নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মাহবুবুর রহমান (মাহা)

দুষ্টুমি যেন রক্তে মিশে গেছে আর জীবনটা চলছে বাইপাস ধরে এদিক সে দিক, গোছাতে পারছিনা নিজেকে।

মাহবুবুর রহমান (মাহা) › বিস্তারিত পোস্টঃ

৭৮৫ দিন পার হয়ে গেল, তবুও ৪৮ ঘন্টা হলনা

০৫ ই এপ্রিল, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:২৭

আমি ভুলে গেছি তোমাদেরকে, তোমরা আমাকে ক্ষমা কর



শুধু এই কথা গুলো লিখেই প্রতিবাদ শেষ করলাম



আমরা ব্লগার, সাগর-রুনি হত্যাকান্ডের তদন্ত দ্রুত শেষ করার জোর দাবী জানাচ্ছি ...

স্বনামখ্যাত সাংবাদিক, ব্লগার সাগর সরওয়ার ও তাঁর স্ত্রী এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনির নৃশংস হত্যাকান্ডের সৎ, দায়িত্বশীল এবং নিরপেক্ষ তদন্তের সুরাহা চাই এখুনি। এ'নিয়ে সময়ক্ষেপণে দেশের সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে এক ধরণের গুমোট কষ্ট, হতাশা তৈরি হয়েছে, শোক ছাপিয়ে ক্ষোভ তৈরি হচ্ছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিনীত অনুরোধ, আপনার হস্তক্ষেপেই ছোট্ট 'মেঘ' এর জীবনে ভয়হীন সত্যের সাহসী আলো জ্বেলে দিন। নির্ভরতা এবং নির্ভয়তার মশাল তুলে দিন ওর হাতে। 'মেঘ'রাই আমাদের সুস্থ ও নিরাপদ সমাজ প্রতিষ্ঠার দায়িত্ব নেবে একদিন।



আমরা ব্লগার, সাধারণ মানুষের প্রতিনিধি। একটি গণতান্ত্রিক স্বাধীন দেশের নাগরিক হিসেবে বাক স্বাধীনতা আমাদের অধিকার। স্বদেশ, সার্বভৌমত্ব, স্বাধীনতার সাথে সাথে জাতীয় স্বার্থ, জনজীবনের নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা, সবার জন্যে সমান ও নিরপেক্ষ বিচারসহ জীবন ধারণ এবং জীবন যাপন নিয়ে আমাদের চোখ সবসময় খোলা।



আমরা ব্লগার, সাগর-রুনি হত‍্যা রহস‍্যের তদন্ত দ্রুত শেষ করার জোর দাবী জানাচ্ছি। ঘটনা এবং সময়ের গঠনমূলক সমালোচনার মেধাই আমাদের সাহসী শক্তি। সমাজের যাবতীয় কল্যাণের জন্য আমরা সবসময় জেগে থাকবো



এই ব্লগ থেকে লেখাটি নেওয়া হয়েছে

Click This Link



প্রতিটি রক্ত কণার বিচার চাই

মন্তব্য ৭ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (৭) মন্তব্য লিখুন

১| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:৩৪

মদন বলেছেন: :(

২| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:৩৬

দালাল০০৭০০৭ বলেছেন: আমরা ব্লগার, সাগর-রুনি হত‍্যা রহস‍্যের তদন্ত দ্রুত শেষ করার জোর দাবী জানাচ্ছি। সহমত

০৫ ই এপ্রিল, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:৪১

মাহবুবুর রহমান (মাহা) বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে, আপনার মতামত জানাবার জন্য।
ছিলাম, আছি, থাকব।

৩| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:৪৪

বোধহীন স্বপ্ন বলেছেন: আমি ভুলে গেছি তোমাদেরকে, তোমরা আমাকে ক্ষমা কর

৪| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১৪ রাত ৮:৫৩

নীল_সুপ্ত বলেছেন: ফ্যাসিজমের এই দেশে '৪৮ ঘন্টা' কখনোই শেষ হবে না !!!!

৫| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১৪ রাত ৯:২২

িশপু মাস্তান বলেছেন: বিচার হলে তালগাছটা হারিয়ে যাবে.............................তাইতো সব চুম

৬| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১৪ রাত ১০:৪৪

কালবৈশাখীর ঝড় বলেছেন:
সাগর-রুনির খুনি ধরতে আমেরিকাও পারতনা। সরকার চেষ্টা কম করেনি।

এই জোড়া হত্যার কোন আলামত তো দুরের কথা হত্যার কোন কারনও খুজে পাওয়া যায় নি। তদন্ত রিপোর্ট তৈরি করার জন্য পাওয়া যায়নি তেমন গুরুত্বপুর্ন উপাত্ত।
খুনি তো দুরের কথা, খুনের কারন, খুনের মোটিভ এসব কিছুই পাওয়া যায় নি।

বহুল আলোচিত এটিএন বাংলা চেয়ারম্যানকে একাধিক বার জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল র‍্যাব ও ডিবি, এটিএন বাংলা কার্যালয়ে তল্লাশি চালানো হয়েছিল কয়েক দফা। কিন্তু কোন ক্লু পাওয়া যায় নি।

২০১২ শেষের দিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল সাতজনকে। তখন নতুন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রি মখা। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে ছিলেন রুনির পারিবারিক বন্ধু তানভীর রহমান।
গ্রেপ্তার দেখানো হয় ২০১২ সালের আগস্টে মহাখালীর বক্ষব্যাধি হাসপাতালের চিকিৎসক নারায়ণ চন্দ্র হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া পাঁচ শিদেল চোর রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, সাইদ, মিন্টু, কামরুল হাসান ওরফে অরুণকে। একই সঙ্গে গ্রেপ্তার করা হয় সাগর-রুনির বাড়ির নিরাপত্তাকর্মী পলাশ রুদ্র পালকে।
মখার পরামর্শে একপর্যায়ে একজন কে জজ মিয়া সাজানোর প্রকৃয়াও চলে, কিন্তু সরকারে উচ্চ পর্যায়ে থেকে প্রবল বিরোধিতা থাকায় 'জজ মিয়া' র চিন্তা বাতিল করা হয়।

ওই সময় ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল ফ্ল্যাটের আরেক নিরাপত্তাকর্মী হুমায়ুন কবীর ওরফে এনামুলকে ধরিয়ে দিলে ১০ লাখ টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে। গত বছর র‌্যাব এনামুলকেও গ্রেপ্তার করে; পিটিয়ে তক্তা বানিয়েও পেট থেকে কিছুই বের করতে পারেনি। একে প্রথম দিকেই দুই নিরাপত্তাকর্মী সহ আটক করে জিজ্ঞাসাবাদের পর কিছু না পেয়ে ছেড়ে দিয়েছিল ডিবি।

সরকার ব্যার্থ এইটা সরকার মেনে নিছে।
কয়েক শ মানুষকে জিজ্ঞাসাবাদ ও প্রযুক্তির ব্যাপক সহায়তা নিয়েও কিছু পাওয়া যায় নি। আদালতের নির্দেশে তদন্তভার গ্রহণ করে র‌্যাব। ২০১২ সালের ২৬ এপ্রিল কবর থেকে নিহত দম্পতির লাশ উত্তোলন করে সংগ্রহ করা হয় ভিসেরা ও ডিএনএ পরীক্ষার নমুনা। এরপর দুই দফায় ডিএনএ নমুনা পাঠানো হয় যুক্তরাষ্ট্রে। রক্তমাখা জামাকাপড়, বঁটি, ছুরি, মোজা ব্যবহার করা হয় ডিএনএর আলামত হিসেবে।
২০১২ সালের ডিসেম্বরে একটি ডিএনএ রিপোর্টে রুনির কাপড় থেকে তৃতীয় এক ব্যক্তির পূর্ণাঙ্গ ডিএনএ প্রফাইল পাওয়া যায়। কিন্তু ১১৬ জন সন্দেহভাজন ব্যাক্তির ডিএনএ নমুনার সঙ্গে মেলেনি সেই ডিএনএ প্রফাইল।
সব কিছুরই ফল হয় শূন্য।

এটিও পড়ুন
Click This Link

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.