| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মুহাম্মদ গোলাম কিবরিয়া
জানতে চাই, জানাতে চাই এবং নিজের ধ্যান-ধারনা ও বাস্তব অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে চাই।
আজকে আমরা যে সামাজিক অপসংস্কৃতি কিংবা ধর্মীয় অপসংস্কৃতি (যাকে বিদাত বলা হয়) প্রচলিত আছে দেখি, তা কিন্তু এদেশে হঠাৎ করে চালু হয়নি। এসব সংস্কৃতি বিভিন্ন মাধ্যম হয়ে ধীরে ধীরে বছরের পর বছর ধরে সমাজে অনুপ্রবেশ করে বর্তমানে বিরাট আকার ধারন করেছে। তাই আমরা এর রাতারাতি পরিবর্তন আশা করতে পারি না। কারন একটি ভূল তথ্য যখন সমাজের বড় একটি অংশ বিশ্বাস করা শুরু করে, তখন সেটিই সত্যে পরিণত হয়। তাদেরকে এর বিপরীতে বলতে গেলে তারা যুক্তির বা জ্ঞানের চেয়ে আবেগকে প্রাধান্য নিয়ে তর্ক করতে শুরু করে।
তাই এসব অপসংস্কৃতিকে রুখতে হলে আমাদের অনেক সতর্ক হয়ে বিচক্ষনতার সহিত বোঝানো উচিত। মনে রাখতে হবে, যে বিশ্বাস বছরের পর বছর ধরে সমাজে গেড়ে বসেছে, তার শিকড় মুলোৎপাটন করতে হলে আমাদেরও তেমনি বছরের পর বছর ধরে অপেক্ষা করতে হবে।
০৭ ই নভেম্বর, ২০১৫ সকাল ১০:০৩
মুহাম্মদ গোলাম কিবরিয়া বলেছেন: আপনার মন্তব্যের জন্যে ধন্যবাদ।
২|
০৯ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ১:০৭
বিপরীত বাক বলেছেন: অপসংস্কৃতি আবার কি জিনিস? খায় না মাথায় দেয়?
ওগুলোই তো বাংলার আজন্মের সংস্কৃতি।।
০৯ ই নভেম্বর, ২০১৫ সকাল ৯:১০
মুহাম্মদ গোলাম কিবরিয়া বলেছেন: "ওগুলো" বলতে আপনি কি বোঝাতে চাচ্ছেন, তা আমার বোধগম্য নয়। বিভিন্ন সময় অন্য জাতি বা দেশের সাংস্কৃতিক আগ্রাসন আমাদের নিজস্ব রীতি-নীতি ও সংস্কৃতির অংশ হয়ে গিয়েছে, আমি এটিই মিন করার চেষ্টা করেছি।
আপনার মন্তব্যের জন্যে ধন্যবাদ।
©somewhere in net ltd.
১|
০৭ ই নভেম্বর, ২০১৫ সকাল ৯:১৪
দরবেশমুসাফির বলেছেন: মনে রাখতে হবে, যে বিশ্বাস বছরের পর বছর ধরে সমাজে গেড়ে বসেছে, তার শিকড় মুলোৎপাটন করতে হলে আমাদেরও তেমনি বছরের পর বছর ধরে অপেক্ষা করতে হবে।
একেবারে ঠিক। তবে শুধু অপেক্ষা না করে এ অবস্থা থেকে উত্তরনের জন্য কাজ করে যেতে হবে।