| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
জানি অনেকে এই বিষয় গুলো জানেন কিন্তু আমি তবুও শেয়ার করছি কারন আমরা প্রতিনিয়ত ভুলে যাই তাই আর আমরা এখানে অনেকে আছি যারা জানে না কিন্তু রামদাম নেট ব্যবহার করছে.....যাই হোক আমি কাউকে কষ্ট দেয়ার জন্য কথা গুলো বলাম না।তাই কষ্ট না নিয়ে বিষয় গুলা জেনে নেই।
ইন্টারনেট কি?
ইন্টারনেট হলো পৃথিবীজুড়ে বিস্তৃত অসংখ্য নেটওয়ার্কের সমম্বয়ে গঠিত একটি বিরাট নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা।আনেক গুলো কম্পউটার এক সাথে যুক্ত করে একটি নেটওয়ার্ক এর সাথে যুক্ত করে আর একটি নেটওয়ার্ক এর সাথে যুক্ত করাই হলো ইন্টারনেট।তাই একে ইন্টারনেটওয়ার্কিং ও বলা হয়।
১৯৬৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের লস এঞ্জেল্-স এর UCLA ল্যাবরেটরিতেএটি সর্বপ্রথম আরপানেট(Arpanet-Advanced Research Projects Administration Network) দিয়ে যাত্রা সুরু করে।s
ইন্টারনেট সংযোক কত প্রকার?
১.অনলাইন(Online)
২.অফলাইন(offline)
বিভিন্ন প্রকার নেটওয়ার্ক
LAN-Local Area Network
WAN-Wide Area Network
VPN-Virtual Private Network
আইপি অ্যাড্রেস(IP Address)
ইন্টারনেটে যুক্ত প্রতিটি কম্পিউটারের একটি ঠিকানা থাকে এ ঠিকানাকে বলা হয় আইপি অ্যাড্রেস(IP Address)।প্রতিটি অ্যাইপি ৩২ বিট এর হয়।
একটি অ্যাইপি অ্যাড্রেস কে তিন ভাবে প্রকাশ করা যাই যেমন
ডটেড ডেসিমাল-২০৩.৯১.১৩৯.২
বাইনারি-১১০০১০১১.১০১১০১১.১০০০১০১১.১০
হেক্সাডেসিমাল-CB:5B:8B:2
আইপি অ্যাড্রেস(IP Address) এর দুইটি অংশ থাকে নেটওয়ার্ক অ্যাড্রেস এবং হোস্ট অ্যাড্রেস। ২০৩.৯১.১৩৯.২ ঠিকানায় ২০৩.৯১.১৩৯ হলো নেটওয়ার্ক অ্যাড্রেস এবং ২ হলো হোস্ট অ্যাড্রেস।
ডোমেইন নেম(Domain Name)
আইপি অ্যাড্রেস এর নম্বর টাকে একটি নামে প্রকাশ করাকে ডোমেইন নেম(Domain Name) বলে।আইপি অ্যাড্রেস ২০৩.৯১.১৩৯.২ এত এর পরিবর্তে bijoy.net ডোমেইন নেম এ ব্যবহার করা যায়।ডোমেইন নেম(Domain Name) একক হয় তাই এক নামের ডোমেইন অন্য কেউ পাবে না।ডোমেইন নেম(Domain Name) নিয়ন্ত্রন করার পদ্ধতিকে DNS(Domain Naming System)বলে।ডোমেইন নেম(Domain Name) এর শেষ অংশ কে টপ লেভেল ডোমেইন বলা হয়।যেমন bijoy.net এর.net হচ্ছে টপ লেভেল ডোমেইন।এই রকম আরো আছে .com,.gov,.mil,.org,.edu,.int ইত্যাদি ইত্যাদি।
bijoy.net.bd এর ক্ষেত্রে আমরা .bd এ সাব টপ লেভেল ডোমেইন কে কান্ট্রি ডোমেইন বলবো। যেমন: .ar, .au,.bd, .in, .cn, .uk, .pk, .jp, .us ইত্যাদি ইত্যাদি।
ওয়েব পেইজ
ওয়েব পেইজ হলো ইন্টারনেট এর সেই স্থান যে খানে কোন তথ্য,অডিও,ভিডিও,স্থির ছবি,অ্যানিমেশন রাখা হয়।
এই ওয়েব পেইজ এর এই সব তথ্য,অডিও,ভিডিও,স্থির ছবি,অ্যানিমেশন জমা করে রাখা হয় তাকে সারভার বলে।
ইন্টারনেট এ একটি ওয়েব পেজ খুলতে যা যা লাগে:
১.প্রথমে একটি ডোমেইন নেম(Domain Name) রেজিস্ট্রেশন করতে হয়।
২.ওয়েব পেইজ ডিজাইন করতে হয় । ফ্রি সাইট হলে তো কোন কথাই নেই ফ্রি ডিজাইন পাওয়া যাই।
৩.ওয়েব পেইজ কে কোন নির্ভরযোগ্য সার্ভারে ভাড়ার বিনিময়ে বা ফ্রিতেও রাখা যাই।
৪.ওয়েব পেইজ কে প্রচার মূখি করার জন্য SEO করতে হয়।SEO কি পরে জানাবো।
ইআরএল(URL)
কোন ওয়েব পেইজকে প্রদর্শন করতে ওয়েব ব্রাউজারে এর ঠিকানা নির্দিষ্ট করে দিতে হয়।URL-(Universal Resource Unique Locator) হলো ওয়েব পেইজ এর একক ছিকানা।
প্রতিটি URL এ থাকে
যেমন:
http://www.facebook.com/home/login.htm
১.ওয়েব প্রোটোকল (http)
২.ওয়েব সার্ভার এর নাম (http://www.facebook)
৩.ডোমেইন নেইম(.com)
৪.ডিরেক্টারি নাম(পাথ)(home)
৫.ফাইল এবং এক্সটেনশন(login.htm)
এখানে http মানে Hypertext Transfer Protocol হলো তথ্য বিনিময়ের যোগাযোগ নিয়ম যা ওয়েব ব্রাউজারকে ওয়েব সার্ভারের সাথে যোগাযোগ কারার অনুমতি দেয়।
.htm হলো নিদির্ষ্ট ফাইল খোলার এক্সটেসন।htm(hypertext markup language)
বিভিন্ন ধরনের নেটওয়ার্ক সার্ভার:
১.ফাইল সার্ভার(File Server):
এধরনের সার্ভার ইন্টারনেট ব্যাবহারকারী বা ক্লায়েন্টদের ফাইল শেয়ার বা ব্যবহারের সুযোগ করে দেয়।
২.প্রিন্ট সার্ভার(Print Server):
প্রিন্ট সার্ভার মুলত কোন নেটওয়ার্কে একটি একক প্রিন্টার বা কতগুলো পিন্টারের গ্রুপকে কন্ট্রোল করে থাকে।
৩.অ্যাপ্লিকেশন সার্ভার(Application Server):
এ ধরনের সার্ভার নেটওয়ার্কের অতিরিক্ত কম্পিউটিং ক্ষমতা ও অত্যান্ত দামি সফটওয়ার ক্লায়েন্ট পিসিকে ব্যবহার করার সুযোগ করে দেয়।অ্যাপ্লিকেশন সার্ভার মূল প্রোগ্রামটি তার শক্তিশালী মেশিনে চালিয়ে দেয় এবং ক্লায়েন্ট পিসির বোঝা অনেকখানি হালকা হয়ে যায়।ধরাযাক অ্যাপ্লিকেশন সার্ভার এ মাইএসকিউএল চালু আছে এবং কোন ক্লায়েন্ট তার ডাটাবেজ থেকে একটি বিশেষ রেকর্ড খুজেবের করার কমান্ড পাঠায় তবে সিক্যুয়ল সার্ভার ডাটাবেজ ঘেটে সেই রেকর্ড টি মুর্হুতের ভেতর বের করে দেয়।এছাড়া এ অ্যাপ্লিকেশন সার্ভার ব্যবহারের মাধ্যমে কোন কোম্পানি তার সফটওয়ার লাইসেন্সিং খরচ কমাতে পারে।
৪.মেসেজ সার্ভার (Massage Server): মেসেজ সার্ভার সাহায্যে ডেটা গ্রাফিক্স,অডিও,ভিডিও,টেক্স এবং বাইনারী আকারে নেটওয়ার্কে চলাচল কারতে পারি।
*ইলেকট্রনিক মেইল বা ই-মেইল(Electronic Mail)
*ওয়ার্ক অ্যাপ্লিকেশন(Working Application)
*অবজেক্ট অরিয়েন্টেড অ্যাপ্লিকেশন(Object Oriented Application)
*ডাইরেক্টরি সার্ভিসেস (Directory Application)
৫.ডেটাবেজ সার্ভার(Database Server):
নেটওয়ার্কে ডেটাবেজ সার্ভার অপেক্ষাকৃত দূর্বল প্রকৃতির পিসি বা ওয়ার্কস্টেশনকে শক্তিশালী ডেটাবেজ ব্যবহারের সুযোগ করে দেয়।
৬.ই-মেইল সার্ভার(E-mail Server):
ই-মেইল সার্ভার নেটওয়ার্কে ক্লায়েন্ট থেকে প্রাপ্ত মেসেজসমূহ জমা করে এবং তা প্রয়োজনে অন্য সার্ভার বা ক্লায়েন্ট প্রান্তে ট্রান্সফার করে।
৭.ওয়েব সার্ভার(web Server):
ওয়েব পেজ বা ওয়েব সাইট যে সার্ভার এ সংরক্ষিত থাকে তাকে ওয়েব সার্ভার বলে।
আজ এই পর্যন্তই পরে আবার অনেক কিছু নিয়ে হাজির হবো ।কিছু ভূল হলে মাফ করে দিয়েন......
ভালো লাগলে জানাবে..
পারলে আমার ব্লগ থেকে ঘুরে আসে
mobiledokan
©somewhere in net ltd.