| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সিংহরাজ
হিন্দু না ওরা মুসলিম, ঐ জিজ্ঞাসে কোন জন? কাণ্ডারী বল, ডুবিছে মানুষ, সন্তান মোর মার।
১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস ছিনতাই হয়ে গেছে বলে দাবি করেছে জামায়াতে ইসলামী। আজ শুক্রবার এক আলোচনা সভায় দলটির নেতারা বলেছেন, ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস বিকৃতির মহড়া চলছে। প্রতিদিন নতুন নতুন ভাষাসৈনিকের জন্ম হচ্ছে। আর যাঁরা প্রকৃত সৈনিক তাঁরা দেশবিরোধী হয়ে গেছেন। পরবর্তী প্রজন্মের জন্য ভাষা আন্দোলনের প্রকৃত ইতিহাস তুলে ধরার দাবি জানান জামায়াত নেতারা।
ঢাকা মহানগর জামায়াতে ইসলামী আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আল-ফালাহ মিলনায়তনে ওই আলোচনা সভার আয়োজন করে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমির মকবুল আহমদ বলেন, ‘বামেরা বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস ছিনতাই করেছে। মুক্তিযোদ্ধাদের সনদের (সার্টিফিকেট) মতো নতুন নতুন ভাষাসৈনিক জন্ম নিচ্ছে।’ তিনি বলেন, ভাষা আন্দোলন হয়েছিল তমুদ্দুন মজলিশের মাধ্যমে। এটি ছিল ইসলামি আদর্শে উজ্জীবিত সংগঠন। ওই আন্দোলনকে সম্মান জানাতে সর্বস্তরে বাংলা চালু করা এবং ইসলামি শিক্ষা-সংস্কৃতির ভিতকে শক্ত করতে হবে।
জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল এ টি এম আজহারুল ইসলাম বলেন, ‘ভাষা আন্দোলনের কারণে গোলাম আজম তিনবার কারাভোগ করেছিলেন। চাকরিচ্যুত হয়েছিলেন। আর কেউ ওই আন্দোলনে এতবার কারাভোগ করেননি। আজ যাঁরা বড় বড় ভাষাসৈনিক তাঁরা গ্রেপ্তার হননি। সে সময় যাঁরা আন্দোলন করেছিলেন, তাঁরা সবাই তমুদ্দুন মজলিশের সদস্য ছিলেন। দলগতভাবে কোনো আন্দোলন হয়নি।’
ঢাকা মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল নূরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে জামায়াত নেতারা বক্তব্য দেন।
Click This Link
ভাষা আন্দোলনে নাকি গোলাম আজম নেতৃত্ব দিসে?
এই কুকুরের বাচ্চাগুলাকে এবার কি করা যায় বলেন???
২|
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ৩:০৯
ওঙ্কার বলেছেন: এরে বলে চোরের মায়ের বড় গলা!!
৩|
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ৩:১৪
গুরু গোলাপ বলেছেন: ভাষা আন্দোলনের নেতৃত্বে ছিল গোআ। আমি সাক্ষি। তবে বাংলা ভাষা নয়। উর্দূ ভাষা।![]()
![]()
৪|
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ৩:১৮
অন্ধকারে অবমানুষ বলেছেন: জয় জামাতি
তোরাই বাংলা জাতি
৫|
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ৩:২১
রবিন-৭৭ বলেছেন: ব্লগের গোআ চাটা বেজন্মাগুলা এনিয়ে কিছু বলবে না।
কিন্তু সালাম বরকত রফিকের নামের সাথে নামান্য বঙ্গবন্ধুর অবদানের কথা তুলে ধরলে এগুলার গোআ খসে পড়ে যায়।
কিন্তু ধর্ষণকারী বেজন্মা গোলাম আজমকে ভাষা সৈনিক হিসেবে দেখাতে তাদের মনে অনেক সুখ পায়। এগুলারে আসলে সবাই মিলে গোআ দিয়ে মারা উচিৎ
৬|
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ৩:২৪
রবিন-৭৭ বলেছেন: কঠিল বিনোদন , দাসত্ব, স্পেলুবাইন্ডার... সুশিল সেজে থাকা গোআ চাটা পাকি বেজন্মারা এই পোষ্টে ভুলেও ডুকবে না।
৭|
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ৩:২৬
আমি শুভ্র বলেছেন: তাও ভালো ,বলে নাই যে মগবাজার থেকে ভালো আন্দলোনের সূচনা হইছিলো।
হায়রে জামাত আর কত..............................।
৮|
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ৩:৪৮
প্যরাডাইসলস্ট_১১৩১ বলেছেন: ![]()
৯|
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ ভোর ৪:৪৯
আইলা বলেছেন: কলকাতার দাদাগুষ্টি আর এডিরে সহবাস করানো দরকার
১০|
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ ভোর ৪:৫৫
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: কবে যে কয় গো আ মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক আর মুজাহিদ মুজা পইড়া প্রথম বাংলাদেশের সরকার গঠন করে আর সাইদী সাহেব তাগো লইয়া এক কাতারে তাহাজ্জুদের নামাজ পইড়া পাকিস্তানের বিরুদ্ধে জান বাজি রাইখা যুদ্ধে নাইমা বাংলাদেশ স্বাধীন করে!
কই যাই, আমার বদনাডা ইদানিং খুইজা পাইতাছি না, সাঈদী যে যুদ্ধের সময় আমার বদনাডা নিয়া গেলো আর দিয়া গেলো না!
©somewhere in net ltd.
১|
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ৩:০৮
সামদ বলেছেন: ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস নিয়ে গোলাম আযমের ভন্ডামি
দৈনিক পাকিস্তানের ১৯শে জুন প্রকাশিত সংখ্যায় জানা দেখা যায় - (তখনো মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়নি)
"পশ্চিম পাকিস্তানের শুক্কুরে ১৮ই জুন (১৯৭০) এক সংবর্ধনা সভায় জামায়াত নেতা গোলাম আযম বলেন, উর্দু পাক ভারত উপমহাদেশের মুসলমানদের সাধারন ভাষা। তিনি বলেন, ৫২ সালে ভাষা আন্দোলনের সময় তিনিও তাতে অংশ নিয়েছিলেন। কিন্তু তা ভুল হয়েছিল।"
তখনকার পাকিস্তানে (বাংলাদেশ) বাংলা ভাষাকে সংগ্রাম আর রক্তের বিনিময়ে রাষ্ট্র ভাষা হিসাবে স্বীকৃতি আদায়ের পরও যে লোক উর্দুকে তার ভাষা মনে করে - তাকে ভাষা সৈনিক হিসাবে প্রচার সত্যই কৌতুকের জন্ম দেয়।
যারা ধর্ম নিয়ে ভন্ডামী করে সেই জামাতিদের পক্ষে সবাই সম্ভব - কারন জামায়ত একটা ভন্ড দল।