নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

কাটাবন

কাটাবন › বিস্তারিত পোস্টঃ

গার্মেন্টস্ এবং অবাধ যৌনতা

২৮ শে নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:৩৯

আমরা কমবেশি সবাই জানি গার্মেন্টস্ সম্মন্ধে । তবুও একটু বলি........

গার্মেন্টস্ এমন একটি জায়গা যেখানে শ্রমিক পদে চাকুরি করতে কোন শিক্ষা ,অভিজ্ঞতা, বা ঘুষের প্রয়োজন হয় না....। আসলেই চাকুরি মেলে......
সাধুবাদ জানাই এই গার্মেন্টস্ সেক্টরকে .....
বাংলাদেশের লাখো-লাখো বেকার পুরুষ ও মহিলাদের বিনামূল্যে কর্মসংস্থান করে দেবার জন্য ।
সাধুবাদ জানাই ঐ সকল বিদেশী বায়ার বা ক্রেতাদের যারা বাংলাদেশে বেশি-বেশি কাজ নিয়ে আসেন.........

বিদেশী বায়ারদের প্রথম পছন্দ বাংলাদেশ । কারণ, পৃথিবীর মধ্যে একমাত্র বাংলাদেশেই সবচেয়ে সস্তায় শ্রম বিক্রি হয় । বিদেশীরা আমাদের দারিদ্রতাকে কাজে লাগিয়ে আমাদেরকে পোশাকশিল্পের দিকে ঠেলে দিচ্ছে ......

তারাই গার্মেন্টস্ এ আসেন যারা জীবন সংকটের অন্তিমকালে পৌছান ।
সেই অন্তিমকাল হতে পারে দারিদ্রতা,বেকারত্ব, পারিবারিক সমস্যা,ইত্যাদি ।

আর দেশের গার্মেন্টস্ এর কর্মকর্তা, কর্মচারীরা অসহায় মেয়ে বা মহিলাদের সেই দারিদ্রতার সুযোগ নিয়ে তাদেরকে চরম ভোগের বস্তু বানিয়েছেন... অবাধে যৌনাচার করছেন .......। বেশিরভাগ মেয়েরা পরিস্থিতির শিকার হয়ে এই কাজগুলি করেন ।
কোন সুন্দর মেয়ে আসলেই, তাকে নিয়ে ভাগবাটোয়ারা শুরু হয় । কে কার আগে ভোগ করবে এখানে এই প্রতিযোগিতা চলে ।

ভূক্তভোগীদের অনেকেই মুখ খোলেন না, চাকরিচ্যুত হওয়ার ভয়ে বা মানসস্মানের ভয়ে....।

কে বিচার করবে ? , কারণ বড় বড় কর্তারাই তো মূল আসামি । যে সকল মেয়েরা দেখতে সুন্দর, সুগঠিত দেহ , ঐসব মেয়েদের জি.এম কিংবা বড়-বড় অফিসারদের ভোগ-বিলাসের জন্য পূর্বেই ঠিক করে রাখা হয় ।

অবশ্য এর মধ্যে, অনেক লোভী মেয়ে আছেন যারা সুবিধা লাভ বা পদোন্নতির আশায় বসের সাথে সম্পর্ক গড়ে তোলেন ।

এখানেও, অনেক ভালো ছেলে-মেয়ে আসেন । পরিস্থিতিতে তারা খারাপ হতে বাধ্য হন ।

আমি বাংলাদেশের একটি নাম করা পোশাক কারখানায় কাজ করি ।
আমি দেখেছি, অনেক ১৬, ১৭ বছর বয়সী মেয়ে কাজ করছে এখানে। যে বয়সটায় পড়াশোনা,খেলাধুলা, কিংবা পরিবারের সাথে আনন্দ করে কাটানোর কথা ; অথচ সেই বয়সে তারা ভাতের জন্য খেটে মরছে । একসময় তারা নিজ ইচ্ছামত বিয়ে করে, পরে ছেলেটার প্রয়োজন মিটে গেলে, মেয়েটাকে ছেড়ে দেয় । আর এখান থেকেই মেয়েটার এলোমেলো ও ছন্নছাড়া জীবন শুরু হয় ।

যেন, জীবন সম্মন্ধে বুঝে ওঠার আগেই সবকিছু শেষ ।

স্বামীহারা একটি মেয়েকে যে কি পরিমান লাঞ্ছনা সইতে হয় তা বলে বোঝানো কঠিন । কারণ তখন তার সুযোগ সবাই নিতে চায় । লোকজনের অত্যাচারে যখন সে আরেকটি বিয়ে করে, প্রতিবেশিরা তখন তার চরিত্র নিয়ে প্রশ্ন তোলে । অথচ ছেলেরা একাধিক বিয়ে করে সমাজে পুরুষালী ভাবটা আরও বেশি করে জাহির করে ।

এতো বললাম, অল্প বয়সী মেয়েদের কথা । মধ্য বয়সী মহিলারা যে জীবনের কয়টা ঝড় পাড়ি দেন তা বলা কঠিন ।অনেক-অনেক মহিলা আছেন যারা যুগের পর যুগ স্বামী -সন্তান ছাড়াই কাটিয়ে দেন । বাঙালি মেয়েরা যে কতটা ধৈর্যশীল, মনের দিক থেকে কতটা শক্ত ; এদের না দেখলে বোঝা যাবে না ।


গার্মেন্টস্ এর ছেলেরা হল, প্রজাপতি। এরা ফুলে ফুলে গন্ধ শুকে বেড়ায়। এক ফুল ভোগ করা হলে আরেক ফুলে উড়ান দেয় । এখানে মেয়েদের জীবন নষ্ট করে ছেলেরাই ।
তবে মেয়েদের দোষটাও ছোট করা দেখা যায় না ।

কার সাথে কে প্রেম করে, কার সাথে কে রাত্রিযাপন করে তার কোন হিসাব নেই ।
এখানে ছেলে-মেয়েদের অবাধ প্রেম ও অবাধ মেলামেশা । এদের সমস্যাগুলো দেখার কেউ নেই । যেন; প্রোডাকশন-ই মুখ্য বিষয় ।

অনেক অফিসার বা কর্মকর্তা আছেন, যারা মেয়েলি কেলেঙ্কারি করেও চাকরিচ্যুত হন না । উল্টা এদের চাকুরি আরও পাকাপোক্ত হয় বা দাপটের সাথে ঘুরে বেড়ান । আর ভূক্তভোগী মেয়েটার চাকরি নড়বড় করে বা কৌশলে সময়-সুযোগ বুঝে তাকে বের করে দেয়া হয় ।

আমাদের এখানে প্রায় ৪৫ হাজার লোক কাজ করে এবং প্রতি ১০০ নারীর মধ্যে......
> ৯৫ জনই দাম্পত্য জীবনে অসুখী
> ৩০ জনের বিয়ের পরে স্বামী চলে যায়
> ২০ জন মেয়ে একাধিক বিয়ে করে

প্রতি ১০০ ছেলের মধ্যে......
> ৮০ জনই বিবাহবহির্ভূত শারীরিক সম্পর্ক করে
> ৪০ জন একাধিক বিয়ে করে

আপনি যদি গার্মেন্টস্ এলাকা যেমন আশুলিয়া কিংবা কোনাবাড়ির আশেপাশের কোন হাসপাতাল বা ক্লিনিকে যান,
তাহলে দেখবেন মহিলা রোগীদের বেশিরভাগই সেখানে যান গর্ভপাত করাতে, বা গর্ভপাতের পরে
জরায়ু ওয়াশ করাতে ।

সরকারের চোখে এইগুলো কি মানবতার বিপর্যয় নয় ???? নাকি শুধু ৭১ রেই মানবতার বিপর্যয় হয়েছিল ??
যত দিন যাচ্ছে, তত শিক্ষিত নারী-পুরুষদের বেকারত্ব বাড়ছে, ফলে আরও বেশি লোকজন এই গার্মেন্টস সেক্টরে ঢুকছে এবং অনৈতিক কাজে জড়িয়ে পড়ছে ।

গার্মেন্টস্ এর এই দুর্দশা শুধু সরকারের কারনে। এই অবহেলিত গোষ্ঠীকে দেখার মত কেউ নেই ।

দেশের বড়-বড় বিজ্ঞ লোকেরা নানান বিষয়ে কলাম লিখে পত্রিকার সম্পাদকীয় পাতা ভরে ফেলেন । টেলিভিশনের টকশোতে তর্ক-বিতর্ক করে আলোচ্য বিষয়ের গুষ্ঠি উদ্ধার করেন ।
অথচ কাউরেও দেখলাম না, এই গার্মেন্টস্ এর নিপীড়িত লোকদের সুযোগ-সুবিধা নিয়ে কথা বলতে ।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রীমহোদয়, এবং মানবাধিকার কর্মীদের বলব, চেয়ারে বসে বড়-বড় ভাষণ না দিয়ে গার্মেন্টস্ এলাকায় আসুন, সেখানকার পরিবেশ দেখুন ।

শুধু যুদ্ধাপরাধীদের ফাসি দেওয়া, আর জামাত-বিএনপির কর্মী আটক করাই কি আপনাদের কাজ ?

BGMEA র কথা কি বলব ? একটা অকার্যকর সংগঠন । এরা যদি কোন কাজ করত তাহলে রানা প্লাজা ধ্বসে মানুষ মরত না , কিংবা তাজরীনে ভয়াভহ অগ্নিকাণ্ড হত না ।

পোশাকশিল্পে কঠোর নীতিমালা করলে হাজারে ছেলে-মেয়ের জীবন বাচানো যাবে ।

মন্তব্য ৫৪ টি রেটিং +১৬/-০

মন্তব্য (৫৪) মন্তব্য লিখুন

১| ২৮ শে নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:৫৩

বাংলার ফেসবুক বলেছেন: আপনি যদি গার্মেন্টস্ এলাকা যেমন আশুলিয়া কিংবা কোনাবাড়ির আশেপাশের কোন হাসপাতাল বা ক্লিনিকে যান,
তাহলে দেখবেন মহিলা রোগীদের বেশিরভাগই সেখানে যান গর্ভপাত করাতে, বা গর্ভপাতের পরে
জরায়ু ওয়াশ করাতে ।

২| ২৮ শে নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:৫৪

সিকদারভাই বলেছেন: পোশাকশিল্পে কঠোর নীতিমালা করলে হাজারে ছেলে-মেয়ের জীবন বাচানো যাবে ।
সত্য বলেছেন ।

৩| ২৮ শে নভেম্বর, ২০১৫ রাত ১০:০০

কল্লোল পথিক বলেছেন: সহমত

৪| ২৮ শে নভেম্বর, ২০১৫ রাত ১০:০৬

raselabe বলেছেন: সহমত প্রকাশ করছি

৫| ২৮ শে নভেম্বর, ২০১৫ রাত ১০:০৭

নতুন বলেছেন: কাজের ক্ষেত্রে কঠোর নীতিমালা করা দরকার.. সেক্সচুয়াল হ্যারাসম্যান্টের উপরে সব স্হানেই জিরো টলারেন্স নীতি দরকার।

৬| ২৮ শে নভেম্বর, ২০১৫ রাত ১০:১১

রানার ব্লগ বলেছেন: হুম !! সত্য !!

৭| ২৮ শে নভেম্বর, ২০১৫ রাত ১০:১৩

বাংলার ফেসবুক বলেছেন: ৯৫ জনই দাম্পত্য জীবনে অসুখী
< ৩০ জনের বিয়ের পরে স্বামী চলে যায়
< ২০ জন মেয়ে একাধিক বিয়ে করে

প্রতি ১০০ ছেলের মধ্যে......
< ৮০ জনই বিবাহবহির্ভূত শারীরিক সম্পর্ক করে
< ৪০ জন একাধিক বিয়ে করে

৮| ২৮ শে নভেম্বর, ২০১৫ রাত ১০:১৪

তট রেখা বলেছেন: ইসলামী অনুশাসন মেনে পোশাক শিল্প পরিচালিত হলেই শুধু এ সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পাওয়া সম্ভব। এক মাত্র তাকওয়ার কারণেই মানুষ গোপন প্রকাশ্য সকল পাপ তথা বিপর্যয় থেকে বেঁচে থাকতে পারে।

৯| ২৮ শে নভেম্বর, ২০১৫ রাত ১০:২২

আবু শাকিল বলেছেন: ভাবার বিষয় ।
অনেক গুরুত্ব পূর্ণ বিষয় নিয়ে লিখেছেন।আমাদের গার্মেন্টস সেক্টর শ্রমিক দের সমস্যা গুলি সবাই এড়িয়ে যায় ।আশা করি আপনার লেখার মাধ্যমে কতৃৃৃপক্ষ নজরে আসবে।এ নিয়ে ভাববে ।
লেখা টা নির্বাচিত পাতায় স্থান দেয়া উচিৎ ।
ধন্যবাদ

১০| ২৮ শে নভেম্বর, ২০১৫ রাত ১০:৪৫

বেরসিক কথক বলেছেন: গার্মেন্টস সেক্টরে যে এসব এতো চলে তা জানতাম না। আজ জানলাম। সত্যিই ভীষণ খারাপ লাগছে!

১১| ২৮ শে নভেম্বর, ২০১৫ রাত ১০:৫৫

ইদানীং জাহিদ বলেছেন: সারা দেশেরও একই হাল , :(

১২| ২৮ শে নভেম্বর, ২০১৫ রাত ১০:৫৬

দিশেহারা রাজপুত্র বলেছেন: সরকার সোসাল মিডিয়া নিয়ে এতো ব্যাত যে এসবে নজর দেবার টাইম কোথায়?!

১৩| ২৮ শে নভেম্বর, ২০১৫ রাত ১১:০০

কলাবাগান১ বলেছেন: আপনাদের হিডেন এজেন্ডা কি তা বুঝতে অসুবিধা হয় না। এই গার্মেন্টেস ই আপানাকে আজ কি বোর্ডে ঝড় তুলতে সক্ষম করেছে। গার্মেন্টেস না থাকলে, একটা মাউস ও কিনতে পারতেন না। নারিদের দোষ খুজতে নিজের দিকে আগে তাকান

১৪| ২৮ শে নভেম্বর, ২০১৫ রাত ১১:১৯

যোগী বলেছেন:
এই লেখাটা চরম ভিত্তিহীন একটা লেখা, যার না আছে কোন অথেনটিক তথ্যসুত্র না আছে কোন সার্ভে রিপোর্ট বা পরিসংখ্যান। লেখাটার উদ্দেশ্য সফি বাটপারের তেতুল তত্ত্ব সাপোর্ট করাও হতে পারে। আবার অনেক মূর্খ আবাল কোন যায়গায় অনেক মেয়ে, ছেলে দেখলেই ধারনায় করে নেয় সেখানে যৌন কার্যক্রম চলে, যেমন বিশ্ববিদ্যালয়।

সব চেয়ে হাস্যকর ব্যাপার হচ্ছে উপরে কিছু আবাল কে দেখছি একটা মনগড়া লেখা পড়ে সহমত জানাচ্ছে বা গভীর চিন্তার বিষয় বলে মনে করছে। আসলে তারাও যৌনতা শব্দটা পড়ে যৌন সুখ পেতে চাচ্ছে।

১৫| ২৮ শে নভেম্বর, ২০১৫ রাত ১১:২০

মেঘনা পাড়ের ছেলে বলেছেন: কলাবাগান১ এর সাথে একমত

১৬| ২৮ শে নভেম্বর, ২০১৫ রাত ১১:২২

দেবজ্যোতিকাজল বলেছেন: এখন সবাই বলবেন মেয়েদের ঘর বন্দি করতে হবে । সহজ উপায় । যারা সমাধান খুঁজে বের করতে পারে না তারা এমন কথা বলে ।
মহিলারা পয়সা নিয়ে যৌন বিক্রি করে । কেউ কেউ আবার মলেজটেশন হয় । এখন প্রশ্ন মহিলাটাকে সংসারের অর্থনৈতিক হাল ধরতে হল কেন? তিনি কি নিজের ভোগের জন্য পয়সা কামাচ্ছেন? নাকি সংসারের সচ্ছলতা জন্য? সন্তান নেবার সময় বলা হয় আল্লা মুখ দিয়েছেন ,আহর তিনি দিবেন । কিন্তু বাস্তবটা কিন্তু তা নয় ॥এই বাস্তবটা কিন্তু সন্তার জন্মানোর সময় ভুলে যায় । একটা দুটো তিনটা চারটা…ছয়টা ।ভাবুন । বাস্তব ভাবুন । তারসঙ্গে মানসিকতা পরিবর্তন করুণ । নারীদেরকে মানুষ ভাবুন । পুরুষরাও মানুষ হন । তবেই দেশ ও জাতির উন্নত হতে পারে :)

মলেশটেশন ও ধর্ষণ থাকবেই । দেশ যদি আইনি ভরষা দিতে পারে তবে নিরপর্তার ভরষা পাবে নারীরা ,ক্রাইমও অনেকাংশে কমবে ।

১৭| ২৯ শে নভেম্বর, ২০১৫ রাত ১২:১৮

আমি ব্লগার হইছি! বলেছেন: গার্মেন্টস এর সব মেয়ের শফি মৌলবির কাছ থেকে পানিপড়া এনে খাওয়া উচিৎ ।

১৮| ২৯ শে নভেম্বর, ২০১৫ রাত ১২:২৩

েমাঃ এহ্‌েতশামুল হক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ

১৯| ২৯ শে নভেম্বর, ২০১৫ রাত ১:৩৯

রক্তিম দিগন্ত বলেছেন: আপনার পোষ্টের কনর্সানটি ভাল। গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় তুলে ধরেছেন।

কিন্তু এখানে নাকি শুধু ৭১ রেই মানবতার বিপর্যয় হয়েছিল ?? বাক্যটি ব্যবহার করার মানে বুঝলাম না।

মানবতার বিপর্যয় হচ্ছে - এটি লিখলেই যথেষ্ট ছিল।

২০| ২৯ শে নভেম্বর, ২০১৫ রাত ১:৪০

ইরাইথ্রোসাইট বলেছেন: শফি হুগুর ব্লগ দিয়া ইন্টারনেট চালায় এই তথ্য বাইর করসে হাহাহা

২১| ২৯ শে নভেম্বর, ২০১৫ রাত ১:৫১

বিপরীত বাক বলেছেন: পেটে ভাত অার হাতে টাকা। ব্যস। বাংলার বাচ্চা বাংলা অার কিছু বলবে না। সব সেক্টরেই একই অবস্থা।

কিন্তু বাংলার বাচ্চা বাংলার একটাই কথা। পেটে ভাত অাইতাছে তো।

২২| ২৯ শে নভেম্বর, ২০১৫ সকাল ৯:৩২

নেক্সাস বলেছেন: অনেক সুন্দর একটা লিখা।গোটা দেশটাি রসাতলে চলে যাচ্ছে সেটা দেখার কেউ নাই। গার্মেন্টস আমাদের অর্থনীতির সবে ধন নীল মনি। অথচ নীতিমালা ও হটকারীতার কারণে মরতে বসেছে হারাধনের একমাত্র ছেলেটি। বিজিএমই এখন ব্যাস্ত অবৈধ ক্ষমতার তোষামদীতে আর শ্রমিকের টাকা মেরে খাওয়া মালিকদের তোষন করায়। এদেশে পরিবহন, শিক্ষা, জ্বালানী, শিল্প কোথাও কোন নীতিমালা বা নিয়ন্ত্রন নাই। আছে শুধু লুটের নীতিমালা। সব কিছু চলে গেছে নষ্টদের দখলে।

২৩| ২৯ শে নভেম্বর, ২০১৫ সকাল ১০:১২

আজিজার বলেছেন: অাপনার সাথে একমত হতে পারলাম না।
অবাধে যৌনাচার বলতে কি বুঝালেন। তারা কি অফিসের ভিতরে এগুলো করে, অপনি কি কখনও নিজে দেখেছেন।
আপনি অফিসের বাহিরে কার সাথে কি করবেন এটা অাপনার ব্যাক্তিগত ব্যাপার তাই নই কি। আর অফিস তো অপনার বাহিরের কাজের হিসাব নিবে না। তবে যে একেবারে হয়না তা কিন্তু নয়। অার এখানে যারা (প্রডাকশন অথবা ফ্লোর) কাজ করে তারা সবাই কিন্তু অামাদের মত উচ্চ শিক্ষিত নয়। তারা তো নিজের ভাল ততটা বুঝবে না।
অার এখন কিন্তু গার্মেন্টস্ এর পরিবেশ আগের ৮-১০ বছর এর মত নেই, এখন অনেক উন্নত হয়েছে, এটা হয়ত অাপনিও স্বীকার করবেন। এখন অনেক ছেলে মেয়ে বি বি এ, এম বি এ পাস করে গার্মেন্টস্ এ অাসতেছে চাকরীর জন্য।
"BGMEA র কথা কি বলব ? একটা অকার্যকর সংগঠন" অাপনার সাথে এক মত। টাকা ছাড়া সেখানের অফিসাররাও কাজ করতে চায়না।
পরিশেষে বলব অাপনার লেখার শিরোনামটা কিন্তু ঠিক হয়নি।

২৪| ২৯ শে নভেম্বর, ২০১৫ সকাল ১০:৪৪

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন: কাটাবন নিকটি পুরুষ অথবা মহিলা পরিস্কার হওয়া দরকার।
জাতীয় ইস্যুভিত্তিক লেখার জন্য প্রয়োজন বিস্তারিত অনুসন্ধান
ও পরিসংখ্যান। এমন বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানেও হয়ে থাকে
তাই বলে সেই প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ করে দিলেই কি সমস্যার সমাধান হবে?
একথা অনস্বীকার্য যে দূর্বলেরা চিরদিনই সবলের কাছে নির্যাতিহ হয়ে আসছে
তাই বলেকি বাঘ সংকুল বনে হরিণেরা ব্চিরণ করবেনা? নিজের বুদ্ধিমত্বা ও
সতর্কতার সাথে ধর্মীয় অনুসাশন ও ব্যকিত্ব বজায় রাখলে অনেক বিপদ থেকে
রক্ষা পাওয়া যায়। তাই গার্মেন্টস শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে নেতিবাচক মন্তব্য নয়
বরং ইতিবাচক লেখার মাধ্যমে এই শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে হবে।

২৫| ২৯ শে নভেম্বর, ২০১৫ সকাল ১১:২৮

কাটাবন বলেছেন: আপনাদের কথায় মনে হইতেছে, এই প্রথম আমার নিকট থেকেই কথাগুলো শুনলেন ।

অথচ, বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের জন্মলগ্ন থেকেই এগুলো হয়ে আসছে ।

২৬| ২৯ শে নভেম্বর, ২০১৫ সকাল ১১:৩১

বাংলা আমার প্রাণ বলেছেন: বিদেশী বায়ারা যখন গার্মেন্টস্ পরিদর্শন করতে আসে তখন তাদের চোখে পড়ে শুধু বোরকা বড়া মেয়েদের উপর বোরকা পড়া মেয়েদেরকে তারা তালেবান বানাতে চায়, এখন তাদের প্রথম শর্ত হচ্ছে গার্মেন্টসে মেয়েরা বোরকা পড়তে পারবে না এবং মালিক পক্ষ অর্ডার হারানোর ভয়ে এই শর্তে গুলো সহজেই মেনে নিচ্ছে।

২৭| ২৯ শে নভেম্বর, ২০১৫ সকাল ১১:৩৪

কাটাবন বলেছেন: এখানে কেউ জাতীয়ভাবে অনুসন্ধান ও পরিসংখ্যানের জন্য আসবে না । আসলো তো সব অমানবিকতার গুমর ফাঁস হয়ে যাবে ।

২৮| ২৯ শে নভেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১২:১৩

অতঃপর হৃদয় বলেছেন: আপনি কি সত্যি গার্মেন্টস এ কাজ করেন, আমার যথেষ্ট সন্দেহ আছে।

২৯| ২৯ শে নভেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১২:৪১

আনোয়ার ভাই বলেছেন: কোন রকম পরিসংখ্যান- কেইস হিস্টরী ছাড়া এমন লেখা পেস্ট করা মানে গার্মেন্ট শিল্পের বিরোধিতা করা বিদেশী চরের সমান। বাস্তবতা হল গার্মেন্টের ভিতর কাজ করতে করতেই সময় শেষ হয়। ওখানে ওসব করা সম্ভব নয়। তবে পরিচয় সুবাদে বাইরে অনেক ঘটনা ঘটে- দুই পক্ষের সম্মতিতে। তবে লেখক যেভাবে বলেছেন তাতে মনে হয় গার্মেন্ট নয় বেশ্যাপাড়া নিয়ে লিখেছেন উনি। অনেক গার্মেন্ট মালিক ধর্মকর্মে জড়িত সেই সাথে শ্রমিক কর্মচারীদের সুযোগ দেন। আমি এ চিত্র দেখেছি বিকেএমইএ'র সাবেক সিনিয়র সহ সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম এর মালিকানাধীন ফ্যাক্টরীতে।

মন্তব্য করার আগে একটু ভাবতে হবে ।

৩০| ২৯ শে নভেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১:১৬

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: আমিও শুনেছি এরকম। কো ওয়ার্কার তো আছেই, বস,ম্যানেজারেরাও সুযোগ নেয়। হয়তো বা কম। কিন্তু এই সেক্টরে এই সুযোগটা বেশী নেয় বসরা।

৩১| ২৯ শে নভেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১:৩৪

হানিফঢাকা বলেছেন: আপনারে গালি দিতে ইচ্ছা করছে। ব্লগার বলেই সম্মান দেখিয়ে আপনি করে বলছি। আপনি লিখেছেনঃ
আমাদের এখানে প্রায় ৪৫ হাজার লোক কাজ করে এবং প্রতি ১০০ নারীর মধ্যে......
< ৯৫ জনই দাম্পত্য জীবনে অসুখী
< ৩০ জনের বিয়ের পরে স্বামী চলে যায়
< ২০ জন মেয়ে একাধিক বিয়ে করে

প্রতি ১০০ ছেলের মধ্যে......
< ৮০ জনই বিবাহবহির্ভূত শারীরিক সম্পর্ক করে
< ৪০ জন একাধিক বিয়ে করে
এইগুলি কি আপনি গারমেন্টসের মেয়েদের কে জিজ্ঞেস করে বের করেছেন। আপনার ফ্যক্ট্ররির মেয়েদের কে আড়লে ডেকে জিজ্ঞেস করেছেন "তুমি কি দাম্পত্য জীবনে অসুখী?" আর সে আপনাকে গড় গড় করে সব বলে দিয়েছে?
কোন গার্মেন্টস এ কাজ করেন? আপনার লেখা পড়ে মনে হইতেছে আপনি নিজেই আপনার বর্ণিত প্রজাপতি যারা ফুলে ফুলে গন্ধ শুকে বেড়ায়। এক ফুল ভোগ করা হলে আরেক ফুলে উড়ান দেয় । গার্মেন্টসের কয়টা মেয়ের সাথে শুয়েছেন?

৩২| ২৯ শে নভেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৪:৪৮

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন: কাটাব্ন হয়তো মেয়ে
তি্নি এমন পরিস্থিতি ফেস করেছেন,
তার জন্য দুঃখ প্রকাশ করছি, তবে আপনি
আরো সতর্ক হলে এই ন্যাক্কারজনক ঘটনা
এড়িয়ে চলতে পারতেন।

৩৩| ২৯ শে নভেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৫:২১

কাটাবন বলেছেন: কি বলব ?

আপনারা বাইরের লোক, গার্মেন্টস্ এর ভেতরের পরিবেশ-পরিস্থিতি কিভাবে বুঝবেন ?

৩৪| ২৯ শে নভেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:৪২

নীলসাধু বলেছেন: আমার কাছে পুরো বিষয়টিকে সত্যই মনে হচ্ছে।
লেখক হয়তো পুরো বিষয়টিকে যেভাবে উপস্থাপন করার প্রয়োজন ছিল সেভাবে করতে পারেনি তবে মুল বিষয় সহ অনেক আনুষঙ্গিক বিষয়ে এখানে উল্লেখ করা হয়েছে যা সত্য হতে পারে। যেহেতু আমরা অনেকেই সেই সেক্টরে কাজ করিনি সে কারণেই হয়তো আমাদের কাছে অবিশ্বাস্য লাগছে। নারী শ্রমিক সহ সকলের নিরাপদ কাজের পরিবেশ নিশ্চিত করা উচিত।

সরকারের দায়ীত্বশীল মহলের দৃষ্টি কামনা করছি। জানি এতেও কাজ হবেনা। আমরা সকলেই যার যার কাজ নিয়ে ব্যস্ত।

ধন্যবাদ আপনাকে।

৩৫| ২৯ শে নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৮:৩৫

বাক স্বাধীনতা বলেছেন: আমার জনৈক কলিগ এক সময় একটি নামকরা পোশাক কারখানায় এডমিনিস্ট্রেশনে কাজ করত। তার কাছে যা শুনেছিলাম তার পুরোটা বিশ্বাস করিনি। আজ আবার আপনার লেখা পড়ে মনে হচ্ছে, সে যা বলেছিল আপনি যেন সেটাই আবার বললেন।

৩৬| ২৯ শে নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৮:৪৭

শাহাদাত হোসেন বলেছেন: একমত ।

৩৭| ২৯ শে নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:০৪

কথাকথিকেথিকথন বলেছেন: ভাল কিছু তথ্য তুলে ধরেছেন । এই সেক্টরটাকে যদিও সবচেয়ে লাভজনক সেক্টর হিসেবে দেখানো হয় কিন্তু যাদের জন্য এতো লাভজনক হয়েছে তারা চরম অবহেলায় জীবনযাপন করে । তাদের জন্য যেন সরকারের কোন দায় দায়িত্ব নেই ।তারা মনে হয় মানুষ না । খুবই দুঃখজনক শক্তিশালী মিডিয়া ব্যাক্তিত্বরাও এই দিকটা সম্পর্কে নীরব ।

৩৮| ২৯ শে নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:১৮

মোশারফ রিপন বলেছেন: কাঁটাবন আপনার অনেক কথার সাথে সহমত হতে পারছি না।আপনি যেমন একটা পোশাক প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন এরকম পোশাক প্রতিষ্ঠানে কাজ করার অভিঙ্গতা আমারও আছে।আপনার বক্তব্য কেমন জানি লীগ লীগ টাইপের।দাড়ি পান্জাবী দেখলে জামায়াত মনে করেন।কেউ হিজাবকে নিজের নোংরামো ঢাকতে লেবাস হিসেবে ব্যবহার করে তাই বলে হিজাব তো নোংরা না।কিছু খারাপ কর্মকর্তা আর খারাপ মেয়ে শ্রমিকের জন্য সবাইকে হেয় করতে পারেন না।সুন্দরী মেয়েদের ভাগ-বাটোয়ারা করে,নিশ্চয়ই আপনি কোনো যৌন পল্লীতে চাকুরী করেছেন।এমন কাল্পনিক কাহিনী আপনার কাছেই শুনলাম।আপনাকে বলেছি,ঢালাও ভাবে সবাইকে জলসা'র মক্ষীরাণী ভাববেন না।গার্মেন্টস সেক্টরে এখন আগের জায়গায় নেই।আপনার লেখায় কিছু তথ্যগত ভুল আছে,যা সম্পাদনা করে নিন ।

৩৯| ২৯ শে নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:৪৩

blackant বলেছেন: ভাই , জ্বালাময়ী পোস্ট , সত্য পোপন হবার নয় । সবায় জানবে । এখানে কিছু অন্ধ ,বধির কিন্তু বাচাল (হে হে হে ...ভাল ছইলছে টাইপ বিরধী মতব্য করেছে ) । এই বাচালদের জানা নেই , সবার প্রতি শ্রদ্ধা রেখে বলছি । ব্যাপারটা নিজের দিক থেকে ভাবুন । আপ্নার একজন বোনকে আব্রশন করাতে হত ??? কেমন লাগত ভাই ?????

৪০| ২৯ শে নভেম্বর, ২০১৫ রাত ১১:৫৭

বাতিওয়ালা বলেছেন: এই রকম আবাল মার্কা পোস্ট এ এতজন সহমত! বাংলাদেশ এ আবাল এর অভাব নাই =p~

৪১| ৩০ শে নভেম্বর, ২০১৫ রাত ১২:২৩

রুদ্র জাহেদ বলেছেন: অনেক ব্যাপারেই কঠোরহস্তে দমন-ব্যবস্হা নেওয়া দরকার।কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয় না আমাদের এই সমাজে

৪২| ৩০ শে নভেম্বর, ২০১৫ রাত ২:৩৭

বিদেশ পাগলা বলেছেন: দুঃখ জনক ! সমগ্র বিশ্বের পুঁজিবাদ ও সাম্রাজ্যবাদী সাংস্কৃতিক আগ্রাসন থেকে কেউ রেহাই পাবে না , নিশ্চিত ।

৪৩| ৩০ শে নভেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৩:৪৩

মিলন হোসেন১৫৮ বলেছেন: অামি দেখছি গার্মেন্টস ত্রই কাজ বেশি হয়

৪৪| ০২ রা ডিসেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১২:৫৭

বিপরীত বাক বলেছেন: কথা সত্য বটে।।

কিন্তু ওই যে বললাম যে বাংলা জাতি,, পেটে ভাত আর হাতে সো অল ক্লিয়ার।।

যারা পরিসংখ্যান চাচ্ছে তাদের জানা উচিৎ চোখেই দেখে সবাই,, লিখে রাখে না।। হাতেনাতে ধরা পড়েও এ ব্যাপারে কেউ টিভি তে সাক্ষাৎ কার দেয় না।। তাই বলে কি ওসব হয় না??

বাস্তব আরও ভয়ানক।। এখানে বরং অনেক মার্জিত ভাবে বলা হয়েছে বলে এটার ইন্টেনসিটি টা বোঝা যাচ্ছে না।।

একটা মেয়ে যখন গার্মেন্টস এ ঢোকে দুই এক মাসের মধ্যে তার সবকিছু কেমন বেড়ে যায়।। পেটে নাই ভাত, টাকা পায় অনেক কম, হয়নি বিয়ে,,, তারপরে ও দেখবেন জায়গামত বৃদ্ধি টা অস্বাভাবিক।।

৪৫| ০২ রা ডিসেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১:০৫

রানার ব্লগ বলেছেন: যাহারা এই পোষ্ট নিয়া হে হে করে হাসছেন তাদের বলছি, পোশাক শিল্পে ৯০ ভাগ নারী ও ১০০ ভাগ শ্রমিক (নারী ও পুরুষ) বঞ্চনার শিকার। জানতে হলে কাজ করে আসুন। সবথেকে ভালো হয় আপনি এডমিন সেক্টরে কাজ করে আসুন ব্যপোক অভিজ্ঞতা হবে। আশা করি এর পর আর হে হে করে বেক্কলের মত হাসবেন না।

৪৬| ০২ রা ডিসেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১:০৭

বিপরীত বাক বলেছেন: @ রানার ব্লগ

অ্যাডমিন না।। আরও ভালো হবে প্রোডাকশন লাইনে ফ্লোরে কাজ করে আসলে।।

কারণ তলা দিয়েই তো ভিতরের ময়লা সব দেখা যায়।

৪৭| ০২ রা ডিসেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৫:০২

অলওয়েজ ড্রিম বলেছেন: আপনার পোস্ট পড়ে কোনো সন্দেহ নাই যে আপনি কিংবা আপনার চৌদ্দগুষ্ঠিতে কেউ কোনোদিন গার্মেন্টস কারখানায় কাজ করে নাই। বাংলাদেশে এমন কোনো একক কারখানা নাই যেখানে ৪৫০০০ শ্রমিক কাজ করে।

আর অবাধ যৌনতার সু্যোগ কোনো কালেই ছিল না। ১২/১৪ ঘণ্টা কঠিন পরিশ্রমের পরে বৈধ যৌনতারই সুযোগ ও ইচ্ছা যেখানে থাকে না সেখানে অবাধ যৌনতার সেই সু্যোগ কোথায়?
দুয়েকটা বিচ্ছিন্ন ঘটনাকেই নিয়ম বলা যায় না।

আরও যে সব বিষয়ের অবতারণা করেছেন তা নিছক কল্পনা ছাড়া আর কিছুই নয়।

৪৮| ০৩ রা ডিসেম্বর, ২০১৫ সকাল ১০:৩৮

কাটাবন বলেছেন: এটা ইন্ড্রাসট্রিয়াল পার্ক.……
এর মধ্যে ১০-১২ ফ্যাক্টরি আছে …

৪৯| ০৩ রা ডিসেম্বর, ২০১৫ সকাল ১১:১৫

কাটাবন বলেছেন: না জেনে কথা বলবেন না ……@always dream

৫০| ০৩ রা ডিসেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১:০০

অলওয়েজ ড্রিম বলেছেন: আপনি কয়টা গার্মেন্টস কারখানায় কাজ করেছেন?

প্রডাকশন ফ্লোরে কাজ করেছি, অ্যাডমিনে করেছি, স্টোরে ছিলাম, এখন মার্চেন্ডাইজিংয়ে আছি। গার্মেন্টস সম্পর্কে কিছুই না জেনে গার্মেন্টস-যৌনতার পোস্ট ফেঁদে বসে আছেন।

৫১| ০৩ রা ডিসেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১:২২

গেদু চাচা বলেছেন: জনাব অলওয়েজ দ্রিম আমিতো আপনার জ্ঞান নিয়ে সন্দিহান। আপনি নিজে কয়টা কারখানায় জব করেছেন? ষ্ট্যান্ডার্ড গ্রুপের একেকটায় কতজন শ্রমিক আছে আপনি জানেন?
আপনি একবার এডমিন, একবার ষ্টোর আবার মার্চেন্ডাইজার-- আপনার নিজের কাজেইতো স্থীরতা নাই। আর কিভাবে মার্চেন্ডাইজিং করেন? মার্চেন্ডাজারকে কাপড়ের গুনাগুন, একসেসরিজের গুনাগুন, কস্টিং এসব জানতে হয়। আপনি উনার লিখাটার টোন না বুঝে গতানুগতিক ভাবে মন্তব্য করে বসেছেন। আমারতো মনে হয়না আপনার কোন ট্যাকনিক্যাল ব্রেইন আছে।
উনি কোথাও গার্মেন্টসের বিরুদ্ধে কিছু বলেন নি। উনি গার্মেন্টেসের অসহায় নারী শ্রমিকরা যে যৌন হয়রানীর স্বীকার হয় এবং নিজেদের অজ্ঞতার কারণে তারা যে তথাকথিত প্রেম ও শারিরীক সম্পর্কে খুব সহজে জড়িয়ে নিজেদের সর্বনাশ করে সেটা তুলে ধরতে চেয়েছেন। উনি গার্মেন্টস নিয়ে একটা নীতিমালার কথা বলেছেন। এটা কি অন্যায়। কোনাবাড়ি এলাকার একজন কমন রেসিডেন্স হিসেবে আমি আপনাকি বলছি এখানকার ক্লিনিকগুলোতে কত গর্ভপাত হয় জানেন? কেন হয় সেটা কি আপনার এডমিন, ষ্টোর, মার্চেন্ডাইজিং ব্রেইনে ধরবে?

৫২| ০৩ রা ডিসেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১:৩৮

কাটাবন বলেছেন: বাংলাদেশে হাতে গোনা কয়েকটি ফ্যাক্টরিতে সেক্সুয়াল হ্যারাসমেন্ট কম.……

৫৩| ০৩ রা ডিসেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১:৪৫

amitanmoy বলেছেন: সহমত ।

৫৪| ২৩ শে নভেম্বর, ২০২২ দুপুর ২:১৬

মুহিব্বুল্লাহ বলেছেন: আহ

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.