নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মেঘ দেখে কেউ করিসনে ভয়, আড়ালে তার সূর্য হাসে।।

হয় মানিয়ে নাও, নতুবা ধ্বংস হয়ে যাও- আমি মানিয়েও নিতে চাইনা, ধ্বংসও হতে চাইনা । আমি চাই আমার মত থাকতে ।।

এম এ লতিফ লিমন

পৃথিবীটা সত্যের উপর প্রতিষ্ঠিত । তাই সত্যকে আঁকড়ে ধরার চেষ্টা করি । খুব সহজ জীবন ধারনের চেষ্টা করি । জানিনা কতদিন এইভাবে টিকতে পারব । কথায় আছে, "হয় মানিয়ে নাও, নতুবা ধ্বংস হয়ে যাও ।" কিন্তু আমি মানিয়েও নিতে চাইনা, ধ্বংস হতেও চাইনা ।

এম এ লতিফ লিমন › বিস্তারিত পোস্টঃ

"বেপরুয়া কোটা পদ্ধতি"

১০ ই জুলাই, ২০১৩ দুপুর ১:৩৭

তরুন প্রজন্মের কাছে মুক্তিযোদ্ধা ও তার পরিবারকে আজ সম্মানের বদলে হাসির খোঁড়াক ও করুণার পাত্রে পরিনত করেছে এই বেপরুয়া মুক্তিযোদ্ধা কোটা। অনেকের কাছে বলতে শুনি, "আমার বাপ-দাদা কিরকম বোকা ছিল!! নাম লেখাইয়া বন্দুক লইয়া ঘরে বইসা থাকলেই তো হইত। এখন নিশ্চিন্তে একখান চাকুরি পাইতাম।”

অসম্মানের জায়গাটা কোন পর্যন্ত গিয়ে ঠেকেছে, একটু চিন্তা করে দেখেছেন??? জাতির যে সন্তানগুলো সর্বোচ্চ সম্মান পাওয়ার কথা, তার বদলে তারা কি পাচ্ছে??? সাধারন জনতার হাসি-বিদ্রুপ ও করুনা। এটার জন্য এই অতিরিক্ত কোটা প্রথাকেও অন্যতম একটা কারণ বলে দায়ী করব।

আমি কোটা প্রথার বিলুপ্তি চাইনা, কিন্তু অযাচিতভাবে এটার ব্যবহার ও শিথিল (% কমিয়ে আনা হোক) চাই। এটার বিলুপ্তি করা যাবেনা এই জন্য যে, প্রতি কালেই সমাজে কিছু বঞ্ছিত, অবহেলিত, বিশেষ ও মাইনরিটি গ্রুপ থাকবে। যাদেরকে মেইন স্টিমে আনা বা সম্মান বা দায় পূরণের জন্য কোটা প্রথা দরকারি। আবার এটাও মাথায় রাখা দরকার কোটা প্রথার তোড়ে যেন সাধারন মেধার (কোটাবিহীন) ছাত্ররা বিলুপ্ত ও হতাশ না হয়ে যায়। তাছাড়া কোটা প্রথাটা কিভাবে, কোন পারপাসে ব্যবহার হচ্ছে তার দিকে সুনজর রাখা দরকার। কেননা এই কোটা প্রথার সুযোগে অনেক বেনামি ও ভূয়া ব্যক্তিরা কার্যসিদ্ধি করে নিচ্ছে। আর অনেক প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধারা সম্মান তো দূরের কথা দু-বেলা, দু-মুঠো খাবার পাচ্ছেনা। আর এই কোটা সিস্টেমটা একটি নির্দিষ্ট স্টেজে গিয়ে প্রয়োগ করা দরকার। যেমনঃ ভাইভাতে প্রয়োগ করা যেতে পারে। তাহলে এখানে সাধারন ও কোটাধারীদের মধ্যে যোগ্যতা ও অযোগ্যতার প্রশ্নটাও তেমন থাকছেনা।

আশা করব, লাখো হতাশ মেধাবি ছাত্রের আর্তি সরকারের কান পর্যন্ত পৌছবে এবং চাকুরি নামক সোনার হরিন খোঁজার এই দেশে কোটা প্রথার শিথিলায়ন হবে।

মন্তব্য ১৫ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (১৫) মন্তব্য লিখুন

১| ১০ ই জুলাই, ২০১৩ দুপুর ১:৪৪

শাহরিয়ার রোমান বলেছেন: কয়দিন পর দেখুম রাস্তায় বাইর হইতেও কোটা লাগবো । জিনিস পত্র কেনার জন্য কোটা X(( X(( X(( X((

হাসিও পায় আবার কান্তেও ইচ্ছা করে

১০ ই জুলাই, ২০১৩ রাত ১০:৩৮

এম এ লতিফ লিমন বলেছেন: এই পরিস্থিতি না হোক, এটাই আশা করব....

২| ১০ ই জুলাই, ২০১৩ দুপুর ১:৫৬

জািকর েহােসন002 বলেছেন: It's very regrettable that for 1% FF Quota holds more than 30%. There is no one here to rectify this

১০ ই জুলাই, ২০১৩ রাত ১০:৪১

এম এ লতিফ লিমন বলেছেন: অতি সত্য কথা.. কিন্তু ভাই এটাই বাস্তবতা..প্রতিবাদ করার সময় এসেছে এখন, অযৌক্তিক এই কোটা পদ্ধতির বিরুদ্ধে।

৩| ১০ ই জুলাই, ২০১৩ দুপুর ১:৫৭

মোঃ খালেকুজ্জামান ফয়সাল বলেছেন: চমৎকার লিখেছেন ভাই...
কিন্তু আমাদের শাসক শ্রেণী গন্ডারের চেয়ে কোন অংশে কম যায় না!!
কথাতো শোনবেই না অল্প গুতোতেও কাজ হবে বলে মনে হয় না।
গন ঐক্য সৃষ্টি করে বেরিয়ে আসতে হবে এই বৈষম্যের বিরুদ্ধে।

১০ ই জুলাই, ২০১৩ রাত ১০:৪৪

এম এ লতিফ লিমন বলেছেন: এইবার ইনশাআল্লাহ গন্ডারের চামড়ায় বর্শা বিদ্ধ হবেই... হতেই হবে... লাখো মেধাবি তরুনের আওয়াজ বৃথা যেতে পারেনা ।

৪| ১০ ই জুলাই, ২০১৩ দুপুর ১:৫৭

মোঃ খালেকুজ্জামান ফয়সাল বলেছেন: চমৎকার লিখেছেন ভাই...
কিন্তু আমাদের শাসক শ্রেণী গন্ডারের চেয়ে কোন অংশে কম যায় না!!
কথাতো শোনবেই না অল্প গুতোতেও কাজ হবে বলে মনে হয় না।
গন ঐক্য সৃষ্টি করে বেরিয়ে আসতে হবে এই বৈষম্যের বিরুদ্ধে।

৫| ১০ ই জুলাই, ২০১৩ দুপুর ২:৩১

নাইট বার্ড বলেছেন: shahbag e andolon cholche
ghore bose thakben na please

১০ ই জুলাই, ২০১৩ রাত ১০:৫১

এম এ লতিফ লিমন বলেছেন: বসে নেই আমরাও। যে যেখানে আছি সেখান থেকেই আওয়াজ দিচ্ছি। আমাদের শাবিপ্রবিতেও মানববন্ধন সহ বিভিন্ন ধরনের প্রতিবাদ সমাবেশ করেছি এই বেপরুয়া কোটা প্রথার বিরুদ্ধে। আগামী বছর আমরা যারা ১ম বিসিএস দিব, যেন বৈষম্যহীন একটা পরীক্ষায় অংশগ্রহন করতে পারি।

৬| ১০ ই জুলাই, ২০১৩ বিকাল ৪:৫০

প্রচুর বলেছেন: আমাদের দেশের মোট জনসংখ্যার কত শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা? কমবেশি ১% এর বেশি মনে হবেনা। অথচ তাদের কোটা দেওয়া হচ্ছে ৩০%! কি হাস্যকর বিষয়। সামরিক বাহিনীতে কোটা নেই সেটা খুবই সুন্দরভাবে চলছে তাহলে বিসিএসসহ অন্য চাকরীতে কোন কোটার দরকার আছে বলে মনে হয়না। আর কোটা যদি একান্তই রাখতে হয়ে তবে তা অবশ্যই সহনীয় পযায়ে থাকতে হবে। কোনভাবেই সব ধরনের কোটা মিলে ২০-৩০% এর বেশি হওয়া উচিত নয়। তাহলে জাতী মাথা উঁচু করে দাড়াতে পারবেনা।
পিএসসির কমকতারাই বলছেন কোটাগুলোতে শেষ অবধি কোটা পূরণ হয়না। তাহলে বুঝুন কোটাধারীরা কত্ত মেধাবী।

১০ ই জুলাই, ২০১৩ রাত ১১:০৬

এম এ লতিফ লিমন বলেছেন: যথার্থ বলেছেন..

৭| ১০ ই জুলাই, ২০১৩ বিকাল ৫:৫৯

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
মুক্তিযোদ্ধারা ঘরবাড়ী ফেলে বিনা বেতনে জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ না করলে আমাদের জন্য চাকরীর কোটা থাকত মাত্র ১০%
বাকী ৯০% থাকত উর্দূভাষীদের জন্য।

কোটা সিষ্টেম বাংলাদেশের শুরু থেকেই চলছে ৪২ বছর ধরে কোন বিতর্ক ছাড়াই।
কোটা ব্যাবস্থা পৃথিবীর অনেক দেশেই চালু আছে, আছে ধনাঢ্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও অষ্ট্রেলিয়াতেও আছে।
আমেরিকায় ২য় মহাযুদ্ধ ফেরত সৈনিক, ভিয়েতনাম ফেরত যোদ্ধাদের ও তাদের পোষ্যদের উচ্চহারে কোটা চালু আছে।

১০ ই জুলাই, ২০১৩ রাত ১১:৪৩

এম এ লতিফ লিমন বলেছেন: আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম কারণটাও ছিল কিন্তু বৈষম্য। যে বৈষম্য থেকে মুক্তির জন্য আমাদের দেশ স্বাধীন হয়েছিল। আজ সেই বৈষম্যের যাঁতাকলে কেন আবারও পিষ্ট হতে হবে?
আপনি উন্নত দেশের উদাহরণ দিলেন। যেখানে একজন বেকার থাকলেও সরকার তার জন্য সব ধরনের সামাজিক নিরাপত্তার দায়িত্ব নেয়। কিন্তু আমাদের মত অনুন্নত দেশে সেইরকম কি কোন ব্যবস্থা আছে?
এই দেশের শিক্ষাব্যবস্থার সেশনজট সিস্টেম একজন ছাত্রকে পঙ্গু করে রাখে। অবশেষে ভাঙ্গা পা নিয়ে যখন সে চাকুরি সন্ধানে বের হয়, তখন এই বৈষম্যমূলক কোটা ব্যবস্থা তার মাজাটাও ভেঙ্গে দেয়। এই পা ভাঙ্গা ও মাজা ভাঙ্গা একজন নাগরিকের জন্ম দেওয়ার জন্যই কি দেশ স্বাধীন হয়েছিল?
আপনি কি মনে করেনা না যে, কেবল মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য ৩০% কোটা খুব বেশি অতিরিক্ত? যেটার প্রমান আমরা প্রতিবার দেখে থাকি। এই ৩০% কোটার মাত্র ১০% পূরণ হয়। বাকিগুলো অপূরণ অবস্থায় থেকে যায়। তাহলে অতিরিক্ত এই ২০% কোটার কি দরকার?
আমি মুক্তিযোদ্ধাদের সর্বোচ্চ সম্মানে দেখতে চাই। তার মানে এই না যে, লক্ষ লোককে বেকার রেখে অযৌক্তিক এই কোটা প্রথার সমর্থন করব। মুক্তিযোদ্ধাদের রেশন, ভাতা প্রভৃতি বৃদ্ধি করা হোক। তাদের পুনর্বাসনের জন্য অন্যান্য বিকল্প পন্থা অবলম্বন করা হোক।
কিন্তু এইভাবে অতিরিক্ত কোটা পদ্ধতি চালু করে অদক্ষ আমলা তৈরি ও লক্ষ লক্ষ হতাশ মেধাবি বেকার তৈরি করার কোন মানে হয়না।

৮| ১১ ই জুলাই, ২০১৩ সকাল ১১:১২

সোহেল সি এস ই বলেছেন: এই লোটা ভর্তি কোটা নিয়ে যারা মোটা কথা বলে তাদের বোটাসহ মূলৎপাটন করলে গোটা দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটা এখন সময়ের দাবি।

৯| ০৮ ই আগস্ট, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:০০

মোনাজ হক বলেছেন: আমি ১৯৭১ সনে ৭ নম্বর সেক্টরের বগুড়া জেলায় সশস্ত্র যুদ্ধ করি, মুক্তিযোদ্ধা হিশেবে এটাই আমার গর্ব যে, বিশ্ব দরবারে বাঙালিদের জন্যে একটা স্বাধীন দেশ আমরা পেয়েছি, এর জন্যে কোনো করুনায় দেওয়া কোটা পদ্ধতিতে আমি বিশ্বাসী নই, দেশের জন্যে আমার যেটুকু দেবার সেটা আমি করেছি, আমার নিজের অথবা আমার ছেলে-মেয়েদের জন্যে কোটা পদ্ধতির আমি ঘর বিরোধী, মেধার ভিত্তিতে সরকারী চাকুরিতে নিয়োগেই আমি বিশ্বাসী

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.