নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

“Blogger | Law Student | Human Rights Activist”

শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু

লেখালেখির মাধ্যমে আমি নতুন ভাবনা, নতুন দৃষ্টিভঙ্গি ও সৃজনশীল প্রকাশ খুঁজে পাই। আমার লেখার লক্ষ্য পাঠকদের ভাবতে উদ্বুদ্ধ করা এবং একটি অর্থবহ আলোচনা তৈরি করা।

শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু › বিস্তারিত পোস্টঃ

ছায়াঘর: কেস ফাইল #১৯৯৬ (দ্য লাস্ট রিল)

০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:২২


লেখকের নোট:
এই গল্পটি ৯০-এর দশকের জনপ্রিয় চিত্রনায়ক সালমান শাহর রহস্যজনক মৃত্যুকে ঘিরে জনমনে দীর্ঘদিনের স্মৃতি, নস্টালজিয়া ও আলোচনার ওপর ভিত্তি করে নির্মিত একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ইনভেস্টিগেটিভ থ্রিলার । গল্পে উল্লেখিত তদন্তপ্রক্রিয়া, আসামির স্বীকারোক্তি, ফরেনসিক ব্যাখ্যা ও ঘটনাপ্রবাহ কাল্পনিক—যার সাথে বাস্তব চলমান আইনি তদন্তের কোনো সম্পর্ক নেই। জীবিত বা মৃত ব্যক্তিদের চরিত্রায়নে কেবল কল্পনার আশ্রয় নেওয়া হয়েছে।

১৯৯৬ সালের সেপ্টেম্বর। বৃষ্টির দিনগুলোতেও ঢাকার বাতাসে কেমন যেন একটা আর্দ্র গরম আর ক্যাসেট শপের চেনা কাঠের গন্ধ।

খিলগাঁও গভমেন্ট হাই স্কুলের ক্লাস নাইনের ছাত্র আরিয়ান তখন নিউ মার্কেটের গলি ঘেঁষে হেঁটে যাচ্ছে। রিকশার পেছনের হ্যান্ডেলে প্লাস্টিকের ফিতায় ঝুলছে রঙিন পোস্টার। বলাকা সিনেমা হলের সামনে লোকে লোকারণ্য, আর ক্যাসেটের দোকানগুলোতে একটানা বেজে চলেছে ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’-এর গান।

তখন আরিয়ানের ঘরজুড়ে শুধুই বলিউডের আধিপত্য। দেয়ালে সালমান খানের বিশাল পোস্টার, চুলে মাঝখানে সিঁথি। বন্ধুদের সাথে আড্ডায় আরিয়ানের অহংকার ছিল সেই বি-টাউনের স্টাইল নিয়ে।

কিন্তু তার দুই বছরের বড় বোন ফারহানা একদিন ঘরে ঢুকেই দেওয়ালে একটা নতুন পোস্টার সাঁটিয়ে দিল। পোস্টারের যুবকটির কপালে পেঁচানো রঙিন ব্যান্ডানা, চোখে ডার্ক সানগ্লাস, জিনসের জ্যাকেটের কলার উল্টানো। এক অদ্ভুত বাঁধভাঙা হাসি।

আরিয়ান প্রথমে মুখ বাঁকিয়ে বলেছিল, "হুঁ! আমাদের বি-টাউনের সালমানই আসল সালমান। ইনি আবার কে?"

কিন্তু সেই শুক্রবার বিকেলে বোন আর বন্ধুদের সাথে বাধ্য হয়ে সিনেমা হলে গিয়ে যখন পর্দা কাঁপতে দেখল, যখন আরিয়ানের নিজের অজান্তেই সিটের ওপর দাঁড়িয়ে সিটি বাজাতে ইচ্ছে হলো, তখন তার ভুল ভাঙল। চশমা খোলার কায়দা, ঠোঁটের কোণে অভিমানী হাসি আর হেলেদুলে হেঁটে যাওয়ার সেই ভঙ্গিমায় ছিল এক জাদুকরী আবেদন। ঢাকার রাজপথ আর তরুণদের হৃদয় একঝটকায় দখল করে নিয়েছিলেন নিউ ইস্কাটন রোডের সেই তরুণ—সালমান শাহ

ঠিক তার কদিন পর। ৬ই সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।

বৃষ্টিভেজা বিকেলে স্কুল থেকে ফিরেই আরিয়ান দেখল ড্রয়িংরুমে বিটিভির সংবাদের দিকে তাকিয়ে আছেন মা ও বোন। খবর এসেছে—ইস্কাটন প্লাজার ৬ষ্ঠ তলার ফ্ল্যাটে অচেতন অবস্থায় পাওয়া গেছে ২৫ বছরের তরুণ অভিনেতা সালমান শাহকে। হলি ফ্যামিলি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর ডাক্তাররা মৃত ঘোষণা করেছেন।

টিভি সেটের সামনে দাঁড়িয়ে সেদিন ১৫ বছরের আরিয়ানের মনে হয়েছিল, শহরের যেন আলো নিভে গেছে। ক্যাসেট প্লেয়ারে ফিতা টেনে পেনসিল দিয়ে ঘুরিয়ে বার বার সেই গানটিই শুনছিল সে—‘সোনা বন্ধু রে...’। চারদিকে ছড়িয়ে পড়েছিল আত্মহত্যার কথা। কিন্তু কৈশোরের সেই আবেগী কাঁচা মন সেদিন প্রশ্ন করেছিল—যে মানুষের চোখে এত জীবনের আলো, সে কীভাবে হুট করে নিভে যায়?

৩০ বছর কেটে গেছে। ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর।

কৈশোরের সেই ১৫ বছরের ছেলেটি এখন পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)-এর স্পেশাল ইনভেস্টিগেটর আরিয়ান। চুলে হালকা পাক ধরেছে, চোখের কোণে অভিজ্ঞতার গভীরতা, হাতে একের পর এক জটিল কেস সমাধানের সুনাম।

বিকেলে পিবিআই সদর দপ্তরে আরিয়ানের টেবিলে এসে পড়ল ধুলো জমা একটা লাল ফাইল। ওপরে লেখা—‘কেস ফাইল: ১৯৯৬/রমনা (পুনস্তদন্ত)’।

আদালতের নির্দেশে সিআইডি থেকে কেসটি পুনরায় পিবিআই-এর স্পেশাল উইংয়ে হস্তান্তরিত হয়েছে। দীর্ঘ ৩০ বছরে ৯ বার রিপোর্ট পিছিয়েছে, একের পর এক রিভিশন আবেদন হয়েছে, কিন্তু জনমনে জমা হওয়া রহস্যের জট খোলেনি।

ফাইলটি খুলতেই আরিয়ানের হাতের তালু হালকা ভিজে উঠল। প্রথম পাতায় সেই ৩০ বছর আগের ক্রাইম সিন ফটো—সাদা চাদরে ঢাকা নিথর দেহ।

আরিয়ান চেয়ারে হেলান দিয়ে চোখ বুজল। সে একই সাথে একজন পুলিশ অফিসার, একজন পেশাদার তদন্তকারী, আর ৩০ বছর আগের সেই ১৫ বছরের ভক্ত কিশোর—যার মনের ভেতরে জমা হয়ে থাকা পুরনো স্মৃতিগুলো হঠাৎ জেগে উঠল।

"স্যার?" সাব-ইনস্পেক্টর রিয়াদ দরজায় নক করে ঢুকলো। "৩০ বছরের পুরনো ফাইল। অনেক তথ্য নষ্ট, অনেকে এখন আর নেই। এমনকি মূল আসামি বা সন্দেহভাজনদের জবানবন্দিতে শতটা ফাঁকফোকর। এটা সলভ করা কি আদৌ বাস্তবসম্মত?"

আরিয়ান ফাইল থেকে চোখ না তুলে ধীরস্বরে বললেন, "রিয়াদ, তদন্তকারী হিসেবে আমাদের কাজ অতীতকে নতুন করে লেখা নয়, কিন্তু অতীতে বাদ পড়ে যাওয়া বৈজ্ঞানিক অসঙ্গতিগুলোকে মুখোমুখি দাঁড় করানো। আমরা কোনো অলৌকিক বিচার করতে আসিনি; সত্যের সামনে দাঁড়িয়ে সত্য কথাটা বলতে এসেছি।"

আরিয়ান ৩০ বছরের পুরনো নথি ও আলামতের ছবিগুলো টেবিলজুড়ে সাজালেন।

আজ প্রযুক্তি বদলেছে। এআই বা ডিজিটাল টুলস এখন সত্য তৈরি করে না, কিন্তু পুরনো ঝাপসা ছবির পিক্সেল এনহান্সমেন্ট ও বায়োমেকানিক্যাল মেজারমেন্ট দিতে পারে।

আরিয়ান কম্পিউটারের স্ক্রিনে পুরনো ছবিগুলো জুম করলেন।

"রিয়াদ, আমি প্রথমে ভেবেছিলাম সিলিং ফ্যানের ব্লেড বাঁকেনি বলে ঝুলন্ত অবস্থা অসম্ভব। কিন্তু সেটা একটা ভুল হাইপোথিসিস হতে পারে। ফ্যানের ব্লেড কতটা ডিফ্লেক্ট করবে তা লোড ডিস্ট্রিবিউশন ও মেটেরিয়ালের ওপর নির্ভর করে।" আরিয়ান স্ক্রিনের দিকে নির্দেশ করলেন, "কিন্তু আসল অসঙ্গতিটা অন্য জায়গায়।"

১. লিগেচার মার্ক অ্যান্ড প্রেসার ভেক্টর: গলায় পেঁচানো কাপড়ের প্রেশার পয়েন্টটি পুরোপুরি ভার্টিকাল হরাইজনে নেই। থ্রি-ডি স্পেশাল রিকনস্ট্রাকশন এআই দেখাচ্ছে, ফ্যাব্রিকের ইমপ্রেশন মার্কটি ছিল প্যারালাল এবং ব্যাকওয়ার্ড ট্রাজেক্টরির—যা কেবল বাহ্যিক কোনো বল প্রয়োগের ফলেই সম্ভব।
২. টক্সিকোলজি রেকর্ডের ট্রেইস: ৩০ বছর আগের ফরেনসিক টেস্টে অতিরিক্ত ড্রাগ বা চেতনানাশকের প্রত্যক্ষ প্রমাণ মেলেনি ঠিকই, তবে স্টমাক কন্টেন্ট ও রক্তের প্রাথমিক ল্যাব স্পেকট্রামে একটি অচেনা সেডেটিভ রেজিকিউর উপস্থিতি পাওয়া গিয়েছিল, যা সেই সময়ে 'ইনকনক্লুসিভ' বলে ফাইলে ফেলে রাখা হয়েছিল।
৩. ওভারলুকড ফোটোগ্রাফিক ডিটেইল: ঘটনার রাতের একটি বিশেষ ছবি ডিজিটাল এনহান্স করার পর পেছনের একটা টেবিলের ওপর একটি বিদেশি ব্র্যান্ডের আফটারশেভ ও ঘড়ি পাওয়া যায়, যা নিহতের নিজের ব্যবহৃত তালিকার সাথে মেলে না।

"এআই আমাদের ছবিটা পরিষ্কার করে দিচ্ছে মাত্র, রিয়াদ," আরিয়ান স্ক্রিন বন্ধ করে বললেন। "ছবিটার বাইরে সে রাতে বন্ধ ঘরের ভেতর আসলে কী ঘটেছিল, তা বিজ্ঞান আর যুক্তির নিরিখেই উদ্ধার করতে হবে।"

মামলাটিতে সিআইডি কর্তৃক সম্প্রতি গ্রেপ্তার হওয়া আসামি ডনকে পিবিআই-এর স্পেশাল ইন্টারোগেশন রুমে নিয়ে আসা হলো।

৩০ বছর পর আসামির চেহারায় বয়সের ছাপ, কিন্তু চোখে একধরনের উদাসীনতা। সে ভেবেছিল তিন দশক পর আর নতুন কোনো মোড় আসা সম্ভব নয়।

"ডিআইজি স্যার," ডন চেয়ারে সোজা হয়ে বসল। "৩০ বছর তো গেল। পুরনো জবানবন্দি ছাড়া আপনাদের হাতে নতুন আর কী-ই বা আছে?"

আরিয়ান কোনো চেঁচামেচি করলেন না। তিনি টেবিলের ওপর তিনটি ভিন্ন ল্যাব টেস্ট রিপোর্ট আর একটি ডিজিটাইজড ফটো ফাইল রাখলেন।

"ডন সাহেব," আরিয়ান শান্ত কণ্ঠে বললেন, "আমি আপনাকে দোষী প্রমাণ করতে আসিনি। কিন্তু তদন্তের খাতিরে দুটি স্বাধীন বৈজ্ঞানিক সত্যের মুখোমুখি উত্তর চাই।"

আরিয়ান ফাইলের পাতা ওল্টালেন।

"প্রথমত, ৯৭ সালে রেজভি আহমেদ যে জবানবন্দি দিয়েছিল, সেটিকে আপনারা চাপ সৃষ্টিকারী স্বীকারোক্তি বলেছিলেন। কিন্তু সেই জবানবন্দিতে উল্লেখ থাকা সেডেটিভ ট্রানকোলাইজারের যে রাসায়নিক নাম ছিল, ৩০ বছর পর ডিজিটাল এনহান্সমেন্টের মাধ্যমে মৃতদেহের পেটের ভিসেরা থেকে পাওয়া সেই ইনকনক্লুসিভ কেমিক্যাল কম্পোজিশনের সাথে সেটি আশঙ্কাজনকভাবে মিলে যাচ্ছে।"

ডনের চোখের পাতা এক মুহূর্তের জন্য কাঁপল।

"দ্বিতীয়ত," আরিয়ান একটি ছবি এগিয়ে দিলেন, "ঘটনার ঘরের দরজার ক্যাচ-লকে পাওয়া ফাইবারের আণুবীক্ষণিক পরীক্ষা এবং আপনারা যে গাড়িটি ব্যবহার করেছিলেন তার পেছনের সিটের ফেব্রিক ট্রেইসের কন্সিস্টেন্সি ৯৯ শতাংশের ওপর। আপনি বলতেই পারেন সুতোটা কাকতালীয়, কিন্তু সুতো, কেমিক্যাল আর মিসিং পার্সোনাল ইমপ্যাক্ট—তিনটি ইনডিপেন্ডেন্ট উপাদান একসাথে কাকতালীয় হতে পারে না।"

ডন এক মুহূর্ত চুপ করে রইল। সে কোনো নাটকীয় কান্না বা হাঁটু গেড়ে কান্না করল না; তবে তার দীর্ঘদিনের আত্মবিশ্বাসের দেয়ালে ফাটল ধরল। সে শুধু নিচু গলায় বলল, "আমি সেদিন শুধু ঘরে গিয়েছিলাম... কিন্তু সেখানে যা ঘটেছিল, তা আমার হাতের নিয়ন্ত্রণে ছিল না স্যার। পরিস্থিতি আমাদের হাতের বাইরে চলে গিয়েছিল..."

আরিয়ান সুনির্দিষ্ট কোনো অতিরিক্ত দাবি করলেন না। কিন্তু এই পরিপূরক স্বীকারোক্তি ও বৈজ্ঞানিক প্রমাণের ভিত্তিতে ৩০ বছরের ধোঁয়াশার পেছনে ঢাকা পড়া মূল ষড়যন্ত্রের যোগসূত্রটি আদালতের চূড়ান্ত পর্যালোচনার জন্য প্রস্তুত হয়ে গেল।

পরদিন বিকেলে পিবিআই সদর দপ্তরে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে স্পেশাল ইনভেস্টিগেটর আরিয়ান তদন্তের অগ্রগতি ও উদ্ধার হওয়া নতুন বায়োমেকানিক্যাল ও টক্সিকোলজিক্যাল অসংগতির সারসংক্ষেপ আদালতের কাছে দাখিলের বিষয়টি উপস্থাপন করলেন।

ব্রিফিং শেষে এক তরুণ সাংবাদিক প্রশ্ন করলেন, "স্যার, দীর্ঘ ৩০ বছর পর এই তদন্ত সম্পন্ন করা থেকে আপনি ব্যক্তিগতভাবে কী শিক্ষা পেলেন?"

আরিয়ান মাইকের সামনে দাঁড়িয়ে একমুহূর্ত থামলেন।

"৩০ বছর অনেক দীর্ঘ সময়," আরিয়ান ধীরস্বরে বললেন। "মানুষ ভুলে যায়, স্মৃতি ধূসর হয়ে যায়। কিন্তু বিজ্ঞান ও তথ্য তার জায়গায় স্থির থাকে। এই কেসটি কেবল একটা ফাইল ছিল না, এটি ছিল একটি প্রজন্মের স্মৃতির সাথে যুক্ত এক অসমাপ্ত প্রশ্ন। বিচার পাওয়ার অধিকার কোনোদিন পুরনো হয় না।"

প্রেস রুমের বাইরে রোদ পড়েছিল।

নিজের ব্যক্তিগত কক্ষে ফিরে এসে আরিয়ান লাল ফাইলটা বন্ধ করে বিশেষ সীলমোহর লাগালেন। এটি এখন আদালতের সোপর্দ করা হবে।

ড্রয়ার থেকে আরিয়ান নিজের পুরনো একটা লাল রঙিন ব্যান্ডানা বের করলেন—যেটি সে ১৯৯৬ সালে ক্লাস নাইনে পড়ার সময় টিফিনের টাকা বাঁচিয়ে নিউ মার্কেট থেকে কিনেছিল। তার সাথে সালমান শাহর সেই রাজকীয় হাসির একখানা পুরনো পাসপোর্ট সাইজ ছবি।

আরিয়ান ছবিটির দিকে একমুহূর্ত তাকিয়ে রইলেন।

"ত্রিশ বছর আগে যে প্রশ্নটা আমার কৈশোরকে থামিয়ে দিয়েছিল," আরিয়ান বিড়বিড় করে বললেন, "আজ অন্তত সেই প্রশ্নের সামনে দাঁড়িয়ে সত্যের আলোটা ছুড়ে দিতে পারলাম।"

আরিয়ান ফাইল ও ড্রয়ারটি বন্ধ করলেন। উইন্ডো গ্লাসের ওপারে তখন সেপ্টেম্বরের সোনাঝরা বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা নামছে। ঘরের আবহাওয়ায় আর কোনো হাহাকার ছিল না, ছিল কেবল ৩০ বছরের এক অসমাপ্ত স্মৃতির শান্ত ও গভীর সমাপ্তি।

মন্তব্য ০ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.