| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মাহফুজশান্ত
আসুন, "ধর্মান্ধতা পরিহার করে ধর্মিষ্ঠ হই" "বিসমিল্লাহির রহমানির রহীম" [আল-কোরআন-৯৬. সূরা আল-আলাক] ০১. পাঠ কর (এবং ঘোষনা / প্রচার কর) তোমার প্রতিপালকের নামে যিনি সৃষ্টি করেছেন- ০২. সৃষ্টি করেছেন মানুষকে ‘আলাক’ হতে। ০৩. পাঠ কর, আর (ঘোষনা / প্রচার কর) তোমার প্রতিপালক মহামহিমান্বিত। ০৪. যিনি কলমের সাহায্যে শিক্ষা দিয়েছেন- ০৫, শিক্ষা দিয়েছেন মানুষকে যা সে জানত না।] পবিত্র কোরআনের ৯৬ নম্বর সূরা 'আলাক'-এর প্রথম এই পাঁচটি আয়াত অত্যন্ত মূল্যবান এবং যা মহান আল্লাহতায়ালার পক্ষ থেকে ফেরেশতা জিবরীল (আঃ)-এর মাধ্যমে সর্বশেষ নবী রাসূলুল্লাহ হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)-এর উপর নাযিলকৃত সর্বপ্রথম ওহি অর্থাৎ ঐশীবাণী। মহামহিমান্বিত প্রতিপালকের নামে শিক্ষা লাভের জন্য পাঠ করা ( Study ) অর্থাৎ আল্লাহর রাস্তায় থেকে জ্ঞানার্জন করা এবং জ্ঞানের প্রচার ও প্রসারে কলমের ব্যবহার অর্থাৎ 'লিখন' যে অত্যন্ত ফলপ্রসূ ভূমিকা রাখে তা সর্বজনবিদিত। মহান স্রষ্টা আল্লাহতায়ালা তাঁর শ্রেষ্ঠ সৃষ্টিকে খাঁটি মানুষ রূপে গড়ে তোলার জন্য যে সর্বপ্রথমে এই ধরণের চমৎকার ও কার্যকর ঐশীবাণী প্রদান করে অনুপ্রাণিত করবেন তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এই অনুপ্রেরণায় অনুপ্রাণিত হয়ে পার্থিব জীবনের শত ব্যস্ততার মাঝেও আল-কোরআন ও বিজ্ঞানের বিষয়ে জ্ঞান চর্চার তাগিদে সময় বের করে নিতে হয়েছে। যে জ্ঞানের কোন সীমা পরিসীমা নেই, যে জ্ঞানের কথা লিখতে বসলে মহাসাগরের এমনকি আকাশ ও পাতালের সকল জলরাশিকে কালি বানালেও তা ফুরিয়ে যাবে- তার জন্য এই সময়টুকু অতি নগন্য। তথাপি আমার এই ছোট্ট প্রয়াসের জন্য দয়াময় আল্লাহতায়ালা যে আমাকে সুযোগ ও তৌফিক দিয়েছেন সেজন্য আমি অবনত মস্তকে সর্বশক্তিমান স্রষ্টার কাছে প্রতি মূহুর্তে শুকরিয়া আদায় করছি। সত্যের স্বরূপ উদঘাটনে যতটুকু সফলতা অর্জন করতে পেরেছি তার সবটুকুই আল-কোরআনের ঐশীবাণীসমূহের মর্ম সঠিকভাবে অনুধাবনের ফলেই সম্ভব হয়েছে। আর ব্যর্থতার জন্য একজন অতি সাধারন মানুষ হিসেবে আমার অযোগ্যতা ও অজ্ঞতাই সম্পূর্ণরূপে দায়ী। হে বিশ্ববিধাতা করুণাময় মহান আল্লাহ , সর্বপ্রকার অনিচ্ছাকৃত ভুল-ভ্রান্তির জন্য সর্বদা অবনত মস্তকে ক্ষমাভিক্ষা চাই। আর সরল ও সত্যের পথ যতটুকু অর্জন করতে পেরেছি তার উছিলায় একজন হতভাগা পাপী বান্দা হিসেবে তোমার জ্যোতির্ময় আরশের ছায়াতলে চিরকালের জন্য একটুখানি ঠাঁই চাই। আশাকরি ছোটখাট ভুলত্রুটি ক্ষমা-সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। চিন্তাশীল সুধীজনদের সুচিন্তিত পরামর্শ ও সমালোচনা সাদরে গ্রহণ করা হবে।
Creation of Spaces & the Earth according to Al-Quran & Science - (Last articulation)
[মানুষ মাত্রই ভুলের ঊর্ধ্বে নয়, সুতরাং আমার এই চিন্তা-ভাবনার মাঝে অক্ষমতা হেতু অনিচ্ছাকৃত ভুল-ভ্রান্তি ঘটে যাওয়া অস্বাভাবিক নয়। তাই দয়াময় আল্লাহতায়ালার কাছে সব সময় এই প্রার্থণা জানাই, তিনি যেন তার এই অধম বান্দাকে সর্বপ্রকার অনিচ্ছাকৃত ভুল-ভ্রান্তির জন্য ক্ষমা করেন।]
৪র্থ পর্বের পরের অংশ
আল-কোরআন (Al-Quran)-
সূরা ইবরাহীম- (14.Ibrahim // Abraham) -আয়াত নং-৩৩
(১৪:৩৩) অর্থ-তিনি তোমাদের কল্যাণে নিয়োজিত করেছেন সূর্য ও চন্দ্রকে যা অবিরাম একই নিয়মের অনূবর্তী এবং তোমাদের কল্যাণে নিয়োজিত করেছেন রাত্রি ও দিবসকে।
(14:33) And He made the sun and moon subservient for you, which are constantly moving, and made the day and night subservient for you.
সূরা হিযর- (15.Al-Hijr // Rock City) -আয়াত-১৬
(১৫:১৬) অর্থ-আমি আকাশে (১ম) ‘বুরুজ’ অর্থাৎ ‘তারকার ঘর সমূহ বা গ্যালাক্সি সমূহ’ স্থাপন করেছি এবং তাকে করেছি সুশোভিত দর্শকদের জন্য।
{বুরুজুন=(অর্থ)-তারকার ঘর-(‘কোরআনের অভিধান’-৯৬ পৃষ্ঠা- মুনির উদ্দীন আহমদ)}
(এখানে `বুরুজুন`-এর বহুবচন হল `বুরুজ`। সাধারনত `ঘর' বলতে যেমন দেয়াল ঘেরা এমন একটি স্থানকে বোঝায় যেখানে কয়েকজন মানুষ একত্রে বসবাস করতে পারে। তেমনি `বুরুজুন' অর্থ `তারকার ঘর' বলতে মহাকাশে সৃষ্ট এমন একটি স্থানকে বুঝানো হয়েছে যেখানে অনেকগুলো তারকা বা নক্ষত্র একটি নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে একত্রিত অবস্থায় থাকে। সুতরাং `বুরুজুনের' অর্থ `মহাকাশের অসংখ্য নক্ষত্র সমৃদ্ধ স্তর অর্থাৎ গ্যালাক্সি' হওয়াই স্বাভাবিক। আবার 'বুরুজ' শব্দটি যেহেতু বহুবচন, সুতরাং এর দ্বারা `মহাকাশের অসংখ্য গ্যালাক্সি সমৃদ্ধ স্তর অর্থাৎ গ্যালাক্সিগুচ্ছ' হওয়াই যুক্তিসংগত।)
(15:16)=And We have indeed made the galaxies in the space (1rst) and have adorned it for the beholders.
সূরা ফুরক্বান- (25.Al-Furqan // The Criterion)-আয়াত নং-৬১
(২৫ : ৬১) অর্থ- কত মহান তিনি যিনি আকাশে (১ম) স্থাপন বা পরিগঠন করেছেন ‘বুরুজ’ অর্থাৎ ‘তারকার ঘরসমূহ বা গ্যালাক্সিসমূহ’ এবং তাতে স্থাপন বা পরিগঠন করেছেন প্রদীপ (সূর্য) ও জ্যোতির্ময় চন্দ্র।
(25 : 61) Most Blessed is He Who made galaxies in the space (1rst) and placed therein a lamp and a shinning moon.
সূরা সাফ্ফাত- (37.As-Saaffat // Drawn Up In Ranks) -আয়াত নং-৬
(৩৭ : ০৬) অর্থ- আমরা (আল্লাহ-সম্মান-সূচক) দুনিয়ার (নিকটবর্তী) আকাশকে গ্রহাদির অলংকারে সজ্জিত করেছি।
(37 : 06) And undoubtedly, We adorned the nearer space of the universe with the adornment of the planets.
সূরা মুমিন- (40.Al-Ghafir // The Forgiver) -আয়াত নং-৬৪
(৪০ : ৬৪) অর্থ- আল্লাহই তোমাদের জন্য পৃথিবীকে করেছেন বাসোপযোগী এবং আকাশকে (১ম) করেছেন ছাদ।
(40 : 64) Allah is He who made the earth for you a resting place and the space (1rst) as a roof and shaped you, then made your shapes nice and provided you with good things This is Allah your Lord. So blessed is Allah, the Lord of the entire world.
সূরা রহমান- (55.Ar-Rahman // The Beneficent) -আয়াত- ৭, ৮ ও ১০
(৫৫ : ০৭) অর্থ- তিনি আকাশকে (১ম) করেছেন সমুন্নত এবং স্থাপন করেছেন মানদন্ডে (মাত্রা বা ডাইমেনশনে)
(55 : 07) And Allah has elevated the space(1rst) and set it with the unit of (dimention) metrical measure.
(৫৫ : ০৮) অর্থ- যেন তোমরা ভারসাম্য লংঘন না কর।
(55 : 08) That you may not transgress in the balance.
(৫৫ : ১০) অর্থ- তিনি পৃথিবীকে স্থাপন করেছেন সৃষ্ট জীবের জন্য।
(55 : 10) And the earth, He has laid for the living creatures.
সূরা ওয়াকিয়া- (56.Al-Waqia // The Event) -আয়াত নং-৭৫
(৫৬ : ৭৫) অর্থ- আমি শপথ করছি নক্ষত্ররাজির পতিত হওয়ার স্থানের (ব্ল্যাকহোল)।
{ মাওয়াকিয়ুন=(অর্থ)-পতিত হওয়ার স্থান -(কোরআনের অভিধান--৩৪০পৃষ্ঠা--মুনির উদ্দীন আহমদ) }
(56 : 75) Then I swear by the places where the stars are fallen down.
সূরা মূল্ক-(67.Al-Mulk // The Sovereignty) -আয়াত নং-৫
(৬৭ : ০৫) অর্থ- আমি দুনিয়ার (নিকটবর্তী) আকাশকে (১ম) সুশোভিত করলাম প্রদীপমালা (নক্ষত্রপুঞ্জ বা গ্যালাক্সি) দ্বারা এবং----------
(67 : 05) And undoubtedly, We adorned the nearer space (1rst) of the universe with rows of lamps (constellation or galaxy), and made them things to beat devils, and prepared for them the torment of blazing fire.
সূরা নাযিয়াত- (79.An-Naziat // Those Who Drag Forth) -আয়াত-২৯
(৭৯ : ২৯) অর্থ- তিনি রাত্রিকে করেছেন অন্ধকারাচ্ছন্ন ও প্রকাশ করেছেন সূর্যালোক,
(79 : 29) And He has made its night dark and display bright sunshine.
সূরা তাকবীর- (81.At-Takwir // The Overthrowing) -আয়াত নং-১ ও ২
(৮১ : ০১) অর্থ- সূর্য যখন নিষ্প্রভ হবে
(81 : 01) When the sun will be dim,
(৮১ : ০২) অর্থ- এবং যখন নক্ষত্ররাজি স্তিমিত বা জ্যোতিহীন হবে। (শ্বেতবামুন, নিউট্রন তারকা ইত্যাদি)
(81 : 02) And when the stars will be lusterless,
সূরা বুরুজ- (85.Al-Burooj // The Mansions Of The Stars) -আয়াত নং-১
(৮৫ : ০১) অর্থ- শপথ ‘বুরুজের’ অর্থাৎ ‘তারকার ঘরসমূহের বা গ্যালাক্সিসমূহের’ অধিকারী আকাশের (১ম)।
(85 : 01) I swear by the space (1rst), having the galaxies.
সূরা তারিক- (86.At-Tariq // The Morning Star)-আয়াত নং-২
(৮৬ : ০২) অর্থ- তুমি কি জান রাত্রিতে যা আবির্ভূত হয় তা কি ?
(86 : 02) And have you known anything, what the night comer is?
(৮৬ : ০৩) অর্থ- তা উজ্জল নক্ষত্র।
(86 : 03) The bright shining star.
বিজ্ঞান-
(‘কৃষ্ণগহ্বর এবং শিশুমহাবিশ্ব ও অন্যান্য রচনা”--কোন কোন তারকা এত ক্ষুদ্র হয়ে যাবে যে, তাদের মহাকর্ষীয় ক্ষেত্রগুলি আলোককে বাঁকিয়ে এমন জায়গায় নিয়ে অসবে যে, সেই আলোক তারকাতেই ফিরে আসবে। এই তারকাগুলি হয়ে দাঁড়াবে কৃষ্ণগহ্বর। বেশ কিছু সংখ্যক অধিকতর ক্ষুদ্র কৃষ্ণগহ্বর হয়ত এই মহাবিশ্বে ছড়িয়ে আছে। এগুলি তারকা চুপসে গিয়ে সৃষ্টি হয়নি; হয়েছে উত্তপ্ত ঘন মাধ্যমের অত্যন্ত উচ্চচাপগ্রস্ত অঞ্চল চুপসে যাওয়াতে। কোয়ান্টাম ক্রিয়া সাপেক্ষে এই ‘আদিম কৃষ্ণগহ্বর’ গুলির বৃহত্তম গুরুত্ব রয়েছে।)
“দৈনিক ইনকিলাব’ পত্রিকায়” গত ১৬/৫/১৯৯৮ ইং তারিখে “পৃথিবী পাশে বিরাট ব্ল্যাকহোল-এর সন্ধান লাভ” এবং গত ২০/৬/১৯৯৮ ইং তারিখে “৩৭০০ আলোকবর্ষ বিস্তৃত ধূলি চাকতি আবিষ্কৃত” শিরোনামে:- হাবল মহাশুন্য টেলিস্কোপ থেকে প্রেরিত ছবি সহ ‘ব্ল্যাকহোল’ আবিষ্কারের বিষয়ে বিস্ময়কর তথ্য-প্রমাণ সম্বলিত সংবাদ ছাঁপা হয়। (আমার 'আল-কোরআনে ব্ল্যাকহোল' লেখাটি পড়ে নিলে বিস্তারিত জানতে পারবেন।)
আলোচনা-
সৃষ্টিকালীন ষষ্ঠ দিনের সমাপ্তির পর থেকে আল্লাহর বেঁধে দেয়া (৫৭:৭) চারটি ডাইমেনশন বা মাত্রার নিয়ন্ত্রিত ছকে (স্থানের তিনটি + কালের একটি মাত্রা) নিকটতম অর্থাৎ প্রথম আসমানের মধ্যে অবস্থিত স্তরগুলো, এদের প্রত্যেকটির মধ্যকার উপযুক্ত আসমানী উপাদানের বৈশিষ্ট্য ও পরিমাণ অনুসারে বিভিন্ন ধরনের প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে প্রয়োজন অনুযায়ী পরিগঠিত হচ্ছে এবং এক একটি স্তর ও মহাস্তরে সজ্জিত হয়ে চলেছে, যেমন- (৩৭:৬) = গ্রহ ও উপগ্রহ, (৮৬:২,৩) = নক্ষত্র, (৮১:২)= শ্বেতবামুন ও নিউট্রন তারকা, (৫৬:৭৫)= ব্ল্যাকহোল বা কৃষ্ণগহ্বর ইত্যাদি। এখন বিজ্ঞানীগণ মোট দশটি ডাইমেনশন বা মাত্রার কথা ব্যক্ত করছেন। তবে এর মধ্যে চারটি ডাইমেনশনের কারণেই যে এই দৃশ্যমান জগতের জড় ও অজড় সবকিছু এবং আমরা আকৃতি লাভ করেছি এবং জন্ম-মৃত্যু, ক্ষুধা-তৃষ্ণা, সৃষ্টি, ক্ষয়, ধ্বংস, রোগ-ব্যাধি, সুখ-দুঃখ, প্রেম-ভালবাসা ইত্যাদির ছকে বাঁধা পরেছি, তা আজ প্রতিষ্ঠিত একটি বৈজ্ঞানিক তথ্য। বিজ্ঞানীগণ বাকি যে ডাইমেনশনগুলো নিয়ে অনুভব ও চিন্তা ভাবনা করছেন সেগুলো অথবা আরও অধিক মাত্রার ছকেই হয়ত আল্লাহতায়ালা বাকী ছয়টি আসমানকে সাজিয়ে রেখেছেন। আল্লাহর ইচ্ছা ব্যতীত তাঁর বেঁধে দেয়া এই মাত্রাগত (৫৫:৮) ভারসাম্য কোথাও এক চুল পরিমাণও লঙ্ঘিত হতে পারে না। এইভাবে ধীরে ধীরে আল্লাহর ইচ্ছায় সূর্য, চন্দ্র, গ্রহ, উপগ্রহ এবং বায়ুমন্ডলের স্তর সমূহ পরিগঠন করে স্ব-স্ব স্থানে প্রয়োজনমত (৭১:১৬) স্থাপন করা হয় এবং আমাদের কল্যাণে (১৪:৩০) অবিরাম একই নিয়মের অনুবর্তী করে পৃথিবীতে (৭৯:২৯, ৩০) অন্ধকারাচ্ছন্ন রাত্রি ও আলোকিত দিবসের প্রকাশ ঘটানো হয়। ফলে ধীরে ধীরে পৃথিবীতে (৫৫:১০) জীবন সৃষ্টি ও (৪০:৬৪) প্রতিপালনের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ গড়ে উঠে।
আল-কোরআন (Al-Quran)-
সূরা হা মীম আস সিজ্দা- (41.Fussilat // Explained In Detail)-অয়াত নং-৯
(৪১ : ০৯) অর্থ:- তিনি তো জগৎসমূহের প্রতিপালক।
(41 : 9) Say you, 'Do you indeed disbelieve in Him who made the earth in two days? And do you set up equals to Him' That is the Lord of the entire universes.
সূরা জ্যাছিয়া- (45.Al-Jathiya // Crouching) -আয়াত নং-৩৬
(৪৫ : ৩৬) অর্থ- প্রশংসা আল্লাহরই যিনি আকাশমন্ডলীর প্রতিপালক ও পৃথিবীর প্রতিপালক, জগৎসমূহের প্রতিপালক।
(45 : 36) All praise then to Allah, Who is the Protector of the spaces, the Protector of the earth and the Protector of the worlds.
সূরা তাকবীর- (81.At-Takwir // The Overthrowing) -আয়াত নং-১৫ ও ১৬
(৮১ : ১৫) অর্থ- আমি শপথ করি গোপন হয়ে যাওয়া নক্ষত্রের।
{ খান্নাছুন =(অর্থ)- যেসব তারকা গোপন হয়ে যায় -- পৃষ্ঠা-১৮৪--“কোরআনের অভিধান” মুনির উদ্দীন আহমদ }
(81 : 15) Then I swear by the hiding star;
(৮১ : ১৬) অর্থ- যা অদৃশ্য হয়ে প্রত্যাগমন করে।
(81 : 16) Which become invisible and then coming back.
আলোচনা-
(৪১:৯), (৪৫:৩৬) নং আয়াত থেকে বোঝা যায় জগৎসমূহের প্রতিপালক মহান আল্লাহতায়ালা ইহজগৎ, পরজগৎ, রূহানী জগৎ (ইল্লীন/সিজ্জীন) আধ্যাত্মিক জগৎ, বস্ত-জগৎ, দৃশ্য ও অদৃশ্য জগৎ ইত্যাদি সৃষ্টি করেছেন এবং প্রতিপালন করছেন। বর্তমানে বিজ্ঞানীগণ মনে করছেন যে, এই বস্তু-জগতের সমান্তরালে হয়ত প্রতিবস্তু জগতেরও অস্তিত্ব রয়েছে। (৫৬:৭৫ ও ৭৬) নং আয়াতে যেহেতু মহান আল্লাহপাক নক্ষত্রসমূহ পতিত হওয়ার স্থান অর্থাৎ ব্ল্যাকহোলের মত বৈশিষ্ট্য-সম্পন্ন স্থানকে নিয়ে মহাশপথ করছেন, সুতরাং অবশ্যই ‘আদিম’ কৃষ্ণগহ্বরগুলো অনেক আগেই সৃষ্টি হয়ে গেছে। তাছাড়া (৮১:১৪) ও (৮১:১৬)নং আয়াতে এমন কিছু নক্ষত্রের কথাও উল্লেখ করেছেন যেগুলো (৮১:১৪) গোপন হয়ে যায় অর্থাৎ ভরশুন্য হয়ে মিলিয়ে যায় এবং ‘অদৃশ্য হয়ে (৮১:১৬) প্রত্যাগমন করে’ অর্থাৎ অবশেষে ‘ব্ল্যাকহোলে পরিনত হয়ে বিপরীত কণিকা উৎসর্জনের মাধ্যমে এই মহাবিশ্বের অন্য কোন অঞ্চলে ফিরে আসছে এবং বস্তু জগতের সমান্তরালে হয়তবা প্রতিবস্তু জগৎ রূপে বিরাজ করছে’। সৃষ্টির আদিতে সৃষ্ট ‘আদিম’ ব্ল্যাকহোল এবং ‘নবগঠিত’ ব্ল্যাকহোল এই উভয় শ্রেণীর ব্ল্যাকহোলকেই প্রতিবস্তু-জগৎ সৃষ্টির কারখানা হিসেবে ধরে নেয়া যেতে পারে। বস্তু-জগতের সম্মিলিত শক্তি যতদিন পর্যন্ত প্রতিবস্তু জগতের উপর প্রাধান্য বিস্তার করবে, ততদিন পর্যন্ত প্রতিবস্তু-জগৎ একটি ক্ষুদ্র গন্ডির অন্তরালে বিরাজ করবে। তবে এমন এক সময় হয়তবা আসবে যখন প্রতিবস্তু-জগতের সম্মিলিত শক্তি বস্তু-জগতের উপর প্রাধান্য বিস্তার করবে। হতে পারে সময়টি অতি নিকটে বা দূরে। তবে আমার বিশ্বাস এরজন্য সর্ববিষয়ে সর্বশক্তিমান মহান আল্লাহতায়ালার মূহুর্তের ইচ্ছা বা ইশারাই যথেষ্ট।
সর্বোপরি একথাটি তো সত্য যে, “মহাবিশ্বের সৃষ্টি” সম্পর্কে অনেক প্রশ্নের সঠিক উত্তর এখনও পর্যন্ত খোদ বিজ্ঞানের পক্ষেও খুঁজে পাওয়া সম্ভব হয়ে উঠেনি। { ‘কৃষ্ণগহ্বর এবং শিশু-মহাবিশ্ব ও অন্যান্য রচনা’-অধ্যায়-৯ (মহাবিশ্বের উৎপত্তি)- থেকে সংগৃহিত এ সম্বপর্কে ‘স্টিফেন ডব্লু-হকিং’-এর প্রশ্নগুলো ও অভিমতটি তুলে ধরা হলো- (যদি অদ্বিতীয় এক কেতা বিধিই থাকে সেটা শুধুমাত্র এক কেতা সমীকরণ। সেই সমীকরণগুলোতে প্রাণসঞ্চার করে কে ? কে তা থেকে একটা মহাবিশ্ব সৃষ্টি করে, যে মহাবিশ্ব তারা পরিচালনা করতে পারে ? পরম ঐক্যবদ্ধ ত্বত্ত্ব কি এমনই শক্তিশালী যে সে নিজেই নিজের অস্তিত্ব সৃষ্টি করে ? যদিও বিজ্ঞান হয়তো মহাবিশ্ব কি করে সৃষ্টি হয়েছে সে সমস্যার সমাধান করতে পারে, কিন্তু এ প্রশ্নের উত্তর দিতে পারেনা; মহাবিশ্ব অস্তিমান হওয়ার ঝামেলা কেন নিয়েছে ? আমিও তার উত্তর জানিনা।)}
প্রশ্ন ব্যতিরেকে বিজ্ঞান সঠিক পথে এগোতে পারে না। এখন আমি যদি প্রশ্ন করি- সৃষ্টিকালীন আদি পর্যায়ে আমাদের এই বর্তমান পৃথিবীটা অতীত অবয়বে একটি নির্দিষ্ট স্থানে কেন্দ্রীয় মূল ভূমিকার সাথে অত্যন্ত নিবিড়ভাবে বা ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিল না কি ? তাহলে আমার এই দাবিটা কি কোন যুৎসই যুক্তিপ্রমাণ দ্বারা একেবারে অবাস্তব বলে উড়িয়ে দেয়া সম্ভব হবে ? আমার বিশ্বাস মহাবিশ্বের সৃষ্টিলগ্নে যে বিন্দুটিতে সর্বপ্রথম মৌল পদার্থ কণিকার উদ্ভব ঘটে, সেই বিন্দুবৎ স্থানটিকে পৃথিবী সৃষ্টির মৌলিক স্থান হিসেবে ধরে নেয়াই যুক্তিসংগত। তবে আদিকালে সৃষ্ট সেই আদিম বা শিশু-পৃথিবী এবং এখনকার আমাদের বাসযোগ্য এই পৃথিবীর চেহারা ও স্বভাবের মধ্যে নিশ্চয়ই বেশ খানিকটা পরিবর্তন ঘটে গেছে। যদি আমরা কখনও সেই সৃষ্টিকালীন অতীত শিশু-পৃথিবীর একটা ছবি যোগাড় করতে সক্ষমও হই, তথাপি তার সাথে আমাদের অনেক সাধের এই পৃথিবীর বর্তমান চেহারাটা মিলিয়ে নেয়া বড্ড কঠিন হয়ে পরবে। হয়তবা চেনাই যবে না। পৃথিবীটাকে ঘূরন্ত লাটিমের সাথে তুলনা করা যেতে পারে। লাটিম খেলার সময় যখন কোন লাটিমকে মুক্তভাবে ঘুরানো হয়, তখন তা কিন্তু একটা নির্দিষ্ট বিন্দুর উপর স্থির থেকে ঘুরতে পারে না। চক্রাকারে ঘুরতে ঘুরতে ধীরে ধীরে দূরে সরে যেতে থাকে। যখন অনেক দূরে সরে যায় এবং কত দূরে সরে গেল তা যদি প্রথম থেকে ঠিকমত লক্ষ্য করা সম্ভব না হয়, তবে সেই ঘূর্ণিপাকে বসে বসে ঘূর্ণন আরম্ভের প্রথম বিন্দুটিকে সঠিকভাবে খুঁজে বের করা বেশ কষ্টকর এবং মজারও বৈকি। সুতরাং সৌরমন্ডলের প্রধান আকর্ষন জীব তথা মনুষ্যবাসের উপযোগী এই ঘুরন্ত পৃথিবীটা বর্তমানে আামাদের গ্যালাক্সির একপ্রান্তে অতি ক্ষুদ্র অবয়বে পড়ে রইলেও একদা এই পৃথিবীটাই যে একটি নির্দিষ্ট স্থানে বিন্দুর আকারে জন্ম নিয়ে সৃষ্টিকালীন কেন্দ্রীয় মূল ভূমিকার সাথে জড়িত ছিলনা তা জোর গলায় বলা যায় কি ? সৃষ্টিকালীন প্রাথমিক পর্যায়ে মৌল পদার্থ কণিকা সৃষ্টির মধ্য দিয়ে সম্ভবত পৃথিবী সৃষ্টির ভিত্তি রচিত হয় এবং পরবর্তীতে বিভিন্ন পর্যায়ের মধ্য দিয়ে ধীরে ধীরে পৃথিবীকে সুসংগঠিত করে গড়ে তোলা হয়। অতঃপর সৃষ্টির আদিতে সৃষ্ট নির্দিষ্ট উপাদানসমূহ থেকে আল্লাহর আদেশে সপ্ত-আকাশমন্ডলীর বিভিন্ন স্তরসমূহ তথা গ্যালাক্সি, গ্যালাক্সিগুচ্ছ, ছায়াপথ, জলন্ত প্রদীপতুল্য সূর্য, জ্যোতির্ময় চন্দ্র এবং গ্রহ, উপগ্রহগুলো পরিগঠিত হতে থাকে। এগুলোকে আল্লাহতায়ালার ইচ্ছানুযায়ী নির্দিষ্ট হিসেবে স্ব-স্ব স্থানে প্রয়োজনমত স্থাপন করা হয় এবং নির্দিষ্ট হারে অক্ষ তির্যকতা সৃষ্টি করায় ভূপৃষ্ঠে ধীরে ধীরে জীব জগতের জন্য বাসযোগ্য পরিবেশ গড়ে উঠে। বর্তমানে পৃথিবী সৃষ্টির বিষয়ে ৪৫০ কোটি বছরের যে হিসেব দেখানো হয়, তা এই ভূপৃষ্ঠে বাসযোগ্য পরিবেশ রচনার জন্য যথেষ্ট সময় হতে পারে। কিন্তু একটা শিশু-পৃথিবী সৃষ্টি কোরে তাকে বর্তমান পৃথিবী রূপে গড়ে তুলবার জন্য যথেষ্ট সময় নয় বলেই মনে হয়। প্রায় ৫০০ কোটি বছর পূর্বে সূর্য গঠিত হয়েছে বলে বিজ্ঞানীগণ মনে করেন {“কালের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস”-অধ্যায়-৮ (মহাবিশ্বের উৎপত্তি ও পরিণতি)- প্রায় পাঁচশ কোটি বছর আগে আমাদের সূর্য গঠিত হয়েছে। } সূর্য তার জ্বালানীর প্রায় অর্ধেকটা পুড়িয়ে ফেলেছে এবং আর প্রায় পাঁচশ কোটি বছর পরে শেষ পর্যন্ত সূর্যের পারমানবিক জ্বালানী ফুরিয়ে যাবে। {“কৃষ্ণগহ্বর এবং শিশু মহাবিণ্ব ও অন্যান্য রচনা”-অধ্যায়-১১- ( কৃষ্ণগহ্বর এবং শিশু মহাবিশ্বসমূহ)- শেষ পর্যন্ত কিন্তু সূর্যের পারমাণবিক জ্বালানী ফুরিয়ে যাবে। এ রকম ঘটনা পাঁচশ কোটি বছরের আগে হবে না। } এই জ্বলন্ত সূর্য পরিগঠনের পর থেকেই যে পৃথিবীতে বাসযোগ্য পরিবেশ রচনার বিষয়টি পূর্ণতা পেয়েছে তা অতি সহজেই বুঝে নেয়া যায়। কারণ পৃথিবীতে বাসযোগ্য পরিবেশ রচনা ও তা বজায় রাখার পিছনে যে কয়েকটি মূল শর্ত রয়েছে, তার মধ্যে সূর্যালোক একটি মুখ্য ভূমিকা পালন করে। আল-কোরআন ও বিজ্ঞানের আলোকে নিঃস্বার্থভাবে প্রচেষ্টা চালালে এসব রহস্যের মূল তথ্য ও তাৎপর্য অতি সহজেই উদঘাটন করা সম্ভব হবে। (সমাপ্ত)
১৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:০৪
মাহফুজশান্ত বলেছেন: আরফুর রামায়ন আর বে-ইমান একই লাইনে-- হাহ হা, তাইনা?
২|
১৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৩৮
তানভীর চৌধুরী পিয়েল বলেছেন: (এখানে `বুরুজুন`-এর বহুবচন হল `বুরুজ`। সাধারনত `ঘর' বলতে যেমন দেয়াল ঘেরা এমন একটি স্থানকে বোঝায় যেখানে কয়েকজন মানুষ একত্রে বসবাস করতে পারে। তেমনি `বুরুজুন' অর্থ `তারকার ঘর' বলতে মহাকাশে সৃষ্ট এমন একটি স্থানকে বুঝানো হয়েছে যেখানে অনেকগুলো তারকা বা নক্ষত্র একটি নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে একত্রিত অবস্থায় থাকে। সুতরাং `বুরুজুনের' অর্থ `মহাকাশের অসংখ্য নক্ষত্র সমৃদ্ধ স্তর অর্থাৎ গ্যালাক্সি' হওয়াই স্বাভাবিক। আবার 'বুরুজ' শব্দটি যেহেতু বহুবচন, সুতরাং এর দ্বারা `মহাকাশের অসংখ্য গ্যালাক্সি সমৃদ্ধ স্তর অর্থাৎ গ্যালাক্সিগুচ্ছ' হওয়াই যুক্তিসংগত।)
এখানে কি জোর করে মিলানো হচ্ছে না? আল্লাহ সরাসরি গ্যালাক্সিগুচ্ছ বললেন না কেন।
(সময়ের অভাবে কেবল প্রথম অংশ পড়লাম)
১৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৫৬
মাহফুজশান্ত বলেছেন: আরবীতে তো গ্যালাক্সিগুচ্ছ বলে কোন শব্দ নেই। মূলত গ্যালাক্সি শব্দটি তো ইংরেজি শব্দ। আরবীতে যার অর্থ 'বুরুজুন' অর্থাৎ তারকার ঘরের অনুরুপ। আবার 'বুরুজ' যেহেতু বুরুজুনের বহুবচন সুতরাং এর অর্থ অসংখ্য 'তারকার ঘর অর্থাৎ 'গ্যলাক্সিগুচ্ছ' হওয়াই তো স্বাভাবিক।
আমরা জানি ইংরেজি ভাষায় 'হোয়াট' অর্থ বাংলায় 'কী=?' । এখন আপনি যদি বলেন ইংরেজরাও হোয়াট না বলে সরাসরি 'কী=?' শব্দটি ব্যবহার করল না কেন? তাহলে এর উত্তরে আমি কীই বা বলে আপনাকে বুঝাব বলুন?
৩|
১৭ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:০৩
আমি মদন বলেছেন: কোরানের আয়াতকে কেটে ছিড়ে এভাবে ব্যাখ্যা করার সাহস আপনাকে কে দিয়েছে ? আল্লাহ বলেছেন পড়। পড়েন এবং বিশ্বাস স্থাপন করেন। কোরন ব্যাখ্যা করা রক্ত মাংসের মানুষের কাজ না। সাধারনত মতলবি লোকেরাই নিজ অথবা দলিয় স্বার্থে কোরন ব্যাখ্য অপব্যাখ্যা দেয়।
আল্লাহর নির্দেশকে প্রথম ব্যাখ্যা দিয়ে ছিল ইবলিশ। বেহেস্তের গন্দম ফলকে সে আল্লার বর্ননার বিপরীত বর্ননা দিয়ে ছিল।
আমরা মুসলিম গন কোরন পড়ি এবং বিশ্বাস করি। আপনাদের এই কাটা ছেড়ার সাহস কোথায় হলো ? আপনারা কে ? মুসলমানের চামড়ায় আপনারা কারা ?
১৯ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:১৩
মাহফুজশান্ত বলেছেন: মদন দাদা,
আপনার উপরে শান্তি বর্ষিত হোক। আল-কোরআনের প্রতি আপনার ভক্তি ও বিশ্বাসকে আমি শ্রদ্ধা করি। এই ইমান অর্থাৎ বিশ্বাস তো থাকতেই হবে। তবে শুধু বিশ্বাস করে বসে থাকার জন্য তো এই জ্ঞানগর্ভ গ্রন্থখানা মহান স্রষ্টা আমাদের কাছে প্রেরন করেন নাই। বরং তা পড়ার সাথে সাথে বোঝার জন্য এবং সর্বক্ষেত্রে সেই দিকনির্দেশনা বাস্তবায়নের জন্যই এটি মানবজাতির কাছে হেদায়েত স্বরূপ প্রেরন করা হয়েছে।বিশষ করে প্রতিটি মুসলমানকে তো এ বিষয়ে তাদের সামর্থ অনুসারে অগ্রনী ভুমিকা পালন করতেই হবে। জ্ঞানগর্ভ গ্রন্থ আল-কোরআন নিছক কোন বিজ্ঞানের বই নয়, বরং একটি পুর্ণাঙ্গ জীবন বিধান। তাই এখানে মূলত জীবন পরিচালনার বিধিগুলোকে বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়েছে। পাশাপাশি বিজ্ঞানের মৌলিক তথ্যগুলোকে সংক্ষিপ্তভাবে পেশ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে একদিকে যেমন সাধারণ পাঠকসমাজকে সৃষ্টি-জগৎ সম্পর্কে মৌলিক জ্ঞান দেয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে, অপরদিকে তেমনি জ্ঞানী ও চিন্তাশীল সম্প্রদায়কে স্রষ্টার সৃষ্টিতত্ত্ব নিয়ে চিন্তা-গবেষণা করার জন্য উদ্ভুদ্ধ করা হয়েছে। মহান স্রষ্টা তাঁর প্রেরিত মহাগ্রন্থে ধীরে সুস্থে জ্ঞানদানের ব্যবস্থা করেছেন। একটি বিষয়কে প্রথমত সবার জন্য সহজভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। তারপর অন্য স্থানে অর্থাৎ অন্য কোন সূরায় সেই বিষয় সম্পর্কে ধীরে ধীরে গভীর তথ্য প্রদান করা হয়েছে। কোন একটি বিষয় সম্পর্কে আগ্রহী হয়ে একজন অনুসন্ধিৎসু পাঠক যখন সেই বিষয়টিকে খোঁজার জন্য এই গ্রন্থখানা পড়তে শুরু করে, তখন আপনা আপনিভাবে অন্য অনেক বিষয় তার চোখে পরে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই সে তা পড়তে উদ্দোগী হয়। এভাবে একটি বিষয়ের সাথে সাথে অন্যান্য বিষয় সম্পর্কেও সে জানতে শুরু করে এবং তার জানার আগ্রহ ক্রমান্বয়ে বেড়েই চলে। মহান আল্লাহ ধৈর্যশীল ও সত্যান্বেষীদেরকে এভাবেই পরীক্ষা করেন ও সরল পথ দেখান। শেষ পর্যন্ত যারা বিশ্বাসে অটল থাকতে পারে, তারা সফলকাম হয়। ইহকাল ও পরকালে শান্তি পায়।
দাদা, আপনি আমাকে মুসলমানের চামড়া পরিহিত স্বার্থবাদি বা ভন্ডদের দলের লোক হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। কিন্তু এমনটি যে আমি নই এবং আমার অন্তরে যে অনু পরিমাণ কোনরূপ দুরভিসন্ধি নেই তা মহান আল্লাহতায়ালাই ভাল জানেন। তবে এ কথাটা আমাদের সবাইকে মনে রাখতে হবে যে, শুধুমাত্র মুসলমানের চামড়া গায়ে জড়ালে যেমন মুসলমান হওয়ার প্রশ্নই আসেনা, তেমনি শুধুমাত্র অন্তরে বিশ্বাস করে বসে থাকলেও চলে না। বরং তা মুখে ঘোষনা করার সাথে সাথে আল্লাহতায়ালার ইবাদত করা ও বান্দার হক আদায়ে তৎপর হতে হয়। কথা-বার্তা, চাল-চলন, ভাবের আদান-প্রদান, লেনদেন, শিক্ষা অর্জন, জ্ঞান-বিজ্ঞান সাধনা ইত্যাদি জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে আল-কোরআন ও সুন্নাহর দিকনির্দেশনা মেনে চলতে হয় এবং পিছিয়ে না থেকে বরং সম্মুখপানে এগিয়ে যেতে হয়। আমার চিন্তা-চেতনা সম্পর্কে না জানার কারণেই হয়ত আমার প্রতি আপনার অহেতুক সন্দেহ বা ভয়ের সৃষ্টি হয়েছে। আশাকরি এ বিষয়ে নিচের লিংকে দেয়া আমার লেখাটি কষ্টকরে পড়লে আমাদের মাঝে ভুল ধারনার অবসান হবে, ইনশাল্লাহ।মহান আল্রাহ যেন আমাদেরকে সাহায্য করেন।
Click This Link
৪|
১৭ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৩৬
আলমগীর কুমকুম বলেছেন: শেষপর্বের জন্য ধন্যবাদ। (স্বস্তির নি:শ্বাস ফেলার ইমো হবে)
১৯ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:১৫
মাহফুজশান্ত বলেছেন: আবারও প্রথম পর্ব শুরু হবে,-কমেন? ধন্যবাদ
৫|
১৭ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:২৬
শুভ রহমান বলেছেন: এই পোস্টে বিজ্ঞানের কি লাভ হইলো, ধর্মেরই বা কোন লাভ হইলো বুঝা গেল না।
১৯ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:১৭
মাহফুজশান্ত বলেছেন: একটু মাথা খাটান, তাহলে ঠিকই বুঝতে পারবেন।
৬|
১৭ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৩০
নাজিম উদদীন বলেছেন: আলমগীর কুমকুম বলেছেন: শেষপর্বের জন্য ধন্যবাদ। (স্বস্তির নি:শ্বাস ফেলার ইমো হবে)
যথারীতি মাইনাস।
১৯ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:২৩
মাহফুজশান্ত বলেছেন: আমিও দিলাম
- X - X-X -X -X -X - X- X-X- X-X - X- X- X-X -X -X -X -X - = ( কি খুশী তো? )
৭|
১৭ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৩৭
শয়তান বলেছেন:
আলমগীর কুমকুম বলেছেন: শেষপর্বের জন্য ধন্যবাদ। (স্বস্তির নি:শ্বাস ফেলার ইমো হবে)
শুভ রহমান বলেছেন: এই পোস্টে বিজ্ঞানের কি লাভ হইলো, ধর্মেরই বা কোন লাভ হইলো বুঝা গেল না।
নাজিম উদদীন বলেছেন: আলমগীর কুমকুম বলেছেন: শেষপর্বের জন্য ধন্যবাদ। (স্বস্তির নি:শ্বাস ফেলার ইমো হবে)
যথারীতি মাইনাস।
১৯ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:২৫
মাহফুজশান্ত বলেছেন: টাকলু শয়তান,
শেষ নয়, শেষ নয়- কেবল তো শুরু হল
৮|
১৯ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৪২
আরিফুর রহমান বলেছেন: রামায়ন আর আল্কোরান.. একই গতি হবে.. যেমন হয়েছে ভাইবেলে..
১৯ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৫১
মাহফুজশান্ত বলেছেন: গতি কাকে বলে? কত প্রকার ও কি কি জানেন? মিঃ আরফুর রামায়ন
৯|
১৯ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৫১
সবাক বলেছেন:
লেখক কি বুঝাতে চাইলো, বুঝলাম না। ঈমানী দন্ডের কোন নড়াছড়া হইলো কিনা, সেটাও বুঝতাছি না। ![]()
১৯ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৫৪
মাহফুজশান্ত বলেছেন: বুঝবেন বুঝবেন, কেবল তো অবাক হলেন- এরপর সবাক- বাকরুদ্ধ হয়ে না পড়েন!
১০|
১৯ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৫৯
আরিফুর রহমান বলেছেন: মিষটার হ্যাপী কোরান ছাহিব,
আপুনি মাদরাছার শতরঞ্চিতে পাছা ঘছিয়া ঘছিয়া যেই ঘ্যায়ান অর্জনের কসরৎ করিয়াছেন, তাহাতে আপনার ছৌদিয়াব্বাদের নিকট 'ম্লেচ্ছ' পরিগনিত বাংলা নামের ভাষাখানার 'গতি' বাচক শব্দ-খানার বহুবিধ ব্যাবহার শিখানো হয় নাই...
আমাদের, অর্থ্যাৎ বাংলা ভাষা ভাষী ও বাংলা প্রেমী-দের পরম ও চরম করুনা রহিয়া গেলো আপুনি ও আপনাদের লাহান ছৌদি মৌ-লোভী কুলাঙ্গার গো লাইগা...
১৯ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:১৬
মাহফুজশান্ত বলেছেন: শ্রী শ্রী আ. রামায়ন
ছৌদি মৌ-লোভী গো সাথে ঢলা ঢলি খুব বেশী করেছেন বোধ হয়।
আমরা ভাই বাংলা প্রেমী, বাংলায় কথা কই, বাংলায় কোরআন ও জ্ঞান-বিজ্ঞান পড়ি এবং লিখি। আপনাগো মতন ছৌদি কুলাঙ্গার গো পা চাটাচাটি করা আমাদের সভাব না। আপনি যে মন্দিরের চাটিতে পাছা ঘসা মাজা করেছেন, সেই আদলে গড়া মাদরাছার ছায়াও আমি মাড়াই নাই।
১১|
১৯ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৩৮
আরিফুর রহমান বলেছেন: হিহিহি..
আপনাকে পাইয়াছি জনাব এইবার..
এখনি আমাকে ব্লক করিবেন না.. (কারন আপনার সঙ্গী-সাথীগন সহ্য করিতে না পারিয়া...প্রায়শই
)
জনাব, কোরান শান্ত ছাহেব..
বলুন তো?
১. কেহ যদি শ্রী শ্রী হয়, সম্ভবতঃ আপুনি হিন্দু ধর্মাবলম্বী বা ইন্ডিয়ান বুঝইতে চাহিতেছেন... আপনাদের মৌলোভী গন তবে কি ইদানীঙ... কাফেরদের সংগেও সোহবৎ করা শুরু করিয়াছে? (গোপনে খিক খিক)
আপনারা, অর্থ্যাৎ গেলমান বৃন্দের ব্যাক সাইড কি তবে তেনাদের জন্য হারাম হইয়া গিয়াছে?
২. অতঃপর আপুনি আমাকে ছৌদি বলিলেন... তারপরে বলিলেন মন্দিরের ইত্যকার.. !!!! ছৌদিতে কি তবে ইদানীঙ মন্দির নির্মান হইতেছে? বড়ই আজিব বেফার?? নাকি মন্দির বলিতে কাবাঘর বুঝাইলেন?? এতো সত্যবাদী কিভাবে হইলেন গেলমান ছাহিব? ![]()
৩. আবারও বলিতেছি... আল্কোরাণ আর বিজ্ঞান একই বাক্যে বলিয়া আপুনি যে হাস্যরসের অবতারনা করিতে প্রাণান্ত... তাহাতে আপনার করুন দশাই ফুটিয়া উঠিতেছে... আল্কোরাণের গায়ে বিজ্ঞানের বিন্দুমাত্র তকমা আঁটিতেছে না... (আঁটিবে কি করিয়া... নভেল লিখিয়া তো আর প্রকৌশলী খেতাব মিলে না..)
আপুনি কি তবে মোহাম্মদকে প্রকৌশলী বানাইয়াই ছাড়িবেন? উনাকে মরনোত্তর নোবেল পাওয়াইয়াই ছাড়িবেন???
২০ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৪৫
মাহফুজশান্ত বলেছেন: আপনার মত বদ ও কুরুচি মনা শয়তানদের বদ বাক্যের উত্তর দিতে আমার ঘেন্না লাগে। তথাপি-
হিন্দু ধর্মাবলম্বী বা ইন্ডিয়ানরা আপনার মত নাস্তিকদের চাইতে অনেক ভাল। যদিও তারা রামায়ন ও গীতা পাঠ করে, কিন্তু আপনার মত শ্রী শ্রী রা যদি মনে করে যে বেদ যেমন শুধু ব্রাহ্মন সমাজের লোকরা পড়বে আর আন্যরা তা পড়লে মহাভারত অশুদ্ধ হয়ে যাবে, তেমনি আল-কোরআনকে যদি শুধু সৌদি বা মৌলভীদের সম্পত্তি বানাবার পায়তারা করেন তাহলে ঠিক উল্লাটা হইবে। মুসলমানেরা জানে যে আল-কোরআন পাঠের অধিকার সবারই আছে।
যাই হোক আপনার সাথে বাক্যালাপের মাধ্যমে আপনার মত শয়তানরে যথা স্থানে পাঠাইবার ব্যবস্থাটা পাকা করাই আমার মূল উদ্দেশ্য। আপনার জন্য আল্লাহই যথেষ্ট।
১২|
১৯ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৪৮
শয়তান বলেছেন: সমনে একটা ছাগলের বারবিকিউ করা হৈবো ব্লগে । অগ্রীম দাওয়াত দিয়া গেলাম
২০ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৫৭
মাহফুজশান্ত বলেছেন: শয়তান রাজ আ. রামায়নের কি ছাগলে পোষাবে? ওনার জন্য ছঙ্গে ছুকর ছানার বারবিকিউ রাখতে ভুলবেন না যেন... হে হে
১৩|
১৯ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৫৭
মদনদেব বলেছেন: জাঝাকাল্লাহ খায়রান
পোস্টে সহস্র +
ভন্ড নাস্তিকদের ফাঁকা বুলীতে কান না দিয়ে আপনি আপনার এরকম গবেষনাধর্মী লেখা চালিয়ে যান ।
২০ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৪৬
মাহফুজশান্ত বলেছেন: আপনার উপরে শান্তি বর্ষিত হোক। ধন্যবাদ
১৪|
১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:৩১
সামছুল আরেফিন বলেছেন: আল কোরআন বিজ্ঞানের কিতাব নয়। ইহা উপদেশের কিতাব। ইহা আদেশের কিতাব। ইহা পথহারা জাতির পথদেখানোর কিতাব।
উদাহরণ স্বরূপ: আমি একজনকে বর্ননা দিলাম
সকাল সাতটায় বরিশাল থেকে ঢাকা রওয়ানা দিলাম, ৯টায় আমি মাওয়া পৌছলাম দেখি ফেরিতে বিশাল জ্যাম। গাড়ি ছেড়ে স্পীড বোটে উঠলাম। এত কষ্ট করেও ১১ টায় অফিসে আসতে পারলাম না। আমার হাজিরটা মিস হল।
এখানে আমি ঐদিন অফিসে অনুপস্থিতির কারণ ব্যাখ্যা করলাম। কিন্তু আপনি ইছ্ছা করলে অনেক তথ্য বের করতে পারেন।
কোরআনে আল্লাহ মানুষ কে পথ দেখানোর জন্য বিভিন্ন উদাহরণ টেনে এনেছেন। এখান থেকে মানুষ তথ্য নিয়ে দুনিয়াবী উপকার পাবে। উপদেশ মানলে আখেরাতে কল্যান হবে।
আপনার ব্যাখ্যাটা সম্ভাব্য, চুড়ান্ত নয়।
পোষ্টে +
১৭ ই আগস্ট, ২০১০ দুপুর ১২:৩২
মাহফুজশান্ত বলেছেন: মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ
©somewhere in net ltd.
১|
১৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৪৮
আরিফুর রহমান বলেছেন: আল্কোরান আর বিজ্ঞান..
একই লাইনে??!!!