| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
কে.এম. মাহ্বুব শরীফ (রাতুল)
World is totally meaningless. Though sometime you will find here happiness. But length of happiness is highly limited. Original color of the world is black.
১৯৭১ সালে স্বাধীনতাপ্রিয় জাতি দীর্ঘ ৯ মাস কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে যুদ্ধ করেছে। কেউ স্বাধীন দেশে গাজী হয়ে ফিরেছে। কেউবা শাহাদতবরণ করে স্নিগ্ধ শীতল শ্যামল বাংলার পবিত্র জমিনে শেষ ঠাঁই নিয়েছে। তাদের সেই অসীম ত্যাগের বিনিময়ে জাতি ফিরে পেয়েছে স্বাধীনতা। কিন' স্বাধীনতার স্বপ্ন-সাধ হলো ভূলুণ্ঠিত। গোটা জাতি ভারতীয় আধিপত্যবাদের কবলে হয়ে পড়ে জিম্মি। ভাবতে অবাক লাগে, স্বাধীনতার যুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয় স্মারক, আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠনে বাংলাদেশের কোনো সামরিক বা রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব রাখা হলো না। কেন সে দিন রাখা হয়নি, দেশবাসীর মনে নানা প্রশ্ন জেগেছে। যে সেনাপতির নির্দেশে এ দেশের মুক্তিযোদ্ধারা লড়াইয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল, সেই জেনারেল ওসমানীর মাথায় না উঠে বিজয়ী যোদ্ধার মুকুট উঠল ভিন্ন দেশে এক জেনারেলের মাথায়।
এ প্রসঙ্গে আমাদের দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। দ্বিতীয় মহাযুদ্ধে মিত্র বাহিনী ফ্রান্সকে মুক্ত করেছিল। কিন' জেনারেল ম্যাক আর্থার কিংবা মিত্র বাহিনীর কোনো নেতা সেদিন নরম্যান্ডি বা প্যারিসে গিয়ে বলদর্পে ঢোকেননি। বিজয় শোভাযাত্রার অগ্রভাগে ছিলেন ফরাসি নেতা দ্য গল। কিন' সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশে এ কী হলো? বাংলাদেশে মুক্তিবাহিনীর সর্বাধিনায়ক ওসমানীকে বাদ দিয়ে জেনারেল নিয়াজির কাছ থেকে আত্মসমর্পণ গ্রহণ করলেন ভারতীয় জেনারেল অরোরা। ১৬ ডিসেম্বর আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের প্রতিনিধির উপসি'তি না থাকার মূলে কী কারণ ছিল?
৯ নম্বর সেক্টর অধিনায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর এম এ জলিল লিখেছেন- ঐতিহাসিক ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ সাল বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক অবসানের দিন। হানাদার পাকিস্তানি বাহিনী ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডের অধিনায়ক লে. জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরার কাছে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে আত্মসমর্পণ করে। যে যুদ্ধ বাঙালিদের সশস্ত্র গণবিস্ফোরণ এবং মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে শুরু হয়, তা শেষ হয় ভারতীয় সেনাবাহিনীর অধিনায়কের কাছে হানাদার পাকিস্তানি বাহিনীর অধিনায়কের আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে। হিসাব মিলছে না কেন? হিসাবের এই গরমিলের জন্য দায়ী কে বা কারা? যারা মুক্তিযুদ্ধ শুরু করেছিল, যুদ্ধশেষে পরাজিত শত্রুপক্ষ সেই মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে আত্মসমর্পণ করল না কেন? পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যে তো কোনো যুদ্ধ হয়নি? মুক্তিযুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল হানাদার পাকিস্তানি সেনাবাহিনী এবং মুক্তিকামী বাঙালি জনগণের মধ্যে। ভারতীয় সেনাবাহিনীর কাছে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর আত্মসমর্পণের হেতুটি দেখা দিলো কেন- কোন উদ্দেশ্যে?
মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক কর্নেল ওসমানীর কাছে পাকিস্তানের পরাজিত জেনারেল নিয়াজি আত্মসমর্পণ করলেন না কেন? আত্মসমর্পণের সময় কর্নেল ওসমানী ঢাকায় এলেন না কেন? তখন তিনি কোথায় ছিলেন? আজো বাংলাদেশের জনমনে এসব প্রশ্নের ভিড় জমছে। উত্তর দেশবাসী আওয়ামী লীগের কাছ থেকে প্রত্যাশা করে, কিন' আওয়ামী লীগ নেতৃত্ব এবং ভারতে অবস'ানরত প্রবাসী আওয়ামী লীগ নেতৃত্ব এসব প্রশ্নের জবাব দেয়ার আজ পর্যন্ত কোনো তাগিদই বোধ করেনি। (অরক্ষিত স্বাধীনতাই পরাধীনতা, পৃ. ৩৫, ৩৬)
শুধু ভারতীয় সেনাবাহিনীর অধিনায়কের কাছে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর অধিনায়কের আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে প্রকৃতপক্ষে ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকেই বাঙালির মুক্তিযুদ্ধকে সরাসরি অস্বীকার করা হয়েছে। ১৬ ডিসেম্বরকে মুক্তিযোদ্ধাদের বিজয় দিবসের পরিবর্তে ভারতীয় সেনাবাহিনীর ‘ইস্টার্ন কমান্ড দিবস’ হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এ ষড়যন্ত্রের পেছনে আসল উদ্দেশ্য হচ্ছে, বাঙালির স্বাধীনতা সংগ্রামকে অস্বীকার এবং পাক-ভারত যুদ্ধে পূর্বাঞ্চলের রণাঙ্গনে ভারতীয় সেনাবাহিনীর বিজয় ঘোষণা করা।
ভারতের আনন্দবাজার গ্রুপের সাপ্তাহিক দেশ পত্রিকায় প্রকাশিত সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের ধারাবাহিক উপন্যাস ‘পূর্ব-পশ্চিম’-এর ১৮২ পর্বে আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে ওসমানীর অনুপসি'তি সম্পর্কে বলা হয়, ভারত কখনো ওসমানীর পরিচালিত মুক্তিবাহিনীর অস্তিত্বকে স্বীকার করতে চায়নি। ১৬ ডিসেম্বর আত্মসমর্পণের দিনে পাকিস্তানি জেনারেল নিয়াজি ও ভারতীয় জেনারেল অরোরার মধ্যে ঐতিহাসিক যে যৌথ দলিল সম্পাদন হয়েছিল, সেখানে অরোরার পদবি কী লেখা হয়েছিল? এ প্রসঙ্গে দেশবাসীর পুনঃজ্ঞাতার্থে দলিলের প্রতিলিপিটি হুবহু তুলে ধরার প্রয়োজন। দলিলের প্রতিলিপি নিম্নরূপ : "The Pakistan eastern command agree to surrender all Pakistan armed forces in Bangladesh to Lieutenant General Jagjit Singh Aurora General, officer-commanding in chief of the Indian and Bangladesh forces in the eastern theatre, This surrender includes all Pakistan land, air and naval forces and civil armed forces. They are currently located to the nearest regular troops under the command of Lieutenant General Jagjit singh.
The Pakistan eastern command shall come under orders of Lieutenant-General Jagjit Singh Aurora as soon as this instrument has been signed, Disobedience of orders will be regarded as breach of the surrender terms and will be dealt with in accordance with the accepted laws and usages of war. The decision of Lieutenant General Jagjit Singh Aurora will be final, should any doubt arise as to the meaning or interpretation of surrender terms.
Lieutenant General Jagjit Singh Aurora gives a solemn assurance that personnels who surrender shall be treated with dignity and respect that soldiers are entitled to in accordance with provisions of the Geneva Convention and guarantees the safety and well-being of all Pakistan military and para-military forces who surrenders, protection will be provided to foreign nationals, ethnic minorities and personnels of West Pakistan origin by the forces under the command of Lieutenant General Jagjit singh Aurora" (আমি বিজয় দেখেছি ও সাপ্তাহিক দেশ ১২ নভেম্বর ১৯৮৮)
জেনারেল ওসমানীকে ভারতীয় বাহিনী কখনো সুনজরে দেখেনি বলেই মুক্তিযোদ্ধাদের পক্ষ থেকে বারবার দাবি করা হয়। এমনকি কারা তার হেলিকপ্টারে সে দিন গুলিবিদ্ধ করে প্রাণনাশেরও চেষ্টা করেছিল, দেশবাসী এ ব্যাপারে এখনো অজ্ঞাত।
লেখক : খুলনা থেকে প্রকাশিত আজাদ বার্তা ও সত্যের ঝাণ্ডা পত্রিকার সম্পাদক
তথ্যসূত্রঃ http://www.dailynayadiganta.com/details/16719
২|
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১২ বিকাল ৩:৩৩
সৈয়দ মোহাম্মদ আলী কিবর বলেছেন: কি জানি কোনটা সত্য আর কোনটা মিথ্যা।
৩|
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১২ বিকাল ৩:৪৪
ইশতিয়াক আহমেদ বলেছেন: উচিৎ প্রশ্ন...
প্রশ্রের কারণে আবার মাইর গুতা খাইতে হইবো কিনা?
৪|
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১২ বিকাল ৩:৪৭
েমাহাম্মদ কামরুল হাসান বলেছেন: বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকি এর সঠিক জবাব জানেন। কারন ১৬ ডিসেম্বর অনুষ্ঠানে উনি স্বশরিরে উপস্থিত ছিলেন। এবং বাংলাদেশ প্রতিদিনের একবার উনি এই বিষয়ে লিখবেন বলেছেন। তাই উনাকে ইমেল অথবা সরাসরি মোবাইল করে দেখতে পারেন। মোহাম্মদপুর হুমায়ুন রুটে উনার বাসা মনে হয়।
৫|
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১২ বিকাল ৩:৫১
আমি হনুমান বলেছেন: না পইড়া কইতাছি
কারন হইল, অরোরা আর নিয়াজী ক্লাশমেট/ব্যাচমেট আছিল বিটিশগো, দেন অরোরা নিয়াজীরে জিগাইছে সারেনডার করবি না তামা বানামু, তখন নিয়াজীর দেয়া শর্তের কারনে ওসমানি বাদ আর অস্ত্রের বিনিময়ে জ্যাতা ফিরা যাবার আলাপ হইছিল বইলা আমার কানে আইছে
৬|
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১২ বিকাল ৩:৫২
কাঠফুল বলেছেন: বঙ্গবীর জেনারেল ওসমানী অনেকবার তাঁর বক্তৃতায় বলেছেন তিনি একটি বই লিখছেন, সেখানে এসকল প্রশ্নের উত্তর থাকবে। কিন্তু, তাঁর জীবদ্দশায় বইটি প্রকাশিত হয়নি...
৭|
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১২ বিকাল ৩:৫৩
সংবাদিকা বলেছেন: শুধু সামরিক মাপকাঠিতে চিন্তা করলে এতে অসুবিধার কিছু নেই কেননা সেখানে সেইদিন ভারতের জেনারেল মানেকশ, পাকিস্তানের জেনারেল ইয়াহিয়া উপস্থিত ছিলেন না। জেনারেল ওসমানী আন্তর্জাতিক ভাবে পদমর্যাদায় ল্যাফটেন্যান্ট জেনারেল নিয়াজী কিংবা ল্যাফটেন্যান্ট জেনারেল আরোরা থেকে সিনিয়র ছিলেন। নিয়াজী এবং আরোরা উভয়ই থিয়েটার কমান্ডার ছিলেন অপরপক্ষে মানেকশ এবং ইয়াহিয়ার মত ওসমানী ছিলেন ওভারল ফোর্স কমান্ডার।
তবে ওই আত্মসমর্পণ দলিলে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে অন্তত কর্নেল রব কিংবা গ্রুপ ক্যাপ্টেন খন্দকারের সই থাকা দরকার ছিল এবং আত্মসমর্পণ দলিলটি ত্রিপক্ষিয় হলে ভাল হত।
৮|
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১২ বিকাল ৪:১১
সবখানে সবাই আছে বলেছেন: আসলে ওসমানীকে ওই সময়ের কোন সেক্টর কমান্ডারই পছন্দ করতেন না। উনি অবসর থেকে ফিরে এসে হঠাত করেই মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক দাবি করে বসেন। জিয়াউর রহমানের ভাষ্যমতে, ঢাকার ক্র্যাক ডাউনের পরে উনি পালিয়ে সিলেটে এসে হাউমাউ করে কেদে ফেলেন এই বলে যে , তার পোষা কুকুর মন্টিকে পাক হানাদাররা মেরে ফেলেছে। শাফায়াত জামিল থেকে শুরু করে খালেদ মোশাররফ কেউই এই মানুষ টাকে সহ্য করতে পারে নাই। প্রত্যেকের বইএ তার প্রতি বিষোদ্গার করা হয়েছে। মেজর জলিল সাহেব যখন তার বই লেখেন তখন ওসমানী আওয়ামী লীগের এমপি। ওইসময় জাসদের প্রতিক্রিয়াশীলতার কারনেই উপরের প্রশ্নগুলো চলে এসেছে। সর্বাধিনায়ক হিসাবে উনি একটাও সম্মুখ যুদ্ধ করেন নাই। উপরন্তু অনেককেই বরখাস্ত করেছেন বলে জানা যায়। এই মানুষটা ছিল একটা পিওর ভীতু মানুষ। কারন আওয়ামী লীগের পরে মোস্তাক সরকারের আমলে উনি ছিলেন চীফ এডভাইসর অফ আর্মী। যেইটা জিয়ার একদমই পছন্দ ছিল না। আবার পরে খালেদ মোশাররফ অভ্যুত্থান করলে তিনি তাদের সাথেও বসেন আলোচনার টেবিলে। জেলহত্যা সম্বন্ধে জানলেও কোন কিছুই জাতিকে না জানিয়ে উনি আলোচনা চালিয়ে গেছেন হত্যাকারীদেরকে সেফ প্যাসেজ দেয়ার জন্য। আবার মুখ ঘুরিয়ে নিতেও দ্বিধা করেন নাই।
মুক্তিযুদ্ধের সময় তার প্ল্যান মত না চলার কারনে উনি জিয়া, তাহের,শফিউল্লাহ, শাফায়াত জামিল সবার থেকে দুরত্ত্ব বজায় রেখে ভারতীয়দের পদলেহন করে সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেয়ার চেষ্টা করতে থাকেন। পরে তার প্ল্যান অনুযায়ী অপারেশান করে যখন ভারতীয়দের প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি হতে থাকে তখন তাকে এক পাশে সরিয়ে জিয়া, তাহের, খালেদের সাথে কথা বলে প্ল্যান বাস্তবায়ন করে। এতে তার আতে ঘা লাগে। এই কারনে যুদ্ধ শেষ হলে উনি অনেকটা ছেলেমানুষীর মত অভিমান করে "তোমরা তোমরা আমরা আমরা" খেলার চেষ্টা করে পরে দেখেন সবাই গেসে কিন্তু উনি অনুপস্থিত। এ কে খন্দকার থেকে শুরু করে ক্র্যাক প্লাটুনের প্রতিটা যোদ্ধাই ছিল সেখানে।
আর কেন আমাদের কাছে আত্মসমর্পন করেন নাই তার উত্তর নিহিত আছে পাকিস্তানি সেনা বাহিনীর কাছে। তারা নিয়মিত সেনা বাহিনী। কোন গেরিলাদের কাছে আত্মসমর্পন করবে না বলে তারা ভারতীয় দের অনুরোধ করে। আর নিয়াজী জানত তারা যে অত্যাচার করেছে, মুক্তির কাছে আত্মসমর্পন করলে ৯০ হাজার সৈনিক ঐ রেস্কোর্সেই গেড়ে ফেলবে মুক্তি যোদ্ধারা। আর জাতি সঙ্ঘের চাপও ছিল বিশেষ করে চীন যুক্ত রাষ্ট্রের।
৯|
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১২ বিকাল ৪:১৭
আবদেল্লাহ ফাইসাল বলেছেন: কেউ বলেছেন উনার ডায়রিয়া হয়েছিল। কেউ বলছেন তিনি একজন গেলমান,সম্ভববত মাহমুদুল হাসানের (সাবেক মন্ত্রী) সেবা নিছিল্লেন। মজা করলাম।
তা এতোদিন পর আপনার মনে এই প্রশ্ন জাগিয়া উঠিল কেন? ছাগুদের দলের কেউ আপনি?
১০|
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১২ বিকাল ৪:২৮
রশিক রশীদ বলেছেন: সেই সময় বাঙ্গালীরা ঐ আত্নসম্পর্নকে ঐতিহাসিক মনে করেছে। আপনার পূবসুরীরাতো ১৬ ডিসেম্বরের আগেই ভাগছিল এই জন্য প্রশ্ন তুলতে পারে নাই ।
এই সব প্রশ্ন শুরু হয়েছে ১৯৭৮ সনের পর।
ওসমানী থাকায় আর না থাকায় আমাদের স্বাধীনতা কোন ভাবেই কম হয় নি।
১১|
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১২ বিকাল ৪:৩৬
বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: রাহুল গান্ধীর বক্তৃতায় এর উত্তর দিছে তো ! দেখেন নাই????
১২|
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১২ বিকাল ৪:৩৮
বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: কিংবা --
৪০ বছর পর মিত্রবাহিনীর মিত্রর মূখে একি কথা!!!!পাকিস্তানকে দুই টুকরো করেও ভারতের লাভ হয়নি : লে. জেনারেল জ্যাকব !!!!!!!!!!!!!!!
১৩|
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৩০
হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
সেখানে মুক্ত বাংলাদেশের প্রতিনিধী হিসাবে ছিলেন সেক্টরকমান্ডার এয়ার ভাইসমার্শাল এ কে খন্দকার এবং ২নং সেক্টর কমান্ডার কর্নেল এটিএম হায়দার।
আমার এই লেখাটি পড়ে দেখুন।
Click This Link
©somewhere in net ltd.
১|
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১২ বিকাল ৩:৩২
মেলবোর্ন বলেছেন: কঠিন কতগুলো প্রশ্ন আর ইতিহাস জানলাম ধন্যবাদ