নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

অদ্ভুত ছেলেটি

মেহেদী আনোয়ার

জানিনা

মেহেদী আনোয়ার › বিস্তারিত পোস্টঃ

ভারতঃ ক্রিকেটের কদর্য রুপের কারিগর

০৬ ই জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৪

ক্রিকেটের "স্পিরিট অফ ক্রিকেট" (Cricket Spirit) বলতে খেলার প্রতি আনুগত্য, সৎপথে খেলা, প্রতিপক্ষের প্রতি শ্রদ্ধা এবং সততা ইত্যাদি মূল্যবোধকে বোঝানো হয়। তবে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে, ভারতের ক্রিকেটের সাথে সম্পর্কিত কিছু আচরণ এবং ঘটনা এই মূল্যবোধগুলির সঙ্গে কিছুটা বিকৃতি ঘটাতে পারে, যা কিছু মানুষ "স্পিরিট অফ ক্রিকেট"কে দূষিত করার মতো মনে করেন। এখানে কিছু উপায় রয়েছে, যেগুলোর মাধ্যমে ভারত ক্রিকেটের স্পিরিটকে দূষিত করছে:

১. অতিরিক্ত বাণিজ্যিকীকরনঃ
ক্রিকেটের বাণিজ্যিকীকরণ, বিশেষ করে ভারতীয় প্রিমিয়ার লিগ (IPL)-এর উত্থান, খেলার প্রতি স্নেহ, টিমওয়ার্ক এবং সম্মানকে ছাপিয়ে পয়সার প্রতি অতিরিক্ত মনোযোগ দেওয়ার দিকে নিয়ে গেছে। কখনও কখনও এটি খেলার মূল মূল্যবোধগুলিকে অবহেলা করে।
খেলোয়াড়রা মাঝে মাঝে ব্যক্তিগত ব্র্যান্ড এবং এন্ডোর্সমেন্টে বেশি মনোযোগ দেন, যা ক্রিকেটের প্রকৃত প্রতিযোগিতাকে ছাপিয়ে যায়।

২. ম্যাচ-ফিক্সিং এবং দুর্নীতিঃ
ভারতের ক্রিকেটে ম্যাচ-ফিক্সিং সম্পর্কিত কেলেঙ্কারি অনেক বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে, বিশেষত IPL-এর সময়ে। খেলোয়াড়দের ম্যাচ-ফিক্সিং এবং স্পট-ফিক্সিংয়ের সাথে যুক্ত থাকার ঘটনা খেলার সততাকে নষ্ট করেছে। এটি খেলার মূল মূল্যবোধ, যেমন সৎ প্রতিযোগিতা এবং নিষ্ঠা, এর সাথে বিরোধিতা করে।
ক্রিকেট, বিশেষ করে ভারতের ক্রিকেট, বহু বছর ধরে অনেক কেলেঙ্কারির শিকার হয়েছে। এই কেলেঙ্কারিগুলো ম্যাচ-ফিক্সিং, বাজি, দুর্নীতি এবং খেলোয়াড়দের অশোভন আচরণ থেকে শুরু করে অনেক কিছুই জড়িত। এখানে ভারতের সাথে সম্পর্কিত কিছু উল্লেখযোগ্য ক্রিকেট কেলেঙ্কারি তুলে ধরা হলো:
1999 ম্যাচ-ফিক্সিং কেলেঙ্কারি (হান্সি ক্রোনজে এবং ভারতীয় খেলোয়াড়রা)
বিবরণ: ভারতের ক্রিকেট ইতিহাসের সবচেয়ে বড় এবং আলোচিত কেলেঙ্কারি ঘটে ১৯৯০-এর দশকের শেষের দিকে, যখন দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক হান্সি ক্রোনজে ম্যাচ-ফিক্সিংয়ে জড়িত ছিলেন। ভারতীয় ক্রিকেটাররা, যেমন মোহাম্মদ আজহারুদ্দিন (ক্যাপ্টেন), অজয় জাদেজা এবং আরও কিছু খেলোয়াড়, এই কেলেঙ্কারির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
প্রভাব: আজহারুদ্দিন এবং জাদেজাকে ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ করা হয়। আজহারুদ্দিনের ম্যাচ-ফিক্সিংয়ের ঘটনায় ভারতীয় ক্রিকেটে ব্যাপক আঘাত আসে, কারণ তিনি ছিলেন একজন সম্মানিত খেলোয়াড় এবং প্রাক্তন অধিনায়ক।
ফলাফল: এই কেলেঙ্কারি ক্রিকেটে ব্যাপক সংস্কারের সূচনা করে, যেমন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (ICC) অ্যান্টি-করাপশন ইউনিট প্রতিষ্ঠা করা।

2000 IPL স্পট-ফিক্সিং কেলেঙ্কারি

বিবরণ: ২০১৩ সালের IPL স্পট-ফিক্সিং কেলেঙ্কারি ক্রিকেট দুনিয়াকে হতবাক করে দেয় যখন তিনজন ভারতীয় খেলোয়াড় – শ্রীসন্থ, অঙ্কীত চাওয়ান এবং অজিত চান্দিলা – স্পট-ফিক্সিংয়ের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তারা নির্দিষ্ট ওভারে খারাপ পারফর্ম করার জন্য টাকা পেতেন।

প্রভাব: এই কেলেঙ্কারি IPL-এর খ্যাতি ক্ষুন্ন করে, যা ছিল ক্রিকেট ও বিনোদনের এক বৃহৎ মঞ্চ। রাজস্থান রয়্যালস এবং চেন্নাই সুপার কিংস ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়।

ফলাফল: শ্রীসন্থ এবং চাওয়ানকে ক্রিকেট থেকে আজীবন নিষিদ্ধ করা হয় এবং BCCI IPL ম্যাচগুলোর নজরদারি বাড়ানোর জন্য বড় ধরনের সংস্কার করে।

2013 IPL বাজি এবং দুর্নীতি কেলেঙ্কারি

বিবরণ: স্পট-ফিক্সিংয়ের পাশাপাশি ২০১৩ সালের IPL-এ বাজি এবং দুর্নীতির ব্যাপক চর্চা ছিল। রাজস্থান রয়্যালসের সহ-প্রতিষ্ঠাতা রাজ কুন্দ্রা বাজির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলে গ্রেফতার হন। কেলেঙ্কারিটি ভারতীয় ক্রিকেট, বাজি এবং সংগঠিত অপরাধের মধ্যে গভীর সম্পর্কের চিত্র তুলে ধরে।

প্রভাব: রাজ কুন্দ্রাকে ক্রিকেট সম্পর্কিত কার্যক্রম থেকে আজীবন নিষিদ্ধ করা হয়, এবং BCCI বেআইনি বাজির সিন্ডিকেটগুলোর বিরুদ্ধে তীব্র পদক্ষেপ নেয়।

ফলাফল: কুন্দ্রার আজীবন নিষেধাজ্ঞা এবং ম্যাচগুলোর কড়া নজরদারি এই কেলেঙ্কারির পর BCCI ক্রিকেট পরিচালনার ক্ষেত্রে বেশ কিছু সংস্কার আনে।

৪. শাহিদ আফ্রিদির ২০০৫ টেস্ট ম্যাচের অভিযোগ

বিবরণ: ২০০৫ সালে, পাকিস্তানি ক্রিকেটার শাহিদ আফ্রিদি ভারতীয় খেলোয়াড়দের বিরুদ্ধে বল-ট্যাম্পারিংয়ের অভিযোগ তোলেন একটি টেস্ট ম্যাচে। ভারতীয় পেস বোলারদের বিরুদ্ধে বলের আকার বদলানোর অভিযোগ ওঠে, যা ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দেয়।

প্রভাব: যদিও কোনও ভারতীয় খেলোয়াড়কে আনুষ্ঠানিকভাবে দোষী সাব্যস্ত করা হয়নি, তবে এই অভিযোগ ভারত-পাকিস্তান ক্রিকেটের সম্পর্কের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি করে এবং বল-ট্যাম্পারিং নিয়ে আরও নজরদারি বাড়ে।

ফলাফল: বিতর্কটি পরে চাপা পড়ে গেলেও এটি ক্রিকেটে নৈতিকতার প্রশ্ন তুলে দেয়।

৫. ২০০৮ "মাঙ্কিগেট" কেলেঙ্কারি (ভারত বনাম অস্ট্রেলিয়া)

বিবরণ: ২০০৮ সালের ভারত-অস্ট্রেলিয়া টেস্ট সিরিজে "মাঙ্কিগেট" কেলেঙ্কারি ঘটে, যখন ভারতীয় ক্রিকেটার হরভজন সিংকে অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার অ্যান্ড্রু সাইমন্ডসকে "মাঙ্কি" বলে রেসিস্ট মন্তব্য করার জন্য অভিযুক্ত করা হয়। এটি একটি গরম বিতর্ক সৃষ্টি করে।

প্রভাব: হরভজন সিংকে তিনটি ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়, তবে পরবর্তীতে আপিলের মাধ্যমে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়। এই কেলেঙ্কারিটি ভারত এবং অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে উত্তেজনা তৈরি করে এবং ক্রিকেটে জাতিগত বৈষম্য নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।

ফলাফল: এই কেলেঙ্কারিটি ক্রিকেটে জাতিগত বৈষম্য মোকাবেলার জন্য কড়া নীতি প্রবর্তন করায় এবং খেলোয়াড়দের মধ্যে ক্রীড়া মনোভাবের গুরুত্ব বাড়ায়।

৩। চেতন শর্মা স্টিংঃ ঃ চেতন শর্মা স্টিং হলো একটি ঘটনা যা ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেটার এবং প্রাক্তন জাতীয় নির্বাচক চেতন শর্মার সাথে সম্পর্কিত। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে, চেতন শর্মাকে একটি টিভি নিউজ চ্যানেল দ্বারা পরিচালিত স্টিং অপারেশনে ধরা পড়ে। স্টিং অপারেশনটি শর্মার কিছু বিতর্কিত মন্তব্য প্রকাশ করেছিল, যিনি তখন ভারতীয় পুরুষ ক্রিকেট দলের নির্বাচক কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন।
চেতন শর্মা স্টিং-এর মূল বিষয়বস্তু:
অভিযোগ এবং মন্তব্য: স্টিংয়ের সময়, শর্মাকে ভারতীয় ক্রিকেট দলের অভ্যন্তরীণ বিষয়গুলি নিয়ে কিছু মন্তব্য করতে শোনা যায়। তিনি কিছু বিষয় আলোচনা করেছিলেন, যেমন:
বিরাট কোহলি এবং রোহিত শর্মার মধ্যে alleged দ্বন্দ্ব।নির্বাচনী প্রক্রিয়া এবং কিভাবে কিছু সিদ্ধান্ত পারফরম্যান্সের পরিবর্তে অন্যান্য কারণে প্রভাবিত হয়েছিল।
খেলোয়াড় এবং কোচদের মধ্যে তাদের ভূমিকা এবং সম্পর্ক কীভাবে পরিচালিত হয় সে সম্পর্কে মন্তব্য।

প্রকাশিত তথ্য: স্টিংয়ে সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য ছিল:
বিরাট কোহলি এবং রোহিত শর্মার সম্পর্ক: শর্মা উল্লেখ করেছিলেন যে কোহলি এবং রোহিতের মধ্যে সমস্যা ছিল, যার মধ্যে দলের নেতৃত্বে অমিলও ছিল।
নির্বাচন প্রক্রিয়া এবং প্রভাব: তিনি আভাস দিয়েছিলেন যে কিছু খেলোয়াড়কে মাঠের পারফরম্যান্সের পরিবর্তে অফ-ফিল্ড সম্পর্কের কারণে নির্বাচন করা হয়েছে।
দলের অভ্যন্তরীণ সমস্যা: শর্মা আরও জানান যে ভারতীয় দলের মধ্যে অভ্যন্তরীণ পরিবেশ নিয়ে সমস্যা ছিল, যা কখনও কখনও পারফরম্যান্সের ওপর প্রভাব ফেলেছিল।
প্রভাব: স্টিং অপারেশনটি ক্রিকেট জগতের মধ্যে বিশাল আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। কোহলি এবং রোহিতের মতো বড় খেলোয়াড়দের সম্পর্কের বিষয়ে মন্তব্যগুলি এবং দলের অভ্যন্তরীণ বিষয়গুলি নিয়ে মন্তব্যগুলি ব্যাপক মিডিয়া মনোযোগ এবং জনমত সৃষ্টি করেছিল।
ফলাফল: এই উন্মোচনের পর, চেতন শর্মাকে গোপনীয়তা ভঙ্গের জন্য ব্যাপক সমালোচনা করা হয়। তাঁকে নির্বাচক কমিটির চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগ করতে বলা হয়। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (BCCI) এই বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে নেয় এবং শর্মা অবশেষে তার পদ থেকে পদত্যাগ করেন।
গুরুত্ব:
স্বচ্ছতা এবং দায়বদ্ধতা: এই ঘটনা BCCI এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়া সম্পর্কে স্বচ্ছতা এবং দায়বদ্ধতার প্রশ্ন উত্থাপন করেছে। এটি এটি সামনে এনেছে যে কিভাবে ব্যক্তিগত সম্পর্ক দলের নির্বাচন এবং পারফরম্যান্সকে প্রভাবিত করতে পারে।
দলের মনোবল ক্ষতিগ্রস্ত: বিরাট কোহলি এবং রোহিত শর্মার মধ্যে দ্বন্দ্বের বিষয়ে উন্মোচনগুলো দলের মনোবল এবং সহমত সম্পর্কে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছিল।
মোটের ওপর, চেতন শর্মা স্টিং অপারেশন ভারতীয় ক্রিকেটের পেশাদারিত্ব, শাসন এবং অভ্যন্তরীণ রাজনীতি নিয়ে চলমান বিতর্কে আরও যোগ করেছে।

৪. ফিল্ডে আক্রমণাত্মক আচরণ
সাম্প্রতিক বছরগুলিতে, কিছু ভারতীয় খেলোয়াড়দের মাঝে মাঠে অতিরিক্ত আবেগপূর্ণ প্রতিক্রিয়া, স্লেজিং, বা অনৈতিক আচরণ দেখা গেছে।
এটি কখনও কখনও তাদের সতীর্থদের বা প্রতিপক্ষের প্রতি অসম্মান দেখানোর মতো হয়ে থাকে, যা স্পিরিট অফ ক্রিকেটের মূল আদর্শের বিপরীত।

৪. ভারতের ক্রিকেটে (এবং অন্যান্য ক্রিকেট দেশেও) একটি মানসিকতা তৈরি হয়েছে যে "শুধু জয়ই সবকিছু", যা কখনও কখনও খেলার মূল মূল্যবোধের ক্ষতি করে।এই মনোভাব খেলোয়াড়দের প্রতিযোগিতার নৈতিকতা এবং খেলার প্রতি সম্মান হারানোর দিকে নিয়ে যেতে পারে।

৫. প্রতিপক্ষের প্রতি অসম্মান
ক্রিকেটের বড় বড় প্রতিদ্বন্দ্বিতা, যেমন ভারত বনাম পাকিস্তান বা ভারত বনাম অস্ট্রেলিয়া, মাঝে মাঝে খেলোয়াড়দের এবং দর্শকদের মধ্যে অসন্তুষ্টি এবং অসম্মান সৃষ্টি করতে পারে।verbal abuse, হুমকি এবং অনৈতিক আচরণ এই ধরনের পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে, যা খেলোয়াড়দের একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধার অভাব এবং স্পিরিট অফ ক্রিকেটের বিরোধিতা করে।

৬. মিডিয়ার প্রভাব
মিডিয়া ভারতীয় ক্রিকেটের জনপ্রিয়তা এবং খ্যাতির একটি বড় অংশ গঠন করে, তবে তা কখনও কখনও খেলার সত্যিকারের স্পিরিটকে আচ্ছন্ন করে।মিডিয়ায় প্রায়শই কেলেঙ্কারি, ব্যক্তিগত শত্রুতা, এবং অফ-ফিল্ড নাটককে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়, যা খেলার সত্যিকারের সৌন্দর্য এবং তার মূল্যবোধকে চাপিয়ে দেয়।

৭. খেলোয়াড়দের উপর অতিরিক্ত চাপ
ভারতীয় ক্রিকেটারদের উপর প্রচণ্ড চাপ থাকে, বিশেষত বড় বড় টুর্নামেন্টগুলোতে, যা কখনও কখনও খেলোয়াড়দের অনৈতিক আচরণ বা ভুল সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করে।এই চাপ তাদের খেলার প্রতি সম্মান এবং নৈতিকতা ভুলে গিয়ে কেবলমাত্র জয় লাভে মনোযোগ কেন্দ্রীভূত করতে পারে।

৮. স্থানীয় খেলোয়াড়দের অসমান মনোযোগ
ভারতীয় ক্রিকেটের কিছু জায়গায় স্থানীয় ক্রিকেটারদের প্রতি যথাযথ মনোযোগ দেওয়া হয় না, যেগুলি খেলার প্রতি স্নেহ এবং সহানুভূতির শিক্ষা কম দেয় এবং কেবলমাত্র বিজয় এবং ব্যক্তিগত গৌরবকে কেন্দ্র করে থাকে।

এইসব সমস্যা স্পিরিট অফ ক্রিকেটকে দূষিত করার মতো কাজ করে, তবে খুশির কথা হলো যে ক্রিকেটে ইতিবাচক পরিবর্তনও হচ্ছে। খেলোয়াড়, প্রশাসক এবং দর্শকরা খেলার নৈতিকতা রক্ষা, দুর্নীতি দূরীকরণ এবং খেলোয়াড়দের সততা বজায় রাখার জন্য প্রচেষ্টা চালাচ্ছে, যা স্পিরিট অফ ক্রিকেটকে পুনরুদ্ধার এবং সংরক্ষণ করতে সহায়ক।

মন্তব্য ৬ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (৬) মন্তব্য লিখুন

১| ০৬ ই জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:৫০

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আমি আরো ভেবেছিলাম কেকেআর থেকে মুসতাফিজকে বাদ দেয়া নিয়ে ভারত-বাংলাদেশের চলমান টানাপোড়েন নিয়ে লিখবেন । আপনি যা লিখেছেন এসব কথা সবাই বলে কিনতু দিনশেষে কমবেশি সবাই আইপিএল খেলে।

০৬ ই জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৫:১৪

মেহেদী আনোয়ার বলেছেন: ঐ টানাপোড়ন নিয়ে তো লেখার কিছু নেই। ভারত গআয়ে পড়ে এসে ঝামেলা বাধাতে চাইছে এবং বাংলাদেশ সরকার আর বিসিবি তার উচিত জবাব দিচ্ছে।এক্ষেত্রে সরকার এবং বিসিবির ভুমিকা বাংলাদেশের সব জনগণই সমর্থন করছে ।

২| ০৬ ই জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১০:৩৯

ঊণকৌটী বলেছেন: প্রতিটি ক্রিয়ার বিপরীত ক্রিয়া থাকে, দিল্লী দখল, কলকাতা দশ মিনিটে, সেভেন বোন আলাদা করবেন তো ভারতবাসি দাবী করেছে boikot সবকিছুই | বাণিজ্য এবং বর্ডার দিয়ে সম্পূর্ণ বন্ধের দাবী | খুশী তো আপনারাই তো চাইছেন তো আমারও চাইছি A-Z সবই বন্ধ হয়ে যাক ● এইটা তাঁরই সূত্রপাত |

৩| ০৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:৩৭

সাখাওয়াত হোসেন বাবন বলেছেন: আইসিসি থেকে সব দেশের বের হয়ে আসা উচিত অথবা আইসিসি থেকে ভারতের সব কর্মকতা, চাকর বাকরসহ সবাইকে বহিস্কার করা উচিত ।

৪| ০৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:২৩

অগ্নিবাবা বলেছেন: বাবনভাই,
পোদে নাই দোম,
দেওয়ালে মারলাম বোম?

৫| ০৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:৫০

রাজীব নুর বলেছেন: ক্রিকেট নিয়ে জুয়া হয়। এটা দুঃখজনক।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.