| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আপনি কি জানেন যে যখনই কোন ওয়বেসাইটে যাচ্ছেন তখনই সেখানে রেখে আসছেন আপনার পরিচয়।
গবেষকরা বলছেন, ইন্টারনেট ব্রাউজিং-এর গোপন অভ্যাসও খুব সহজে বের করে ফেলা যায়।
কিন্তু এসবের গোপনীয়তা রক্ষাও খুব জরুরি।
জার্মানির দু'জন গবেষক বলেছেন, একজন বিচারকের ইন্টারনেটে পর্নোগ্রাফি দেখার অভ্যাস, একটি সাইবার অপরাধের তদন্ত এবং একজন রাজনীতিবিদ কি ধরনের মাদক গ্রহণ করে থাকেন সেসব তথ্য তারা বের করে ফেলেছেন।
আর এসব তারা করেছেন, মানুষের ইন্টারনেট ব্যবহারের অভ্যাসের ওপর গবেষণা করার মাধ্যমে।
প্রায় ৩০ লাখ মানুষের ব্রাউজিং অভ্যাসের ব্যাপারে প্রচুর তথ্য সংগ্রহ করেছে যেসব প্রতিষ্ঠান তাদের কাছ থেকে তারা এসব তথ্য নিয়েছেন।
কেউ যখন অনলাইনে যায় তখন সেখানে সে যে ধরনের চিহ্ন বা রেকর্ড রেখে যায় সেসব তথ্যকে বলা হয় ক্লিকস্ট্রিমস। বিভিন্ন বিষয়ে আকর্ষণীয় ও কার্যকরী বিজ্ঞাপন তৈরির জন্যে ইন্টারনেট ব্রাউজিং-এর এসব ইতিহাস ব্যবহার করা হয়।
গবেষকরা বলছেন, এসব তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষা করা জরুরী। কারণ এসব বিশ্লেষণ করে খুব সহজেই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে চিহ্নিত করা সম্ভব।
টুইটারে বা ফেসবুকে যখন কেউ কিছু শেয়ার করে, ভিডিও দেখে ইউটিউবে, সোশাল মিডিয়াতে কোন খবরের লিঙ্ক ছড়িয়ে দেয়, ছবি আপলোড করে অথবা কোথাও বেড়াতে যায় - তার সবকিছুই ব্রাউজিং ইতিহাস থেকে জানা সম্ভব
টুইটারে বা ফেসবুকে যখন কেউ কিছু শেয়ার করে, ভিডিও দেখে ইউটিউবে, সোশাল মিডিয়াতে কোন খবরের লিঙ্ক ছড়িয়ে দেয়, ছবি আপলোড করে অথবা কোথাও বেড়াতে যায় - তার সবকিছুই ব্রাউজিং ইতিহাস থেকে জানা সম্ভব
স্ভিয়া একার্ট এবং আন্ড্রেয়াস ডেভেসের করা এই গবেষণার ফলাফল যুক্তরাষ্ট্রের লাস ভেগাসে অনুষ্ঠিত হ্যাকিং সংক্রান্ত এক সম্মেলনে তুলে ধরা হয়েছে।
তারা দেখেছেন, যেসব তথ্য তারা পেয়েছেন তার ৯৫ শতাংশই এসেছে দশটি জনপ্রিয় ব্রাউজার এক্সটেনশন থেকে।
গবেষক মিস একার্ট বলেছেন, এসব কোম্পানি যা করছে ইউরোপে সেটা অবৈধ। তিনি জানান, এই গবেষণার পর ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের ব্রাউজিং অভ্যাসের তথ্য সংগ্রহ কিভাবে বন্ধ করা যায় সেটা নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে।
গবেষক মি. ডেভেস বলেছেন, এসব তথ্য থেকে খুব সহজেই বলে দেওয়া সম্ভব যে কোন ব্যক্তি কখন ইন্টারনেটের ঠিক কোথায় গিয়েছিলো, কি খুঁজেছিলো সেখানে এবং অনলাইন থেকে তিনি কি ক্রয় করেছেন।
টুইটারে বা ফেসবুকে যখন কেউ কিছু শেয়ার করে, ভিডিও দেখে ইউটিউবে, সোশাল মিডিয়াতে কোন খবরের লিঙ্ক ছড়িয়ে দেয়, ছবি আপলোড করে অথবা কোথাও বেড়াতে যায় - তার সবকিছুই ব্রাউজিং ইতিহাস থেকে জানা সম্ভব।
আর সেকারণেই গবেষকরা এসব তথ্যের সুরক্ষা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
এসব নিয়ে শুনুন আয়ারল্যান্ডে ইউনিভার্সিটি কলেজ ডাবলিনে সোশাল মিডিয়া গবেষক ও ড্যাটা এনালিস্ট ড. নাসিম মাহমুদের সাক্ষাৎকার। শুনতে চাইলে উপরের অডিও লিঙ্কটিতে ক্লিক করুন।
এঁটুলির লালা দিয়ে হৃদরোগের চিকিৎসা
বিজ্ঞানীরা বলছেন, এঁটুলি নামে পরিচিত এক ধরনের কীটের থুতু বা মুখের লালা দিয়ে মারাত্মক ধরনের হৃদরোগের চিকিৎসা করা সম্ভব। এই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মানুষের আকস্মিক মৃত্যুও হতে পারে।
এঁটুলির মুখের লালাতে এমন কিছু প্রোটিন পাওয়া গেছে যা হৃদযন্ত্রের প্রদাহ বন্ধ করতে পারে।
এই প্রদাহ মায়োকার্ডিটিসের কারণ হতে পারে যা শেষ পর্যন্ত পারে হৃদযন্ত্রকে অকার্যকর বা অচল করে দিতে।
অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা এই কীটটিকে নতুন নতুন ওষুধের গোল্ডমাইন বা স্বর্ণখনি বলে উল্লেখ করেছেন। কারণ স্ট্রোক ও আর্থাইটিজসহ আরো কিছু রোগের চিকিৎসায় এটিকে ব্যবহার করা যেতে পারে।
এঁটুলির মুখের লালাতে এমন কিছু প্রোটিন পাওয়া গেছে যা হৃদযন্ত্রের প্রদাহ বন্ধ করতে পারে।
এঁটুলির মুখের লালাতে এমন কিছু প্রোটিন পাওয়া গেছে যা হৃদযন্ত্রের প্রদাহ বন্ধ করতে পারে
তবে এসব পরীক্ষার সবকটিই এখনও পর্যন্ত শুধু ল্যাবরেটরিতেই চালানো হয়েছে। তাই মানুষের পক্ষে এই ওষুধ কখন ব্যবহার করা সম্ভব সেটা এখনই বলা যাবে না।
এঁটুলি কাউকে কামড়াতে খুবই দক্ষ। কামড় দিলেও সেটা বোঝা যায় না। বিজ্ঞানীরা বলছেন, এর অর্থ হলো যেকোনো প্রাণী এবং মানুষের শরীরে এটি কোনো ধরনের সমস্যা না করেই আট থেকে দশদিন পর্যন্ত থাকতে পারে।
অর্থাৎ এসময় প্রাণীর শরীরে কোন ধরনের ব্যথা বা প্রদাহের সৃষ্টি হবে না।
এর কারণ হলো, এঁটুলির মুখের লালায় যে প্রোটিন আছে সেটি, যার শরীরে সে আশ্রয় নিয়েছে, সেখানে চেমোকিনের রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে ওই প্রদাহকে বন্ধ করে দেয়।
মায়োকার্ডিটিসে যারা আক্রান্ত হয়, তাদের হৃদযন্ত্র থেকে চেমোকিন নির্গত হয় এবং সেটা হার্টের পেশীতে প্রদাহের সৃষ্টি করে।
গবেষকরা বলছেন, এই কীটের মুখের থুতু ব্যবহার করে এখন মানুষের জীবন বাঁচানো সম্ভব।
©somewhere in net ltd.