নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

অন্তরালে ...

অনেকের মাঝেও একা থাকা যায়, নি:সঙ্গতায় কারো অনুভব ছুঁয়ে যায় ...

আইরিন সুলতানা

***বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতার যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই; রাজাকারদের না বলুন*** ----------------------------- ::: সুস্থ ব্লগিং নীতিমালার সঠিক বাস্তবায়ন চাই ::: -----------------------------

আইরিন সুলতানা › বিস্তারিত পোস্টঃ

ঘুরে ফিরে, বারে বারে ঈদ আসে ঈদ চলে যায়; ঈদ হাসতে শেখায়, ভালবাসতে শেখায়, ত্যাগের মহিমা শেখায়

২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:৫৭

।। ১ ।।



সেই ছোট বেলার ঈদগুলো অন্যরকম ছিল; বড় হওয়ার পর একটা দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে সবাই একথা বলে । নতুন জামার মজা তখন অন্যরকমই ছিল। শপিং সেন্টারগুলোর সব দোকান চষে ফেলতাম আব্বা-আম্মার হাত ধরে। গরমে ঘেমে-নেয়ে গেলে একটা দোকানে ঢুকে পরে ঠান্ডা বরফ কুচি মেশানো লাস্সি । তারপর যা হবার তাই হতো, প্রতি ঈদে ঝাঁপিয়ে জ্বর।



একটু একটু করে বড় হওয়া আর মজাগুলোর রং-চেহারা পাল্টে যায় । দ্বায়িত্ব আসে; খুব বেশী বাউন্ডেলেপনা করলে ব্যাপারটা ভাল দেখায়না; আম্মা একা হাতে পারে না সামাল দিতে, কাজের ভাগাভাগি হয়; ঈদের দিনগুলো তখন বাড়ির ছেলেদের জন্যই উতসব হয়ে উঠে।



ঈদের জামা-শাড়ী এখনও খুব ঘুরে ঘুরে কিনি; এখন বিপনীবিতান গুলোতে কত পরিবর্তন; তবে ঠিক ঈদ বলেই যে একটা নতুন জামা, সেই অনুভুতিটুকু আর নেই। পরিস্থিতিও পাল্টেছে; আম্মার জন্য শাড়ী কিনতে কিনবা ভাইয়ের জন্য খুঁজে খুঁজে পাঞ্জাবী কিনাতেও একটা মজা খুঁজে পাই।



সেই ছোট বেলায় বন্ধু-বান্ধবীদের সাথে যোগাযোগ হত ল্যান্ড ফোনে । তাও একটু সময় মেপে; আর এখন হাতে এসেছে নিজস্ব মুঠোফোন; ল্যান্ডফোনটা আর আজকাল ধুলো মোছা ছাড়া ছুঁয়ে দেখা হয়না। বন্ধু-বান্ধবের সংখ্যা বেড়েছে, পরিধি দেশ ছাড়িয়ে বিদেশ পর্যন্ত গড়িয়েছে । যোগাযোগ কি দ্রুত, কত যান্ত্রিক ! এক হাতে মোবাইলের একটার পর একটা এস.এম.এস এর উত্তর দেয়া ; ওদিকে আবার ব্লগ, ফেসবুক, ম্যাসেঞ্জার- ঈদের শুভেচ্ছা বার্তা পৌছে যায় দূর-দূরান্তে, নিমিষেই। এস.এম.এস কি অনুভূতিগুলো ঠিক মত পৌছে দেয় ওপাশে ? ওপাশের বার্তা গ্রাহক কি বুঝতে পারে প্রেরক খুশিতে ঢগমগ, নাকি রেগে আছে, নাকি অভিমানে ডুবে আছে? টেকনিক্যাল ডিভাইসগুলো ইমোশনকে কতটা নিখুঁত করে তুলে ধরতে পারে আসলে ? নাকি এটা নির্ভর করে আমাদেরই হাতে ?



।। ২ ।।



ছোট বেলা থেকে কোরবানীর ঈদটা ভালো লাগতোনা; আগের রাতে গরুর নিরীহ চেহারা, বিশাল শান্ত চোখ দেখে পরদিন ওটার পরিণতি পীড়াদায়ক ছিল বরাবরই কোমল মনে। তারপর আবার ঈদের দিন সকালে পশু কোরবানীর দৃশ্য, কষাইদের বিশাল বিশাল ধারাল দা-ছুরি নিয়ে ঘোরাফেরা আতংকিত করত।



ঈদ একটা ধর্মীয় এবং সামাজিক রেওয়াজ। কোরবানী ঈদের একটা বিশেষত্বও আছে। আমরা কতটা সেটা মেনে এবং জেনে পশু কোরবানী দেই তা জানি না। এবার শুনেছি দুটো কারনে কোরবানীর হাট তেমন জমেনি- ১. সিডর এবং ২. দুদক । ব্যাখ্যা নিস্প্রয়োজন ।



অবশ্য ঈদ এখন অনেকটাই নিজের স্ট্যাটাস তুলে ধরার একটা মোক্ষম সুযোগ; তাই আগে যেটা দেখা যেত পত্রিকার পাতায়- লাখ টাকার শাড়ী, হাটে বিশাল সৌদি উট, ঢাক-ঢোল পিটিয়ে যাকাত আর ভিড়ে চাপা পরা হতাহতের খবর। এবার দেখলাম না কেন ? আমাদের মাথাপিছু আয় বেড়ে গেছে ? নাকি আমাদের আত্ম-সচেতনতা, মূল্যবোধ নামক সুকুমার বৃত্তিগুলো জাগ্রত হয়েছে ?



।। ৩ ।।



কোরবানী ঈদের সময় এতো বেশী গরুর মাংস খাওয়া হয়ে যায় যে, দু'দিন পর মাংস বিশেষ করে গরুর মাংস দেখলেই পিলে চমকে ওঠে। মাস খানেকের জন্য গরুর মাংস থেকে একশ হাত দূরে থাকার কঠিন প্রতিজ্ঞা করে ফেলা হয়। তবে কোরবানীর মাংস অনেকটা একসাথে রেঁধে ফেলে প্রতিদিন সেটাকে চুলায় জ্বাল দিতে দিতে ঝুরি ঝুরি করে ফেলা, পারলে একটু বেশী করে পেঁয়াজ কুঁচি যোগ করা; উফ ! ওটা রুটি দিয়ে খাওয়ার যে স্বাদ- অমৃত !!!



।। ৪ ।।



বুধবার সন্ধ্যায় বাসের লাইনে দাঁড়িয়ে আছি; এমন সময় পেছন থেকে ধাক্কা মেরে কে যেন হুড়মুড় করে পার হতে লাগল । মেজাম গরম করে, ভ্রু কুঁচকে পেছনে তাকালাম একটা রাম ঝাড়ি দেয়ার জন্য । ওম্মাহ ! দেখি ওটা কোরবানীর গরু; লাইনের মাঝ দিয়েই ব্যাটা গরু নবাবের মত চলা শুরু করেছিল । গরুর বিশাল, ফোলা ফোলা ভুঁড়ির সাথেই ধাক্কা খেয়েছিলাম; আমি মনে মনে হাসি , তাইতো এতো নরম, আরামদায়ক ধাক্কা মনে হয়েছিল।





।। ৫ ।।



যাদের জন্য আজকের দিনটি সুখের তাদেরকে ঈদ মুবারক ,

যাদের জন্য কষ্টের তাদেরকেও ঈদ মুবারক;

যারা খুব ধুম-ধাম করে ঈদ পালন করছেন তাদের ঈদ মুবারক,

যারা অনেক কষ্টেসৃষ্টেও ঈদ পালন করতে বেসামাল তাদেরও ঈদ মুবারক;

যারা খুব ঘুরলেন, বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিলেন তাদের ঈদ মোবারক,

আর যারা সারাদিন ঘরেই কাটালেন তাদেরও ঈদ মোবারক;

যারা এস.এম.এস/ফোন করলেন তাদের ঈদ মোবারক,

যারা করলেন না তাদেরও ঈদ মোবারক;

যারা সারাদিন অনলাইন ছিলেন তাদের ঈদ মোবারক,

যারা অফলাইন ছিলেন তাদেরও ঈদ মোবারক;

যাদের উপর খুশি তাদের ঈদ মোবারক ,

আর যাদের উপর রাগ/অভিমান তাদেরও ঈদ মোবারক।

মন্তব্য ৫১ টি রেটিং +১১/-০

মন্তব্য (৫১) মন্তব্য লিখুন

১| ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:০৪

মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: ঈদের ডেফিনেশন টা হওয়া উচিত ........ অল্প বয়সে যে উতসব স্বতঃস্ফূর্তভাবে মাতিয়ে তোলে , বয়স বাড়তে থাকলে যে উতসবে মেতে উঠার সব চেষ্টাই বৃথা প্রতিপন্ন হয় ।

অনেক গুছিয়ে লিখেছেন , অনেক ভালো লাগলো

২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:১৮

আইরিন সুলতানা বলেছেন:
ডেফিনেশন পছন্দ হয়েছে ।

২| ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:০৪

অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: বটম লাইন : ঈদ মোবারক

২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:১৬

আইরিন সুলতানা বলেছেন: তাইতো তাইতো ! পোস্টটা একলাইনে লিখলেই হতো ! B-) ঈদ মুবারক

৩| ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:১২

`হাসান বলেছেন: বুধবার সন্ধ্যায় বাসের লাইনে দাঁড়িয়ে আছি; এমন সময় পেছন থেকে ধাক্কা মেরে কে যেন হুড়মুড় করে পার হতে লাগল । মেজাম গরম করে, ভ্রু কুঁচকে পেছনে তাকালাম একটা রাম ঝাড়ি দেয়ার জন্য । ওম্মাহ ! দেখি ওটা কোরবানীর গরু; লাইনের মাঝ দিয়েই ব্যাটা গরু নবাবের মত চলা শুরু করেছিল । গরুর বিশাল, ফোলা ফোলা ভুঁড়ির সাথেই ধাক্কা খেয়েছিলাম; আমি মনে মনে হাসি , তাইতো এতো নরম, আরামদায়ক ধাক্কা মনে হয়েছিল।


হো হো হো হা হা হা হি হি হি
হো হো হো হা হা হা হি হি হি
হো হো হো হা হা হা হি হি হি

তিবরো পরতিবাদ গরুর এর গরুময় আচরনের

২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:২০

আইরিন সুলতানা বলেছেন:
"হো হো হো হা হা হা হি হি হি
হো হো হো হা হা হা হি হি হি
হো হো হো হা হা হা হি হি হি"

গন্ডুউউ, তুমি বলে কোবতে বুঝনা !! এইটা হাসির কোবতে মনে হইতেছে; ছন্দেও মিল আছে দেখি; বাহ্ বাহ্

৪| ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:২৭

ক্যামেরাম্যান বলেছেন: আমাদের সবার মনের অনুভূতিগুলোকে এভাবে লেখায় ফুটিয়ে তোলার জন্য ধন্যবাদ। ঈদ মোবারক।

২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:৩০

আইরিন সুলতানা বলেছেন:
আরি ! সবার অনুভূতিগুলো ফুটে উঠল নাকি ? আমি তো আমার কথাই বলছিলাম :)

৫| ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:২৫

বিকেলবেলার সপ্ন বলেছেন: তিবরো প্রতিবাদ গরুর আচরনে।

আপনাকে ঈদের শুভেচ্ছা

২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:৩২

আইরিন সুলতানা বলেছেন:
:) ঈদের শুভেচ্ছা

৬| ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:৩৫

প্রচেত্য বলেছেন:
গত পরশু অফিস হতে বাসায় ফেরার পথে দু-দফা গরুর গুতা + ঘষা খেয়েছি, আবার মনে করিয়ে দিলেন যাই হোক বছরে এই একবারই গরুর গুতা ! তবে একসন এখনো আছে!
দোআ রাইখেন
সাজানো লেখা এক উপুসেই পড়ে ফেললাম, অনেকখানি মিল আছে
ঈদের শুভেচ্ছা

২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:১১

আইরিন সুলতানা বলেছেন:
একই গরু ছিল নাতো ! নাইলো মিলল কেমনে ? আমার অবশ্য এ্যাকশন নাই , কমফরট্যাবল রিয়্যাকশন আছে B-)

৭| ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:০৮

মানুষ বলেছেন: আবারও ঈদ মোবারক

৮| ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:০৩

রাগ ইমন বলেছেন: হইলো না ইরিন ।
ঐটা একটা সার ছিলো না তো?

২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:১১

আইরিন সুলতানা বলেছেন: নাহ্ ! ষাড় হলো মাসল ম্যন টাইপ থুক্কু মাসল কাউ টাইপ; ওইটা ষাড় ছিল না ;)

৯| ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:০৭

মৃন্ময় আহমেদ বলেছেন: ঈদ মুবারাক।

এখন পর্যন্ত ঘরেই আছি (শুধু সকালে নামায পড়া ব্যতীত বাইরে যাওয়া হয়নি)। ঘুমোতে দেয়না যন্ত্রণাদায়ক মোবাইল ফোন, আবার এটা ছাড়াও চলে না। রাতে অন্তত একবার বের না হলে বোধহয় আমাকে বাসা হতে ধরে নিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই আমি ঈদের শুভেচ্ছা গ্রহণের কোন কাতারে আছি বুঝা দায়!

সারাদিন শুধু একটা গানই শুনতে ইচ্ছে করছে আর শুনছিও..
দিল কি আরমান আসুয়ো মে বেহ্ গেয়ে,
হাম বাফা কারকে ভি তানহা রেহ্‌ গেয়ে...

২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:২৭

আইরিন সুলতানা বলেছেন:
আপনি কয়েকটা মিলায়-ঝুলায় আছেন । নির্দ্বিধায় শুভেচ্ছা গ্রহণ করুন।

দারুন একটা গান মনে করিয়ে দিলেন; সালমা আগা - গায়িকা, নায়িকা । :)

১০| ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:০৫

রাগ ইমন বলেছেন: গরুর বিশাল, ফোলা ফোলা ভুঁড়ির সাথেই ধাক্কা খেয়েছিলাম; আমি মনে মনে হাসি , তাইতো এতো নরম, আরামদায়ক ধাক্কা মনে হয়েছিল।

বান্দরীয় কমেন্ট ,
কোন কোন ধাক্কার তুলনায়?

১১| ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:১৪

আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন: ইদ ত্যাগের মহীমা শেখায় না ভোজনের মহীমা শেখায়। আমি শিখতেছি।

১২| ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:২০

প্রশ্নোত্তর বলেছেন: .


জীবনভর ত্যাগের মহিমা শিখে কি কি ত্যাগ করেছেন? গত বছরেরটা দিয়ে শুরু করেন।

২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৩৪

আইরিন সুলতানা বলেছেন:

প্রতিবছর জীবন খাতার প্রতি পাতা থেকে অন্তঃসারশূণ্য একেকটা বছর ত্যাগ করা ছাড়া কিছুই করি নাই; ওহ, আরেকটু আছে প্রতিদিন একটা একটা আবেগ-অনুভূতি ত্যাগ করছি; ব্যাস ....

১৩| ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৩৬

সারওয়ারচৌধুরী বলেছেন:

আর যারা পোড়া কপাইল্যা পরবাসে পইড়া আছে তাদেরকে ঈদ মোবারক দিলেন না!! আচছা আমি দিলাম আপনাকে ঈদের শুভেচ্ছা

২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৪৬

আইরিন সুলতানা বলেছেন:

যারা দেশে আছেন, তাদের কে ঈদ মুবারক
যারা প্রবাসে আছেন তাদেরও ঈদ মুবারক;

:)

১৪| ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৪০

প্রশ্নোত্তর বলেছেন:

ও আচ্ছা, তাহলে "ত্যাগের মহীমা শেখায়" না বলে বলুন "ত্যাগের মহীমা শেখানোর চেষ্টা করে যাচ্ছে, পারছে না"

২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৪৮

আইরিন সুলতানা বলেছেন:
ঈদ ত্যাগের মহীমা শেখায়; শিখতে না পারাটা আপনার -আমার দোষ।

১৫| ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৪৮

সারওয়ারচৌধুরী বলেছেন: ত্যাগের মহিমা (মহীমা হবে না) শেখাচ্ছে। কিছু লোক শিখছে। কিছু লোক শিখছে না। পরম্পরা চলছে যুগের পর যুগ, শতাব্দীর পর শতাব্দী।@ প্রশ্নোত্তর

২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ১১:০৪

আইরিন সুলতানা বলেছেন:
টাইটেল এর 'মহিমা' ঠিক করেছি

১৬| ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৫২

মৈথুনানন্দ বলেছেন: ভালো থেকো...ভালো লেখো...আর গউর সাথে কাবাডি খেলো না...:P

১৭| ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৫৫

প্রশ্নোত্তর বলেছেন:

তাদের অন্তর আল্লাহ তা'লা সীলগালা করে দিয়েছেন...তাদের দোষ কি? @ সারোয়ার ভাই + আইরিন আপা!

২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:২৪

আইরিন সুলতানা বলেছেন:
আপনি যা বোঝাতে চাচ্ছেন আমি তার অন্তর্নিহিত তাৎপর্যটুকু ছুঁতে চাচ্ছি ; কিন্তু মনে হচ্ছে আপনার আর আমার জ্ঞান ভান্ডারে ব্যাপক ফাড়াক; তাই আপনার এই প্রসংগের অবতারনতার হেতুটুকু আমার ধর্তব্যের বাইরেই রয়ে যাচ্ছে !!!

১৮| ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৫৯

জেনারেল বলেছেন: হাসান @ তুমার ভুল হইছে
ঐটা আসলে মাসল ষাড় মিরপুরের বটি বিল্ডার ছিল (খোষাড়)

২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:২৮

আইরিন সুলতানা বলেছেন:
জেনারেল দেখি আজকাল আমার ব্লগে আসা-যাওয়া কর; ভালই তো; তা এইটা কি প্রথম কমেন্ট আমার ব্লগে ? নাকি আগে আরো আছে ?

মনে করতে পারছিনা আসলে!! আমার স্মৃতি আবার বারবার ধোঁকা দেয়; হরলিকস খেয়েও সবসময় লাভ হয়না; বয়স হচ্ছে, বুঝছ ?

১৯| ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:০৭

সারওয়ারচৌধুরী বলেছেন: প্রশ্নোত্তর, যাদের অন্তর সীলগালা করার কথা আল্লাহ বলেছেন। তাদেরকে বারবার আগে সতর্ক করা হয়। তাদেরকে অপশন দেয়া হয়েছে। ইচ্ছার স্বাধীনতা দেয়া হয়েছে। তারা ইচ্চাকৃতভাবে আল্লাহর বিরুদ্ধে যাওয়ার কারণেই সিলগালার কথা বলেছেন।


আপনাকে চোখ দেয়া হয়েছে দেখে দেখে রাস্তা চলার জন্য। আপনি যদি চোখ বন্ধ করে রাস্তায় চলেন আর দুর্ঘটনার শিকার হন। এর জন্য আপনি দায়ী।

আর কোরআনিক ভার্স অনেকগুলো প্রতীকী অর্থে। শাব্দিক অর্থ তুলে বুঝার চেষ্টা করলে খটকা লাগবেই।

আল্লাহ চান মানবজাতি তাকে যেনো ভুলে না যায়।
সব সময় তাঁর মুখাপেক্ষী থাকে।

আল্লাহ অশেষ দয়াময়।

২০| ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:১৭

প্রশ্নোত্তর বলেছেন:
@সারওয়ারচৌধুরী

আল্লাহ অশেষ দয়াময়, এখানে 'অশেষ' শব্দটায় তো তাহলে আপত্তি করতে হয়! বার বার সতর্ক না করে তাদেরকে সঠিক পথে আল্লাহ কেন রাখলেন না? ওকে তারা একেবারেই 'গেছে' তো আল্লাহর দয়া যদি অশেষই হবে তো দয়া করে এখন কেন তাদের অন্তরের সীলগালা ভাঙ্গছেন না? নাকি তাদের অপরাধ এতই বেশী যে আর দয়ামায়া দেখানো আল্লাহর পক্ষে সম্ভব নয়?


যখন দরকার তখন বলা হবে পরিষ্কার করে আল্লাহ বলেছেন 'তাদের অন্তর সীলগালা' আর যখন অসুবিধা তখন শুনতে হবে 'ব্দিক অর্থ তুলে বুঝার চেষ্টা করলে খটকা লাগবেই।' ভালো। তো বিলিয়ন সাইজের মুসলিম উম্মাহ একটা সর্বজন গ্রহনযোগ্য শব্দগত/ভাবগত অর্থ করছে না কেন? আসলে সম্ভব নয় (অনেক কারনেই, একটু ভাবলেই বুঝবেন...)


"আল্লাহ চান মানবজাতি তাকে যেনো ভুলে না যায়।
সব সময় তাঁর মুখাপেক্ষী থাকে।"


ভালো বলেছেন! আচ্ছা, তাতে আল্লাহর কী লাভ? নিতান্ত মানবিক অনুভূতি টেনে আনলেন! আল্লাহ কি মানুষের মতই এসব অনুভব করেন? আল্লাহ যদি চান তো মানুষ তো কোনদিনই তাঁকে ভুলতে পারবে না। আর আল্লাহ যেহেতু মানুষ বানিয়েছেন, তো মানুষ তো তাঁর মুখাপেক্ষী হয়েই আছে!

২১| ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:২৩

জেনারেল বলেছেন: কারন আল্লাহও চায় মানজাতি সব সময় আল্লাহকে তেল মারা হওক। আর সেকারনেই মুসলমানদের তেল মারা স্বভাব আদিকাল থেকে @ প্রশ্নোত্তর

২২| ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:৪৪

সারওয়ারচৌধুরী বলেছেন: প্রশ্নোত্তর, হা হা হা হাসালেন!!

আল্লাহ কবিও বানান, সাধারণ মানুষও বানান, বিজ্ঞানীও বানান, অর্থনীতিবিদও বানান, সংখ্যাপন্ডিতও বানান ইত্যাদি ইত্যাদি.....


'খেরিছো এ বিশ্ব লয়ে বিরাট শিশু আনমনে.......'

ব্যাপারটা হলো, একটা সিস্টেমের অধীনে বিশ্ব ব্যবস্থা বা মহাবৈশ্বিক ব্যবস্থা চালাতে হলে স্বাভাবিকভাবেই নিয়মের অধীনতা মেনে নিতে হবে। নইলে বিশৃংখলা এসে যায়। বিজ্ঞানও আমাদের জানালো, মহাজগতে নিয়ম-সূত্রের বন্ধন বিদ্যমান। মানুষ এ্যাক্সপ্লোর করে করে একেকটা বের করছে।

মানুষের ক্ষমতা সম্পর্কে আল্লাহ খুব ভালো জানেন। তাই মানুষকে লাগামহীন ছেড়ে দেন নি। লাগামহীনতার মধ্যে কোন ব্যবস্থাই কার্যকর না। তাই আল্লাহ কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা রেখেছেন।এটা সিস্টেমের কারণেই।


আল্লাহ'র নিরান্নব্বইটা গুণবাচক বা সত্তাগত নাম আছে।

আর মুসলিম উম্মাহর কথা বলছেন? মুসলিম উম্মাহর অধিকাংশই মুসলিম না।

আমি হয়তো আপনাকে আগেও কোথাও বলেছিলাম, আমাদের দেশের বা উপমহাদেশের কাট মোল্লাদের কাছ থেকে আমি যতটুকু ইসলাম জেনেছি তাতে কূপমন্ডুকতা রয়েছে। অথচ পশ্চিমের কম্পারেটিভ রিলিজিওন স্টাডি যারা করেছেন, নন মুসলিম তারা অনেক সেন্সিটিভ বিষয় খুব সুন্দর ভাবে বুঝিয়েছেন। আমি 'তক্বদির' বিষয়ে একজন ওয়েস্টার্ণ স্কলারের বর্ননা দেখে মুগ্ঘ হয়েছিলাম।

২৩| ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:৪৭

প্রশ্নোত্তর বলেছেন:

তার মানে খালি জ্বীন দিয়ে তেল মারিয়ে আল্লাহর হচ্চিল না! একটা ম্যুভি দেখেছিলাম, মানুষ অমর হয়ে গেছে...হায়রে যন্ত্রনা আর বিশৃংখলা! করবে কী? কাজ নেই, মরন নেই। কয়েক বছর গম গম করে কাটানোর পর বুঝলো মরনের কী দরকার!

আল্লাহর অবস্থা দেখি তার চেয়েও খারাপ!

২৪| ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:০১

সারওয়ারচৌধুরী বলেছেন: প্রশ্নোত্তর মনে হয় আমার লাস্ট কমেন্ট দেখেন নি।



খেরিছো=খেলিছো

মুগ্ঘ=মুগ্ধ

২৫| ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:১২

প্রশ্নোত্তর বলেছেন: .


"ব্যাপারটা হলো, একটা সিস্টেমের অধীনে বিশ্ব ব্যবস্থা বা মহাবৈশ্বিক ব্যবস্থা চালাতে হলে স্বাভাবিকভাবেই নিয়মের অধীনতা মেনে নিতে হবে। নইলে বিশৃংখলা এসে যায়। বিজ্ঞানও আমাদের জানালো, মহাজগতে নিয়ম-সূত্রের বন্ধন বিদ্যমান। মানুষ এ্যাক্সপ্লোর করে করে একেকটা বের করছে।

মানুষের ক্ষমতা সম্পর্কে আল্লাহ খুব ভালো জানেন। তাই মানুষকে লাগামহীন ছেড়ে দেন নি। লাগামহীনতার মধ্যে কোন ব্যবস্থাই কার্যকর না। তাই আল্লাহ কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা রেখেছেন।এটা সিস্টেমের কারণেই।"

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~

পরপূর্ণ মানবীয় চিন্তা ভাবনা। মানুষকে যদি এইরকম ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রন করতে বলা হতো, আমি নিশ্চিত মানুষ এভাবেই চিন্তা করতো। মাগার, মানুষ তো আর নিজেকে নিজে বানায়নি! যে বানালো তার বুদ্ধিশুদ্ধিও কি তাহলে এই পর্যায়ের।


আর আল্লাহকে শিশুর খেলার সাথে যারা তুলনা করে তারা একবারও ভেবে দেখে না কত বড় কন্ট্রাডিকশন করছে...(ভাবুন)


তবে এটা ঠিক, ওয়েষ্টে তুলনামূলকভাবে 'ভালো মুসলিম' পাওয়া সম্ভব, উপমহাদেশে এদের খুঁজে পেতে রীতিমত অভিযান করতে হবে!

২৬| ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:২৮

প্রশ্নোত্তর বলেছেন:
@আইরিন

"ধর্তব্যের বাইরেই রয়ে যাচ্ছে !!! "

নাকি ধরাছোঁয়া বাইরে রয়ে যাচ্ছে?
নাকি ধরতে মন চাইছে না?

২৭| ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:২৮

সারওয়ারচৌধুরী বলেছেন: আইরিন সুলতানার ব্লগবাড়িতে অনেক্ষণ আড্ডা দিলাম। এক কাপ চা খাওয়াইলেন না!!!

এখন ঘন্ঠাখানেকের জন্য অফ যাইয়া বাইরে থেকে একটা ঘুরানি মাইরা আই!!!


প্রশ্নোত্তর, আপনার প্রথম দিকের প্রশ্নের উত্তর পেয়েছেন আশা করি।

২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১২:০৮

আইরিন সুলতানা বলেছেন:
প্রশ্নোত্তর তো মরোক্কান চা খেতে চায় দেখি ! এইটা কেমনে বানায় :( উনাকে একটু জিগেস করেন উনি মরোক্কান চা খেয়েছেন কিনা আগে কখনও ; যদি না খান তাহলে...... ;) .......ব্যাপার নাহ্

২৮| ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:২৮

প্রশ্নোত্তর বলেছেন:

হা হা হা...খাওয়ান দেখি এককাপ চা!

২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:৫৮

আইরিন সুলতানা বলেছেন:
যা ঠান্ডা পড়েছে; এতক্ষনে আসল কথা বলেছেন দাদারা । তা কে কয় চামচ চিনি খান ? মশলা দেয়া চা হবে নাকি ? আমার আসলে কফি ভাল লাগে বেশী :)

২৯| ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:৪৬

আহমাদ মুজতবা বলেছেন: +++++++++++++++++++++++
কথা নাই, বান্দরীয় বসের লিকা।
৩য় প্যারার খাবারটা আমার অনেক ভালো লাগে।
গোশতের প্রতি আমার জীবনেও বিরক্তি আসে নাই আসবেও না। এইটা আমার অল্টাইম ফেব্রিট জিনিস।

২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১২:০২

আইরিন সুলতানা বলেছেন:
লিটিল ব্রাদার , তোমাকে তো দেখেছি সেদিন ; মাংস খাওয়া তোমার জন্য ফরজ , বুঝছ ?? ;)

৩০| ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:৫২

আইরিন সুলতানা বলেছেন:
অফটপিক কথা বলি আগে : "লেখক বলেছেন" এটার মধ্যে একটা বিশেষ ভাব আছে; একটা গুরু-গম্ভীর ব্যাপার-স্যাপার।

***

হায়! হায়! কিছুক্ষণ পড়াশুনা নিয়ে ছিলাম; তারমাঝে এত কিছু হল দেখি আমার ব্লগে!!!


***

কয়েকটা ব্যাপার ক্ষুদ্র জ্ঞানে বলি (কাউকে কাউকে উচ্চবাচ্য করতে দেখে আমিও ইন্সপায়ার্ড)-

১. কুরআন পড়লেই হাফেজ হওয়া যায় না
২. জন্মগত বা উত্তরাধিকারসূত্রে ধর্ম পাওয়া মানেই ধার্মিক হওয়া নয়
২. কুরআনে অনেক নির্দেশিকা আছে ; যেটা নাই সেখানে বিবেক, আলোচনা কাজে লাগাতে বলা হয়েছে;
৩. টাইম পাস করার জন্য ব্লগ একটা ভাল জায়গা
৪. সবাই শুক্রবার দিন দুপুরের দিকে এটিএন, এনটিভি সহ যেকোন বাংলা টিভি চ্যানেল দেখুন; ইসলামিক সওয়াল-জবাব-আলোচনা টাইপ অনুষ্ঠান হয়; কাজে লাগতেও পারে ।

৩১| ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১২:০০

প্রশ্নোত্তর বলেছেন: ১. কুরআন পড়লেই হাফেজ হওয়া যায় না
২. জন্মগত বা উত্তরাধিকারসূত্রে ধর্ম পাওয়া মানেই ধার্মিক হওয়া নয়
২. কুরআনে অনেক নির্দেশিকা আছে ; যেটা নাই সেখানে বিবেক, আলোচনা কাজে লাগাতে বলা হয়েছে;
৩. টাইম পাস করার জন্য ব্লগ একটা ভাল জায়গা
৪. সবাই শুক্রবার দিন দুপুরের দিকে এটিএন, এনটিভি সহ যেকোন বাংলা টিভি চ্যানেল দেখুন; ইসলামিক সওয়াল-জবাব-আলোচনা টাইপ অনুষ্ঠান হয়; কাজে লাগতেও পারে ।



পারলে এক কাপ মরোক্কান চা খাওয়ান!

৩২| ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৩:০১

রাগ ইমন বলেছেন: কি পোস্টে কি শুরু হলো !

প্রশ্নোত্তর এইটা কোথায় পেলো যে আল্লাহ নিজের প্রয়োজনে মানুষকে ধর্ম মানতে বলেছেন ! আল্লাহকে এত গাধা তো মনে হয় নাই ।অন্তত স্রষ্টার যে বর্ননা পাওয়া যায় তাতে ।

একটু লজিকালি চিন্তা করলেই তো বোঝা যায় । এই সব ধর্ম আর ধর্ম আচার পালন, সবটাই মানুষ এর নিজের জন্য ।

আল্লাহ নামক অস্তিত্বের কি যাইতে আসতে পারে তারে পাঁচ বার না ডাকলে? কিচ্ছু না । এতে তার মহিমা -- না বাড়ে , না কমে।
কিচ্ছু হয় না । নামায আল্লাহ এর প্রয়োজন না ।

নামায এবং কোরবানী - মানুষের নিজের প্রয়োজন । মানুষকে নিয়মানুবর্তী আর সমন্বিত রাখতে নামায। মানুষকে "ত্যাগ এবং প্রানী পূজা থেকে দূরে থাকা " শেখাতে কোরবানী ।

কোরবানী অবশ্যই অনেক বেশ মেটাফোরিক। দল বেন্ধে গরু ছাগল কাটাকাটি করে হাপুস হুপুস খাওয়াটা কোরবানী না । এইটা মানুষের নির্বুদ্ধিতা - কোন কোন ক্ষেত্রে । বৃক্ষের মূল ভুলে পাতা নিয়ে মাতামাতি ।


মানুষের জন্ম কেন হয়েছে , এইটা কি আদৌ প্রমান করা সম্ভব? অথবা বোঝা ? যেই প্রশ্নের কোন উত্তর পাওয়া যাবে না কোন দিন , সেইটা নিয়ে মানুষ এত সময় নষ্ট করে কেন?

আমাদের রিসার্চের ক্ষেত্রে বলে , দুই ধরনের রিসার্চ দুনিয়ায় লোকে করে । একটা হলো নিড টু নো । যেইটা কারো না কারো কাজে লাগে । আরেকটা হলো , "নাইস টু নো।"

কারো কোন কাজে লাগে না । জানতে পারলে ভালো লাগে ।

আপনারাই বলেন,কোনটার পিছনে সময় এবং অর্থ খরচ করছেন !


ইরিন , চা খাব ।
চিনি আর দুধ ছাড়া ।
আর চলো কফি ওয়ার্ল্ডে । ওরা আমারে প্রিভিলিজ কার্ড দিয়েছে । কার্ডটা কাজে লাগানো দরকার ।

২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ১১:০২

আইরিন সুলতানা বলেছেন: আমি কোন দলে পরি ? আন্ডার প্রিভিলেজড !!!! :(

৩৩| ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৩:০২

রাগ ইমন বলেছেন: ইরিন ,তোমার শেষ কমেন্টে জাঝা ।

৩৪| ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:৩৮

সারওয়ারচৌধুরী বলেছেন:

'রাগ ইমন বলেছেন: কি পোস্টে কি শুরু হলো !'

নাহ খুব বেশি অপ্রাসঙ্গিক হয় নি আলোচনা। 'ত্যাগের মহিমা'র সূত্র ধরেই বিস্তৃত হয়েছে।

যাক্
রাগ ইমনের কমেন্ট সার সমৃদ্ধ ও পজেটিভ। খুব চমতকার পয়েন্ট আউট করেছেন- 'নিড টু নো' এবং 'নাইস টু নো'। একবার এক আমেরিকানকে বলতে শুনেছি, 'আস্ক নট দ্যা কোয়েশ্চান হুইচ ডাজ নট মেইক এ্যানি সেন্স।'প্রশ্ন করলেই তো হয় না। প্রশ্নের উত্তরের সম্ভাবনা নিয়েও প্রশ্নকারীকে ভাবা উচিত। আর যুক্তির আরোহন পদ্ধতি ও অবরোহন পদ্ধতি সম্পর্কেও ধারণা থাকা দরকার বিতার্কিকদের। বিন্দু থেকে সিন্ধুতে আরোহন আর সিন্ধু থেকে বিন্দুতে অবরোহন। বারট্রান্ড রাসেলও এই পদ্ধতি মোতাবেক 'একজন সুপ্রিম বিঙ'এর ধারণাকে স্বীকার করেও রহস্যজনক কারণে নিজেকে 'নাস্তিক'হিসাবে প্রচার করেছিলেন।

৩৫| ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:৪৯

বিহঙ্গ বলেছেন: বটম লাইন : ঈদ মোবারক

৩৬| ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৯:১০

তাজুল ইসলাম মুন্না বলেছেন: হেহেহে
হাহাহা
হিহিহি
হেহ হেহ হেহ
হিহ হিহ হিহ
:)
:D


আপনাকেও ঈদ মোবারক।
+

৩৭| ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:২৯

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: এই পোস্ট পড়তে পড়তে ঘুম আইসা গেলো। পড়াশুনার কথা আসলেই আমার খালি ঘুম আসে!

তবে একটা জিনিস: যেই চিন্তা আমি ৯-১০ এ কইরা ধরা খাইছি সেই অমূলক চিন্তা এখনো মানুষ করে। বড়ই হাস্যকর।
আসলে নাস্তিক-আস্তিক ধরনা একটা প্যারাডক্স, যদি সেটা সামাজিক দৃস্টিকোণ থেকে দেখা হয়! আমরা কেন ম্যাথ, ফিজিক্স দিয়ে এটাকে বিশ্লেষন করার চেস্টা করি না কেন?

কেউ হয়তো ফিজিক্সকে বলেছিলো ঈশ্বরকে চেনা হাতিয়ার। আমার মনে হয় আমরা সায়েন্সের ছেলে পেলেরা বার বার হতাশায় একথাটা ভুলে যাই!

যাই লেখা ভাল হইছে!

৩৮| ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৪২

সারওয়ারচৌধুরী বলেছেন:

ঘুমু ঘুমু মুডে উদাসী স্বপ্ন খারাপ বলেননি। তবে রাসেল তো ম্যাথম্যাটিক্যাল ফিলোসফার ছিলেন।

আমার মনে হয় ফিজিক্সের ক্যালকুলেশনে আল্লাহর মহিমাই প্রকাশ পায়।


আইরিন আজ চা খেতে হবে না, যদিও বেশি চিনি দেয়া চা-ই আমার পছন্দ:)

৩৯| ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:৪৮

আহমেদ শারফুদ্দীন বলেছেন:
ঘুরে ফিরে, বারে বারে ঈদ আসে ঈদ চলে যায়; ঈদ চোখে নিরব কান্না নামায়, ভালবাসার স্মৃতি জাগায়, ম্যারাথন ঘুমের প্র্যাকটিস্‌ চালাই

৪০| ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:২৭

কালপুরুষ বলেছেন: উরি বাব্বা!! এত্তো বড় লিখা। কখন সময় পাইলা দিদিমনি? লেখা ও মন্তব্য সব খাশা! কি কমু কিছুই বুঝতেছি না। কিছু না কওনই ভালা।

২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:৫৩

আইরিন সুলতানা বলেছেন:

দাদাভাই, এত্তো দেরী হলো যে ? খুব কোরবানীর মাংস খাওয়া হচ্ছে বুঝি !!

৪১| ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:৩০

প্রশ্নোত্তর বলেছেন:
@রাগইমন
আল্লাহ মানুষ এবং জ্বীন তৈরী করেছেন তাঁর দাসত্ব করার জন্য। এটি কুরয়ানের বাণী। সে দাসত্বই মানুষের কাছে ধর্ম।

তো কার প্রয়োজন এটা? আল্লাহর না মানুষের?

৪২| ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ২:০৭

সারওয়ারচৌধুরী বলেছেন: প্রশ্নোত্তর, এই দাসত্ব মানুষের প্রয়োজনেই।

৪৩| ০৭ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ৯:০০

রাতমজুর বলেছেন: প্রতিশ্রুতি মোতাবেক প্লাস

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.