নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

“Blogger | Law Student | Human Rights Activist”

শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু

লেখালেখির মাধ্যমে আমি নতুন ভাবনা, নতুন দৃষ্টিভঙ্গি ও সৃজনশীল প্রকাশ খুঁজে পাই। আমার লেখার লক্ষ্য পাঠকদের ভাবতে উদ্বুদ্ধ করা এবং একটি অর্থবহ আলোচনা তৈরি করা।

শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু › বিস্তারিত পোস্টঃ

সিংহাসনের লড়াই: নেকড়ের জয়ধ্বনি ও ছায়ার বিনাশ

০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১:৪৮



“Game of Thrones: Winter is coming” - এর ছায়া অবলম্বনে।

বাংলার আকাশে এখন নতুন সূর্যের আভা, কিন্তু বাতাসের হিমেল পরশ এখনো যায়নি। 'পদ্মপুর' দুর্গের রাজকীয় কক্ষের একপাশে বিশাল মানচিত্রের দিকে তাকিয়ে ছিলেন তারেক জিয়া। তার চোখে এখন ক্লান্তির চেয়ে বেশি আছে বিজয়ী বীরের ঔজ্জ্বল্য। দীর্ঘ নির্বাসনের দিনগুলোতে তিনি কেবল ঘোড়া চালানো শেখেননি, শিখেছেন মানুষের মন পড়তে এবং শত্রুর চাল বুঝতে।

ঠিক তখনই নিঃশব্দে কক্ষে প্রবেশ করলেন ডা. শফিকুর রহমান। তার মুখে সেই চিরচেনা রহস্যময় হাসি, যা দেখে বোঝা দায় তিনি মিত্র নাকি শত্রু।

দুই চাণক্যের সংলাপ
শফিকুর রহমান কুর্নিশ করে বললেন, "অভিনন্দন, মহামান্য। প্রজারা আপনার নামে জয়ধ্বনি দিচ্ছে। তবে মনে রাখবেন, জনস্রোত যেমন সিংহাসনে বসায়, তেমনি ডুবিয়েও দিতে পারে।"

তারেক জিয়া মানচিত্র থেকে চোখ না সরিয়েই শান্ত গলায় বললেন, "প্রজারা তখনই ডুবিয়ে দেয় শফিক সাহেব, যখন তারা রাজার চেহারায় কেবল শাসককে দেখে না, বরং তাদের অধিকারের রক্ষাকর্তাকে খুঁজে পায়। আমি যখন নির্বাসনে ছিলাম, আমি জানতাম আপনি এখানে আপনার ছায়া বিস্তার করছেন। আপনি ভেবেছিলেন আমি ফিরব কেবল আবেগ নিয়ে? না, আমি ফিরেছি প্রতিটি মানুষের হৃদয়ের স্পন্দন আর আপনার প্রতিটি গোপন চালের হিসেব নিয়ে।"

ক্ষুরধার বুদ্ধির চাল
তারেক জিয়া এবার ঘুরে দাঁড়ালেন। তার চোখের দৃষ্টি ছুরির মতো তীক্ষ্ণ। তিনি টেবিলের ওপর রাখা একটি প্রাচীন সিলমোহর এগিয়ে দিলেন।

"আপনি লর্ড ইউনুসের সাথে গোপনে যে চুক্তির চেষ্টা করেছিলেন, তার খবর আমার কাছে অনেক আগেই পৌঁছেছে। আপনি চেয়েছিলেন সময়ক্ষেপণ করতে, যাতে এই অরাজকতায় আপনি আপনার জাল আরও বিস্তার করতে পারেন। কিন্তু আমি লর্ড ইউনুসকে সেই পথেই হাঁটতে দিয়েছি যা অনিবার্য ছিল, কারণ আমি জানতাম কুয়াশা যত ঘন হবে, মানুষ তত বেশি স্বচ্ছ আলোর জন্য নেকড়ের গর্জনই শুনতে চাইবে।"

নতুন অধ্যায়
তারেক জিয়া জানালার কাছে গিয়ে দূরে তাকিয়ে বললেন, "সীমান্তের ওপারে নির্বাসিত ড্রাগনরা ভাবছেন আমরা বিবাদে জড়িয়ে নিজেদের ধ্বংস করব। তারা প্রতীক্ষায় আছেন। কিন্তু আমি এই ভাঙা রাজ্যকে এমন এক লৌহবর্ম দিয়ে ঢেকে দেব, যেখানে ষড়যন্ত্রের কোনো ছিদ্র থাকবে না। ডা. শফিক, রাজনীতিতে কেউ চিরস্থায়ী শত্রু নয়, আবার কেউ অন্ধ মিত্রও নয়। আমি আপনাকে সুযোগ দেব দেশ গড়ার, তবে মনে রাখবেন—আমার রাজ্যে ষড়যন্ত্রের কোনো স্থান নেই।"

বাইরে তখন হাজার হাজার মশাল জ্বলছে। জনতা স্লোগান দিচ্ছে— "বিজয় এসেছে!" তারেক জিয়া বারান্দায় এসে দাঁড়ালেন। শীতের রাত শেষ হয়েছে ঠিকই, কিন্তু এক নতুন বীরের শাসন কেবল শুরু হলো।

মন্তব্য ৩ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৩) মন্তব্য লিখুন

১| ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:৪০

মায়াস্পর্শ বলেছেন: গেম অফ থ্রোন্স দেখে এদেরকে সেই পর্যায়ের ভাবতেই আমার কেমন জানি লজ্জা লাগছে।
ছবিটা সুন্দর।

০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:০৫

শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু বলেছেন: আপনার মন্তব্য পড়ে ভালো লাগলো। অনেক ধন্যবাদ লেখাটি পড়ার জন্য।

২| ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:১১

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: ভাই আমার এটা মাথায় ধরে না আল জাজিরা কি কদু ? এরা ডিডি আমির কে কিভাবে এই কোয়েশচেন করে ? আল জাজিরা সশস পাবে কাতারের আমির কোয়েশচেন করতে কেন কাতারের আমির একজন মহিলা হয় না ?

শুধু শুধু সাদা মনের মানুষটাকে হয়রানি । :D

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.