| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মাহফুজশান্ত
আসুন, "ধর্মান্ধতা পরিহার করে ধর্মিষ্ঠ হই" "বিসমিল্লাহির রহমানির রহীম" [আল-কোরআন-৯৬. সূরা আল-আলাক] ০১. পাঠ কর (এবং ঘোষনা / প্রচার কর) তোমার প্রতিপালকের নামে যিনি সৃষ্টি করেছেন- ০২. সৃষ্টি করেছেন মানুষকে ‘আলাক’ হতে। ০৩. পাঠ কর, আর (ঘোষনা / প্রচার কর) তোমার প্রতিপালক মহামহিমান্বিত। ০৪. যিনি কলমের সাহায্যে শিক্ষা দিয়েছেন- ০৫, শিক্ষা দিয়েছেন মানুষকে যা সে জানত না।] পবিত্র কোরআনের ৯৬ নম্বর সূরা 'আলাক'-এর প্রথম এই পাঁচটি আয়াত অত্যন্ত মূল্যবান এবং যা মহান আল্লাহতায়ালার পক্ষ থেকে ফেরেশতা জিবরীল (আঃ)-এর মাধ্যমে সর্বশেষ নবী রাসূলুল্লাহ হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)-এর উপর নাযিলকৃত সর্বপ্রথম ওহি অর্থাৎ ঐশীবাণী। মহামহিমান্বিত প্রতিপালকের নামে শিক্ষা লাভের জন্য পাঠ করা ( Study ) অর্থাৎ আল্লাহর রাস্তায় থেকে জ্ঞানার্জন করা এবং জ্ঞানের প্রচার ও প্রসারে কলমের ব্যবহার অর্থাৎ 'লিখন' যে অত্যন্ত ফলপ্রসূ ভূমিকা রাখে তা সর্বজনবিদিত। মহান স্রষ্টা আল্লাহতায়ালা তাঁর শ্রেষ্ঠ সৃষ্টিকে খাঁটি মানুষ রূপে গড়ে তোলার জন্য যে সর্বপ্রথমে এই ধরণের চমৎকার ও কার্যকর ঐশীবাণী প্রদান করে অনুপ্রাণিত করবেন তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এই অনুপ্রেরণায় অনুপ্রাণিত হয়ে পার্থিব জীবনের শত ব্যস্ততার মাঝেও আল-কোরআন ও বিজ্ঞানের বিষয়ে জ্ঞান চর্চার তাগিদে সময় বের করে নিতে হয়েছে। যে জ্ঞানের কোন সীমা পরিসীমা নেই, যে জ্ঞানের কথা লিখতে বসলে মহাসাগরের এমনকি আকাশ ও পাতালের সকল জলরাশিকে কালি বানালেও তা ফুরিয়ে যাবে- তার জন্য এই সময়টুকু অতি নগন্য। তথাপি আমার এই ছোট্ট প্রয়াসের জন্য দয়াময় আল্লাহতায়ালা যে আমাকে সুযোগ ও তৌফিক দিয়েছেন সেজন্য আমি অবনত মস্তকে সর্বশক্তিমান স্রষ্টার কাছে প্রতি মূহুর্তে শুকরিয়া আদায় করছি। সত্যের স্বরূপ উদঘাটনে যতটুকু সফলতা অর্জন করতে পেরেছি তার সবটুকুই আল-কোরআনের ঐশীবাণীসমূহের মর্ম সঠিকভাবে অনুধাবনের ফলেই সম্ভব হয়েছে। আর ব্যর্থতার জন্য একজন অতি সাধারন মানুষ হিসেবে আমার অযোগ্যতা ও অজ্ঞতাই সম্পূর্ণরূপে দায়ী। হে বিশ্ববিধাতা করুণাময় মহান আল্লাহ , সর্বপ্রকার অনিচ্ছাকৃত ভুল-ভ্রান্তির জন্য সর্বদা অবনত মস্তকে ক্ষমাভিক্ষা চাই। আর সরল ও সত্যের পথ যতটুকু অর্জন করতে পেরেছি তার উছিলায় একজন হতভাগা পাপী বান্দা হিসেবে তোমার জ্যোতির্ময় আরশের ছায়াতলে চিরকালের জন্য একটুখানি ঠাঁই চাই। আশাকরি ছোটখাট ভুলত্রুটি ক্ষমা-সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। চিন্তাশীল সুধীজনদের সুচিন্তিত পরামর্শ ও সমালোচনা সাদরে গ্রহণ করা হবে।
(Creation of Spaces & the Earth according to Al-Quran & science)-1rst articulation
জ্ঞানগর্ভ কিতাব আল-কোরআনে আল্লাহতায়ালা অসংখ্য বৈজ্ঞানিক ঐশী তথ্যের উল্লেখ করেছেন। আল্লাহতায়ালা মানুষকে যে সীমাবদ্ধ জ্ঞানদান করেছেন তার যথাযথ প্রয়োগের মাধ্যমে জ্ঞানী মানুষেরা যেন এইসব তথ্য সম্পর্কে বৈজ্ঞানিক চিন্তা ভাবনা ও গবেষণার মধ্য দিয়ে মহাজ্ঞানী আল্লাহর অসীম জ্ঞানের কথা উপলব্ধি করার সাথে সাথে প্রকৃত সত্যের সন্ধান লাভ করতে পারে সেজন্য বার বার তাগিদ দেয়া হয়েছে। সেইসাথে বিবেকবান মানুষেরা যেন মানবকল্যাণে ব্রতী হওয়ার পাশাপাশি সবসময় এক আল্লাহর কাছে মাথানত করে এবং তাঁর মহত্ব ও করুণার কথা স্মরণ করে। পবিত্র কোরআনে এমন কোন বৈজ্ঞানিক তথ্য নেই যা ভুল বলে প্রমাণিত হয়েছে। জ্ঞানের সীমাবদ্ধতার কারণে কিছুদিন পূর্বেও মানুষ যে সমস্ত তথ্য সম্পর্কে বিভ্রান্তিতে ছিল, জ্ঞান সাধনার ফলে তার অনেকটাই আজ সত্যের আলোতে উদ্ভাসিত হয়েছে। তবে এখনও এমন কিছু তথ্য রয়েছে, যার প্রকৃত অর্খ অনুধাবনের জন্য আরও উন্নততর চিন্তা-ভাবনা ও গবেষণার যথেষ্ট প্রয়োজন রয়েছে। এভাবেই পবিত্র কোরআনে উল্লেখিত বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক তথ্যাদি যুগ যুগ ধরে মানুষকে সঠিকভাবে জ্ঞানবিজ্ঞান সাধনার প্রতি উৎসাহিত করে আসছে।
পবিত্র কোরআনে উল্লেখিত বৈজ্ঞানিক তথ্যসমৃদ্ধ আয়াতগুলোর মধ্য থেকে আকাশমন্ডলী ও পৃথিবী সৃষ্টি বিষয়ক কয়েকটি উল্লেখযোগ্য আয়াতের বাংলা আনুবাদ এই আলোচনার বিভিন্ন পর্যায়ে উল্লেখ করা হয়েছে। সেইসাথে মহাবিশ্ব সম্পর্কে বর্তমান যুগের বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার ও ধ্যান-ধারণা ( স্টিফেন ডব্লু হকিং-এর সাড়া জাগানো গবেষণা-ধর্মী (A Brief History of Time) এবং (Blackhole And Baby Universes And Other Essays) -শত্রুজিত দাশগুপ্ত- কর্তৃক বাংলায় অনুবাদকৃত (কালের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস) ও (কৃষ্ণগহ্বর এবং শিশু-মহাবিশ্ব ও অন্যান্য রচনা) নামক পুস্তক দুটি থেকে সংগৃহিত ) এবং পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ্ প্রদত্ত বৈজ্ঞানিক তথ্য ও ইংগিতের সাথে সমন্বয় সৃষ্টির সাথে সাথে আমার নিজস্ব কিছু বিজ্ঞানমনস্ক চিন্তা-ভাবনার বহিঃপ্রকাশই এই আলোচনার মূল বিষয়বস্তু। প্রকৃত খবর মহাজ্ঞানী মহান আল্লাহতায়ালাই ভাল জানেন।
মানুষ মাত্রই ভুলের ঊর্ধ্বে নয়, সুতরাং আমার এই চিন্তা-ভাবনার মাঝে অক্ষমতা হেতু অনিচ্ছাকৃত ভুল-ভ্রান্তি ঘটে যাওয়া অস্বাভাবিক নয়। তাই দয়াময় আল্লাহতায়ালার কাছে সব সময় এই প্রার্থণা জানাই, তিনি যেন তার এই অধম বান্দাকে সর্বপ্রকার অনিচ্ছাকৃত ভুল-ভ্রান্তির জন্য ক্ষমা করেন।
আলোচনার সূচনায় কয়েকটি সূরার ক্রমিক নম্বর এবং আয়াত সংখ্যা উল্লেখপূর্বক বাংলা অনুবাদ প্রদত্ত হলো-
আল-কোরআন (Al-Quran)-
সূরা হাশর- (59.Al-Hashr // Exile) -আয়াত নং-২৩ ও ২৪
(৫৯ : ২৩) হুয়াল্লা হুল্লাজি লা ইলাহা ইল্লা হুয়া আল মালিকুল্ কুদ্দুসুস্ সালামুল মুমিনুল মুহাইমিনুল আজিজুল জাব্বারুল মুতাকাব্বির সুবহানাল্লাহি আম্মা ইউশরিকুন।
(৫৯ : ২৩) অর্থ- তিনিই আল্লাহ, যিনি ব্যতীত আর কোন উপাস্য নেই, যিনি বাদশাহ, পবিত্র, নির্দোষ, ক্ষমাকারী, রক্ষক, পরাক্রমশালী. সংশোধক, মহান; অবিশ্বাসীগণ কর্তৃক বর্নীত অংশীদারদের থেকে আল্লাহ পবিত্র, মহান।
(59 : 23) He is Allah, besides Whom none is to be worshipped the Sovereign, the most Holy, the Bestower of peace, the Giver of Security, the Protector, the Esteemed one, the Exalted the Majestic. Glory is to Allah from what they associate.
(৫৯ : ২৪) হুওয়াল্লা-হুল খা-লিক্বুল বা-রিউল মুছাব্বিরু লাহুল আছমা - উল হুছনা; ইয়ুছাব্বিহু লাহূ মা- ফিছছামা- ওয়া- তি ওয়াল আরদ্ব, ওয়া হুওয়াল আযীযুল হাকীম।
(৫৯ : ২৪) অর্থ- তিনিই আল্লাহ্, যিনি সৃষ্টির পরিকল্পনাকারী, এর বাস্তবায়নকারী -সেই অনুযায়ী রূপদানকারী, সকল উত্তম নাম তাঁরই। আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে সবই তাঁর পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করে। তিনি মহাপরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।
(59 : 24) He is Allah, the Makers the Creater, the Evolver, the Bestower of form to everyone. His are all good names; all that is in the spaces and the earth glorifies Him: and He is the Esteemed One the Wise.
সূরা বাকারা- (2.Al-Baqara // The Cow) -আয়াত নং-১১৬ ও ১১৭
(০২ : ১১৬) অর্থ- এবং তারা বলে, আল্লাহ সন্তান গ্রহণ করেছেন। তিনি অতি পবিত্র, বরং আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে সব আল্লাহরই, সব কিছু তাঁরই একান্ত অনুগত।
(02 : 116) And they say 'Allah has taken unto Himself a son', sanctity is for Him. Nay, whatever is in the spaces and is in the earth is His possession. All are unto Him subservient.
(০২ : ১১৭) অর্থ- যিনি আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীকে অনস্তিত্ব হতে অস্তিত্বে আনায়ন করেন এবং যখন তিনি কিছু করবার জন্য সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন শুধু বলেন হও, আর তা হয়ে যায়।
(2 : 117) He is the Originator of existence of the spaces and the earth from emptyness, and when He decrees any thing, then says to it only, “Be, and it becomes at once."
সূরা ইউনুস- (10.Yunus // Jonah) -আয়াত নং-৩
(১০ : ৩) অর্থ:- তোমাদের প্রতিপালক আল্লাহ, যিনি আকাশমন্ডলী ও পৃথিবী ছয় দিনে সৃষ্টি করেন, অতঃপর তিনি আরশে সমাসীন হন। তিনি সকল বিষয় নিয়ন্ত্রণ করেন।
(10 : 3) No doubt, your Lord is Allah Who made the spaces and earth in six days, then seated Himself on the Throne befitting to His Dignity, He plans the work. No intercessor is there but after His leave. This is Allah your Lord, and then worships Him. Do you then not ponder?
সূরা আম্বিয়া- (21.Al-Anbiya // The Prophets) -আয়াত নং-৩০
(২১ : ৩০) অর্থ:- যারা কুফরী করে তারা কি ভেবে দেখে না যে আকাশমন্ডলী ও পৃথিবী মিশে ছিল ওতপ্রোতভাবে; অতঃপর আমি উভয়কে পৃথক করে দিলাম এবং প্রাণবান সমস্ত কিছু সৃষ্টি করলাম পানি হতে, তবুও কি তারা বিশ্বাস করবে না?
(21 : 30) Did the infidels not consider that the spaces and earth were closed up through and though, then We opened them out? And We made every made living thing from water. Will they then believe?
সূরা নূর- (24.An-Noor // The Light) -আয়াত নং-৩৫
(২৪:৩৫) অর্থ- আল্লাহ্ আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর জ্যোতি; তাঁর জ্যোতির উপমা হচ্ছে যেন একটি কুলঙ্গী বা তাক, যাতে আছে একটি প্রদীপ। প্রদীপটি রয়েছে একটি কাচের চিমনির ভিতরে। চিমনিটি যেন একটি আসমানী বস্তু- যা মোতির মত ঝকমক করছে; এটি উজ্জ্বলতা প্রাপ্ত হয়েছে পবিত্র জয়তুন গাছ থেকে- যা পূর্বদিকের নয়, পশ্চিমদিকেরও নয়; মনে হয় যেন এর তেলটা এখনই আপনা থেকেই জ্বলে উঠবে যদিও আগুন সেটিকে স্পর্শ না করে। জ্যোতির উপর জ্যোতি; আল্লাহ যাকে চান তাঁর জ্যোতির দিকে পথপ্রদর্শন করেন; আল্লাহ মানুষের জন্য নানা উপমা পেশ করে থাকেন; আল্লাহতায়ালা সকল বিষয় সম্পর্কেই সম্যক অবগত আছেন।
![]()
(24 : 35) Allah is the Light of the spaces and the earth. The similitude of His Light is as a niche wherein is a lamp. The lamp is in a chandelier (of glass). The chandelier is as it were a star glittering like a pearl; it is lighted from the blessed olive tree which is neither of east nor of west, it is near that its oil may flare up even though the fire touches it not. The Light is upon the Light. Allah guides to His Light whomsoever He will and Allah narrates examples for the people. And Allah knows all things
সূরা আনকাবুত- (29.Al-Ankaboot // The Spider) -আয়াত নং-১৯ ও ২০
(২৯ : ১৯) অর্থ- ওরা কি লক্ষ্য করেনা, কিভাবে আল্লাহ সৃষ্টিকে অস্তিত্ব দান করেন, অতঃপর তা পূণরায় সৃষ্টি করেন? নিশ্চয়ই এটা আল্লাহর জন্য সহজ।
(29 : 19) And have they not seen, how Allah originates creation, then He will reproduce it? Undoubtedly, it is easy for Allah.
(২৯ : ২০) অর্থ:- বল, পৃথিবীতে পরিভ্রমণ কর এবং অনুধাবন কর কিভাবে তিনি সৃষ্টিকে আরম্ভ করেছেন ? অতঃপর আল্লাহ্ পুনর্বার সৃষ্টি করবেন। নিঃসন্দেহে আল্লাহ্ সর্ববিষয়ে সর্বশক্তিমান।
(29 : 20) Say you, 'travel in the earth, then see, how Allah makes first, then Allah up brings the second growth. Undoubtedly Allah can do everything.
সূরা ক্বাফ- (50. Qaf // The Letter Qaf) -আয়াত নং-৩৮
(৫০ : ৩৮) অর্থ- আমরা আকাশমন্ডলী ও পৃথিবী এবং তাদের অন্তর্বর্তী সমস্ত কিছু সৃষ্টি করেছি ছয় দিনে, আমাদেরকে “কোন ক্লান্তি স্পর্শ করে নাই।”
(50 : 38) Surely, We made the spaces and the earth and what ever is in between in six days and weariness came not to Us.
আলোচনা-
এই আয়াতগুলো থেকে এই ইঙ্গিঁত পাওয়া যায় যে পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময় (২৯:২০) সর্ববিষয়ে সর্বশক্তিমান এক আল্লাহতায়ালা তাঁর ইচ্ছায় এক মহাশক্তির (২৪:৩৫)-( জ্যোতির উপর জ্যোতি শক্তির ) প্রভাবে কোন এক অজ্ঞাত সময়ে আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীকে (২:১১৭) অনস্তিত্ব থেকে অস্তিত্বে আনার প্রক্রিয়া শুরু করেন। সুতরাং প্রতীয়মান হয় যে, সৃষ্টিকে অস্তিত্ব দানের পূর্বে (২:১১৬) আকাশমন্ডলী ও পৃথিবী আল্লাহর অসীম শক্তির মাঝে বিলীন ছিল। আল্লাহর ইচ্ছায় (১০:৩) নিয়ন্ত্রিতভাবে এই শক্তির বহিঃপ্রকাশ ঘটে। সৃষ্টির শুরুতে আকাশমন্ডলী ও পৃথিবী (২১:৩০) ওতপ্রোতভাবে একত্রিত অবস্থায় ও একই রূপে বিরাজ করছিল। একদা মহান স্রষ্টা যখন সৃষ্টিকে প্রকাশের ইচ্ছা করেন তথন থেকেই সৃষ্টিকালীন-দিনের সূচনা ঘটে। পরবর্তীতে (৫০:৩৮) পর্যায়ক্রমে ছয়দিনে [ এখানে ছয়দিন বলতে সুনির্দিষ্ট ও সুনিয়ন্ত্রিত অতি ক্ষুদ্র অথবা অতি বৃহৎ অথবা অতি ক্ষুদ্র ও অতি বৃহৎ ছয়টি পর্যায়ক্রমিক সৃষ্টিকালীন সময়কালের সমাহার বুঝতে হবে। ] বিভিন্ন পরিবর্তন ও প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে আকাশমন্ডলী, পৃথিবী এবং এদের মধ্যে অবস্থিত দৃশ্য ও অদৃশ্য সমস্ত কিছু সৃষ্টির বিষয়ে পূর্ণতা দান করেন। এরপর থেকে (২৯:১৯) আল্লাহতায়ালার ইচ্ছায় ও নিয়ন্ত্রণে সৃষ্টিকালীন ছয়দিনে সৃষ্ট অদৃশ্য বিষয়সমূহ দৃশ্য অবস্থায় এবং দৃশ্য বিষয় সমূহ অদৃশ্য অবস্থায় রূপান্তরিত হচ্ছে অথবা নব নব অবস্থায় পরিগঠিত হচ্ছে মাত্র।
পরবর্তী পর্বগুলো নিচে দেখুন-
২য় পর্ব- এখানে দেখুন-
৩য় পর্ব- এখানে দেখুন-
৪র্থ পর্ব- এখানে দেখুন-
শেষ পর্ব- এখানে দেখুন-
১২ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৪৬
মাহফুজশান্ত বলেছেন: যে ভাষার জন্য ৩০ লাখ বাঙালী প্রাণ দিল, মা-বোনেরা তাদের সম্ভ্রম হারাল- সেই বাংলা ভাষার এই দশা! ভাবতে অবাক লাগে- চিন্তা হয় যে বাঙালীর মাঝে মুখ গুঁজে থাকা এইসব ভন্ড কীটগুলো কবে আসলেই বাঙালী হবে। মায়ের ভাষাকে শুদ্ধভাবে বলতে ও লিখতে শিখবে।
২|
১২ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৩৪
ফুয়াদ০দিনহীন বলেছেন: আসালামুয়ালাইকুম
শান্ত ভাইয়ের পোষ্ট সব সময় আল্লাহ পাকের রহমতে ভাল হয় । সব কিছু সুন্দর করে তুলে ধরেন । সামু কেন জানি আমাকে জেনারেল করে দিছে । তাই এখন সাবধানে পোষ্ট দিতে হবে । আর আরিফুর আর তার বাকি সাথীদের ব্লক করে রাখা ভাল বলে আমার মনে হয় । আরিফুর আমার ব্লগে ব্লক এ আছে । আপনাকে ধন্যবাদ ।
১৩ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:০৩
মাহফুজশান্ত বলেছেন: ওয়ালাইকুমুসসালাম, ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।
তবে আমি ব্লগে কাউকে ব্লক করার পক্ষপাতি নই। কেউ আমাকে পছন্দ না করলেও তার সমালোচনা আমি পছন্দ করি। কারণ এভাবে মত বিনিময়ের মাধ্যমে হয়ত তার সাথে কোন এক পর্যায়ে ভুল বুঝাবুঝির অবসানও তো হতে পারে। তাইনা?
৩|
১২ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৪৫
হোরাস্ বলেছেন: "এভাবেই পবিত্র কোরআনে উল্লেখিত বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক তথ্যাদি যুগ যুগ ধরে মানুষকে সঠিকভাবে জ্ঞানবিজ্ঞান সাধনার প্রতি উৎসাহিত করে আসছে। "
একজন মৌলানা বা মুফতির নাম বলুন যে বিজ্ঞান সাধনায় মৌলিক কোন অবদান রাখছেন!!
১২ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৫৫
মাহফুজশান্ত বলেছেন: আপনার প্রশ্নের উত্তরে বলছি- আমারও একই জিজ্ঞাসা?
তারা কি জানেনা?
দীনের খন্ডিত কিছু ইল্ম শিখে
ছলেবলে যারা ধর্মগুরু বনে যায়
তারা কি জানেনা, আত্মাকে ফাঁকি দিয়ে
বাহ্যিক বেশ ধারনই আত্মশুদ্ধি নয়?
ওরা সৃষ্টির প্রতি হক আদায়ে কৃপণতা করে
সব আমলই নষ্ট করে রিয়ার ঘোরে
সরল মনাদের অন্তর নিয়ে রাজনীতি করে
ধর্মের নামে সন্ত্রাস করে স্বার্থের তরে।
অজ্ঞতার আঁধারে ডুবে ওরা স্রষ্টার সান্নিধ্য চায়
আলোকিত অন্তর ছাড়া স্রষ্টাকে কি চেনা যায়?
খোদার অমোঘ বাণী ও জ্ঞান, বিজ্ঞান সাধনায়
ওরা কেন নিষ্ক্রিয় ও পিছপা হয়ে রয়?
খাঁটি ধর্মের বাস্তব প্রতিফলনকে বড্ড ভয় পায়
পাছে ওদের দুরভিসন্ধি ভন্ডুল হয়ে যায়
তাই স্বার্থ হাসিলে বেদাতি কর্ম জায়েজ বানিয়ে দেয়,
গতিশীল সময়ের চ্যালেন্জ মোকাবেলায়
ইজতিহাদের দরজা চিরতরে বন্ধ রাখতে চায়
গৎবাঁধা জ্ঞানের ক্ষীণ আলোয় সত্য খুঁজে বেড়ায়
তারা কি জানেনা, স্রষ্টার মহিমা গন্ডিবদ্ধ নয়?
জ্ঞাত, অজ্ঞাত সকল সৃষ্টি অসীমে ছড়িয়ে রয়
স্রষ্টা ও সৃষ্টির প্রেমিক সাধকই পীরে-কামেল হয়।
৪|
১৩ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:০২
এস. এম. রায়হান বলেছেন: বিভিন্ন ব্লগে বিভিন্ন নামে না লিখে এক নামে লিখলেই মনে হয় ভাল হতো। অন্যথ্যায় কেউ কেউ কপি-পেস্ট ধরে নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াতে পারে।
১৩ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:১৪
মাহফুজশান্ত বলেছেন: ভাই, আপনার ব্লগে তো তৃতীয় পর্বটা বেশ কিছুদিন থেকে পনন্ডিং পড়ে আছে। তাহলে কি ধরে নেব- সেখানে আমার আর স্থান হবে না?
নামের বিষয়ে আপনার উপদেশটি ভেবে দেখব। তবে বিভ্রান্ত ছড়ানোর বষিয় নিয়ে আমি চিন্তিত নই। কারণ নামের জন্য তো আমি লিখিনা। ধীরে ধীরে সবাই বুঝবে- এ ধরনের লোখা কার হতে পারে।
৫|
১৩ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:১৮
মেহবুব রেহমান খান বলেছেন: আপনার উদ্ধৃত আয়াত সমূহের নিরানব্বই শতাংশ দর্শন (মেটাফিজিক্স বা অনটোলজি) এর সাথে সম্পর্কিত, এর ভেতর বিজ্ঞান কোথায়? ( বিজ্ঞানের দর্শন (শুধু দর্শনশাস্ত্র নয়) যে সমস্ত উপায়কে বিজ্ঞানের ইপস্টেমলজি বা জ্ঞানতত্ত্ব নির্মাণের বা বিনির্মাণের বিষয় ব'লে মনে করে তার সবগুলোকেই বা তার ভেতরের সমস্ত সন্দেহ বা সংশয় বা বিতর্ককে বোঝানো হচ্ছে)।
(২১ : ৩০) অর্থ:- যারা কুফরী করে তারা কি ভেবে দেখে না যে আকাশমন্ডলী ও পৃথিবী মিশে ছিল ওতপ্রোতভাবে; অতঃপর আমি উভয়কে পৃথক করে দিলাম এবং প্রাণবান সমস্ত কিছু সৃষ্টি করলাম পানি হতে, তবুও কি তারা বিশ্বাস করবে না?
এই আয়াতটিই একমাত্র বিজ্ঞানের সাথে সম্পর্কিত। কিন্তু প্রশ্ন হলো (১)আকাশমণ্ডলি এবং (২)পৃথিবী মিশে থাকার কথা বিজ্ঞানে কোথায় পেলেন? বিগব্যাঙ তত্ত্বের কোথায় তা পেলেন (প্রি-ম্যাটার স্যুপ, মনে রাখবেন দয়া করে)? আর পানি বা জল থেকে সব তৈয়ার তা গ্রীক দার্শনিক থালেস এর সময় থেকেই সন্দেহ করা হতো বা বিশ্বাস বা ধারণা করা হতো (৬২৪-৫৪৬ খ্রিপূ), সক্রাতিস-এরও পূর্বের, নিশ্চয় এর পারম্পর্য বুঝতে পারছেন।
১৩ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:২৯
মাহফুজশান্ত বলেছেন: একটু ধৈর্য ধরুন। এর পরের পর্বগুলোতে আরও অনেক কিছু জানতে পারবেন। তবে একটা কথা মনে রাখবেন-
আল-কোরআনের আলোকে জ্ঞানচর্চায় উদ্বুদ্ধ হলে মানুষ ধীরে ধীরে অলীক কল্পনা ও মিথ্যার মায়াজাল থেকে বেরিয়ে আসে। সত্যের স্বচ্ছ জ্যোতিতে তার জ্ঞানচক্ষু হয় শাণিত ও উন্মোচিত। সুদূরপ্রসারী চিন্তাশক্তির সহায়তায় প্রচলিত মতবাদগুলোর মধ্য থেকে প্রকৃত সত্যটি সে সহজেই খুঁজে ও বুঝে নিতে পারে। এটি নিছক কোন বিজ্ঞানের বই নয়। তাই এতে বৈজ্ঞানিক তথ্য ও ত্বত্ত্বগুলোর বিস্তারিত বিবরণ না দিয়ে ঐশী ইংগিত দেয়া হয়েছে মাত্র। মহাবিশ্বের সৃষ্টি রহস্য সম্পর্কে একজন ইমানদার মানুষ যখন গভীর চিন্তা-গবেষণায় রত হয়, তখন পরম শ্রদ্ধা ও বিশ্বাসে জগৎসমূহের স্রষ্টা সর্বজ্ঞ ও সর্বশক্তিমান এক আল্লাহর সামনে মাথা নত করতে বিন্দুমাত্র কুন্ঠিত হয় না। জ্ঞানী মানুষেরা যেন আল্লাহতায়ালার সৃষ্টি বৈচিত্র সম্পর্কে চিন্তা-গবেষণা করে সেজন্য বার বার তাগিদ দেয়া হযেছে।সর্বোপরি এটি গোটা মানব জাতির কল্যাণের জন্য প্রেরিত সর্বোত্তম জীবন বিধান। মহান আল্লাহপাক বিশ্ববাসিকে সুশিক্ষিত ও আলোকিত করে গড়ে তোলার জন্য এই কিতাবে সর্ববিধ বিষয়ে দিকনির্দেশনা দান করেছেন। যে আয়াতটি সর্বপ্রথমে নাযিল করা হয়েছে তাতে মহামান্বিত প্রতিপালকের নামে পড়ার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে। অর্থাৎ আল্লাহর রাস্তায় থেকে শিা অর্জনের বিষয়টি এখানে স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। জ্ঞানী-গুণী থেকে শুরু করে সর্বস্তরের সাধারন মানুষ এই জ্যোতির্ময় গ্রন্থটি থেকে প্রচুর জ্ঞানের খোরাক পেতে পারেন। তবে ঈমানদারগণের জন্য এতে রয়েছে সরল সঠিক পথ ও শান্তির দিশা।
৬|
১৩ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৩৭
এস. এম. রায়হান বলেছেন: "ভাই, আপনার ব্লগে তো তৃতীয় পর্বটা বেশ কিছুদিন থেকে পনন্ডিং পড়ে আছে। তাহলে কি ধরে নেব- সেখানে আমার আর স্থান হবে না?"
- আপনি কি আমারব্লগের কথা বলছেন।
"নামের বিষয়ে আপনার উপদেশটি ভেবে দেখব। তবে বিভ্রান্ত ছড়ানোর বষিয় নিয়ে আমি চিন্তিত নই।"
- আশেপাশে কিছু শকুনি সব সময় ঘুরঘুর করে যারা এরকম একটি বিষয় নিয়েই নাস্তানাবুদ করে ছাড়বে। আপনার ভালর জন্যই বলা আর-কি।
১৩ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৫৮
মাহফুজশান্ত বলেছেন: আপনি কি সদালাপের রায়হান ভাই?
ভাই, শকুনির কাজ খুটে খুটে মরা ও পচা আহার করা। সুতরাং তাদের কাজ তারা করবেই। মহান আল্লাহ সহায় ও আপনাদের দোয়ায় আমাকে নাস্তানাবুদ করতে আসলে ওদেরকে পচা নাস্তার বদলে ভাল ভাল নাস্তা খাওয়ানোর ব্যবস্থা করব। খেলে খাবে, নইলে উড়ে পালাবে।
৭|
১৩ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৩৮
এডিস ইফাজ বলেছেন: হ্যাপী স্টার্টিং। জাযাকাল্লা খাইর।
১৪ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:১১
মাহফুজশান্ত বলেছেন: আসসালামু আলাইকুম, ধন্যবাদ ভাই
৮|
১৩ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৫২
হোরাস্ বলেছেন: হা হা .....। আপনার উত্তর আমার পছন্দ হইছে। পনেরশ বছরের সব ধর্মগুরু এবং কোরান বিশেষজ্ঞ সব "ছলেবলে যারা ধর্মগুরু বনে যায়" এর মধ্যে পরছে। কঠিন জবাব। কিপিটাপ।
তাইলে কিসের ভিত্তিতে কইলেন, "এভাবেই পবিত্র কোরআনে উল্লেখিত বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক তথ্যাদি যুগ যুগ ধরে মানুষকে সঠিকভাবে জ্ঞানবিজ্ঞান সাধনার প্রতি উৎসাহিত করে আসছে।"
উদাহরণ তো থাকতে হবে নাকি? নাকি বালছাল একটা কথা বানাইয়া কইয়া দিলেই হইল। একটা নামও খুঁজে পাইলেন না? মাত্র একজন? একজনও সৎ ধর্মগুরু নাই যিনি কোরাণ পড়ে, কোরানের তথ্য ব্যবহার করে বিজ্ঞানে অবদান রাখছে?
১৩ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৫১
মাহফুজশান্ত বলেছেন: একজন মানুষ যখন খাঁটি ইমানের সাথে আল-কোরআন পাঠ করে তখন সে তা থেকে সত্য ও সরল পথের দিশা পায়। আর যখন অবিশ্বাসে ভরা অন্তরে তা পাঠ করে তখন গরল পথে নিজের কুবুদ্ধি খাটায় ও নানা রকম খুত খুজে বেড়ায়। সত্যকে ছলচাতুরির মাধ্যমে ঢেকে রাখতে চায়।
আমি শুধু পবিত্র কোরআনের কথাই বলিনি। যুগ যুগ ধরে বিভিন্ন জাতির মাঝে প্রেরিত নবী, রসূর ও পয়গম্বর বা মুনি-ঝ্রিষিদের মাধ্যমে সত্য বাণীগুলোকে যারা সঠিকভাবে মূল্যায়ন করেনি তাদের কথাই বোঝাতে চেয়েছি। এদের মধ্যে একদিকে যেমন নাস্তিকরাও পড়ে, অপরদিকে তমনি ধর্মগুরুর লেবাশধারি ছদ্মবেশীরাও পড়ে। তাই বলে এরমধ্যে সবাইকে জড়িয়ে ফেলানো মোটেই ঠিক নয়। আমি মনে করি আপনি এসব কথা বলে আমার বক্তব্যকে হয় ভিন্নখাতে ফেরানোর অপচেষ্টা করছেন, নয়ত তা বুঝতে পারেন নাই।
কেউ যদি সরল পথ প্রাপ্তির আশায় ধর্মগ্রন্থ পাঠ করেন, তবে অবশ্যই তিনি সত্যের দিশা পাবেন এবং সেটাই তার সেরা প্রাপ্তি হবে। তবে এরপর যদি কেউ বৈজ্ঞানিক তথ্য সমৃদ্ধ ইংগিতগুলো নিয়ে চর্চা করতে চান তাহলে একটু চেষ্টা করলেই বুঝতে পারবেন যে, তিনি যে গ্রন্থখানা পড়ছেন ও বিশ্বাস করছেন তা কতখানি খাঁটি।
সত্য তথ্যগুলো বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থে সবকালেই একইভাবে পেশ করা হয়েছিল। কিন্তু স্বার্থান্বেষী মহল সব যুগেই কিছু কিছু তথ্যকে তাদের মত করে সাজিয়ে নিয়েছে। আল কোরআন সর্বশেষ ঐশী কিতাব এবং মহান স্রষ্টা সয়ং তা সংরক্ষণের ব্যবস্থা করেছেন। এ কারনেই বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থে যেসব সত্য তথ্য মানুষের দ্বারা আজও পরিবর্তন করা হয়নি সেগুলো আল-কোরআনের তথ্যের সাথে মিলে যায়, আর যেগুলো পরবির্তন করা হয়েছে সেগুলো আল-কোরআনের তথ্যের সাথে মেলেনা।
৯|
১৩ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৫৯
প্রচ্ছদ বলেছেন: হা হা ...
মইধ্য রাইতের বিনোদন ভালা হইছে। ঘুম আসতেছিলনা- উপরঅলার রহমতে এখন আসতে শুরু কর্সে...
১০|
১৩ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:০৪
সবাক বলেছেন:
ফুয়াদ০দিনহীন বলেছেন: আসালামুয়ালাইকুম
শান্ত ভাইয়ের পোষ্ট সব সময় আল্লাহ পাকের রহমতে ভাল হয় ।
আমি শিউর এটা ফেক!
১১|
১৩ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:০৯
শয়তান বলেছেন:
হোরাস্ @পশুর নাড়ীটেপা কোয়ার্কের কাছ থিকা ভাল কিছু আশা কৈরেন্না
১২|
১৩ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:১৫
হোরাস্ বলেছেন: @ মহামান্য, কি করমু কন, মন যে মানেনা!! ভাবি আল্লাহ ওয়ালা লোক, নিশ্চয়ই মিছা কথা বলবে না।
১৩|
১৩ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৩৩
কঠিন চিজ বলেছেন: @ হোরাস:
Muslim Scientists LIST
মুরোদ থাকলে পইরা নিয়েন।
১৪|
১৩ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৪৭
কঠিন চিজ বলেছেন:
Muslim Scientists and Scholars ২ List
১৫|
১৩ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ২:০১
হোরাস্ বলেছেন: @ কঠিন চিজ: মুসলিম সাইন্টিস্টদের লিস্ট কে চাইছে? আমি চাইছি কোরাণ থেকে জ্ঞান নিয়া কে অবদান রাখছে? কথা না বুঝলে অফ থাকাই ভাল। আছে নাকি ঐ লিস্টে কেউ কোরান থেকে ক্লু নিয়া কিছু আবিস্কার করছে? দেন তো দেখি একটা নাম!!!
১৬|
১৩ ই নভেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:০৬
কঠিন চিজ বলেছেন: @ হোরাস: এজন্যই আপনারে বললাম "মুরোদ থাকলে পইরা নিয়েন।"
আপনার কুশ্চেন্টা হইছে খুব নিম্ন মানের।
১৭|
১৩ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:৪৪
হোরাস্ বলেছেন: হা হা হা ..... প্রশ্ন যে কখনও নিম্নমানের হয় এটা জানা ছিল না।
মুরোদ থাকলে জবাব দেন। একটাই তো নাম চাইছি। বেশি কিছু তো চাইনাই।
লিখলে দোষ নাই। উদাহরণ চাইলেই দোষ। হা হা হা.....
আপনার এই ডায়ালোগের পরে আমার অতি নিম্ন মানের একটা পোস্ট দেয়ার খায়েশ হইছে....আপনার আপত্তি থাকলে বইলেন, দিমু না। ![]()
লেখক কই গেলেন.... কিছু একটা কন....
১৮|
১৩ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:৪৫
মুহাম্মদ আমিন বলেছেন: আস্সালামুয়ালাইকুম, ধন্যবাদ ভালো লিখেছেন
১৩ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:০৮
মাহফুজশান্ত বলেছেন: ওয়াআলাইকুমুস সালাম। অনেক অনেক ধন্যবাদ
১৯|
১৩ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:১৮
মৃত৬৬৬ বলেছেন: আমি একটা বিষয় কিছুতেই বুঝতে পারিনা, কেন কোন বিষয় প্রশ্নাতীত হবে? আমি মানুষ, প্রশ্ন দিয়েই আজ এ পর্যন্ত এসেছি। বিশ্বাস আপনাকে মনের শান্তি দিতে পারে, কিন্তু বিবেকের কাছে আপনি দোষী থাকবেন। লক্ষ কোটি নিউরন থাকার পরও আপনি একটাও ব্যবহার করেন নি।
১৩ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:২৪
মাহফুজশান্ত বলেছেন: আপনি মানুষ। আপনার মনে প্রশ্ন থাকতেই পারে। আপনাকে স্রষ্টা যে নিউরোনগুলো দান করেছেন তার মাধ্যমে সেসব প্রশ্নের উত্তর ধৈর্যের সাথে সরল ও সোজা পথেই খুজতে হবে। বাঁকা পথে খুজলে সময় খেপন ও মিথ্যা ছাড়া আর কিছুই মিলবে না। আর এর শেষ পরিনতি হবে অর্বাচীনের মৃত্যু।
২০|
১৩ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৫৫
আরিফুর রহমান বলেছেন: হাহাহাহ!
হোরাসের প্রথম প্রশ্নের উত্তরে বলদটা একটা কোবতে শুনায়ে দিলো..
ফুয়াদ জানতে চাইলো ইছলামী বিজ্ঞানীর নাম..
আর বলদটা দিলো ১৫ লাইনের কোবতে.. হাহাহাহাহাহ!!
পিছলানি আর কারে বলে..
১৩ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:১৭
মাহফুজশান্ত বলেছেন: বাহ বাহ- এই তো বেশ ভাল বাংলায় লিখতে শিখেছেন দেখছি। বলদের গুতা না খাইলে কি শিক্ষা হয়? তবে এখনো একটু মসিটেক হয়েছে, যেমন- কোবতে নয় কবিতা, শুনায়ে নয় শুনিয়ে, ইছলামী বিজ্ঞানী নয় মুসলিম বিজ্ঞানী হবে।
মুসলিম বিজ্ঞানীদের লিংক নিচে দেয়া হল- চোখ খুলে দেখে নিন মশাই। এখন তো আবার নুতন ঢং ধরেছেন, ইসলামের অনুসারী বিজ্ঞানী আর মুসলিম বিজ্ঞানীকে দুইভাগে ভাগ করার সরযন্ত্র করছেন। হায়রে বেকুবের দল-
Click This Link
http://www.ummah.net/history/scholars/
২১|
১৩ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:২১
কঠিন চিজ বলেছেন: শ্রী আরিফুর রহমান সমীপে >>মাইরের উপ্রে ওষুদ নাই...
শিবসেনা তরিকা.. Watch Link
১৪ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:২১
মাহফুজশান্ত বলেছেন: ওরা মারে অন্যায়ভাবে- আপন হীন স্বার্থ হাসিলের নেশায়। আর আমরা মারি সত্য, ন্যায় ও শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য।
২২|
২৭ শে আগস্ট, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:৫৪
রওনক বলেছেন: ২ বছর আগেই পড়েছি, ৪ বছর ১১ মাসে আমাকে কেবল জেনারেল করেছে, তাই এতদিন কমেন্ট করতে পারি নাই।
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:২০
মাহফুজশান্ত বলেছেন: তাই? তাহলে এখন কমেন্ট করুন-
©somewhere in net ltd.
১|
১২ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:২৭
আরিফুর রহমান বলেছেন: উরেব্বাস...
একেবার বিজ্ঞান নিয়া পোস্ট দিয়ালাইছো...
আল্কোরান নিয়া তোমার গুবেষনার কি হৈলো?