| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আধুনিক ইসলামী চিন্তাজগতে আরো এক বড় স্তম্ভ হচ্ছেন পাশ্চাত্য সভ্যতার বিরুদ্ধে জেহাদী সংগঠণ মুসলিম ব্রাদারহুডের প্রতিষ্ঠাতা হাসান আল বান্না। তিনি ১৯০৬ সালের ১৪ অক্টোবর মিশরের রাজধানী কায়রোর কাছে মাহমুদিয়া অঞ্চলে অত্যন্ত ধর্মপ্রাণ মুসলীম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। বারো বছর বয়সে তিনি সুফীবাদের প্রতি আকৃষ্ট হন। এই সময়ে তিনি সেই কিশোর বয়সেই ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে পথে নেমেছিলেন। ১৬ বছর বয়সে তিনি কায়রোর দারুল উলুম কলেজে গমন করেন। এই সময় তিনি মিশরে প্রচুর ভ্রমণ করেন এবং সেই সময়কার বড় বড় আলেমদের সংস্পর্শে আসেন। তাঁর নজরে পড়ে পাশ্চাত্যের ধর্মনিরপেক্ষতার প্রভাবে কিভাবে মিশরের সমাজ ক্রমশ ভোগের দিকে ঝুঁকে পড়ছে কিভাবে সনাতন মূল্যবোধ থেকে দূরে সরে আসছে। পরবর্তিতে তিনি আলআজহার বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা করেন। সেখানে তিনি সবিস্ময়ে লক্ষ করেন কিভাবে খ্রীষ্টান মিশনারীরা ইসলামের বিরুদ্ধে নাস্তিকতাকে উৎসাহিত করে চলে। ১৯২৮ সালে তিনি তখনকার বিভিন্ন ছোট ছোট ইসলামী গ্রুপের সমন্বয়ে গঠণ করেন কালজয়ী ইসলামী দল মুসলীম ব্রাদারহুড। মুসলীম ব্রাদারহুডকে সামাজিক ভিত্তি দিতে পুরো মিশর জুড়ে তিনি একইসঙ্গে সমাজকল্যাণ এবং ইসলামী মূল্যবোধ প্রচারের বিশাল নেটওয়ার্ক গড়ে তোলেন। তাঁর এই কর্মকান্ড মিশরের তৎকালীন শাসকগোষ্ঠীকে ভীত করে তোলে। মাত্র ৪৩ বছর বয়সে ১৯৪৯ সালে শসকশ্রেণীর লেলিয়ে দেওয়া গুন্ডার গুলিতে তিনি নিহত হন।
তিনি জীবদ্দশায় ইসলামের নূর ছড়াতে প্রচুর বই লিখেছেন। তাঁর মধ্যে আমার মতে সবথেকে উল্লেখযোগ্য বই জিহাদ ।
২|
১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:১৫
একবাল হুসেন বলেছেন: বাই এর লিংক এর জন্য ধন্যবাদ
©somewhere in net ltd.
১|
১০ ই জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৪:৪৪
খোরশেদুল ইসলাম বলেছেন: এই পোস্ট প্রথমপাতায় এলো না কেন?