নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সময়ের ব্যবধানে বেজে বেজে চলে, সূর্য চাঁদ সবচেয়ে- দূরতম শব্দের মাস্তল, যেন কোন অজ্ঞাত নিবাস থেকে ছুটে আসি।পরিচিত শ্টেশন এলেই তুৃমি দেখাও নিশান- আমি উঠে পড়ি...

কিরমানী লিটন

কিরমানী লিটন › বিস্তারিত পোস্টঃ

জাবি আন্দোলন- বিশ্ববিদ্যালয়গুলির সরকারী বরাদ্দ বন্ধ করে দেবার প্রধানমন্ত্রীর হুমকি....

১১ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:৩০




আমার খুব জানতে ইচ্ছে করে সরকার কি কারো উত্তরাধিকার? কারো পৈতৃক সম্পত্তি? কারো বংশানুবাদ? সরকার কি বিত্ত- বৈভবের উৎপাদক কোন লাভজনক প্রতিষ্ঠান? নাকি কারো নিজের প্রতিষ্ঠিত দাতব্য প্রতিষ্ঠান- যা তার খেয়ালে পরিচালিত হবে? সরকার কি কারো কষ্ট- ঘামে চালিত টাকা কামানোর মেশিন? সরকার কি টাকা কামায়? আমার কম জ্ঞানের ক্ষুদ্র বোধে যে টুকু বুঝি সে মতে, " সরকার মানে, জনগনের আশা আকাঙ্খা পরিচালিত করার সমষ্টিগত প্রতিষ্ঠানিক অবয়বের নাম সরকার। যার কর্মে-ধর্মে- মর্মে শুধুই জনগন। তাদের চাওয়া পাওয়া ইচ্ছা অনিচ্ছা, সুখ সাচ্ছ্বন্দ্য, সমৃদ্ধ কল্যাণের সুশৃঙ্খল যাপিত জীবন নিশ্চিতের লক্ষ্যে তা পরিচালিত হয়। সরকার কোন লাভজনক বা অলাভজনক দাত্য প্রতিষ্ঠানও নয়। সরকার কোন টাকা কামানো বা বিত্ত- বৈভব অর্জনের মেশিনও নয়। এটি কারো বংশানুবাদের উত্তরাধিকার না। কারো বাপ- দাদার সম্পত্তিও নয়। জনগন জনগন এবং জনগনই সরকারে শেষ কথা। তাদের অতীত বর্তমান আগামের ধারক এবং তা পরিচালনের প্রক্রিয়ায়ই এটি পরিচালিত হয়। জনগনের টাকা দিয়েই তার ব্যয় নির্বাহ হয়। জনগনই সরকারের টাকার উৎস- যোগানদাতা।


কিন্তু কিছুদিন যাবত সরকার প্রধান বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের দূর্নীতি ও স্বেচ্ছাচার ও অন্যায় অনৈতিকতা বিরোধী বিভিন্ন আন্দোলনের প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে- হামেশাই বলে বেড়ান, " আমাদের ভর্তুকির টাকায় খেয়ে পড়ে, থেকে আরাম আয়শের জীবন ধারন করে আমাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন বরদাশত করা হবে না। প্রয়োজনে ভর্তুকি বন্ধ করে দেয়া হবে। যপ সব বিশ্ববিদ্যালয়ের এই সব আন্দোলন দমন করতে না পারবে, তাদেরকে সরকারের বরাদ্দ টাকা বন্ধ করে দেয়া হবে। তাহলে কি বিশ্ববিদ্যালয়গুলি পরিচালন ব্যয় নির্বাহের টাকা সরকার কিংবা সরকার প্রধানের নিজস্ব টাকা? এ প্রসঙ্গে অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেন, " জ্বী না, সরকারের টাকা বলে কিছু নেই। সরকারও চলে জনগনের টাকায়। যেহেতু পাবলিক ও সর্বজন বিশ্ববিদ্যালয় জনগনের টাকায় চলে, সেজন্য এর শিক্ষক- কর্মচারী ও ছাত্রদের দায়িত্ব জনগনের স্বার্থে কাজ করা। যদি পাবলিক প্রতিষ্ঠানে কোন অনিয়ম হয়, তাকে মেনে নেওয়া নয় বরং এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করাই শিক্ষক শিক্ষার্থীদের দায়িত্ব ও কর্তব্য। যদি পাবলিকের টাকায় চলা সরকার অন্যায় অনিয়ম করে, তবে তাকে রুখে দেওয়া পাবলিকের কর্তব্য। ছাত্র- শিক্ষকদের দাতিত্ব আরও বেশী। আপনার দম্ভোক্তিপূর্ণ এরকম ফ্যাসিবাদি কথার প্রতিবাদ করাও আমাদেরই দায়িত্ব। জেনে রাখেন, বিশ্ববিদ্যালয় জ্ঞানচর্চার জায়গা। অনুগত বাহিনী তৈরির জায়গা নয়। আর জ্ঞানের পূর্বশর্ত প্রশ্ন করা। "

আসুন, অন্যায় অনিয়ম অবিচার স্বেচ্ছাচারকে প্রশ্নহীন মেনে বা মানিয়ে না নিই। জাবি, ঢাবি, রাবি, জবি, বুয়েট, রুয়েট, খুবি, কুবিসহ সব সব বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে অনিয়ম, দখলদারিত্ব, অত্যাচার নির্যাতন, হরিলুট নির্যাতনের রাম- রাজত্বের বিরুদ্ধে সবার বিবেকের শানিত ইচ্ছাগুলোকে ঐক্যবদ্ধ করি। অন্যায্য হুমকি, রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করে- আমাদের ভাই বোন, সন্তান- সন্ততিদের নৈতিক দাবীর পক্ষ্যে সোচ্চার হয়ে তাদের পাশে দাঁড়াই। আমাদের অতীত ছিল ক্ষত- বিক্ষত। বর্তমান অন্যায় অত্যাচার লুট খুন আর মজলুমের আহাজারিতে আরও বেশী বিপর্যস্ত। আমাদের ভবিষ্যত আমাদেরই গড়ার অপেক্ষায়........!!!

মন্তব্য ২৩ টি রেটিং +৪/-০

মন্তব্য (২৩) মন্তব্য লিখুন

১| ১১ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:৪৬

হাবিব ইমরান বলেছেন: ভাই, বিদ্রোহী হবেন না। পিঠে চামড়া খুঁজে পাবেন না।

১১ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:৫৩

কিরমানী লিটন বলেছেন: আমাদের পিঠের চামড়া কি আদৌ আছে। হাড্ডি আর মাংসগুলো ভয়ার্ত অবয়বে সকরুণ চেয়ে থাকে ক্ষুধিত শকুনের গোগ্রাসের অপেক্ষায়.....

ভালো থাকবেন সতত। ভালোবাসা জানবেন প্রিয় হাবিব ইমরান ভাই।

২| ১১ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:৫৪

ঢাবিয়ান বলেছেন: [link||https://www.jagonews24.com/campus/news/538857]

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলামের অপসারণের দাবিতে চলমান আন্দোলনে অংশ নেয়া নেতৃস্থানীয় কয়েকজন শিক্ষার্থীর বাড়িতে গিয়ে পুলিশ তাদের পরিবারের সদস্যদের ‘হয়রানি’ করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

১১ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:৫৩

কিরমানী লিটন বলেছেন: একাত্তরের ইয়াহিয়ার প্রেতাত্না ভর করেছে বর্তমানে আমাদের ঘাড়ে। তাদের উত্তরাধিকারের হাতে আজ আমাদের ভবিষ্যত। তাই এই নিপীড়ন তাই এই ঘাতক কাঁটা। আফসোস!!

অনেক ধন্যবাদ সুপ্রিয় সুহৃদ ঢাবিয়ান। ভালোবাসা জানবেন অশেষ।

৩| ১১ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:০৩

মোহামমদ কামরুজজামান বলেছেন: আপনি যদি বাঁচতে চান তবে আপনাকে হামদে হাসিনা পড়তে হবে ।

না হলে আপনি গুম হতে পারেন বা মারা যেতে পারেন অথবা আপনি শিবির অথবা রাজাকার হয়ে যাবেন । আপনার পরিবার, পিতামাতা, বাচ্চারা এর বেশি বেশি সুফল :( ভোগ করবে ।

তাই জীবনের প্রতি, পরিবার এর প্রতি যত্নবান হন এবং এই ধরণের টপিক অ্যাভয়েড করুন ।

১১ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:৫৯

কিরমানী লিটন বলেছেন: হামদে হাসিনা - ঠিকই বললপন ভাই মোহাম্মদ কামরুজ্জামান ভাই। এই তেল আর চর্বির চর্চা আজ আমাদের ইতিহাস আর ঐতিহ্যের ঘাতক। তবু ভুলে স্মরণের দরজায় কড়া নাড়ার শব্দ, " মেঘ দেখে করিস না ভয়, আড়ালে তার সূর্য হাসে..... "
দূর হোক দুঃসময় - হাসুক সূর্যের হাসি !!!

সতত শুভকামনা আর ভালোবাসা জানবেন।

৪| ১১ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:১০

জুনায়েদ বি রাহমান বলেছেন: তাত্ত্বিকভাবে ভাবলে "সরকার বা সরকারের লোকজন জনগণের সারভেন্ট। যারা মানুষের কাজ করে দেবে, বিনিময়ে বেতন নেবে। কিন্তু বাস্তবতা, বিপরীত।
সরকার জনগণকে চাকরবাকর মনে করে, যা ইচ্ছে তাই করে। যেনো নিজের বাড়িঘর বিক্রি করে সাধারণ মানুষদের খাওয়াচ্ছেন।

১১ ই নভেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:০৮

কিরমানী লিটন বলেছেন: হায় - এমন কাল
মালিকেরা চাটে আজ
সা্র্ভেন্টের গাল....

এই দাম্ভিকতা, এই অসহ্য বিকৃত ধামকি একদিন অবসান হবেই- সেদিন প্রায়শ্চিত্ত গুণতে হবে সব শকুনের। ইতিহাসের এই অমোঘ সত্যি ভুলে গেলেও বারবার ফিরে আসে তা......

অনেক ভালো থাকার কামনা প্রিয়, জুনায়েদ বি রাহমান ভাই। ভালোবাসা অন্তহীন।

৫| ১১ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:৫৩

হাবিব স্যার বলেছেন:




যার তুমি নুন খাও
গুণ তার কিছু গাও
নাহলে দেখবে
জীবনের সবি ফাও

১১ ই নভেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:১২

কিরমানী লিটন বলেছেন: নুন খেয়ে গুণ গায়
বিনিময়ে ধন পায়,
ধন নিয়ে কাড়াকাড়ি
লুটপাট মারামারি।

ভালোবাসা প্রিয় ভাই হাবিব স্যার। শুভেচ্ছা নিরন্তর.....

৬| ১১ ই নভেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:০৩

নূর আলম হিরণ বলেছেন: "আমাদের ভর্তুকির টাকায় খেয়ে পড়ে, থেকে আরাম আয়শের জীবন ধারন করে আমাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন বরদাশত করা হবে না।" এই কথাটি ঠিক কখন বলেছেন? এমন কথা তো বেগম জিয়াও বলার কথা না!

১১ ই নভেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:১৮

কিরমানী লিটন বলেছেন: এই বক্তব্য কোটা আন্দোলনের সময়কার। আর এখনকার বক্তব্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলি আন্দোলনের নামে বিশৃঙ্খলা রুখতে না পারলে- সরকারি বরাদ্দের টাকা বন্ধ করে দেওয়া হবে।

আমাদের বিবেকের বিকৃতি নয় -ন্যায়বোধের সোনালী সূর্য উদয় হোক- শাষনের সমতলে। শুভকামনা জানবেন প্রিয় নূর আলম হিরণ ভাই। সতত শুভেচ্ছা।

৭| ১১ ই নভেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৫৮

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: উনি যেই প্রমাণ বাইনুকুলার দিয়ে খুঁজে বেড়াচ্ছেন তাতো টিভির নিউজ ক্লিপ গুলো হাতালেই পাওয়া যায়।

ভিসি নিজে যেখানে স্বীকর করেছেন- ছাত্রলীগকে কত কোটি টাকা দিয়েছেন।

হায়!
স্বৈরাচারের কাছে কে ন্যায় চায়
ওই উজবুককে ধরো,
বুড়িগঙ্গার দূষিত জ্বলে চুবাও সকাল বিকাল ;)

বিরোধী দলের নপুংশকতা, অবিমৃষ্যকারিতা স্বৈরাচারকে প্রলম্বিত করছে।
তাদেরও দায় চুকাতে হবে।
জনগনের কষ্টের, যাতনার, অভিশাপের দায়!

হে প্রভু
তুমিতো ক্ষমাশীল
আমাদের অপরাধ ক্ষমা করো
তোমার গায়েবী সাহায্য ছাড়া গত্যন্তর নেই।

যার কেউ নেই তার নাকি তুমি আছো।
অসহায় নিরুপায় আমজনতা তোমারই পানে চেয়ে!

১১ ই নভেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:২২

কিরমানী লিটন বলেছেন: মানুষ ব্যার্থ হলে প্রকৃতিই এগিয়ে আসে। তবে এটাও ঠিক - ভিলেনের মৃত্যু হয় সিনেমার শেষ দৃশ্যে। তার আগে নায়কের বোন ধর্ষওত হয়, মা- বাবা খুন হয়, বাড়ীঘর বিসর্জন দিয়ে জনতাকে পথের ভিখারি সাঁজতে হয়...... ! এখনকার দৃশ্যপটে সেগুলিই চলমান। হয়তো আগামীকালের সূর্যটা নতুন ভোরের বার্তা নিয়ে আসবে। সেই প্রত্যাশায় মানুষ প্রহর গুনছে।

আর বিরোধী দলের আশা করে লাভ নেই। তারা ফ্যাসিবাদের সাথে গোপন আঁতাত করে নিজেদের সম্পদ রক্ষা নিয়ে দরকষাকষিতে ব্যস্ত। ভাবছে জনগন তাদের জীবন ও জান- মাল বিসর্জন দিয়ে ওদের মন্ত্রী এমপি রাজা- উজির করার জন্য মুখিয়ে আছে - আফসোস !!! এখন করুণাময়ের কৃপার আশাই শেষ ভরসা। নিশ্চয়ই তিনি সব জানেন এবং বুঝেন, সময় হলে তিনি মুখ তুলে ঠিকই তাকাবেন এই ভূখন্ডের মজলুম নিরুপায় মানুষের দিকে। মজলুমের আহাজারি ধ্বনি আল্লাহ সহ্য করেন না।

ভালো থাকুন, নিরাপদে থাকুন সুপ্রিয় বিদ্রোহী- ভাই আমার। সতত শুভেচ্ছা আর ভালোবাসা রইলো।

৮| ১১ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১১:০৫

নীল আকাশ বলেছেন: সেদিন যখন বললাম বান্ধবী কাহিনী, পাত্তা দিলেন না। উস্তাদরা আগেই সব কিছু টের পায়।
এখন বুঝলেন তো? অন্দর মহলের কাহিনী বলে দিয়েছি।
এখন হামদে হাসিনার সাথে দেখুন দরুদে হাসিনাও পড়তে পারেন!

১২ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১২:২৩

কিরমানী লিটন বলেছেন: আমেরিকায় বিড়ালদের নিয়ে আয়োজিত স্পেশাল অলিম্পিকে বাংলাদেশী এক বিড়াল সবাইকে অবাক করে দিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়ে গেলো। তো সমস্ত মিডিয়া অন্যান্য প্রতিযোগিরা হুমড়ি খেয়ে পড়লো নানা রকম প্রশ্ন নিয়ে। একজন বাংলাদেশী বিড়ালকে প্রশ্ন করে বসলো আপনার ফিটনেসের অবস্থা খারাপ- রোগে শোকে ম্রিয়মান, তদুপরি বাংলাদেশের মতো তৃতীয় বিশ্বের প্রতিনিধি হয়ে বিশ্বের সব বিড়ালদের হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন- কেমনে কি? বাংলাদেশী প্রতিযোগী তখন মুচকি হেসে জবাব দিলেন, " আসলে আমি বিড়াল না- আমি বাঘ ! "

তো বুঝেন ঠেলা। যাকে নিয়ে এতো বিতর্ক, চাঁদা ভাগাভাগি, ফেয়ার শেয়ার লেনদেন, দূর্নীতি,অভিযোগ, আন্দোলন তবু তিনি টিকে থাকার মজেজাটি উপরের গল্পকেই মনে করে দেয়। সুতরাং বাঘ যখন- দরুদতো তাই পড়তেই হবে......

ভালোবাসা জানবেন প্রিয় নীল আকাশ। শুভরাত্রি।

৯| ১২ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১২:২১

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: বিষয় নিয়ে নো কমেন্ট। কিন্তু যে উদ্দেশ্যে আলোচনা করেছেন ভালো লেগেছে।

১২ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১২:২৮

কিরমানী লিটন বলেছেন: উদ্দেশ্যটা উপলব্ধি এবং ভালো লাগার কথা জেনে খুশী হলাম সুপ্রিয় পদাতিক চৌধুরী ভাই। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

ভালোবাসা আর স্নিগ্ধ শুভকামনায় শুভরাত্রি।

১০| ১২ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:৫৭

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
একই আজানের রেকর্ড আর কত বাজাবেন?

কোন টাকা ছাড় হয়নি, এরপরও বলা হচ্ছে ঠিকাদার হয়তো এডভান্স ঘুষ দিছে। এসব তো হাওয়া কথা।
প্রমাণ কোথায়?
গ্লোবাল সার্বজনীন নিয়ম হচ্ছে অভিযোগকারিকেই প্রমান দিতে হয়। সে বাদি হোক, পুলিশ হোক মানুষ হোক কিছু আলামত লাগবেই।
যেখানে কাজ শুরু হয় নি টাকাই খরচ শুরু হয়নি চ্যাচামেচি করে লাভটা কি?

১২ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:২২

কিরমানী লিটন বলেছেন: অনেক প্রকল্প এখন হয়- যেটা কাজ শুরু অর্থ ছাড়ের আগেই ভাগাভাগি লুটপাট শেষ হয় এক সময় দেখা যায় কোন কাজই হয় নি কিন্তু বরাদ্দের টাকা শেষ। আর কয়েকদিন আগেই এই পিএম বান্ধব ভিসির ঈদ সেলামী নামে এক কোটি ষাট লাখ টাকা বন্টনের খবর সব মিডিয়ায় প্রকাশ পেয়েছে- চাঁদা পাওয়া তার পালিত সহযোগিরা সাক্ষাতকার দিয়ে স্বিকার করেছেন কবে কোথায় কিভাবে ফারজান দিদি তাদের কাছে চান্দার টাকা পৌছে দিয়েছিলেন। এর পরও আর কি প্রমান লাগে? এখনকার মিথ্যাবাদি শাসক, মিথ্যা প্রপাগান্ডা বন্দুকের নল আর পালিত অন্ধ চাপাবাজদের বিভ্রান্ত প্রচারের জোরে সব অপকর্মকে হালাল বলে প্রচার করে। কিন্তু জোর করে আপনি আমাকে পানির কাছে নিয়ে যেতে পারবেন। পানিতে চুবাতেও পারবেন - রাজশাহী পলিট্যাকনিকেলের অধ্যক্ষের মতো- কিন্তু পানিটা গিলাতে পারবেন না। সত্য এক সময় উদ্ভাসিত আলো ছড়াবেই।

অনেক ধন্যবাদ প্রিয় হাসান কালবৈশাখী ভাই। শুভকামনা রইলো।

১১| ১২ ই নভেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:০০

মা.হাসান বলেছেন: গ্লোবাল সার্বজনীন নিয়ম হচ্ছে অভিযোগকারিকেই প্রমান দিতে হয়।
শোভন-রাব্বানির নামে করা অভিযোগ কি ফারজানা ম্যাডাম প্রমান করেছিলেন?

যাক গে, লিটন ভাই, সবকিছু সহজ ভাবে দ্যাখেন , সহজ সমাধান করার চেষ্টা করেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ে টাকা বন্ধ করার কোন দরকার নাই। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিবিরদের ভর্তি হওয়া বন্ধ করতে হবে। সরকারি চাকরির আগে যে রকম পুলিশ ভেরিফিকেশন হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আগে সে রকম পুলিশ ভেরিফিকেশন এবং লীগ ভেরিফিকেশন করতে হবে। যে কোন ভর্তিচ্ছু ছাত্রকে তার নিজ থানার আওয়ামীলীগ, যুব লীগ বা ছাত্রলীগের কাছ থেকে সার্টিফিকেট নিতে হবে যে সে বা তার পরিবারের কেউ শিবির বা জামাত বা এরকম কোন দল করে না।

সোনার ছেলেদের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ দিলে এবং বাজে ছেলেপুলেদের ভর্তির ব্যবস্থা বন্ধ করতে পারলে সোনার গ্রাজুয়েট বের হবে এবং স্যাটেলাইটের গতিতে দেশ এগিয়ে যাবে।

১৩ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ২:১৭

কিরমানী লিটন বলেছেন: দেশটা আমার বাবার
যেমন খুশি ভাববো আমি
তুই ব্যাটা কে- কবার.....?

একেই বলে মগের নয় জোঁকের, ভোগের মুল্লুক!! আফসোস....

অনেক কৃতজ্ঞতা সুপ্রিয় মা. হাসান ভাই। সত্যকে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়ার জন্য। পাশে চাই - এভাবেই.....
একরাশ প্রীতি আর শুভেচ্ছায় অনেক শুভকামনা রইলো। শুভরাত্রি।

১২| ১৫ ই নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ২:২৮

রাজীব নুর বলেছেন: আসলে যোগ্য পদে অযোগ্য লোকজন বসে আছে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.