| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
কাউসার রুশো
আমার হবে না,আমি বুঝে গেছি, আমি সত্য মূর্খ, আকাঠ! সচ্চরিত্র ফুল আমি যত বাগানের মোড়ে লিখতে যাই, দেখি আমার কলম খুলে পড়ে যায় বিষ পিঁপড়ে, বিষের পুতুল!© আমার নিজের লেখা ও তোলা ছবি, যা এই ব্লগে পোস্ট করেছি, তার সর্ব সত্ত্ব সংরক্ষিত। আমার লিখিত অনুমতি ছাড়া এসবের কিছুই কোনো মাধ্যমে পুনঃপ্রকাশ করা যাবে না। ©আমার মেইল এড্রেস [email protected]
পাহাড়ের ভেতর দিক হারিয়েছে আঁকাবাঁকা পথগুলি। সেই পথে সারি সারি গাছ, দাঁড়িয়ে আছে মাথা উঁচু করে। পথের ক্লান্তি ভুলে সেই তরুশাখায় দিনমান গান করে নাম না জানা পাখিরা। তারপাশেই গোলচত্বর। বিশাল এক কড়ইগাছ যেন আদরে আদরে আগলে রেখেছে জায়গাটি। তারই পাশে ছোট্ট একটি হ্রদ। দিনের একটি সময় এ চত্বর হয়ে ওঠে আনন্দের হাট—একঝাঁক মেধাবী মুখের কলকাকলিতে।
‘প্রকৌশল জীবনের ক্লান্তিকর মুহূর্তগুলো নিমিষেই নিঃশেষ হয় এ চত্বরে এসে বসলে।’ বললেন কামরুল। কথার তাল কেটে কামরুলের সঙ্গে তাল মেলালেন শাকিল, অঙ্কন, সজীব, আরজু, রাব্বি, আসাদ, পলাশ, দোলা, মুন্নি, ঈশিতারা। চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) ক্যাম্পাসের গোলচত্বর রং ছড়ায় প্রতিটি শিক্ষার্থীর জীবনে। তাঁদের জীবনের সুখ-দুঃখ, হাসি-কান্না আর প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তির সাক্ষী যে এ গোলচত্বর। যান্ত্রিক জীবনে হঠাৎ উদাস হয় বাউল মন। তখন তাঁরা ছাদে বা পথের ধারে বসে যান গিটার, ঢোল কিংবা একতারা হাতে। গানের আসরে ভাবের সুর ভাঁজেন বাউল-ফকির সংঘের সদস্যরা।
নগরের কোলাহল থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার দূরের ক্যাম্পাসে যেন লুটোপুটি খায় প্রাকৃতিক সৌন্দর্য। চট্টগ্রাম-কাপ্তাই মহাসড়কের পাশঘেঁষে প্রায় ১৬৩ একর জায়গায় ১৯৬৮ সালের ২৮ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ হিসেবে যাত্রা শুরু করে বর্তমান প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়। তখন শিক্ষার্থী ছিলেন মাত্র ১২০ জন। ১৯৮৬ সালের ১ জুলাই বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (বিআইটি), চট্টগ্রাম হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। পরে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলনের প্রেক্ষিতে ২০০৩ সালের ১ সেপ্টেম্বর বিআইটিকে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) রূপান্তর করা হয়। তড়িৎকৌশল, যন্ত্রকৌশল ও পুরকৌশল বিভাগ নিয়ে যাত্রা শুরু করলেও ১৯৯৯ সালে কম্পিউটারবিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগ চালু হয়। এ বছর স্থাপত্য ও পরিকল্পনা অনুষদের আওতায় স্থাপত্য এবং নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা (ইউআরপি) বিভাগ চালু হয়। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনটি অনুষদের অধীন ছয়টি বিভাগ পরিচালিত হচ্ছে। আগামী বছর চালু হবে পেট্রোলিয়াম ও মাইনিং প্রকৌশল বিভাগ। এ ছাড়া রয়েছে ইনস্টিটিউট অব এনার্জি টেকনোলজি, আর্থকোয়াক ইঞ্জিনিয়ারিং রিসার্চ সেন্টার এবং সেন্টার ফর এনভায়রনমেন্ট সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং। সেন্টার ফর ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণাকাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। বর্তমানে শিক্ষার্থী দুই হাজারেরও বেশি।
প্রকৌশল পড়তে আগ্রহী হলেন কেন?
‘নিরিবিলি এ ক্যাম্পাস পড়াশোনার জন্য একবারে আদর্শ জায়গা।’ বললেন রাব্বি ও আসাদ। অঙ্কনের উত্তর একটু অন্য রকম—‘বিয়ের বাজারে প্রকৌশলীদের কদর বেশি, তাই।’ সঙ্গে সঙ্গে হাসির রোল পড়ল।
চট্টগ্রামের বাইরে থেকে আসা শিক্ষার্থীরা জানান, ঘরবাড়ি বাবা-মাকে ছেড়ে এত দূরে আসতে কষ্ট হয়েছে। কিন্তু কয়েক দিন যেতেই ক্যাম্পাসের সৌন্দর্য আর একদল মনের মতো বন্ধু মন কেড়ে নেন তাঁদের।
বিদেশ থেকে অনেকে পড়তে এসেছেন এখানে। নেপালের অবধিস, ওয়াজি আর আনন্দ বললেন, এ ক্যাম্পাস যে এত ভালো লাগবে তা কখনো চিন্তা করেননি। বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের নিয়েও উচ্ছ্বসিত তাঁরা। তাঁদের ব্যবহার, সহযোগিতার মনোভাব খুব পছন্দ হয়েছে তাঁদের। প্রকৌশল জীবনটা অনেকখানিই যান্ত্রিক। সারাদিন পাঠ নেওয়া, গবেষণা, কুইজ, পরীক্ষা। এত ব্যস্ততার পরও অনেকে দলবেঁধে বসে যান কার্ড আর ক্যারাম খেলায়। ফাঁকে চলে আড্ডা। ‘যখন চুয়েট ছেড়ে চলে যাব তখন সবচেয়ে বেশি মিস করব এ আড্ডা।’ বললেন কামরুল ও তাঁর বন্ধুরা।
বিকেলের সময়টায় কেউ শহরে যান গৃহশিক্ষকতা করতে। যাঁরা খেলাধুলায় ভালো তাঁরা যান খেলার মাঠে। অনেকে মাঠের পাশ দিয়ে চলে যাওয়া দিকভ্রান্ত সেই পথে হাঁটেন দলবেঁধে।
একদল ছাদে বসে শুরু করেন গান-বাজনা।
গানের আসরে গিটার, হারমোনিয়াম যেমন থাকে তেমনি থাকে একতারা আর ঢোল। আছে একটা বাউল-ফকির সংঘ। সন্ধ্যায় লোডশেডিং হলেই বসে বাউল আসর। হাছন, লালন, শাহ আবদুল করিমসহ নানা সাধকের গান চলতে থাকে। বাদ যায় না ‘পানজাবিওয়ালা’ কিংবা ‘হইলজার ভিতর গাঁথি রাইখ্যম তোঁয়ারে...।’
বিশ্ববিদ্যালয়ে চারটি ছাত্রাবাস ও একটি ছাত্রীনিবাস আছে। এর মধ্যে দুটি মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ শিক্ষার্থী মোহাম্মদ শাহ ও তারেক হুদার নামে নামকরণ করা হয়েছে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে বিশাল অবদানের জন্য বিজ্ঞানী কুদরত-এ-খুদার নামে একটি ছাত্রাবাসের নামকরণ করা হয়। বাকি দুটি ছাত্রাবাসের নামকরণ হয়নি এখনো।
শিক্ষার্থীরা কারিগরি খাতে গত কয়েক বছরে দারুণ সাফল্য দেখিয়েছেন। আর এর নেপথ্যে ভূমিকা রয়েছে চুয়েটে রোবট ও তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক গবেষণাকারী ছাত্রসংগঠন ‘অ্যাসরো’ (অ্যান্ড্রমিডা স্পেস অ্যান্ড রোবটিক রিসার্চ অ্যাসোসিয়েশন) এবং আরএমএর (রোবো মেকাট্রনিক্স অ্যাসোসিয়েশন)।
ক্যাম্পাসে রয়েছে বেশ কয়েকটি সাংস্কৃতিক সংগঠন। এর মধ্যে রয়েছে চুয়েট ডিবেটিং সোসাইটি, জয়ধ্বনি, গ্রিন ফর পিস, আছে নাটকের দল বাংলানাট। সংগঠনগুলো পড়াশোনার পাশাপাশি মুক্তবুদ্ধিচর্চা করে।
গ্রিন ফর পিসের সভাপতি রফিকুল ইসলাম বললেন, ‘শিক্ষার্থীদের সুপ্ত প্রতিভা বিকাশ আর পড়াশোনার একঘেয়েমি দূর করতে এসব সংগঠনের সৃষ্টি।’ প্রত্যেক সংগঠনের সদস্যরা সপ্তাহের একটা দিন বিকেলে বসে আড্ডা দেন। দলে দলে শিক্ষার্থীরা ভিড় করেন গ্যালারিতে। গোল হয়ে বসে তৈরি করেন আড্ডাবৃত্ত। চলতে থাকে বিষয়ভিত্তিক আড্ডা। কখনো খুনসুটি। এ ওর হাঁড়ির খবর ফাঁস করে দেন।
ডিবেটিং সোসাইটির সভাপতি খায়রুল বাসার জাহিদ বললেন, ‘আড্ডা থেকেই বের হয়ে নতুন গঠনমূলক নানা পরিকল্পনা। এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়নে চুয়েটের স্বপ্নবাজ তরুণেরা ঝাঁপিয়ে পড়েন নিজেকে উজাড় করে দিয়ে। #
৩০ শে মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩১
কাউসার রুশো বলেছেন: ধন্যবাদ। ভাইয়া আপনি কোন ব্যাচ?কোন বিভাগ?
২|
০২ রা জুন, ২০১০ দুপুর ২:৫২
সা-কি-ব বলেছেন: চুয়েট আসলেই অনেক সুন্দর জায়গা। আই লাভ ইউ চুয়েট
০৩ রা জুন, ২০১০ রাত ১২:৩৫
কাউসার রুশো বলেছেন: আমিও অনেক ভালোবাসি চুয়েটকে
৩|
০৩ রা জুন, ২০১০ বিকাল ৪:৩২
নীল-দর্পণ বলেছেন: খুব ইচ্ছা ছিল হোস্টেল লাইফ উপভোগ করার কিন্তু সে ইচ্ছা পূরন হবার নয়....
০৪ ঠা জুন, ২০১০ রাত ২:২৩
কাউসার রুশো বলেছেন: কেন ভাই?
৪|
০৩ রা জুন, ২০১০ বিকাল ৪:৪১
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: কুন ব্যাচ?
সাধু খান কি এখনো ভূড়ি নাচায়া হাসে? মেকার স্ট্যালিন কি অখনও হাফ মেড আছে নাকি ফুল ম্যাডের খাতায় নাম লেখাইছে? অশোক কি অখনো ইলেক্ট্রনিক্সে পুলাপান দাবড়ায়?
তয় লাইফ খান মিস করি, অবশ্য মুরগীহল কিউকে আমাগো সময় এক বিপ্লবী কাম করছইলো শিবির পিডাইয়া! সেই দিন গুলান খুব মনে পড়ে।
ভালা কথা, শিবির পার্টি কেমুন একটিভ এখন?
০৪ ঠা জুন, ২০১০ রাত ২:৩০
কাউসার রুশো বলেছেন: আমি ০৫ ব্যাচ। ইইই। আর ২মাস আছে ক্যাম্পাস লাইফ শেষ হতে।
আপনি কোন ব্যাচ ভাই? আপনি নিশ্চয়ই ইলেকট্রিক্যালে। এখন কোথায় আছেন?
সাধু স্যার এখনও ভুড়ি দোলায় হাটে এবং হাসে।
স্ট্যালিন ফুল ম্যাড।
শুদু দাবড়ায়না গালাগাল করে..পারলে কামড়ায়!
শিবিড় তেমন একটিভ না। তবে কদিন আগে পুলিশ দুইটা হিযবুত তাহরীর ধইরা নিয়া গেছে।
ভাই কিউকে হলকে মুরগী কইয়া কামডা ঠিক করলেননা।
৫|
০৩ রা জুন, ২০১০ বিকাল ৪:৪২
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: চটাটগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
নামডা ঠিক করেন টাইটেলের!
০৪ ঠা জুন, ২০১০ রাত ২:২৪
কাউসার রুশো বলেছেন: ঠিক করলাম।
৬|
০৪ ঠা জুন, ২০১০ রাত ৮:১০
পাপতাড়ুয়া বলেছেন: হে হে।মুরগী হল কওনে কাওসার ভাই কি খেপছেন?হে হে..
উদাসী দা আমগো হলে ছিলো।
আমি কে,বুঝতে পারছেন তো?
০৯ ই জুন, ২০১০ সকাল ১০:২০
কাউসার রুশো বলেছেন: জনপ্রিয় নাট্যরচয়িতা এবং খ্যাতিসম্পন্ন পুরস্কারপ্রাপ্ত সব্ল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের কাহিনীকার......................:-)
কোন হল মুরগী সেটা তুই ভালোই জানস..কইতে হইবো?
৭|
০৪ ঠা জুন, ২০১০ রাত ৮:১২
নীল-দর্পণ বলেছেন: ঢাকার বাইরে যেতে দিবে না ![]()
০৪ ঠা জুন, ২০১০ রাত ১০:৪১
কাউসার রুশো বলেছেন: সমস্যা কী?ঢাকার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও তো হল আছে। সেখানে চান্স পেলে হলে থাকতে সমস্যা কোথায়?
৮|
০৫ ই জুন, ২০১০ রাত ১০:০৫
নীল-দর্পণ বলেছেন: ফ্যামিলি ঢাকাতেই থাকে।
আর সমস্যা কী? সেটা তাদের কে বোঝাবেরে ভাই ![]()
০৯ ই জুন, ২০১০ সকাল ১০:১৮
কাউসার রুশো বলেছেন: আপনার জন্য সমবেদনা
৯|
০৯ ই জুন, ২০১০ সকাল ১০:২৮
ফয়সল রাব্বী বলেছেন: লেখাটা ভালই লাগলো। বাংলা নাট?
আর হল এর ব্যাপারে, আমি চুয়েট এর ভবঘুরেদের একজন,যে থাকে নাই এমন কোন হল নাই, এই কারনেই ব্যাক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে কিউ কে হল কে মুরগি হল বলার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি
আর শিবিরের ব্যাপারে কাওসার এত কনফিডেন্ট হোস না, কারন পাস করে বের হবার পর অনেকেরই মুখোশ খুলতে দেখেছি। লর্ডস ইনে ফোরামের মিটিং এ অনেকেই দৌড়ায়, সুতরাং সাধু সাবধান.............।
০৯ ই জুন, ২০১০ দুপুর ১:৫৬
কাউসার রুশো বলেছেন: নাটকের দল। খুব শীঘ্রই অনেক বড় একটা সংগঠন হবে চুয়েটের।
প্রতিবাদ জানানোর জন্য ধন্যবাদ।
চুয়েটে এখন শিবিরের টাইম নাই।বাইরে অনেক কিছুই হতে পারে।
১০|
০৯ ই জুন, ২০১০ সকাল ১০:৩০
ফয়সল রাব্বী বলেছেন: by the way, i m Mechanical 04.
আর স্ট্যালিন এর পাগলামি আমাদের সময়ই সীমা আতিক্রম করসিল, এখন তো আরো খারাপের দিকে যাওয়ার কথা
০৯ ই জুন, ২০১০ দুপুর ১:৫৪
কাউসার রুশো বলেছেন: হ্যা আরো খারাপের দিকে গেছে।
তার উপর সে ক্ষমতা পেয়েছে। সে এখন পরিবহন কমিটির সভাপতি।
১১|
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:০৭
শেলী বেলী বলেছেন: চুয়েট অসাধারন একটা জায়গা । ধন্যবাদ ।
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:০৯
কাউসার রুশো বলেছেন: পুরাপুরি সহমত ![]()
১২|
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:১৩
শেলী বেলী বলেছেন: ভাল থাক চুয়েট । তোমার জন্য সবসময় ভালবাসা । ভাল থাক চুয়েটিয়ানস্ ।
২৫ শে অক্টোবর, ২০১০ দুপুর ১:৫৭
কাউসার রুশো বলেছেন: ভাল থাক চুয়েট । তোমার জন্য সবসময় ভালবাসা । ভাল থাক চুয়েটিয়ানস। ![]()
১৩|
২৫ শে অক্টোবর, ২০১০ রাত ৩:৪৭
মাহমুদহাসান বলেছেন: আমি আয়া পর্সি ![]()
রেটিং দিতে লগ ইন করলাম। ![]()
২৫ শে অক্টোবর, ২০১০ দুপুর ১:৫৭
কাউসার রুশো বলেছেন: ওয়েলকাম ![]()
১৪|
২৫ শে অক্টোবর, ২০১০ দুপুর ২:০৭
পি পি বলেছেন: ভাল পোস্ট। ধুসর হয়ে যাওয়া অনেক কিছু মনে করিয়ে দিলে।
ধন্যবাদ।
২৫ শে অক্টোবর, ২০১০ দুপুর ২:২০
কাউসার রুশো বলেছেন: আপনি কোন ব্যাচ?
১৫|
১৯ শে নভেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩৭
সুদীপ0718 বলেছেন: sheli belly ki amago johora begum naki?
১৯ শে নভেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫০
কাউসার রুশো বলেছেন: কী মনে হয়? ![]()
১৬|
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০১০ দুপুর ২:৫৯
সুদীপ0718 বলেছেন: ki mone hoy!!!
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০১০ বিকাল ৩:২১
কাউসার রুশো বলেছেন:
©somewhere in net ltd.
১|
৩০ শে মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৩৫
আহমেদ শামসুল আরেফীন বলেছেন: লেখাটি চমৎকার হয়েছে। অনেক স্মৃতির পাতা ফিরে ফিরে এলো। এখনও মনে আছে বোরিং ক্লাসগুলোতে লাল নীল পাহাড় দেখতাম আর প্রতিদিন রাস্তায় সবুজ মাঠের পাশে হাটতাম। এখন মনে হয় একটা লেকও হয়েছে। বাংলাদেশের সুন্দরতম একটি ক্যাম্পাস চুয়েট। (খাওয়া-দাওয়ার কষ্টের কথাটা লিখলাম না, চিকিৎসার অসুবিধা ও যাতায়ত অ-ব্যবস্থার কথাও বাদ দিলাম) ভাল ও সুন্দর থাকুক চুয়েটের সকল ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষকগণ। এই কামনা করি।