নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আধারের সাক্ষী

আধারের সাক্ষী › বিস্তারিত পোস্টঃ

বিক্ষিপ্ত চিন্তা

০৩ রা অক্টোবর, ২০১৩ ভোর ৬:৪০

আমার মন কে কিছু বিক্ষিপ্ত চিন্তা বিষণ্ণতা আখরে ধরে রেখছে । চিন্তা গণ্ডী পেরিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে চাওয়া আমার পক্ষে সম্ভব নাহ ।আমি পারছি নাহ এই সব কিছু পিছনে ফেলে একজন সুন্দর সুস্থ মানুষের মত জীবন যাপন করতে। এই রকম কিছু কথা আর চিন্তা মানুষ কে প্রতি নিয়ত আখরে ধরে রাখে । অনেকে বলে মনের এই সব বিক্ষিপ্ত চিন্তা কে কেন্দ্রভুত করা একটি পথ হল # কোয়ান্টাম মেথড । কেউ যদি তার মন কে কেন্দ্রভুত করতে চায় তাহলে কোয়ান্টাম মেথড অনুসরণ করলে কাজ হয় । একটি পন্থা বলি কোয়ান্টাম অনুসারে

" একটি ফাঁকা কক্ষে টেবিল চেয়ারে বসে কিছু সাদা কাগজ আর কলম নিয়ে বসে মনে যাহ আসে তা লিখে ফেলা এবং কাগজ গুলো যে কোন ভাবে ধ্বংস করে ফেলা । বিশেষভাবে মনে রাখতে হবে যা লেখা হবে তা টিক হয়েছে কিনা তা দেখার জন্য পড়া যাবে নাহ "

অনেকের ধারণা ধ্যান করলে ভালো কাজ হয় তার প্রমান হিসাবে অনেকে উদাহরন দেয় যুগে যুগে অনেক মুনি ঋষি বনে জঙ্গলে গিয়ে অনেক ধ্যান সাধনা করে নিজের জীবন কে মানুষের কল্যাণে কাজে লাগিয়ে সফল হয়েছেন । ইসলাম ধর্মের প্রবর্তক মুহাম্মদ ধ্যান করে মানুষের জন্য পুরনাঙ্গ জীবন বিধান নিয়ে এসেছেন এবং মানুষের কল্যাণে ইসলাম ধর্ম প্রচার করে জীবন অতিবাহিত করেছেন ।তাহলে কি এই কথা বলা যাই নাহ ধ্যান করে মানুষ ও নিজের জীবনের উন্নতি আনা যায়?

অনেকে প্রশ্ন করবেন যদি ধ্যান করে সব কিছু করা যায় তাহলে সবাই যদি ধ্যান করে তাহলে কাজ করবে রান্না কে করবে আর টাকা কে উপার্জন করবে জীবন চালানোর জন্য । আমাদের বর্তমান সময় ও প্রেক্ষাপট মতে ধ্যান করে কোন কিছু হবে না । এই কথার যুক্তি হিসাবে প্রশ্ন করা যায় যে মানুষ ধ্যান কেন করে ? এক কথায় উত্তর চাহিদা মানুষ কে চিন্তা করতে বাধ্য করে । ফকির থেকে শুরু উচু দালানের মানুষের চাহিদা আছে । তার যাহ আছে চিন্তা করে কিভাবে আরও বেশি করা যাই আর একটু ভালো ভাবে চলা যায় । এইটা মানুষের খুব স্বাভাবিক চিন্তা যদি হিতে বিপরীত ঘটে তাহলে মানুষ আছন্ন হয় গভীর চিন্তায় ।

এই সব চিন্তা যেমন আছে তার থেকে মুক্তির অনেক উপাই আসে যেমন কোন কাজে মগ্ন থাকা । কাজের মাঝে থাকলে মানুষ সব কিছু ভুলে যায় কত টুকু ভুলে যায় আমার জানা নাই ।এখন আসল কথা বলি সারা দুনিয়ার মানুষের কথা বলার সময় নাই শুধু আমাদের দেশের মানুষের কথা বলি ।একটি শিশু জন্ম নিল তার কোন চিন্তা নাই একটু কাঁদলে খাবার থেকে শুরু করে সব কিছু পেয়ে যায় । তার ধারণা হয়ে যায় কাঁদলে সব কিছু পাওয়া যায় অনেক সময় এই কান্নাটাই সে সারা জীবন অনুশীলন করে যায় অনেক সময় সে সফল হয় বার অনেক সময় হয় না। শিশুটি যখন বড় হতে থাকে তখন তার উপর চাপিয়ে দেয়া হয় ধর্ম আর পড়াশুনা । ইচ্ছা হোক আর অনিচ্ছা শর্তেও তাকে করতে হচ্ছে এই সব কাজ । কয় জন মাতা পিতা আছে তার সন্তান কে ছেড়ে দেয় তোমার যাহ ইচ্ছা তাই করো । একটা কথা আমার মনে হয় এক জন শিশু যখন দেখবে খেলার মাঠে কেউ নেই তখন কি তার মনে এই টুকু চিন্তা কি হবে নাহ সবাই কোথাই কি করছে ? যখন সে জানবে সবাই পড়া শুনা করার জন্য স্কুলে জাসছে তখন সে নিজে থেকে স্কুলে যাবে। প্রতি বছর অনেক ছেলে মেয়ে স্কুলে যায় কিন্তু সবাই তার পড়াশুনা শেষ করতে পারে নাহ কেউ পড়া শুনা বাদ দিয়ে কাজ করে কেউ অনেক সময় ব্যয় করে পড়াশুনা শেষ করতে । অনেকে হতাশ হয়ে পরে তার পড়াশুনা নিয়ে আর মাতা পিতা তো আছে তার উপর রাগ করে তাকে শাস্তি দিয়ে হোক পড়া শুনা করানোর জন্য । কেউ যদি তার পিতা কে জিজ্ঞাস করে কেন পড়া শুনা করবো ? এক কথায় উত্তর দিয়ে দেই পড়া শুনা নাহ করলে বড় হবা কি করে আর বড় হয়ে কি করবা কিভাবে টাকা উপার্জন করবা টাকা ছাড়া জীবন চলে নাহ । আপনি কিভাবে এই সত্যি কথাটাকে মিথ্যা বলবেন কোন উপায় নেই মিথ্যা বলার ।আমার কাছে মনে হয় ওই উত্তর গুলা যদি একটু আধুনিক ভাবে দেয়া হয় তাহলে অনেক ভালো হবে । যদি এই ভাবে দেয়ার চেষ্টা করি তাহলে কি হবে বাংলাদেশের অনেক নাম করা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আছে যার সাথে মিশে আছে আমাদের অনেক ইতিহাস । আমরা যদি বলি পড়া শুনা করে কারা কি কি করছে ? কিভাবে পড়া শুনা করছে ? কোথাই পড়াশুনা করেছে ? পড়াশুনা করে কিভাবে মানুষের উন্নতি ও নিজের উন্নতি করছে ? এই জন্য আমাদের ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেয়া খুব দরকার । ছোট একটি মানুষ কে শক্ত কোন ভাষা প্রয়োগ এবং রাগ করে বুঝিয়ে বলা এর থেকে ভালো কোন পথ আমার জানা নাই ।



একটু বড় হলে চলে আসে মাদক আর অসৎ সঙ্গ । প্রত্যেকটি মানুষ তার কাজের জন্য ভালো আর খারাপ পুরস্কার পেয়ে থাকে ।মানুষ কে নাহ তার কাজ কে ঘৃণা করা আর সেই কাজ গুলা থেকে বিরত থাকা বুদ্ধিমানের কাজ । তাকে বুঝতে দিতে হবে কোন কাজ টা খারাপ কোন কাজ টা করলে মানুষ তাকে খারাপ বলবে এগুলা নিজে থেকে পরিবার আর সমাজের কাজ থেকে শিখে নিতে হবে যাতে সামনে চলতে গেলে পথ হারিয়ে বিপথে নাহ যেতে হয় ।



চিন্তা মানুষ কে মুক্তি দিতে পারে না আর মানুষের চিন্তার কোন শেষ নেই এর থেকে বের হয়ে আসার কোন পথ নেই ।

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.