০১৫ সকাল ১০:৪৩
কামরুন নাহার বীথি বলেছেন: ধন্যবাদ, ধন্যবাদ, অসংখ্য ধন্যবাদ !!!
৬| ১২ ই নভেম্বর, ২০১৫ সকাল ১০:১৬
শামছুল ইসলাম বলেছেন: ছবি, বর্ণনা সব মিলিয়ে অসাধারণ একটা পোস্ট।
প্রিয়তে নিলাম।
যু্দ্ধ, তালেবান, কঠিন/নিষ্ঠুর স্মৃতি - সবই হয়তো কালের পরিক্রমায় হারিয়ে যাবে, কিন্তু রঙিন সুমিষ্ট পানীয়ের উৎস রয়ে যাবেঃ
//দু'একটা জায়গায় পাহাড়ী ঝর্ণা দেখা যায়, যার পানি রঙ্গীন। খাওয়া যায়। স্বাদ একেবারে কোমল পানীয় কোকের মত। অবিশ্বাস্য!!! সুবহান আল্লাহ্। মনে পড়ে, সূরা আর রাহ্মানের সেই ক'টা লাইন," তোমরা বিধাতার কোন নিয়ামতকে অস্বীকার করবে।"( ফাবিয়াইয়ে আ'লা এ রব্বেকুমা তুকাজ্জেবান)। //
ভাল থাকু
১২ ই নভেম্বর, ২০১৫ সকাল ১১:০৫
কামরুন নাহার বীথি বলেছেন: ঠিক তাই, রঙিন সুমিষ্ট পানীয়ের উৎস রয়ে যাবে।
ওদের ওই মরুভূমীর ফল যে কী মিষ্টি, মানুষের মনও তেমনই আন্তরিক।
কিন্তু যুদ্ধে যুদ্ধে দেশটা একেবারে শ্মশান হয়ে গিয়েছিল।
যারা দেশের বাইরে চলে গিয়েছিল, তারা দেশে ফিরছে, ব্যবসা-বানিজ্য করছে।
তবে নিজ দেশেই পরবাসী।
সবারই অন্য দেশের নাগরিকত্ব আছে।
অনেক শুভেচ্ছা ভাই, ভাল থাকবেন!!
৭| ১২ ই নভেম্বর, ২০১৫ সকাল ১০:২০
উরনচণ্ডী বলেছেন: চমৎকার পোষ্ট। ছবি ও অনবদ্য বর্ণনা। তৃতীয় পর্ব পড়ার অপেক্ষায় রইলাম।
১২ ই নভেম্বর, ২০১৫ সকাল ১১:০৯
কামরুন নাহার বীথি বলেছেন: অনেক অনেক শুভেচ্ছা ভাই!!!
তৃতীয় পর্ব আসতে অনেক সময় নেবে, যেমন প্রথম পর্বের পরে অনেকটা গ্যাপ।
আসলে ছবিগুলো খুঁজে পেতে সময় লাগে, অনেক অনেক ছবি সেভ করেও রাখা হয়নি, হারিয়ে গেছে।
৮| ১২ ই নভেম্বর, ২০১৫ সকাল ১০:২৬
গেম চেঞ্জার বলেছেন: অসাধারণ পোস্ট বীথি আপা। আফগানদের দেশটা আসলেই দুর্গম। পাথুরে পাহাড়ি জায়গায় সৌন্দর্য বলতে কিছু মনে হল না। শীতের ছবিগুলো দেখে মনে হল ব্রিটেনের ও ইউরোপের তুষার পড়া গ্রামগুলোর কথা।
১২ ই নভেম্বর, ২০১৫ সকাল ১১:১৫
কামরুন নাহার বীথি বলেছেন: হ্যা, দুর্গমই। কিন্তু এমন রুক্ষ দেশ আমারও এর আগে দেখা হয় নি।
পরে অবশ্য কাতারে ছিলাম কিছুদিন, তবে ওখানে মরুভূমী আছে ঠিকই, এমন দুর্গম পাহাড় পর্বত নাই।
আমার প্রথম তুষার দেখা এই আফগানিস্তানেই, আর এখন পর্যন্ত একমাত্রই আছে।
অনেক শুভেচ্ছা ভাই, ভাল থাকবেন।
৯| ১২ ই নভেম্বর, ২০১৫ সকাল ১০:৩৫
আরমিন বলেছেন: সুন্দর পোস্টে অনেক অনেক ভালোলাগা!
১২ ই নভেম্বর, ২০১৫ সকাল ১১:১৮
কামরুন নাহার বীথি বলেছেন: অনেক অনেক ধুভেচ্ছা ভাই!!!
১০| ১২ ই নভেম্বর, ২০১৫ সকাল ১০:৩৬
প্রামানিক বলেছেন: অনেক সুন্দর একটি পোষ্ট যাকে বলে অসাধারণ। পোষ্ট দেখে চোখ জুড়িয়ে গেল আর পড়ে মন ভরে গেল। এরকম পোষ্ট আরো চাই। ধন্যবাদ নাহার আপা।
১২ ই নভেম্বর, ২০১৫ সকাল ১১:২১
কামরুন নাহার বীথি বলেছেন: এরকম পোষ্ট লেখাতো মোটামুটি সহজই।
কিন্তু ছবিগুলো খুঁজে পেতে, সিলেক্ট করতে অনেক সময় লেগে যায়।
তখন আর ধৈর্য্য থাকে না।
অনেক শুভেচ্ছা ভাই, ভাল থাকবেন।
১১| ১২ ই নভেম্বর, ২০১৫ সকাল ১০:৪৩
আহমেদ জী এস বলেছেন: কামরুন নাহার বীথি ,
রুক্ষ আফগান প্রান্তরের ভেতরের নান্দনিক সব ছবি নিয়ে ভালোলাগার ঝর্না বইয়ে দিলেন ।
পপি ফুল ..... দেখে মনে হলো আসলেই পৃথিবীর সবকিছুই একসাথে মিষ্টি আর মধুর হয়না । এই ফুলসুন্দরীর বুকের মাঝে যে গরল আছে তা পিয়ে পিয়ে হাযারো লক্ষ তরুন-যুবা জীবনের আলোটুকু খুঁইয়ে বসে আছে ।
ছবি যিনি তুলেছেন তার প্রশংসা করতেই হয় ।
১২ ই নভেম্বর, ২০১৫ সকাল ১১:২৮
কামরুন নাহার বীথি বলেছেন: পপি ফুল ..... দেখে মনে হলো আসলেই পৃথিবীর সবকিছুই একসাথে মিষ্টি আর মধুর হয়না । এই ফুলসুন্দরীর বুকের মাঝে যে গরল আছে তা পিয়ে পিয়ে হাযারো লক্ষ তরুন-যুবা জীবনের আলোটুকু খুঁইয়ে বসে আছে ।
---
ঠিক তাই, কী সুন্দর ফুলগুলো!!!
আর এর ফলের নির্যাস, একটা জাতিকে ধ্বংস করার জন্য যথেষ্ট !!!
ছবি যিনি তুলেছেন তার প্রশংসা করতেই হয় । -----
ছবি তুলেছেন, আমার প্রধান ক্যামেরাম্যান, আমি যার সহকারি!!!!
অনেক ধন্যবাদ ভাই, ভাল থাকবেন!!!
১২| ১২ ই নভেম্বর, ২০১৫ সকাল ১০:৫৩
সুমন কর বলেছেন: এবারের পর্বের লেখা আর ছবিগুলো দারুণ হয়েছে।
পাহাড়ী নদির ভিতরে অতিথীশালায় থাকুম......
+।
১২ ই নভেম্বর, ২০১৫ সকাল ১১:৩১
কামরুন নাহার বীথি বলেছেন: পাহাড়ী নদির ভিতরে অতিথীশালায় থাকুম। -------
চলে যান, আমি কি ঠিকানা দেব?
তবে ভবিষ্যৎ অন্ধকার। আর কোন দেশের ভিসা পাবেন না, তালেবানের খাতায় নাম উঠে যাবে।
অনেক শুভেচ্ছা দাদা, ভাল থাকবেন!!
১৩| ১২ ই নভেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১২:২৪
মাহমুদ০০৭ বলেছেন: আপনার লেখনী চমৎকার সুন্দর ।খুব ভাল লাগল । আপনার লেখার মধ্য দিয়ে যেন এক টুকরা আফগানিস্থান
দেখতে পেলাম /
শুভেচ্ছা রইল।
১২ ই নভেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১২:২৭
কামরুন নাহার বীথি বলেছেন: আপনার এই আন্তরিক মন্তব্যের জন্য অনেক অনেক শুভেচ্ছা ভাই!!
১৪| ১২ ই নভেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১২:৪৯
এস কাজী বলেছেন: সুন্দর হয়েছে বীথি আপু। ভাল লাগা রইল
১২ ই নভেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১২:৫৬
কামরুন নাহার বীথি বলেছেন: অনেক অনেক শুভেচ্ছা, ভাল থাকবেন !!
১৫| ১২ ই নভেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১:৩৮
জুন বলেছেন: এই ছবি ব্লগটা ব্লগ দিবসের প্রতিযোগিতায় দিলে নির্ঘাত প্রথম হতেন কামরুন্নাহার বিথী।
হায় কি সুন্দর একটি দেশের কি করুন পরিনতি। এই দেশ এই কাবুলের জন্যই কি মুজতবা আলীর সেই গৃহকর্মী আবদুর রহমান সেই সুদুরে দৃষ্টি নিক্ষেপ করে বলেছিল "ইনহাস্ত ওয়াতানাম" অর্থাৎ এই তো আমার জন্মভুমি।
১২ ই নভেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৩:৪৫
কামরুন নাহার বীথি বলেছেন: এই ছবি ব্লগটা ব্লগ দিবসের প্রতিযোগিতায় দিলে নির্ঘাত প্রথম হতেন কামরুন্নাহার বিথী। --------
আপু, আপনি থাকতে আমি প্রথম হব?? আপনার মত লেখার মেধা আর ছবির কালেকশন আছে আমার!!!
তা' ছাড়া বোকা মানুষ বলতে চায়, সাদা মনের মানুষ, এরকম আরো আরো গুণী ভ্রমণ ব্লগারের মাঝে আমার প্রথম হবার চিন্তা করাটা স্পর্ধার সামিল !!!!
আচ্ছা আপু, আপনার কাছে একটা প্রশ্ন রাখি, আমার এই লেখাটি কোন ক্যাটাগরীতে পড়ে, ছবিব্লগ না ভ্রমণ ব্লগ?
পোখারা নিয়ে আমার এই লেখাটা ভ্রমণ ব্লগেও নাই, ছবিব্লগেও নাই !!!
অনেক অনেক ধন্যবাদ আপু আন্তরিক এই মন্তব্যের জন্য!
১৬| ১২ ই নভেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৩:২১
তাহসিনুল ইসলাম বলেছেন: বাহ !! ভ্রমনের চমৎকার জীবন্ত ছবি। আমরাও যেন আফগানিস্থান ভ্রমণ করে এলাম
১২ ই নভেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৩:৪৭
কামরুন নাহার বীথি বলেছেন: অনেক ভাল লাগল আপনার এমন মন্তব্যে। অজস্র শুভেচ্ছা ভাই!!!
১৭| ১২ ই নভেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:৫১
বোকা মানুষ বলতে চায় বলেছেন: পোস্টে +++, সিরিজ চলুক, সাথে আছি।
"পাহাড়ী নদির ভিতরে অতিথীশালা" দেখে মনে হল, কোন এক জোছনাস্নাত রাতে এখানে থাকতে পারলে মন্দ হত না
১২ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ১০:৪৪
কামরুন নাহার বীথি বলেছেন: সিরিজ আর বেশী চলবে না ভাই!!
খুব বেশী হলে আর দু'টো হবে!!!
অতিথীশালাটি আসলেই খুব আকর্ষনীয়, জ্যোৎস্না রাতে খুব উপভোগ্য হবে !!!!
অনেক শুভেচ্ছা ভাই, ভাল থাকবেন।
১৮| ১২ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৮:১৫
ঢাকাবাসী বলেছেন: অপুর্ব সব ছবি আর মিলিয়ে মিলিয়ে চমৎকার বর্ণনা! অসাধারণ পোস্ট । আফগানিস্তানে গেছিলুম আজ থেকে পন্চাশ বছর আগে, শ্রেফ শুকনো খোলা পাহাড় আর দিলওয়ালা কিছু মানুষ। পাথুরে পাহাড়ি জায়গায় সৌন্দর্য বলতে তেমন কিছু ছিলনা।আপনার তোলা চমৎকার শীতের ছবিগুলো দেখে মনে হল ইউরোপের তুষার পড়া এলাকার কথা। আপনার লেখার ক্ষমতা দারুণ, খুব ভাল লাগল।
১২ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ১০:৫৪
কামরুন নাহার বীথি বলেছেন: পঞ্চাশ বছর আগের আফগানিস্তানই আমার মনে হয় অনেক সুন্দর আর সমৃদ্ধ ছিল।
এখনই যুদ্ধে যুদ্ধে বিধ্বস্ত প্রায়।
তবে মানুষগুলো এখনও খুব দিলওয়ালে!!!
আপনারা, যারা ইউরোপ দেখেছেন, তাদের কাছে তুষারের ছবিগুলো ইউরোপের গ্রাম বলে মনে হয়।
কিন্তু আমার জীবনে এটাই প্রথম তুষার দেখা!!
আর কখনও, কোথাও দেখব কী না জানা নেই!!!
অনেক অনেক শুভেচ্ছা ভাই, ভাল থাকবেন!!
১৯| ১৩ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ১২:১২
ধমনী বলেছেন: দুর্দান্ত পোস্ট।
ছবি আর বর্ণনা দুটোই অসাধারণ।
১৩ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ১২:২৫
কামরুন নাহার বীথি বলেছেন: অসাধারণ মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ ভাই!!
২০| ১৩ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ১২:৩৪
কিরমানী লিটন বলেছেন: ইচ্ছেরা সব সদলবলে-
ভর দুপুরে বিশ্রামে,
স্বপ্নরা দেয় সুদূর পাড়ি,
অথৈ নরকপানের আশ্রমে।
বাঁচার আশা অনিশ্চিতে
সপরিবার একসাথে,
ঢেউ স্রোতেরা ঠাই-দিয়েছে,
সাগর নীলে বুকটাতে।
জীবন যাদের কাকতাড়ুয়া
পথের ধুলো ফুটপাতে,
আফগান তার নাম রেখেছি
পুড়িয়ে মারার ইচ্ছাতে।
দেশ করেছে দেশান্তরী
মানবতা দেয়নি ঠাই,
চোখের লোন মৃত্যু জলে
ইচ্ছেমরন যাত্রা তাই।
আফগানদের বাস্তবটা,নির্মম টিকে থাকার লড়াই,অথবা বেহায়া বিশ্ব বিবেকের যখন তুষের আগুনে সারাক্ষণ মানবতার কান্না,তখন আফগান নিয়ে লিখা আপনার এই চমৎকার পোষ্ট,একরাশ প্রশান্তির শিতলতা এলে দলো মন ও মননের গভীরে।অভিননদন আর স্যালুট!!! প্রিয় আপু কামরুন নাহার বীথিকে!!!
অনেক শুভকামনা জানবেন- সতত ...
১৩ ই নভেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১:১২
কামরুন নাহার বীথি বলেছেন: আফগানদের জীবনযাত্রা নিয়ে আপনার লেখা কবিতাটি সত্যিই অসাধারণ!!!
বিশ্বমানবতার চোখে ওরা অবহেলিতই, আমি শুধু কিছু ছবি ফ্রেমবন্দি করেছি,কিছুটা জানা ও দেখা শেয়ার করেছি সবার সাথে!!
অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাই আপনার মূল্যবান মন্তব্যের জন্য!!
২১| ১৩ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ১:০১
কথাকথিকেথিকথন বলেছেন: ছবি এবং অভিজ্ঞতার বর্ণনার চমৎকার পোস্ট । পড়তে খুব ভাল লেগেছে । ছবিগুলোও দারুণ ।
তবে তাদের যুদ্ধভিত্তিক নিশংসতার বর্ণনা পড়ে খারাপ লাগলো । এসব কবে যে বন্ধ হবে !
প্রথম পর্ব পড়া হয় নাই । পড়তে হবে ।
১৩ ই নভেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১:১৯
কামরুন নাহার বীথি বলেছেন: তবে তাদের যুদ্ধভিত্তিক নিশংসতার বর্ণনা পড়ে খারাপ লাগলো । এসব কবে যে বন্ধ হবে ! ----------
কবে আর বন্ধ হবে, তালেবানতো খোদ আমেরিকার তৈরী! যখন রাশিয়ার আধিপত্য ছিল!
এখন সেটাই বুমেরাং হয়েছে!!!!!
অনেক শুভেচ্ছা ভাই,ভাল থাকবেন!!!
২২| ১৩ ই নভেম্বর, ২০১৫ সকাল ৮:৩৭
কি করি আজ ভেবে না পাই বলেছেন: কানেকানে............পপিফুলের চারা কি এনেছো ???
আনলে আওয়াজ দিও।পার্টনারশিপে............ফিফটি ফিফটি
১৩ ই নভেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১:২৪
কামরুন নাহার বীথি বলেছেন: পপিফুলের চারা আনতে পারলে কি ফিফটিতে ব্যবসা করতাম!!!!
আমার ছাদেই চাষ করতাম!!!!
পপিফুলের চারা আনতে নিলে এয়ারপোর্টে আমার হাত দু'টো কেতে রেখে দিত।
২৩| ১৩ ই নভেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৫:১৬
প্রামানিক বলেছেন: তিন ফুট লম্বা আর দেড় ফুট চওড়া এক ইঞ্চি পুরো ঢাউস সাইজের রুটি আফগানরা কয়টা করে খায়?
১৩ ই নভেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৫:২০
কামরুন নাহার বীথি বলেছেন: আমি একজনকে দু'টো খেতে দেখেছি!!! সবাই কি আর একরকমই খায়!!!
২৪| ১৩ ই নভেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:১৩
শতদ্রু একটি নদী... বলেছেন: বেশ অনেকদিনে পড়া সবচেয়ে দারুন ভ্রমন ব্লগ। ভ্রমন ব্লগ বলাও ঠিক হবে নাকি জানিনা। সেখানে তো দুলাভাইয়ের কাজের সুবাদে থেকেছেনই, তাই অনেকটা ঘনিষ্ঠভাবে দেখেছেন ওখানের জীবন যা অল্পকিছুদিন ঘুরে দেখা সম্ভব না। কোথাও থাকলে সেই অঞ্চলের মানুষের সবকিছু ভালোভাবে বোঝা যায় যা আপনার লেখায় উঠে এসেছে। কোকের ঝর্নার কোক খেয়ে দেখছেন আপনি? অন্যরকম কিছু জানা হলো, দুনিয়াতে আসলেই অদ্ভুত অনেককিছু আছে।
আফগানদের আমার অনেক দিলখোলা মনে হয়েছে, যদিও আমি দেখেছি খুব কম। চিন্তাভাবনা সাধারন, দেখতে আর কথাবার্তায় যাই হোকনা কেন।
পোস্টে ভালোলাগা রইলো।
১৩ ই নভেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:০০
কামরুন নাহার বীথি বলেছেন: হ্যা, আফগানিরা দিলখোলা সেটা আমার লেখাতেও এসেছে।
আর ওদের সাথে থেকে, অনেক কাছে থেকে দেখে, ওদের জীবনযাত্রা কিছুটা লিখেছি !!!
কোকের ঝর্ণার পানি উনি খেয়েছেন, উনার সাইট দেখতে যেয়ে!!!
উনি আফগানিস্তানে ছয় বছর ছিলেন, আমি সব সময়টায় সাথে ছিলাম না।
অনেক অনেক শুভেচ্ছা ভাই, ভাল থাকবেন!!
২৫| ১৩ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৮:৪৬
রুহুল আমিন সোহেল বলেছেন: অনেক চমৎকার একটি পোস্ট। ছবিগুলো দেখে খুব ঘুরে আসতে ইচ্ছে করছে।
১৩ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৮:৫৮
কামরুন নাহার বীথি বলেছেন: ছবিগুলো দেখে ঘুরে আসতে ইচ্ছে করলেও, কোন কাজ ছাড়া ঐ দেশে না যাওয়াই ভাল!!!
ধন্যবাদ ভাই!!!
২৬| ১৪ ই নভেম্বর, ২০১৫ সকাল ৭:৪৪
কি করি আজ ভেবে না পাই বলেছেন: লেখক বলেছেন: পপিফুলের চারা আনতে পারলে কি ফিফটিতে ব্যবসা করতাম!!!!
আমার ছাদেই চাষ করতাম!!!!
পপিফুলের চারা আনতে নিলে এয়ারপোর্টে আমার হাত দু'টো কেতে রেখে দিত।
এতো যদি হাউস
তবে বীজটাই আনতে;
ছাদে সুখে করে চাষ
হেরোইন টানতে.........
১৪ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৮:৫১
কামরুন নাহার বীথি বলেছেন: ..এতো যদি হাউস
তবে বীজটাই আনতে;
ছাদে সুখে করে চাষ
হেরোইন টানতে....... ----------
কোন দুঃখে হেরোইন টেনে বুদ হয়ে থাকব???
নিজেকে আমি খুব সুখী মনে করি!!!!
২৭| ১৪ ই নভেম্বর, ২০১৫ সকাল ৮:৫৯
মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:
পুষ্পব্লগার, এবার এমন এক ফুলের ছবি দেখালেন, যা নিষিদ্ধ
কত সুন্দর ফুল। চকচক করলেই সোনা হয় না... কথাটির সত্যতা পেলাম।
রুটির সাইজ, উচ্চতা আর আফগানদের ভোজন ক্ষমতা জেনে খাবার ইচ্ছে হচ্ছে। রুটি আমার ভালোই লাগে।
এবার ছবি দিয়ে মোটামুটি সন্তুষ্ট করে দিলেন।
আফগানদের রাজনীতির খবরও দিলেন এবার। আম্রিকা যত নষ্টের গোড়া!
অনেক সুন্দর বর্ণনা
১৪ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:২৫
কামরুন নাহার বীথি বলেছেন: ঠিক তাই, চকচক করলেই সোনা হয় না।
ওদের রুটির সাইজ জেনে খেতে ইচ্ছে করছে?!!!!
আমি হলফ করে বলছি, ওই রুটির চার ভাগের এক ভাগের বেশী কখনও খেতে পারবেন না, সে যত বড়ই খাদক হোন না কেন!!!
আমার পোষ্ট করা ছবি দেখে কখনও অসন্তুষ্ট হয়েছেন, জানতাম না তো!!
অনেক অনেক শুভেচ্ছা মইনুল ভাই, ভাল থাকবেন!!
২৮| ১৪ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:৪৫
সেলিম আনোয়ার বলেছেন: সুন্দর । কমেন্ট ও পাঠে ধন্যবাদ ।নিরন্তর শুভকামনা ।
১৪ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:৪৯
কামরুন নাহার বীথি বলেছেন: অনেক অনেক শুভেচ্ছা ভাই, ভাল থাকবেন!!
২৯| ১৪ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:৪৬
মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:
অসন্তুষ্ট হয়েছি তা তো বলি নি কখনও!
আমার কোথাও ভুল হয়েছে?
মন্তব্য লেখায় আমাকে আরও সাবধান হতে হবে, বুঝেছি
ভালো থাকবেন, কামরুন নাহার আপা....
১৪ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:৫৫
কামরুন নাহার বীথি বলেছেন: হা হা হা ------------ নো টেনশন!!! জাস্ট জোক করেছি!!
৩০| ১৪ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:৪৮
সেলিম আনোয়ার বলেছেন: উপরের কমেন্ট মুছে দিন । আপনার পোস্ট ভাল লেগেছে । উট ঘোড়া গাড়ী সব ছবি অনবদ্য । পোস্টে +
১৪ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ১১:২৯
কামরুন নাহার বীথি বলেছেন: উপরের মন্তব্য মুছে দেবার আগেই যে জবাব দিয়ে ফেলেছি!
থাকনা, আবারও মন্তব্য করবেন, সমস্যা দেখি না আমি।
ভাল থাকুন, অনেক অনেক শুভেচ্ছা!!
৩১| ১৫ ই নভেম্বর, ২০১৫ সকাল ৭:২১
কি করি আজ ভেবে না পাই বলেছেন: লেখক বলেছেন: ..এতো যদি হাউস
তবে বীজটাই আনতে;
ছাদে সুখে করে চাষ
হেরোইন টানতে....... ----------
কোন দুঃখে হেরোইন টেনে বুদ হয়ে থাকব???
নিজেকে আমি খুব সুখী মনে করি!!!!
নিজে সুখী ভালা কতা
দ্যাও তবে আমাকে;
শায়মাপুনিকে নিয়ে
দিমু টান তামাকে।
১৫ ই নভেম্বর, ২০১৫ দুপুর ২:১০
কামরুন নাহার বীথি বলেছেন: সর্বনাশ!!!! শায়মা আপু শুনলে কল্লা কেটে রাখবে!!!
৩২| ১৬ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ১:১০
সাহসী সন্তান বলেছেন: কয়দিন ধইরা ভাবতাছি চশমাটা চেঞ্জ করন লাগে, কিন্তু সময় করেই উঠতে পারতাছি না?
আপু, আপনার পোস্ট প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত অত্যন্ত মনযোগ সহকারে দেখলাম। যেমন মন ভোলানো ঝরঝরে বর্ননা ঠিক তেমনি চমৎকার চমৎকার সব ছবি! এতটাই ভাল লেগেছে যে, প্লাস না দিয়ে ফিরে যেতে মন চাইলো না! অনেক ভাল লাগলো আপনার ভ্রমণ পোস্ট/ছবি ব্লগ!
শুভ কামনা জানবেন!
১৬ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ১:১৭
কামরুন নাহার বীথি বলেছেন: ভাল লাগল আপনার আন্তরিক মন্তব্য !!!
অনেক সময় নিয়ে ছবিগুলো সিলেক্ট করতে হয়েছে আমাকে, খুঁজে পেতেও সময় লেগেছে।
এটা যদি আপনাদের ভাল লাগে, তবেই আমার সার্থকতা !!!
এতটাই ভাল লেগেছে যে, প্লাস না দিয়ে ফিরে যেতে মন চাইলো না!
প্লাস না দিলে আমি আপনাকে এখান থেকে বেরোতে দিতাম নাকি !!!!
অনেক অনেক শুভেচ্ছা ভাই, ভাল থাকবেন!
৩৩| ১৬ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ১:২৪
সাহসী সন্তান বলেছেন: আপু ভাবছিলাম আপনি বোধ হয় ঘুমাই গেছেন! কারণ স্বাভাবিক ভাবে আপনাকে বেশি রাত জাগতে দেখিনি তো তাই বললাম!
আপু, ব্লগ প্রতিযোগিতায় আপনি ছবি/ভ্রমণ ব্লগ পাঠাচ্ছেন না? উপরে জুনাপুর মন্তব্যের উত্তরে যেন তেমন কিছুরই আভাস পেলাম? তবে আমার ইচ্ছা আপনি প্রতিযোগীতায় লেখা পাঠান! আমার বিশ্বাস অবশ্যই আপনি নির্বাচিত হবেন!! (আগেই পাঠানো হলে কথাগুলো প্রযোজ্য নয়)
১৬ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ১:৩৪
কামরুন নাহার বীথি বলেছেন: আমি মাঝে মাঝেই রাত জাগি!! কর্তা আছেন দেশের বাইরে !!
উনি সাধারণত রাত ১১ টার দিকে ফোন করেন, ঘন্টা খানেক কথা চলে।
তাই ঘুমাতে প্রায়ই দেরীই হয়ে যায়।
প্রতিযোগীতায় যে কোন একটা পোষ্ট দেবার ইচ্ছে আছে।
কিন্তু, আমি এখানে নতুন। আর এখানে অনেক গুণী ব্লগার ভ্রমণ আর ছবিব্লগ পোষ্ট করেন।
তাই একটু ভয় ভয় করছে!!!
৩৪| ১৬ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ১:৪৩
সাহসী সন্তান বলেছেন: অসুবিধা নেই, আপনি নির্ভয়ে লেখা পাঠাতে পারেন! কারণ নতুন হইলেও আপনার লেখার ধরন, বর্ননা, ছবি সাঁজানো এবং ক্যাপশন সহ প্রত্যেকটা ছবির কালেকশন অত্যন্ত সুন্দর হয়! হ্যাঁ এটা ঠিক যে ব্লগে জুনাপু, সাদা মনের মানুষ ভাইয়ার মত অনেক ভাল ভাল ছবি ব্লগার আছেন। তবে আপনিও তাদের থেকে কোন অংশেই কম নন? সুতরাং চোখ বন্ধ করে ছবি ব্লগ পাঠিয়ে দেন, ইনশা-আল্লাহ নির্বাচিত তালিকায় আপনার নাম থাকবেই......!!
আপু, অনেক রাত হয়েছে! আজকের মত বিদায়! শুভ রাত্রি! আপনার কর্তাকে আমার ছালাম জানাবেন!
১৬ ই নভেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১২:৩৭
কামরুন নাহার বীথি বলেছেন: আপনারা অভয় দিলে আর দোয়া করলে কিছু লেখা যায়!!!!
৩৫| ১৬ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ২:৫৫
উল্টা দূরবীন বলেছেন: রুটি খাওয়ায় সামুর কোন ব্লগার আমার লগে ফাইরবে না। ওপেন চ্যালেঞ্জ রাখলাম।
গরুর কলিজার দিয়া ছাব্বিশখানা রুটি খাওনের গিনেজ রেকর্ড আছে আমার দখলে।
কারো বিশ্বাস না হইলে দাওয়াত দিয়া দেখেন!!
শীতের আফগানিস্তান দেখে আমি বারংবার বিস্মিত হচ্ছি। কি সুন্দর সফেদ, নরম তুষার কে যেন তুলার মত ছড়িয়ে দিয়েছে চারিপাশে।
আর পপি গাছের ফুল চমৎকার লেগেছে। পপি ফুল থেকে ফল হয়। পেয়ারার মত সবুজ গোটা গোটা ফল। ফল কাঁচা থাকাকালীন ফলের গায়ে আঁচড় কেটে রস সংগ্রহ করা হয়। সেই রস থেকে তৈরী হয় হেরোইন। অনেক আগে প্রথম আলো পত্রিকায় পপি চাষ নিয়ে একটা লেখা পড়েছিলাম। বর্ডার সাইডে এক ইন্ডিয়ান বাংলাদেশী স্থানীয়দের কাছ থেকে জমি ইজারা নিয়ে পানের মশলা চাষের নাম করে পপি চাষ শুরু করেছিলো। ফুল ফোঁটার আগেই পুলিশ সেখানে হামলা দিয়ে গাছ নষ্ট করে দিয়েছিলো।
ছবি ব্লগ অসম্ভব ভালো লেগেছে। রুটি আর কলিজার ঝোলের চাইতেও বেশি ভালো লেগেছে।
১৬ ই নভেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১২:৪৯
কামরুন নাহার বীথি বলেছেন: গরুর কলিজার দিয়া ছাব্বিশখানা রুটি খাওনের গিনেজ রেকর্ড আছে আমার দখলে।
কারো বিশ্বাস না হইলে দাওয়াত দিয়া দেখেন!! ---------
ওরে ভাই! আপনাকে দাওয়াত দিলে রুটি বানাতে বানাতে আমার দফা রফা হয়ে যাবে!!
পপি চাষ সম্মন্ধে আমি খুব একটা জানি না, জানানোর জন্য অনেক ধন্যবাদ ভাই!
আমার পোষ্ট ভাল লেগেছে জেনে আমারও ভাল লাগছে।
অনেক অনেক শুভেচ্ছা!!!
৩৬| ১৬ ই নভেম্বর, ২০১৫ ভোর ৬:৫১
কি করি আজ ভেবে না পাই বলেছেন: লেখক বলেছেন: সর্বনাশ!!!! শায়মা আপু শুনলে কল্লা কেটে রাখবে!!!
আরে হাবা বোকা মেয়ে
শুনো বলি কানে কানে;
চুপে চুপে শায়মাপু
রোজ বসে গাজা টানে।
মাঝে মাঝে হেরোইন
ইয়াবাতে বুঁদ পুরো;
মদ খেয়ে মাতলামি
গ্লাস ভেঙ্গে গুড়ো গুড়ো।
এলএসডি প্রায় নেয়
ড্রাগে নেই কোনো অরুচি;
টাইমে না পেলে বরং
করবে আমায় কুচি কুচি।
১৬ ই নভেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১২:৫৩
কামরুন নাহার বীথি বলেছেন: প্রলাপ বকছেন কেন ভাই,মাথাটা ঠিক আছেতো??
আগে দেখেন মাথাটা ঘাড়ের উপরে আছে কী নেই!!!
৩৭| ১৭ ই নভেম্বর, ২০১৫ সকাল ৯:২৯
কি করি আজ ভেবে না পাই বলেছেন: লেখক বলেছেন: প্রলাপ বকছেন কেন ভাই,মাথাটা ঠিক আছেতো??
আগে দেখেন মাথাটা ঘাড়ের উপরে আছে কী নেই!!
মাথা আছে গিলোটিনে
খড়গ ঠিক উপড়ে;
মহারাণী শায়মাপু
রাখে মোরে ফাঁপরে।
ভেবো নাকো সবি ফান
কথা জেনো সত্যি;
মিছে কথা মোটে নেই
ওতে এক রত্তি।
১৭ ই নভেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৩:১৬
কামরুন নাহার বীথি বলেছেন: মাথা আছে গিলোটিনে
খড়গ ঠিক উপড়ে;
মহারাণী শায়মাপু
রাখে মোরে ফাঁপরে। ---------
শায়মা আপুর কি পাকা ধানে মই দিয়েছেন???
৩৮| ১৭ ই নভেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৩:৪৭
কি করি আজ ভেবে না পাই বলেছেন: পাকা ধানে মই নয়
তবে সদা বলি ইয়েস;
ব্যাপারটা খুব সোজা
আমি আপুর পিএস।
তাই আপু সারাবেলা
রাখে মোরে ফাঁপরে;
বেতনের নাম নেই
আছি স্রেফ ভাত-কাপড়ে।
১৭ ই নভেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৩:৫৯
কামরুন নাহার বীথি বলেছেন: তাই আপু সারাবেলা
রাখে মোরে ফাঁপরে;
বেতনের নাম নেই
আছি স্রেফ ভাত-কাপড়ে। ---
পি এস -এর জন্য এটাই বা কম কিসে!!!!!!
৩৯| ১৭ ই নভেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৫:৩০
শায়মা বলেছেন: কি করি আজ ভেবে না পাই বলেছেন: লেখক বলেছেন: ..এতো যদি হাউস
তবে বীজটাই আনতে;
ছাদে সুখে করে চাষ
হেরোইন টানতে....... ----------
কোন দুঃখে হেরোইন টেনে বুদ হয়ে থাকব???
নিজেকে আমি খুব সুখী মনে করি!!!!
নিজে সুখী ভালা কতা
দ্যাও তবে আমাকে;
শায়মাপুনিকে নিয়ে
দিমু টান তামাকে।
নিজে টানো তাই বলে আমাকেই টানাটানি!!!
তোমায় দিয়ে এবার আমি চালাবোই কলুর ঘানি!!!
দম দিয়ে ছিলিমেতে ঘানি তুমি টানবে
ফিচ ফিচ প্যান প্যান তারপর কানবে!
১৫ ই নভেম্বর, ২০১৫ দুপুর ২:১০০
লেখক বলেছেন: সর্বনাশ!!!! শায়মা আপু শুনলে কল্লা কেটে রাখবে!!!
ঠিক বলেছো এবার আমি কাঁটবো তার কল্লাটাই
পরীক্ষাতেও পাইয়ে দেবো ইয়াব্বড় গোল্লাটাও।
কল্লা কেটে ভাবছো এবার করবো আমি কি?
তোমার বাসায় পাঠিয়ে দেবো মুড়ো ঘন্ট রেঁধেছি!!!!!!
৩৬. ১৬ ই নভেম্বর, ২০১৫ ভোর ৬:৫১০
কি করি আজ ভেবে না পাই বলেছেন: লেখক বলেছেন: সর্বনাশ!!!! শায়মা আপু শুনলে কল্লা কেটে রাখবে!!!
আরে হাবা বোকা মেয়ে
শুনো বলি কানে কানে;
চুপে চুপে শায়মাপু
রোজ বসে গাজা টানে।
মাঝে মাঝে হেরোইন
ইয়াবাতে বুঁদ পুরো;
মদ খেয়ে মাতলামি
গ্লাস ভেঙ্গে গুড়ো গুড়ো।
এলএসডি প্রায় নেয়
ড্রাগে নেই কোনো অরুচি;
টাইমে না পেলে বরং
করবে আমায় কুচি কুচি।
১৬ ই নভেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১২:৫৩০
লেখক বলেছেন: প্রলাপ বকছেন কেন ভাই,মাথাটা ঠিক আছেতো??
কি বল্লে ভাইয়া তোমায় ধরিয়ে দেবো জল্লাদে
কল্লা কেটে ঝুলিয়ে দেবে গাঁজাখোরের মহল্লাতে!
হিরোইন জিরোইন ভাবী আর ভাইয়া
ভাবী সাজে হিরোইন জিরোইন ভাইয়া।
ইয়াবাবা শ্বশুরজী শ্বাশুড়িটা ড্রাগিনী।
এল এস ডি শ্যালিকাটা এক নাম্বারের ডাইনী।
আগে দেখেন মাথাটা ঘাড়ের উপরে আছে কী নেই!!!
নাই নাই ভাইয়ার ঘাড়ে আছে প্রেতিনী
শাকচুন ডাইনীর সেই নাকি নাতিনীি
ধরেছিলো সেই যে যখন সে নয় দশ
সেই থেকে ভাইয়াটা এইরম হারা হুশ!
৩৭. ১৭ ই নভেম্বর, ২০১৫ সকাল ৯:২৯০
কি করি আজ ভেবে না পাই বলেছেন: লেখক বলেছেন: প্রলাপ বকছেন কেন ভাই,মাথাটা ঠিক আছেতো??
আগে দেখেন মাথাটা ঘাড়ের উপরে আছে কী নেই!!
মাথা আছে গিলোটিনে
খড়গ ঠিক উপড়ে;
মহারাণী শায়মাপু
রাখে মোরে ফাঁপরে।
ভেবো নাকো সবি ফান
কথা জেনো সত্যি;
মিছে কথা মোটে নেই
ওতে এক রত্তি।
মিছা কথা বদনাম বের আমি করছি
মজা তোমায় না দেখিয়ে আমি নাহি মরছি!
১৭ ই নভেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৩:১৬০
লেখক বলেছেন: মাথা আছে গিলোটিনে
খড়গ ঠিক উপড়ে;
মহারাণী শায়মাপু
রাখে মোরে ফাঁপরে। ---------
শায়মা আপুর কি পাকা ধানে মই দিয়েছেন???
মইটাই গেছে চুরি সেই থেকে ভাইয়ার
তালগোল পেকে গেছে মাথা টাই নাই আর।
৩৮. ১৭ ই নভেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৩:৪৭০
কি করি আজ ভেবে না পাই বলেছেন: পাকা ধানে মই নয়
তবে সদা বলি ইয়েস;
ব্যাপারটা খুব সোজা
আমি আপুর পিএস।
তাই আপু সারাবেলা
রাখে মোরে ফাঁপরে;
বেতনের নাম নেই
আছি স্রেফ ভাত-কাপড়ে।
ভাত কাপড়ও পাবি না আর বদমাইশ পি এস
আমার নামে মামদোবাজি চাকরী নট, নাই আর ইয়েস!~!!!
(হাহাহাহাহাহাহাহাহাহা )
১৭ ই নভেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৫:৫৮
কামরুন নাহার বীথি বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ শায়মা আপু, তুমি আমার পোষ্টে এসে বেশ সময় নিয়ে মন্তব্য করেছ !!!
এবার বুঝবে ছড়ার পাখি, কেমনটা লাগে!!!!
৪০| ১৭ ই নভেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:০৩
শায়মা বলেছেন: হা হা হা আপুনি!
ছড়া তো আমার কাছে বড়া ভাজা টাইপ মানে যা মনে আসে তাই!!!!!!!!!!!!
১৭ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:৫২
কামরুন নাহার বীথি বলেছেন: অনেক অনেক শুভেচ্ছা আপু!!! আমি ছড়ার পাখি বলতে, কি করি আজ ভেবে -------- কে বুঝিয়েছিলাম!!!!
৪১| ১৭ ই নভেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:১৬
সাহসী সন্তান বলেছেন: বড্ড ঠান্ডা লাগছে, এই অবস্থায় যদি শায়মাপুনির ছড়ার বড়া খাওন যাইতো তাইলে মনে কয় বিষয়টা একধরনের ফ্যান্টাসটিক হইতো? হবে নাকি আপুনি এক বাটি আপনার ছড়ার বড়া.........??
বিঃদ্রঃ- বিথী আপুর বাড়িতে আমার কইতরি বেগম বাটি লইয়া গিয়া কিছু না পাইয়া ফিরা আসছে! আপুর নামে মামলা করনের আরো একটা জোরালো অফেন্স পাওয়া গেছে.......!! শাক্ষী হিসাবে কুব্বত কাকা নিযুক্ত হইছে!
১৭ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:৫৬
কামরুন নাহার বীথি বলেছেন: বিঃদ্রঃ- বিথী আপুর বাড়িতে আমার কইতরি বেগম বাটি লইয়া গিয়া কিছু না পাইয়া ফিরা আসছে! আপুর নামে মামলা করনের আরো একটা জোরালো অফেন্স পাওয়া গেছে.......!! শাক্ষী হিসাবে কুব্বত কাকা নিযুক্ত হইছে! -----
যান চেঞ্জার ভাই -এর পোষ্টে, আপনারও খবর আছে সেখানে!!!!!
৪২| ১৭ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ১০:০০
সাহসী সন্তান বলেছেন: ঞ নিজের বাড়াতে থাইক্কা সবাই এমন মাতবরি দেখাইবার পারে! বাড়ি থাইক্কার বের হইয়া একবার চক্ষু মেলিয়া দেখেন আপনার জন্য কি অপেক্ষা করতাছে!
ভয় পাইলে চইলতো না!
১৭ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ১০:২৮
কামরুন নাহার বীথি বলেছেন: আমি কি নিজের বাড়িতে সারাক্ষণই বসে থাকি, অন্যের বাড়ি যাই না????????
আচ্ছা এই বেরোলাম আমি, দেখি কার ঘাড়ে ক'টা মাথা আছে!!!!!
৪৩| ১৮ ই নভেম্বর, ২০১৫ সকাল ৮:২৩
কি করি আজ ভেবে না পাই বলেছেন: @মহারাণী শায়মাঃ
পায়ে পড়ি বাঘ আপু
করোনাকো রাগ আপু
তুমি যে হেথায় কে তা জানতো................
ওরে বাবা শায়মাপু !!!
কাঁপি ডরে ঠকঠক;
সবি সে যে দেখে ফেলে
কি করেছি বকবক।
কলজেতে পানি নেই
নাকে-কানে লাল ধোঁয়া;
ঝাঁড়ি ফুঁকি সারা গায়ে
জানি মনে যত দোয়া।
পরীরাণী শায়মাপু
বড় তার দয়া দিলে;
রাগে মাথা চড়লেই
খুন করে লাথি-কিলে।
কি যে করি,ভয়ে মরি
দলা পাকে গলাতে;
সট্ করে ঢুকে পড়ি
খাটের ঐ তলাতে।
এতো গেলো ভনিতা
নাটকেরি অভিনয়;
এইবার ঝেড়ে কাশি
মোটে নয় ডর ভয়।
মূল কথা মনে মনে
ক্ষনে ক্ষনে মরেছি;
জানটুশ আপুনিকে
খালি মিস করেছি।
দুই দিন পর পর
আপুনির ভেলকি;
তুড়ি মেরে ভোজবাজি
ভালো লাগে দিল কি?
সামু ব্লগে বেঁচে আছি
আপুনিকে ভালোবেসে;
উধাও সে হয়ে গেলে
দম ছাড়ি কেশে কেশে।
তেতো লাগে সব কিছু
ব্লগ যেনো পুরো বিষ;
ফেটে পড়ে রাগে ব্রেন
হাত করে নিশপিশ।
মন চায় চারিপাশ
ভেঙ্গে করি মিসমার;
এত কিছু করি তবু
ভ্রুক্ষেপ নেই মোটে তার!!!
মন তার বড়ো দরো
থাকে নিজ খেয়ালে;
গুন গুন গান গেয়ে
ছবি আঁকে দেয়ালে।
তাই ঠিক করলুম
নতুন এক স্ট্রাটেজী;
পুরো আমি সাকসেস
হাজির হলো আপুজী।
মন হলো ফুরফুরে
প্রাণ হলো তরতাজা;
আপুনির কামবেকে
খাও সবে......ভাজা।
১৮ ই নভেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১২:২৬
কামরুন নাহার বীথি বলেছেন: মন হলো ফুরফুরে
প্রাণ হলো তরতাজা;
আপুনির কামবেকে
খাও সবে......ভাজা। -------
এখানে এখন শুন্যস্থান কেন? খুবতো হম্বি -তম্বি হচ্ছিল!!!!
৪৪| ১৯ শে নভেম্বর, ২০১৫ রাত ১২:৩৯
সেলিম আনোয়ার বলেছেন: আপরি কি করেণ । লেখাপড়া শেষ নাকি চলছে ।
শায়মা শেষমেষ গাজা খাওয়া শুরু করলো নাকী
সো স্যাড । আর তার পি এস ভালই কবিতা লিখছে ।
কবিতাতে রাজার খবর নাই রানী নিয়ে টানাটানি ।
১৯ শে নভেম্বর, ২০১৫ রাত ১:৪১
কামরুন নাহার বীথি বলেছেন: কি আর করব ভাই, কিছুটা ব্যস্ততা চলছে। তাই কিছু লেখাও হচ্ছে না।
৪৫| ২১ শে নভেম্বর, ২০১৫ সকাল ১০:৫৯
আরজু পনি বলেছেন:
ওরা তেল, চর্বি খেয়ে বার্ন করে ফেলে আর আমরা খেয়ে হসপিটালে যাই
ট্যাক্স ছাড়া গাড়ি কিনতে আফগান মুলুকে যেতে চাই
তালেবানদের মানসিকতা... আমেরিকার গোলামী করবে না...সাব্বাস !
(যে কোন দেশের বা মানুষের গোলামী করাই আমার অপছন্দ। আমেরিকাকে নিয়ে আমার ব্যক্তিগতভাবে কোন সমস্যা নেই । তবে নিজেরা নিজেদের উন্নত করুক সেটাও দেখতে চাই ।)
ছবি আর বর্ণনা ভালো লেগেছে বীথি ।
২১ শে নভেম্বর, ২০১৫ রাত ১১:৫৮
কামরুন নাহার বীথি বলেছেন: অনেক অনেক শুভেচ্ছা আপু আপনার এই মূল্যবান মন্তব্যের জন্য!!!!
(যে কোন দেশের বা মানুষের গোলামী করাই আমার অপছন্দ। আমেরিকাকে নিয়ে আমার ব্যক্তিগতভাবে কোন সমস্যা নেই । তবে নিজেরা নিজেদের উন্নত করুক সেটাও দেখতে চাই ।)
তালেবানরা আফগানিস্তানকে আরো একশ' বছর পিছিয়ে দিয়েছে।
৪৬| ২৪ শে নভেম্বর, ২০১৫ সকাল ১১:৪৫
সুলতানা রহমান বলেছেন: সৌন্দর্য ও যে ভয়াবহ হতে পারে ছবিগুলো দেখলে বোঝা যায়। শেষের দিকের ছবিগুলো দেখে খারাপ লেগেছে। রুটির কথা পড়ে মজা ও লেগেছে।
২৪ শে নভেম্বর, ২০১৫ রাত ১১:৩২
কামরুন নাহার বীথি বলেছেন: অনেক অনেক শুভেচ্ছা আপু আপনার আন্তরিক মন্তব্যের জন্য!
ভাল থাকবেন।
৪৭| ২৪ শে নভেম্বর, ২০১৫ দুপুর ২:৩৪
হোসাইন আল মামুন বলেছেন: অনেক সুন্দর ভ্রমণকাহিণি..খুব ভাল লেগেছে। ছবিগুলো অসাধারণ হয়েছে।
২৪ শে নভেম্বর, ২০১৫ রাত ১১:৩৩
কামরুন নাহার বীথি বলেছেন: অনেক অনেক শুভেচ্ছা ভাই, ভাল থাকবেন।
৪৮| ২৫ শে নভেম্বর, ২০১৫ রাত ১:৫৩
গুলশান কিবরীয়া বলেছেন: অনেক ভালো লাগেছে আপনার এই ছবি ব্লগ । বর্ণনাও করেছেন অনেক সুন্দর করে । তবে পপি সিড এর ব্রেড কিংবা কেক অনেক সুস্বাদু হয় । এর অনেক উপকারিতাও আছে শুনেছি । পপি সিড থেকে তৈরি কেক কিংবা ব্রেড থেকে সুন্দর একটি স্মেল আসে । হয়তোবা বেশী পরিমাণ খেলে খারাপ হতে পারে ।
অনেক ভালো থাকবেন ।
২৫ শে নভেম্বর, ২০১৫ রাত ২:০৪
কামরুন নাহার বীথি বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ আপু, আমি পপি সম্মন্ধে তেমন কিছুই জানি না।
শুধু পপি ফল থেকে হেরোইন হয়, সেইটুকুই জানি!
অনেক শুভেচ্ছা, ভাল থাকবেন!
৪৯| ২৬ শে নভেম্বর, ২০১৫ রাত ১:২৭
গেম চেঞ্জার বলেছেন: কি খবর বীথি আপু? নেক্সট পোস্ট কবে দিবেন?
২৬ শে নভেম্বর, ২০১৫ রাত ১:৪২
কামরুন নাহার বীথি বলেছেন: আজকে একটা ফটো ব্লগ দেব ভাবছিলাম।
কিন্তু একটু বাইরে যেতে হয়েছিল।
আপনার মত বড় বড় সাইজের ছবি পোষ্ট করার তরিকা জানতে ইচ্ছে করছে।
অনেকেই জানে, আমি জানি না।
যারা জানে তারা খুব ভাব নেয়, শেখাতে চায় না।
আমি অবশ্য কম্পিউটার ব্যবহারে খুব কাঁচা!!!
©somewhere in net ltd.
১|
১২ ই নভেম্বর, ২০১৫ ভোর ৫:০৩
রুদ্র জাহেদ বলেছেন: এককথায় অসাধারন।দারুণ সব ছবি, সাথে সাবলীল বর্ণনা।চমৎকার ছবি ব্লগ।আপনার এই পোস্টের মাধ্যমে আমিও ঘুরে আসলুম।
দারুণ ভালো লাগা+++