| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সারা দেশ অপেক্ষায়, স্বাধীন বাঙলা সরকার এসে দেশের শাসনভার গ্রহণ করবে। মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতীয় কর্তৃপক্ষের তরফে সমন্বয়ের দায়িত্ব ছিল ডিপি ধরের । তিনি কলকাতায় এলেন ১৮ ডিসেম্বর। তখনো স্বাধীন বাংলাদেশ সরকার কলকাতায় ।
১৮ থেকে ২১ ডিসেম্বর বাংলাদেশ মন্ত্রিসভার সঙ্গে তার আলাপ-আলোচনা চলে। বিভিন্ন বিষয় বাংলাদেশ মন্ত্রিসভার অনুরোধে এই আলোচনার মধ্যেই ভারতীয় সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন লাভ করে। ঠিক হয় রাষ্ট্রযন্ত্র সচল করা ও অর্থনীতির পুনর্গঠনের জন্য ভারত সাহায্য করবে। ডিপি ধরের সঙ্গে আলাপ সেরে ২২ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রিসভা বাংলাদেশে ফেরে। দেশ স্বাধীন হওয়ার ছয় দিন পরে তাজউদ্দীন আহমদ, সৈয়দ নজরুল ইসলাম প্রবাসী সরকারের মন্ত্রিসভার সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে একটা ডাকোটা বিমানে দেশে ফেরেন । ঢাকাবাসী মুজিবনগর সরকারকে প্রাণঢালা সংবর্ধনা দেয়। কিন্তু স্বাধীন দেশে ফিরে আসার ক্ষেত্রে এই বিলম্বের কারণে দেশের মানুষের মধ্যে, বিশেষতঃ শহরে মধ্যবিত্ত সচেতন অংশের মধ্যে তারা কিছুটা সমালোচিত হন।
একই দিনে পাকিস্তানের মিলানওয়ালি কারাগার থেকে শেখ মুজিবুর রহমানকে স্থানান্তর করে গৃহবন্দি রাখা হয়। ৩ জানুয়ারি করাচিতে আহূত এক বিশাল জনসভায় পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট জুলফিকার আলি ভুট্টো উপস্থিত জনতাকে প্রশ্ন করেন, তিনি যদি শেখ মুজিবকে শর্তহীনভাবে মুক্তি দেন তারা সেটা অনুমোদন করবেন কি-না? সমবেত জনতা উচ্চৈঃস্বরে তা সমর্থন করে।
আগের দিন, ২১ ডিসেম্বর ন্যাপের সভাপতি অধ্যাপক মোজাফ্ফর আহমদ এক সংবাদ সম্মেলনে স্বাধীনতা সংগ্রামে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণকারী রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি অন্তবর্তীকালীন জাতীয় সরকার গঠনের প্রস্তাব দেন। তিনি মন্তব্য করেন, সব সংগ্রামী শক্তিকে আস্থায় নেয়া এবং তাদের কাজে লাগানো দরকার এবং একটি জাতীয় সরকারই কাজটি করতে পারে। সংগ্রামী শক্তি বলতে তিনি আওয়ামী লীগ, ন্যাপ, কমিউনিস্ট পার্টি, মওলানা ভাসানীর দল ও বাংলাদেশ জাতীয় কংগ্রেস-এ পাঁচটি দলের নাম উল্লেখ করেন। তার এ বক্তব্য নিয়ে কিছুটা হইচই পড়ে যায়। আওয়ামী লীগ ছাড়া বাংলাদেশের আর কোনো ‘দাবিদার' আছে, এটা অনেকেই ভাবতে পারতেন না।
২৩ ডিসেম্বর আওয়ামী লীগের সমাজসেবা সম্পাদক কে এম ওবায়দুর রহমান সংবাদ সম্মেলন ডেকে বললেন, এই মুহূর্তে বিভিন্ন দলের সমন্বয়ে অন্তবর্তীকালীন সরকার নিয়ে মাথা ঘামানোর দরকার নেই। এটা মানুষকে শুধু বিভ্রান্ত করবে। সেদিন ঢাকায় অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকের মাধ্যমে শুরু হয় নতুন রাষ্ট্রের ঐতিহাসিক পথযাত্রা। মন্ত্রিপরিষদের প্রথম বৈঠকে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা, স্টেট ব্যাংক-কে ‘বাংলাদেশ ব্যাংক', মুক্তিযুদ্ধে শহিদদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে স্মৃতিসৌধ নির্মাণের সিদ্ধান্ত এবং প্রেস ট্রাস্ট বিলুপ্ত ও যুদ্ধ চলাকালে অনুষ্ঠিত সব একাডেমিক ও পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল বাতিল ঘোষণা করা হয়।
২৫ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ বঙ্গভবনে এক সংবাদ সম্মেলন করেন। প্রস্তাবিত জাতীয় সরকার সম্বন্ধে তিনি মন্তব্য করেন, নির্বাচিত গণপ্রতিনিধিদের নিয়ে একটি 'জাতীয় সরকারই গঠিত হয়েছে। তিনি আরো বলেন, পাঁচদলীয় উপদেষ্টা কমিটি বৈধ থাকবে এবং কমিটির সব সদস্য ঢাকায় ফিরে এলে এর বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। তবে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সেই পাঁচদলীয় উপদেষ্টা কমিটির বৈঠক আর কখনো অনুষ্ঠিত হয়নি। দেশের সব মানুষের ঐক্যের শীর্ষবিন্দু মুক্তিযুদ্ধকে ঘিরে সদ্যস্বাধীন দেশে যে সংহত ও ব্যাপক ঐক্যের সূচনা হতে পারতো, শুরুতেই সেই সম্ভাবনাকে নিঃশেষ করে এই জাতীয় অর্জনকে একটি দলের কুক্ষিগত করে ফেলা হলো। মধ্যবিত্তের উজ্জ্বল অংশের আকাঙ্ক্ষা ছিল অনেক তীব্র। প্রবাসী সরকারকে অবিলম্বে ঢাকায় এসে নতুন রাষ্ট্রে সরকারের দায়িত্ব নেবার জন্য অব্যাহতভাবে তাদের পক্ষ থেকে চাপ দেয়া হচ্ছিল। এমনকি এ ধরনের চাপ দেয়া হচ্ছিল পাকবাহিনীর আত্মসমর্পণের আগে থেকেই। কিন্তু ভীরুতা এবং সশস্ত্র সংগ্রামের সঙ্গে প্রত্যক্ষ সম্পর্ক না থাকায় নেতারা 'বিপদসংকুল আর অনিশ্চিত পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে ইতস্তত করছিলেন। ১৯৭২-এর ১ জানুয়ারি সরকারি ব্যবস্থাপনায় শরণার্থীদের দেশে ফেরা শুরু হয়। ২৩ জানুয়ারির মধ্যে মোট ৯৮ লাখ ৯৩ হাজারের মধ্যে ৫০ লাখ শরণার্থী প্রত্যাবর্তন করে।
প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন মুক্তিযোদ্ধাদের অস্ত্র সমর্পণ করার আহ্বান জানালেন। কিন্তু সে আহ্বানে বিশেষ কোনো কাজ হলো না। অনেকেই তখন প্রকাশ্যে অস্ত্র নিয়ে ঘোরাফেরা করছে। বাড়ি, গাড়ি, দোকান, অফিস দখলের উৎসব চলছে। সিরাজুল আলম খানের অনুসারী ছাত্রলীগের একদল কর্মী ডিসেম্বরের শেষদিকে পুরনো ঢাকার র্যাংকিন স্ট্রিটে 'জনতা প্রিন্টিং এন্ড প্যাকেজেস্ দখল করে নেয়। সেখান থেকে জামায়াতে ইসলামীর দৈনিক পত্রিকা 'সংগ্রাম' ছাপা হতো। এই দখল অপারেশনের নেতৃত্ব দেন ছাত্রলীগ নেতা আফতাব উদ্দিন আহমেদ। তিনি পরবর্তী সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি হয়েছিলেন। এই প্রেস থেকেই 'গণকণ্ঠ' পত্রিকা ছাপা হতে থাকে, যা পরবর্তী সময়ে জাসদের মুখপত্র হিসেবে পরিচিত হয়।
শেখ ফজলুল হক মণির গ্রুপও পিছিয়ে থাকবেন কেন? তারাও দলবল নিয়ে ‘দৈনিক পাকিস্তান' (যা পরে 'দৈনিক বাংলা' নামে প্রকাশিত হয়েছিল) ও 'মর্নিং নিউজ' অফিস দখল করতে যান। ঘটনাক্রমে ওই সময় ভবনটির বারান্দায় দাঁড়িয়ে ছিলেন বাংলাদেশ সরকারের ভারপ্রাপ্ত তথ্যসচিব বাহাউদ্দিন চৌধুরী। তিনি শেখ মণিকে ধমক দিয়ে বলেন, “খবরদার, আমি যতক্ষণ আছি, এক পা-ও এদিকে নয়। শেখ মণি আর সামনে অগ্রসর হওয়ার সাহস পাননি। ‘দৈনিক পাকিস্তান' ও 'মর্নিং নিউজ' রক্ষা পায়; কিন্তু কপাল পুড়লো উর্দু দৈনিক ‘পাবান'-এর। তিনি উর্দু দৈনিক ‘পাবান'-এর দখল নিলেন এবং সে নাম বদলে হলো 'বাংলার বাণী'। 'বাংলার বাণী' হয়ে উঠলো আওয়ামী লীগের মুখপত্র। এ
নতুন সরকার কাজ শুরু করলেও শেখ মুজিবুর রহমানের অনুপস্থিতিতে সরকার ক্রমশ দুর্বল হতে থাকে এবং পরিচালিত হতে থাকে ভারতীয় কর্তৃপক্ষের প্রভাবে।
ওদিকে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ভুট্টো ৮ জানুয়ারি ভোররাত তিনটায় রাওয়ালপিন্ডি বিমানবন্দরে শেখ মুজিবকে বিদায় জানান। সেদিন স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ছয়টায় তিনি লন্ডনে পৌঁছেন। তাঁর জন্য রেডক্রসের একটি বিমান ভাড়া করেছিল ভারত সরকার। কিন্তু সেই বিমানে তিনি পাকিস্তান ত্যাগ না করে প্রথমে লন্ডনে যেতে চান। নয় মাসে ঘটে যাওয়া ঘটনাবলী না জানা পর্যন্ত তিনি ভারত প্রসঙ্গে একটা নিরপেক্ষ অবস্থান বজায় রাখতে চেয়েছিলেন। লন্ডন থেকে শেখ মুজিবুর রহমান টেলিফোনে কথা বলেন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী এড্ওয়ার্ড হিথ, ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী আর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের সঙ্গে। লন্ডনে তিনি এক জনাকীর্ণ সাংবাদিক সম্মেলনে বক্তব্য দেন। হিথ্রো বিমানবন্দরে বিমান থেকে নামার পর প্রথম কথা হয় ‘বিবিসি-ওয়ার্ল্ড সার্ভিস'-এর পূর্ব পাকিস্তান বিভাগের সিরাজুর রহমানের সঙ্গে। তিনি বিবিসি'তে বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধবিষয়ক সংবাদসমূহের আন্তর্জাতিক পরিবেশনার সমন্বয়ের দায়িত্ব পালন করতেন। তিনি উচ্ছ্বসিতভাবে শেখ মুজিবকে বলে উঠলেন- আপনি প্রেসিডেন্ট হয়েছেন।
আমি আবার কিসের প্রেসিডেন্ট হলাম?
আপনি তো দেশে ছিলেন না মুজিব ভাই, আপনার নামে আমরা গোটা দেশকে একত্র করে ফেলেছি। আমরা দেশ স্বাধীন করে ফেলেছি।
শেখ মুজিব গভীর আবেগে সিরাজুর রহমানকে জড়িয়ে ধরলেন। জড়িয়ে ধরে হু হু করে কাঁদতে শুরু করলেন। দু'জনেই কাঁদছেন। এর মধ্যে আরো অনেকেই এলেন, জাকারিয়া খান চৌধুরী, প্রফেসর সুরাইয়া আলম প্রমুখ। সবাই ধীরে- সুস্থে তাঁর পাশে বসলেন। গল্পগুজব করতে করতে শেখ মুজিব বললেন যে, মুক্তিযুদ্ধ হলো, কিন্তু কীভাবে হলো? কীভাবে হলো সেটা সংক্ষেপে বর্ণনা করা হলো। তিনি জানতে চাইলেন, কেমন ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির একটা প্রাথমিক ধারণা দেয়ার পর শেখ মুজিব হতবাক ! বললেন-
তুই তো ভয়াবহ কথা বলছিস। কত লোক মারা গেছেরে?
কত লোক মারা গেছে কেউ তো হিসাব করেনি। তবে বিভিন্ন মিডিয়া থেকে, বিদেশি সংবাদপত্রের যে সাংবাদিকরা যাচ্ছেন, ভারতীয় সাংবাদিকরা খবর দিচ্ছেন- সব মিলিয়ে আবু সাঈদ চৌধুরীকেও আমরা বলেছি, সাংবাদিকদেরও বলেছি, এ পর্যন্ত প্রায় তিন লাখ বাংলাদেশি মারা গেছে।
শেখ মুজিব লন্ডনে পৌছে তিন ঘণ্টা বিমানবন্দরে অবস্থান করেন। বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সাথে বিস্তারিত আলাপ না করে বলেন, 'আপনারা দেখতেই পাচ্ছেন আমি সুস্থ আছি, বেঁচে আছি। এ মুহূর্তে আপনারা শুধু আমাকে দেখুন, কিছু শোনার আশা করবেন না। তাই এখন আমি আর বেশি কিছু বলতে চাই না। সম্ভবত আজকের পরে একটা বিবৃতি দিতে পারি।
তিন ঘণ্টা পর শেখ মুজিব বিমানবন্দর থেকে ড. কামাল হোসেনের সঙ্গে ওয়েস্ট এন্ড-এর ক্ল্যারিজেস্ হোটেলের উদ্দেশে রওয়ানা দেন। এই ক্ল্যারিজেস্ হোটেলেই প্রথম শেখ মুজিবুর রহমান সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন।সেখানে বসেই তাজউদ্দীনকে ফোন করা হয়। বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের প্রধানমন্ত্রীকে তিনি বলেন, 'হ্যালো, তাজউদ্দীন, আমি এখন সাংবাদিকদের দিয়ে পরিবেষ্টিত, আমি তাদের কাছে কী বলবো? আমার প্রিয় দেশবাসী কেমন আছে, পাকিস্তানি সামরিক জান্তা কি আমার দেশবাসীকে হত্যা করেছে?'জবাবে তাজউদ্দীন বলেন, 'বর্বর পাকিস্তানি সামরিক জান্তা বাংলাদেশের লাখ- লাখ মানুষকে হত্যা করেছে এবং অসংখ্য লোককে দেশছাড়া করেছে ।তিনি বলেন, “আমি এখানে আর এক মুহূর্ত থাকতে রাজি নই। আমি আমার জনগণের কাছে ফিরে যেতে চাই।'
শেখ মুজিব সাংবাদিকদের জানান, তিনি আগামীকাল বা পরের দিন ঢাকা ফিরবেন বলে আশা করছেন। বাংলাদেশ শিগগিরই জাতিসংঘে সদস্যপদের জন্য অনুরোধ করবে। বাংলাদেশের দাবিকে সমর্থনের জন্য ভারত, সোভিয়েত ইউনিয়ন, পোল্যান্ড ও ফ্রান্সকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, 'বাংলাদেশ এখন অবিসংবাদিত সত্য এবং এদেশকে বিশ্বের স্বীকৃতি দিতে হবে। আমি জানতাম বাংলাদেশ মুক্ত হবেই।’
লন্ডনে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হওয়ার জন্য সম্মেলনকক্ষে প্রবেশের সময় শেখ মুজিব ‘জয় বাংলা' শ্লোগান দিয়ে তাদের অভিনন্দিত করেন। ‘এটা জানতাম বাংলাদেশ মুক্ত হবেই। আমার দেশের লাখ-লাখ লোককে হত্যা করা হয়েছে, নিষ্ঠুর অত্যাচার চালিয়েছে। বেঁচে থাকলে হিটলারও লজ্জা পেত। ব্রিটিশ সাংবাদিক ডেভিড ফ্রস্টের সাথে এক টিভি ইন্টারভিউয়ে তিনি প্রথম 'ত্রিশ লাখ শহিদের কথা উল্লেখ করেন।বাংলাদেশে ফিরে এসেও তিনি রেসকোর্সের ভাষণে শহিদ মানুষের সংখ্যা ত্রিশ লাখ বলেছিলেন।
০৫ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:৪৯
মেহেদী আনোয়ার বলেছেন: ১. দৈনিক বাংলা; ৯ জানুয়ারি ১৯৭২
২. ইত্তেফাক; রবিবার, ২৪ পৌষ ১৩৭৮ বঙ্গাব্দ, ৯ জানুয়ারি ১৯৭২
৩. বঙ্গবন্ধু মুক্ত : ৮ জানুয়ারি সবার চোখ ছিল লন্ডনে, উদিসা ইসলাম, বাংলা ট্রিবিউন, ৮ জানুয়ারি
2020
৪. The David Frost Show, WNEW TV, New York on January 18, 1972
৫. মুক্তিযুদ্ধ ও তারপর : একটি নির্দলীয় ইতিহাস: গোলাম মুরশিদ, প্রথমা প্রকাশন, জানুয়ারি ২০১০, পৃষ্ঠাঃ ১৬৭
৬. জীবনের বালুকাবেলায়, ফারুক চৌধুরী, প্রথমা প্রকাশন, ২০১৪, পৃষ্ঠা: ১৯৭
৭. প্রাগুক্ত, পৃষ্ঠা: ১৯৮
৮. ইত্তেফাক; মঙ্গলবার, ২৬ পৌষ ১৩৭৮ বঙ্গাব্দ, ১১ জানুয়ারি ১৯৭২
,
৯. জীবনের বালুকাবেলায়, ফারুক চৌধুরী, প্রথমা প্রকাশন, ২০১৪, পৃষ্ঠা: ২০২১০. রাজনীতি, হত্যা ও বিভ্রান্ত জাতি; রইসউদ্দিন আরিফ, পাঠক সমাবেশ, ফেব্রুয়ারি ১৯৯৭, পৃষ্ঠা:
১৩১-১৩২
১০. মুক্তিযুদ্ধের অজানা ইতিহাস; সাংবাদিক গোলাম মহিউদ্দিন, ঝিনুক প্রকাশ, এপ্রিল ২০০৫, পৃষ্ঠা:
৪১-৪২
©somewhere in net ltd.
১|
০৫ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১:০০
রাজীব নুর বলেছেন: ইতিহাস লিখছেন।
রেফারেন্স দিবেন না?