| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আমি ভ্রমন প্রিয় মানুষ, নতুন জায়গা ও নতুন মানুষের সাথে পরিচিত হতে বেশ ভাল লাগে। সবুজে বেশ ভক্ত আমি।
জামালপুর জেলার সবচেয়ে অবহেলিত এক উপজেলার নাম ইসলামপুর। আমার মতে বর্তমান ডিজিটাল বাংলাদেশের মধ্যে এমন অনুন্নত উপজেলা আর কোন জেলাতে আছে কি না আমার জানা নাই।
এই উপজেলার মূল সমস্যা হলো নদী ভাঙ্গন ও বর্ষাকালের বন্যা। বিগত ২৫ বছরে ভয়াল যমুনা নদীর ভাঙ্গনে কত শত বসতবাড়ি, ক্ষেত-খামার, কৃষি জমি, মসজিদ, মাদ্রাসা, স্কুল, কলেজ, হাট-বাজার সহ আরও কত শত সম্পদ হারিয়ে উক্ত উপজেলার মানুষজন আজ ছন্নছাড়া। জমিজমা হারিয়ে তারা আজ নিঃস্ব। ডালের ডাল কাক হয়ে আজ তারা বাংলাদেশের নানা জায়গায় হামাগুড়ি দিচ্ছে। নাই কোন স্থায়ী কোন বসত বাড়ি। এম মূল কারণ যমুনা নদী ভাঙ্গন।
এই রাক্ষুসী যমুনা নদীর ভাঙ্গনে কত স্বপ্ন যে স্বপ্নই থেকে গেছে, কতশত পাকাপোক্ত বসতবাড়ি, গ্রাম, জনপদ নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে তার কোন হিসাব নাই। চিনাডুলি, নোয়ারপাড়া, সাপধরী, বেলগাছা, কুলকান্দি এই ৫ টি ইউনিয়নের মূল ভূখন্ড বলতে কিছুই নাই, ১০০% মূল জমির মধ্যে মাত্র ২০% ভূখন্ড আছে আর বাকি সব চর ও পানি।
এই গেলো নদী ভাঙ্গনের বর্ণনা।
অন্যদিকে ফি বছর বন্যা। এ এক নিদারুন কষ্ট। কেমন কষ্ট ইসলামপুরের মানুষকে আর বোঝাতে হবে না। বন্যা হলেই পশ্চিম ইসলামপুরের সকল ইউনিয়ন পানিতে তলিয়ে যায়। যমুনা নদীর কোন প্রকার বাঁধ নাই। যার কারনে প্রতি বছর বন্যা। আর প্রতি বছর রাস্তাঘাট নষ্ট হয়। এই রাস্তা মেরামত ৫ বছরেও হয় না। এ আরেক নিদারুন কষ্ট। সব মিলিয়ে এই উপজেলার সকল মানুষ তিন প্রকারের কষ্ট পায়।
১। নদী ভাঙ্গন আতঙ্ক
২। ফি বছর বন্যায়
৩। ফি বছর বন্যায় রাস্তাঘাট নষ্ট, যাতায়াতের কষ্ট
উপরের ছবিতে নদী ভাঙ্গন, বন্যা ও ভাঙ্গা রাস্তার সচিত্র প্রতিবেদন দেওয়া হলো...
সবাই বেশি বেশি শেয়ার করুন। যাতে জনপ্রতিনিধীদের নজরে আসে।
ধন্যবাদ, ইসলামপুর বার্তার সাথে থাকার জন্য।

১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১:৫৩
সবুজের ইবনে বতুতা বলেছেন: ভাটায় উন্নয়ন পড়ে গেছে
©somewhere in net ltd.
১|
০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ১১:৪৩
অপু দ্যা গ্রেট বলেছেন:
উন্নয়নের জোয়ার চলছে