নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ইবনে হাবীব

দুর্ধর্ষ বেদুইন

যাহা বলিব সত্য বলিব।

দুর্ধর্ষ বেদুইন › বিস্তারিত পোস্টঃ

জামায়াতে ইসলামীর প্রতিষ্ঠাতা মাওলানা মওদুদী যে কারনে আলেম সমাজের নিকট প্রত্যাখ্যাত হলেন (১ম পর্ব): নবী-রাসুলগণের প্রতি ধৃষ্টতাপূর্ণ উক্তি-১

২১ শে মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:২৯

(কৈফিয়ত: আমি জামায়াতে ইসলামী ও শিবিরের ভাইদের কোনরুপ হেয় বা খাটো করার উদ্দেশে মাওলানা মওদুদীর উক্তিগুলো এখানে তুলে ধরিনি। আমি জানি, তারা এগুলো সম্পর্কে কমই জানেন অথবা তাদের জানতে দেওয়া হয়না। কেউ যদি জেনেও ফেলেন এবং বড়দের নিকট প্রকাশ করেন, তাদের এমন বোঝান হয় যে এগুলো সব শত্রুদের ষড়যন্ত্র। আবার এমনটিও বলা হয়- আমরা তো আর মাওলানা মওদুদীকে অনুসরন করিনা বা তার সব কথা মানিও না। কিন্তু একথা গ্রহনযোগ্য নয়, কারন জামায়াতে ইসলামী ও ছাত্রশিবিরের পাঠ্যসূচিতে মাওলানা মওদুদী লিখিত প্রায় সব পুস্তকই রয়েছে। উত্তম খাবারের সাথে যেমন সুক্ষ পরিমাণ বিষাক্ত খাবার গ্রহন করলে বাহ্যিকভাবে তার প্রভাব তেমন অনুভূত হয়না এবং ধীরে ধীরে ঐ বিষাক্ত খাবার সহনীয় হয়ে যায় তেমনি মাওলানা মওদুদীর ত্রুটিযুক্ত কথা ও কাজগুলোকেও জামায়াতে ইসলামী ও শিবিরের ভাইয়েরা একসময় তাদের আক্বীদায় পরিনত করেন।

‘তাফহীমুল কোরআন’কে আলেম সমাজ নিষিদ্ধের দাবী করায় বর্তমান সংস্করনগুলো থেকে কিছু আপত্তিকর কথা বাদ দেওয়া হয়েছে যদিও এতটুকুই যথেষ্ট নয়। তাছাড়া মাওলানা মওদুদী জীবিত থাকাকালীন বা জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে অদ্যাবধি কোন ভুল স্বীকার করে তওবা করা হয়নি। তাই মুসলিম ভাইদের ঈমানের হেফাজতের জন্য এগুলো তুলে ধরা আমার জন্য অপরিহার্য ছিল।)




নবী-রাসুলগণ সকলেই মাসুম, তারা সকলেই নিষ্পাপ-এই হলো ইসলামী আকীদা। তবে জনাব আবুল আলা মওদুদী ইসলামের বদ্ধমূল এ আকীদার উপর কুঠারাঘাত করে এবং কুরআন ও সুন্নাহর চিরন্তন শিক্ষাকে পদদলিত করে আম্বিয়ায়ে কেরামের এ পূত পবিত্র জামাতের প্রতি কলংক লেপন করার উদ্দেশ্যে এমন ধৃষ্টতাপূর্ন কথা বলেছেন, যা কোন মুসলমানের পক্ষে বরদাশত করা সম্ভব নয়।



প্রসিদ্ধ নবী দাউদ (আ.) সম্পর্কে:

“হযরত দাউদ (আ.) এর কাজের মধ্যে নফস ও আভ্যন্তরীন কুপ্রবৃত্তির কিছুটা দখল ছিল। অনুরুপভাবে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহারের সাথেও তার কিছুটা সম্পর্ক ছিল। আর তা ছিল এমন ধরনের কাজ, যা হক পন্থায় শাসনকারী কোন মানুষের পক্ষেই শোভা পায়না।” [তাফহিমুল কোরআন(উর্দু):৪র্থ খন্ড, সুরা সাদ, ৩২৭পৃ. ১ম সংস্করণ, অক্টোবর ১৯৬৬ইং]

“হযরত দাউদ (আ.)ত-কালীন যুগে ইসরাঈলী সোসাইটির দ্বারা প্রভাবান্বিত হয়ে এক বিবাহিতা যুবতীর উপর আসক্ত হয়ে তাকে বিবাহ করার জন্য তার স্বামীর নিকট তালাক দেওয়ার জন্য আবেদন করেছিলেন” [তাফহিমাত ২য় খন্ড: ৪২পৃ. ২য় সংস্করণ ; নির্বাচিত রচনাবলী(বাংলা) ২য় খন্ড, ৭৩ পৃ, আধুনিক প্রকাশনী, ১ম প্রকাশ ১৯৯১ইং]



হযরত নূহ (আ.) সম্পর্কে:

“হযরত নূহ (আ.) চিন্তাধারার দিক থেকে দ্বীনের চাহিদা হতে দূরে সরে গিয়েছিলেন। তার মধ্যে জাহিলিয়াতের জযবা স্থান পেয়েছিল।” [তাফহিমুল কোরআন: ২য়খন্ড, ৩৪৪পৃ. ৩য় সংস্করণ, ১৯৬৪ ইং]



হযরত ইউনুস (আ.) সম্পর্কে:

“হযরত ইউনুস (আ.) থেকে রিসালাতের দায়িত্ব আদায় করার ব্যাপারে কিছু দুর্বলতা হয়ে গিয়েছিল।সম্ভবত তিনি ধৈর্যহারা হয়ে নির্ধারিত সময়ের পূর্বেই আপন স্থান ত্যাগ করে চলে গিয়েছিলেন।” [তাফহিমুল কোরআন: ২য়খন্ড, সূরা ইউনুস (টিকা দ্রষ্টব্য) ৩য় সংস্করণ, ১৯৬৪ ইং]



হযরহ আদম (আ.) সম্পর্কে:

“হযরহ আদম (আ.) মানবিক দূর্বলতায় আক্রান্ত ছিলেন। তিনি শয়তানী প্রলোভন হতে সৃষ্ট তরি- জযবায় আত্মভোলা হয়ে নিজ নিয়ন্ত্রন হারিয়ে ফেলেন। ফলে আনুগত্যের উচ্চ শিখর হতে নাফারমানীর অতল গহ্বরে গিয়ে পড়েন।” [তাফহিমুল কোরআন(উর্দু): ৩য়খন্ড, ১২৩ পৃ.]



হযরত মুহাম্মাদ (স.) সম্পর্কে:

“আল্লাহ তা’য়ালার নিকট কাতর কন্ঠে এই আবেদন করুন, যে কাজের দায়িত্ব আপনাকে দেওয়া হয়েছিল, তা সম্পন্ন করার ব্যাপারে আপনার দ্বারা যে ভুল ত্রুটি হয়েছে কিম্বা তাতে যে অসম্পূর্ণতা রয়ে গেছে তা যেন তিনি ক্ষমা করে দেন।” [তাফহিমুল কোরআন (বাংলা) ১৯শ খন্ড, ২৮০পৃ. মুদ্রনে ওরিয়েন্টাল প্রেস, ঢাকা ১৯৮০ ইং; কোরআনের চারটি মৌলিক পরিভাষা(বাংলা) ১১২পৃ. ৮ম প্রকাশ, আধুনিক প্রকাশনী:জুন ২০০২]

“মহানবী (স.) মানবিক দূর্বলতা থেকে মুক্ত ছিলেন না। অর্থাৎ তিনি মানবিক দূর্বলতার বশীভূত হয়ে গুনাহ করেছিলেন।” [তরজমানুল কোরআন ৮৫ তম সংখ্যা, ২৩০পৃ.]

“মহানবী (স.) নিজে মনগড়া কথা বলেছেন এবং নিজের কথায় নিজেই সন্দেহ পোষন করেছেন।” [তরজমানুল কোরআন, রবিউল আউয়াল সংখ্যা, ১৩৬৫ হিজরী]



চলবে............ইনশাআল্লাহ

আগামী পর্বে থাকছে নবী-রাসুলগণের প্রতি ধৃষ্টতাপূর্ণ উক্তি-২

মন্তব্য ৯২ টি রেটিং +২৭/-১২

মন্তব্য (৯২) মন্তব্য লিখুন

১| ২১ শে মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৪৪

যোগী বলেছেন: চলতে থাকুক সাথে আছি

২১ শে মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৪৬

দুর্ধর্ষ বেদুইন বলেছেন: চলবে............ইনশাআল্লাহ

২| ২১ শে মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৪৬

নাজির বলেছেন: আরও জানার আগ্রহ নিয়া পোস্ট আপাতত সোকেসে রাখলাম।

৩| ২১ শে মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৪৮

দুর্ধর্ষ বেদুইন বলেছেন: ধন্যবাদ।

৪| ২১ শে মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৪৯

আফসার নিজাম বলেছেন: আসসালাম।

যেগুলো সফট কথা সেগুলো বাংলা তথ্য আর যেগুলো খাপার কথা আছে তা উর্দু তথ্য।
কেনো?

আপনি একটু একটু করে উদাহরণ না দিয়ে দয়া করে ঐ বিষয়ের পুরোটি উঠিয়ে দেন। তা হলে বিচার করতে সুবিধা হবে।

যদি আপনি আল কুরআনের সেই বাণীর মতো বলেন- ‌'তোমরা সালাত আদায় করবে না' এতোটুকু উঠিয়ে দিলেতো মূল ইসলামের বিপরীতেই কুরআন চলে যায়।
অতএব সম্পূর্ণ উঠিয়ে দিন। একটা একটা বিষয় নিয়ে।
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ



মা'আসসালাম।

২১ শে মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৫১

দুর্ধর্ষ বেদুইন বলেছেন: ভাইজান, মাইনাসটা কি আপনার পক্ষ থেকে..

২১ শে মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:০০

দুর্ধর্ষ বেদুইন বলেছেন: "আপনি একটু একটু করে উদাহরণ না দিয়ে দয়া করে ঐ বিষয়ের পুরোটি উঠিয়ে দেন। তা হলে বিচার করতে সুবিধা হবে।"

আপনার বিস্তারিত জানার আগ্রহ থাকলে নীচে ঊল্লেখিত বইগুলো পড়তে পারেন।

৫| ২১ শে মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৫৪

আমরা সোচ্চার বলেছেন: চালিয়ে যান।

২১ শে মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:০৪

দুর্ধর্ষ বেদুইন বলেছেন: জ্বী, চলবে............ইনশাআল্লাহ

৬| ২১ শে মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৫৬

দুর্ধর্ষ বেদুইন বলেছেন: আরো বিস্তারিত জানতে হলে পড়ুন...

১. ইতিহাসের কাঠগড়ায় হযরত মুয়াবিয়া (রাঃ) -জাস্টিস তাকী উসমানী (রশীদ কল্যান ট্রাস্ট)
২. মাওলানা মওদূদীর সাথে আমার সাহচার্যের ইতিবৃত্ত – মাওলানা মনজুর নোমানী (রহঃ) (ঐ)
৩. মওদূদী সাহেব ও ইসলাম -মুফতি রশীদ আহমাদ লুধীয়ানভী (রঃ) (দারুল উলুম লাইব্রেরী-৩৭,নর্থব্রুক হল রোড, বাংলাবাজার)
৪. মওদূদীর চিন্তাধারা ও মওদূদী মতবাদ -ইজহারে হক ফাউন্ডেশান; প্রাপ্তিস্থানঃ (দারুল উলুম লাইব্রেরী-৩৭,নর্থব্রুক হল রোড, বাংলাবাজার)
৫. ফিতনায়ে মওদুদীয়াত – মাওলানা যাকারিয়া (রহ.)
৬. ভুল সংশোধন -মাওলানা শামসুল হক ফরিদপুরী (রহ.)
৭. সতর্কবাণী -মাওলানা মোহাম্মাদুল্লাহ হাফেজ্জী হুজুর (রহ.)
৮. হক্ব বাতিলের চিরন্তন দ্বন্দ্ব- আল্লামা আহমাদ শফী, হাটহাজারী।
৯. ঈমান ও আক্বীদা -ইসলামিক রিসার্স সেন্টার, বসুন্ধরা।
১০. ফতোয়ায়ে দারুল উলূম (আংশিক)

৭| ২১ শে মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৫৯

বিজয় কেতন বলেছেন: পর্বটা চলুক। সাথে আছি।

২১ শে মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:০২

দুর্ধর্ষ বেদুইন বলেছেন: বেশ, থাকেন।

৮| ২১ শে মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:০৩

অসময়ের আমি বলেছেন: চলুক সাথে আছি.।

৯| ২১ শে মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:০৭

অনর্থ বলেছেন: আমিও আছি। সাথে আছে প্লাস।

১০| ২১ শে মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:০৭

আফসার নিজাম বলেছেন: আসসালাম।

না। (-) (+) কিছুই দেই নাই।

মা'আসসালাম।

২১ শে মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:১৪

দুর্ধর্ষ বেদুইন বলেছেন: ভাই, আমরা সামান্য আলু কিনতে গেলেও তো সেটা পচাঁ কিনা উলট-পালট করে দেখি। আর ইসলামী আন্দোলনের মত একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আমরা কেন হুজুগে মেতে যাই- বলতে পারেন? বলতে পারেন আমরা সত্যটা জানতে চেষ্টাও করিনা কেন?

১১| ২১ শে মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:০৯

আফসার নিজাম বলেছেন: আসসালাম।

একটু একটু দিয়ে ফিতনা সৃষ্টি না করার জন্য
অনুরোধ করছি।

দয়া করে মানুষকে ধোকা দেবেন না।


মা'আসসালাম।

২১ শে মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:১৬

দুর্ধর্ষ বেদুইন বলেছেন: রেফারেন্স যে দেইনি তা তো নয়। নিজেই খুজে দেখুন না!

২১ শে মে, ২০১০ রাত ৮:৩৩

দুর্ধর্ষ বেদুইন বলেছেন: ফিতনা তো মাওলানা সাহেবই বাধিয়ে দিয়ে গেছেন।

১২| ২১ শে মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২৮

ওমর হাসান আল জাহিদ বলেছেন: পড়লাম... জানার আগ্রহ বেড়ে গেল।

পরবর্তী পর্বের অপেক্ষায় রইলাম...

প্রিয়তে...+++++

১৩| ২১ শে মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২৯

বাশিওয়ালা বলেছেন: রেফারেন্স যেগুলো দিয়েছেন সেগুলো যদি একটু প্রকাশ করেদেন তবে জানতে সুবিধা হবে। কার এতগুলো বই মানেজ করে পড়া একটু কঠিন বই কি...।

১৪| ২১ শে মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩৯

কুয়াশা বলেছেন: ইন্টারনেট, ফেসবুক, ইমেল, ব্লগ এগুলাতো কওমী মাদ্রাসার আলেমদের দৃষ্টিতে হারাম তাহলে আপনি এই ব্লগে কেন? শুরুতেই আপনি একখান হারাম কাজ করেছেন। আর আপনরা বইয়ের মধ্যে একটা সংযোযন করে নেন। সেটা হচ্ছে মিস্টার মওদুদীর নতুন ইসলাম।

ভাই আপনার কাছে একখান জিজ্ঞাসা। দেশে যতগুলি ইসলামী দল আছে তার ৯০% দল কওমী মাদ্রাসা পন্থী। কিন্তু কারো সাথে কারো মেলেনা। একজন আর একজনকে কাফের বলে গালি দেয়। কিন্তু তারা সকলে বিভিন্ন কওমী মাদ্রাসার ছাত্র। এইকই কিতাব পত্র একই হাদিস কোরান পড়ার পরও তাদের নিজেদের মধ্যে কেন এত বিভেদ। জামাত না হয় মওদুদীর ইসলাম পালন করে কিন্তু দেশের বৃহত্তম আলেম সমাজ যারা কওমী মাদ্রাসা থেকে পাশ করা তাদের মধ্যে এত বিভেদ দেখে মনে প্রশ্ন জাগে তাহলে কি জামায়াত ই সঠিক পথে আছে। কারণ প্রতিষ্ঠার পর থেকে এদের কখনো গ্রুপিং হতে দেখিনাই।

২১ শে মে, ২০১০ রাত ৮:০০

দুর্ধর্ষ বেদুইন বলেছেন: "প্রতিষ্ঠার পর থেকে এদের কখনো গ্রুপিং হতে দেখিনাই।"

১৯৪১ সালে জামায়াতে ইসলামী গঠনের সময়তো আবুল হাসান আলী নদভী (রহঃ), মনজুর নোমানী (রহঃ) এদের মত অনেক যুগশ্রেষ্ঠ স্কলার সংশ্লিষ্ট ছিলেন!
-হ্যা, অবাক হবেন যে, জামায়াতে ইসলামী-ই পৃথিবীতে একমাত্র সংগঠন যার প্রতিষ্ঠাকালীন সকল সদস্যই উক্ত সংগঠন ত্যাগ করেছিলেন।

১৫| ২১ শে মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৪৪

হোসেন মনসুর বলেছেন: ভাল পোষ্ট। চলতে থাকুক সাথে আছি ।

১৬| ২১ শে মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৪৪

দুর্ধর্ষ বেদুইন বলেছেন: @ কুয়াশা, ইন্টারনেট, ফেসবুক, ইমেল, ব্লগ এগুলাতো কওমী মাদ্রাসার আলেমদের দৃষ্টিতে হারাম তাহলে আপনি এই ব্লগে কেন? শুরুতেই আপনি একখান হারাম কাজ করেছেন।

তারা যে এগুলো হারাম বলেছেন তার দলীল দিবেন আশা করি। ধারনা করে কথা বলা কি ঠিক?

১৭| ২১ শে মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫২

দুর্ধর্ষ বেদুইন বলেছেন: @ কুয়াশা,
ভাই আপনার কাছে একখান জিজ্ঞাসা। দেশে যতগুলি ইসলামী দল আছে তার ৯০% দল কওমী মাদ্রাসা পন্থী। কিন্তু কারো সাথে কারো মেলেনা। একজন আর একজনকে কাফের বলে গালি দেয়। কিন্তু তারা সকলে বিভিন্ন কওমী মাদ্রাসার ছাত্র। এইকই কিতাব পত্র একই হাদিস কোরান পড়ার পরও তাদের নিজেদের মধ্যে কেন এত বিভেদ। জামাত না হয় মওদুদীর ইসলাম পালন করে কিন্তু দেশের বৃহত্তম আলেম সমাজ যারা কওমী মাদ্রাসা থেকে পাশ করা তাদের মধ্যে এত বিভেদ দেখে মনে প্রশ্ন জাগে তাহলে কি জামায়াত ই সঠিক পথে আছে। কারণ প্রতিষ্ঠার পর থেকে এদের কখনো গ্রুপিং হতে দেখিনাই।

সামান্য বিভেদ থাকলেও তা নিতান্তই ইজতিহাদগত ব্যাপার, আকীদাগত নয়। যেমন, মাযহাবের ইমামদের কিছু মতপার্থক্য আছে।








১৮| ২১ শে মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫৭

কুয়াশা বলেছেন: আর এই সামান্য ইজতিহাদি ব্যপার নিয়ে প্রায়ই তাদের মধ্যে ভাঙ্গন দেখা যায়।

২১ শে মে, ২০১০ রাত ৮:০৪

দুর্ধর্ষ বেদুইন বলেছেন: এই ভাঙ্গনের জন্য হয়ত কেউ দায়ী। তবে সব ইসলামী দলে এমনটি নেই। কিন্তু যদি সবাই দল ছেড়ে চলে যায় তাকে কি বলবেন?

১৯৪১ সালে জামায়াতে ইসলামী গঠনের সময়তো আবুল হাসান আলী নদভী (রহঃ), মনজুর নোমানী (রহঃ) এদের মত অনেক যুগশ্রেষ্ঠ স্কলার সংশ্লিষ্ট ছিলেন!
-হ্যা, অবাক হবেন যে, জামায়াতে ইসলামী-ই পৃথিবীতে একমাত্র সংগঠন যার প্রতিষ্ঠাকালীন সকল সদস্যই উক্ত সংগঠন ত্যাগ করেছিলেন।

১৯| ২১ শে মে, ২০১০ রাত ৮:১৪

দুর্ধর্ষ বেদুইন বলেছেন: @ কুয়াশা,
আর আপনরা বইয়ের মধ্যে একটা সংযোযন করে নেন। সেটা হচ্ছে মিস্টার মওদুদীর নতুন ইসলাম।

ভাই, মাওলানা মওদুদী সাহেবের ভ্রান্তি নিয়ে উপমহাদেশে বাংলা, ইংরেজি, উর্দু এবং আরবী ভাষায় প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা দু'শতাধিক। বাংলা ভাষায় যেগুলো সহজলভ্য এরকম কয়েকটি বই উল্লেখ করেছি মাত্র।

২০| ২১ শে মে, ২০১০ রাত ৮:৩৫

অবাক মানুষ বলেছেন: প্রথাগত চিন্তার বাইরে আমরা যে কোনো মতামত শুনতে রাজি আছি। গ্রহন বর্জন সেতো একান্ত ব্যক্তিগত ব্যাপার। আমি মনে করি আপনার মত প্রকাশের স্বাধীনতা আছে, আর অনেকেই সত্য জানতে আগ্রহী। আপনি লিখুন।

২১ শে মে, ২০১০ রাত ৮:৪৭

দুর্ধর্ষ বেদুইন বলেছেন: আল্লাহ তা'আলা আমাদেরকে সত্য গ্রহন ও মিথ্যা বর্জনের তৌফিক দিন।

২১| ২১ শে মে, ২০১০ রাত ৮:৩৭

রুপার পালকি বলেছেন: চলুক । সত্য চির-ভাস্কর !

২১ শে মে, ২০১০ রাত ৮:৪৮

দুর্ধর্ষ বেদুইন বলেছেন: হ্যা, সত্য চির-ভাস্কর !
আল্লাহ তা'আলা আমাদেরকে সত্য গ্রহন ও মিথ্যা বর্জনের তৌফিক দিন।

২২| ২১ শে মে, ২০১০ রাত ৯:০৮

মামুন বিদ্রোহী বলেছেন: অনেক কিছু জানার আছে। সাথে আছি....

২১ শে মে, ২০১০ রাত ১১:৫৮

দুর্ধর্ষ বেদুইন বলেছেন: ঠিক আছে, থাকুন সাথে।

২৩| ২১ শে মে, ২০১০ রাত ৯:৫৩

মারুফ৫৭১ বলেছেন: একটা ব্যাখ্যার আংশিক তুলে ধরার কোন মানে হয় না..."নবী-রাসুলগণ সকলেই মাসুম, তারা সকলেই নিষ্পাপ" তার মানে তারা কোনদিন ভুল করেননি এমন নয়.....

২১ শে মে, ২০১০ রাত ১০:০০

দুর্ধর্ষ বেদুইন বলেছেন: তার মানে বলতে চাইছেন, নবী-রাসুলগণ ভুল করেছেন?

২৪| ২১ শে মে, ২০১০ রাত ৯:৫৩

মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক বলেছেন: আসলে মূল বই না পড়ে সেকেন্ডারী সোর্স হতে রেফারেন্স দেয়া শুনা কথা বলে বেড়ানোর মতো ঝুঁকিপূর্ণ। অনৈতিক। এ ক্ষেত্রে গালি দেয়ার প্রবণতা আর অন্ধ বিশ্বাসই হয় সম্বল। আপনিকি মূল বইগুলো পড়েছেন? আমি অনুমান করছি, আপনি মাওলান মওদূদীর সংশ্লিষ্ট বইগুলো পড়েননি, হয়তোবা দেখেনও নাই। আসলে কি ... ?

২১ শে মে, ২০১০ রাত ১০:০৩

দুর্ধর্ষ বেদুইন বলেছেন: মনে হয় মাওলানা মওদূদীর বই আপনার চেয়ে বেশীই পড়েছি। যাহোক মন্ত্যব্যের জন্য ধন্যবাদ।

২৫| ২১ শে মে, ২০১০ রাত ৯:৫৪

ইমন ইসলাম বলেছেন: ভাই আরো বিস্তারিত লিখলে ভাল লাগবে।

২১ শে মে, ২০১০ রাত ১০:২৫

দুর্ধর্ষ বেদুইন বলেছেন: জ্বী, পরামর্শের জন্য ধন্যবাদ।

২৬| ২১ শে মে, ২০১০ রাত ৯:৫৭

মারুফ৫৭১ বলেছেন: আফসার নিজাম বলেছেন: আসসালাম।

যেগুলো সফট কথা সেগুলো বাংলা তথ্য আর যেগুলো খাপার কথা আছে তা উর্দু তথ্য।
কেনো?

আপনি একটু একটু করে উদাহরণ না দিয়ে দয়া করে ঐ বিষয়ের পুরোটি উঠিয়ে দেন। তা হলে বিচার করতে সুবিধা হবে।

যদি আপনি আল কুরআনের সেই বাণীর মতো বলেন- ‌'তোমরা সালাত আদায় করবে না' এতোটুকু উঠিয়ে দিলেতো মূল ইসলামের বিপরীতেই কুরআন চলে যায়।
অতএব সম্পূর্ণ উঠিয়ে দিন। একটা একটা বিষয় নিয়ে।
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ

ধন্যবাদ ভাই আপনাকে...

২১ শে মে, ২০১০ রাত ১০:১০

দুর্ধর্ষ বেদুইন বলেছেন: আপনি কিছু বলুননা!

২৭| ২১ শে মে, ২০১০ রাত ১০:০১

কানন শাহ বলেছেন: ভাই কাটপেষ্ট ব্লগার।


এই ব্লেইম থেকে মুক্তি পেতে হলে আধুনিক অথবা খায়রুন প্রকাশনীর বাংলা তাফহীমুল কুরআন থেকে উদ্ধৃতি দিন।

২১ শে মে, ২০১০ রাত ১০:০৮

দুর্ধর্ষ বেদুইন বলেছেন: আধুনিক প্রকাশনীর বাংলা তাফহীমুল কুরআন থেকে কিছু উদ্ধৃতি তো দিলাম, মিলিয়ে দেখতে পারেন।

২৮| ২১ শে মে, ২০১০ রাত ১০:০২

আশাহত বলেছেন: চলতে থাকুক, এইগুলা জানা উচিত মানুষের। প্লাসায়ে গেলাম।

২৯| ২১ শে মে, ২০১০ রাত ১০:০৫

ধানসিঁড়ি বলেছেন: তাফহীমূল কুরআনের বাংলা অনুবাদ থাকা সত্ত্বেও উর্দূ রেফারেন্সগুলো দেয়া হয় শুধু বিভ্রান্ত করার জন্য, ইচ্ছে করলেও কেউ যাতে মিলিয়ে দেখতে না পারেন। আর আমাদের অধিকাংশেরই উর্দূ ভাষা জানা না থাকায় সহজে এ বিভ্রান্তি দূর করা অসম্ভব হয়ে যায়। যারা উর্দূ বোঝেন তারা তাফহীমূল কুরআনের উর্দূ ফাইলগুলো ডাউনলোড করতে পারেন।
আমি নিজে ঊর্দূ বুঝি না, তাই আমার মতো যারা বাংলায় তাফহীম যাচাই করতে চান তারা তাফহীমুল কুরআনের বঙ্গানুবাদ পড়তে পারেন।
আর মওদূদী র: সম্পর্কে এখানেও কিছু তথ্য পাবেন।

২১ শে মে, ২০১০ রাত ১০:১৫

দুর্ধর্ষ বেদুইন বলেছেন: ভাই, "ইতিহাসের কাঠগড়ায় হযরত মুয়াবিয়া (রাঃ)" বইতে পাকিস্তানের আল্লামা জাস্টিস তাকী উসমানী এবং "ভুল সংশোধন" বইতে মাওলানা শামসুল হক ফরিদপুরী (রহ.) যে চ্যালেন্জ করে গিয়েছেন তা আজ পর্যন্ত কেউ খন্ডাতে পেরেছে কি?

৩০| ২১ শে মে, ২০১০ রাত ১০:০৭

শাওন ইমতিয়াজ বলেছেন: চলুক....

৩১| ২১ শে মে, ২০১০ রাত ১০:২২

ভালবাসাকারেকয় বলেছেন: আপনার লেখায় মাওলানা মওদুদীর সম্পর্কে যা বলেছেন তা তো ওনার পুরো বক্তব্য না । কথার মাঝখান তুলে দিয়ে কাউকে দোষী করতে পারেন না। কে কি বলছে তা না বলে উনার বক্তব্য পুরোটা তুলে ধরুন। আপনার বক্তব্য না দিয়ে ওনার পুরো (সম্পূর্ন) লেখাটি তুলে ধরুন। পাঠক তখন বুঝতে পারবে সত্য কোনটা। আপনাকে তখন মিথ্যাচার করতে হবে না। বুইজচেন????????

২১ শে মে, ২০১০ রাত ১০:২৮

দুর্ধর্ষ বেদুইন বলেছেন: আপনি কিভাবে বুঝলেন যে ওগুলো মাওলানা মওদুদীর পুরো বক্তব্য না। যাচাই করেই দেখুননা!

৩২| ২১ শে মে, ২০১০ রাত ১০:২৪

মেগামেন বলেছেন: হায়রে, ইসলামি দল গুলোর মাঝে মারামার।

৩৩| ২১ শে মে, ২০১০ রাত ১০:২৬

ধানসিঁড়ি বলেছেন: চ্যালেঞ্জ করলেই চ্যালেঞ্জের জবাব দিতে হবে তার প্রয়োজন সবাই মনে করে না। কেই যদি চ্যালেঞ্জ করে, সাদ্দাম এখনো জীবিত তবে সে চ্যালেঞ্জের জবাব দেয়ার জন্য বুশের দৌড়ে আসতে হবে এমন নাও হতে পারে। যাদের সত্য যাচাইয়ের প্রয়োজন তারা ইচ্ছে করলেই তা করতে পারেন, যেহেতু মওদূদী র: এর বই গুলো বাজারে প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়।

২১ শে মে, ২০১০ রাত ১০:৩৫

দুর্ধর্ষ বেদুইন বলেছেন: হ্যা, আমিও তাই বলি, যাদের সত্য যাচাইয়ের প্রয়োজন তারা ইচ্ছে করলেই তা করতে পারেন।

এগুলোও দেখতে পারেন, এতে আবার কোন মিথ্যা আছে কিনা!

১. ইতিহাসের কাঠগড়ায় হযরত মুয়াবিয়া (রাঃ) -জাস্টিস তাকী উসমানী (রশীদ কল্যান ট্রাস্ট)
২. মাওলানা মওদূদীর সাথে আমার সাহচার্যের ইতিবৃত্ত – মাওলানা মনজুর নোমানী (রহঃ) (ঐ)
৩. মওদূদী সাহেব ও ইসলাম -মুফতি রশীদ আহমাদ লুধীয়ানভী (রঃ) (দারুল উলুম লাইব্রেরী-৩৭,নর্থব্রুক হল রোড, বাংলাবাজার)
৪. মওদূদীর চিন্তাধারা ও মওদূদী মতবাদ -ইজহারে হক ফাউন্ডেশান; প্রাপ্তিস্থানঃ (দারুল উলুম লাইব্রেরী-৩৭,নর্থব্রুক হল রোড, বাংলাবাজার)
৫. ফিতনায়ে মওদুদীয়াত – মাওলানা যাকারিয়া (রহ.)
৬. ভুল সংশোধন -মাওলানা শামসুল হক ফরিদপুরী (রহ.)
৭. সতর্কবাণী -মাওলানা মোহাম্মাদুল্লাহ হাফেজ্জী হুজুর (রহ.)
৮. হক্ব বাতিলের চিরন্তন দ্বন্দ্ব- আল্লামা আহমাদ শফী, হাটহাজারী।
৯. ঈমান ও আক্বীদা -ইসলামিক রিসার্স সেন্টার, বসুন্ধরা।
১০. ফতোয়ায়ে দারুল উলূম (আংশিক)
১১. ইসলামি আকীদা ও ভ্রান্ত মতবাদ -মাওলানা মুহাম্মাদ হেমায়েত উদ্দীন(১১/১, বাংলাবাজার, ঢাকা)

৩৪| ২১ শে মে, ২০১০ রাত ১০:৩৮

গ্রুপেন ফুয়েরার বলেছেন: শালার ব্লগ ভরিয়া গেল হরিদাস পালে...

৩৫| ২১ শে মে, ২০১০ রাত ১০:৪১

রাগ ইমন বলেছেন: পোস্ট পড়লাম। আরো বিস্তারিত লিখেন। আমি জানতে চাই।

২১ শে মে, ২০১০ রাত ১০:৫২

দুর্ধর্ষ বেদুইন বলেছেন: জ্বী, সামনেই জানতে পারবেন কেন এবং কি কারনে হাকীমুল উম্মত আশরাফ আলী থানভী (রহঃ), হুসাইন আহমাদ মাদানী (রহঃ), শাব্বীর আহমাদ উসমানী (রহঃ), মুফতী শফী (রহঃ), জাকারিয়া (রহঃ), ক্বারী তৈয়ব (রহঃ), আবুল হাসান আলী নদভী (রহঃ), মনজুর নোমানী (রহঃ) এদের মত অনেক যুগশ্রেষ্ঠ স্কলার সহ সমসাময়িক প্রায় সকল স্কলারই জামায়াতে ইসলামীকে প্রত্যাখ্যান করেছিলেন।

৩৬| ২১ শে মে, ২০১০ রাত ১০:৫৩

সৈয়দ মোহাম্মদ আলী কিবর বলেছেন: ভাই ইবনে হাবিব সালাম নিবেন, আল্লাহ যেন আপনাকে আল্লাহর নূরকে ছড়িয়ে দেয়ার কাজে ব্রতি করেন দুয়া করছি। আপনি ব্লগে বিভ্রান্তকর বিষয় উপস্থাপন করে ইসলামের ক্ষতি করছেন না লাভ করছেন ভেবে দেখবেন।

আপনি এবং আপনার রেফরেন্স যা উপস্থাপন করেছেন তা আপনি নিজের মগজ দিয়ে অনুধাবন না করে বিক্রিত চিন্তার আলোকে পড়ে হউক বা অন্যের কাছ থেকে জেনেছেন এতে আপনিও বিভ্রান্ত হয়েছেন ও সাধারণ মানুষের মাঝে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন তাই পরোক্ষভাবে আপনি ইসলামের ক্ষতি করছেন বা ইসলামবিরোধীরা আপনার মাধ্যমে ফায়দা হাসিল করে নিচ্ছে।

যাই হউক ........... ইন্নাললাহা ইয়াগফিরুজ জুনুবা জামিয়া............ আসুন আমরা সবাই তওবা করি আর আল্লাহর দ্বীন প্রতিষ্ঠার চেষ্ঠা করি। এটা যদি সম্ভব না হয় তাহলে অন্ততপক্ষে শেষ নবীর উম্মত যাদের মমতায় নবী সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বিকার করেছেন এবং কেয়ামতের ময়দানে যাদেরেকে জাহান্নাম থেকে বাঁচবার জন্য ছটফট করবেন সেই আল্লাহর বান্দাদেরকে দোযখের পথ অনুসরণ করার জন্য উৎসাহিত না করি।

২১ শে মে, ২০১০ রাত ১১:০৭

দুর্ধর্ষ বেদুইন বলেছেন: "আসুন আমরা সবাই তওবা করি আর আল্লাহর দ্বীন প্রতিষ্ঠার চেষ্ঠা করি। এটা যদি সম্ভব না হয় তাহলে অন্ততপক্ষে শেষ নবীর উম্মত যাদের মমতায় নবী সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বিকার করেছেন এবং কেয়ামতের ময়দানে যাদেরেকে জাহান্নাম থেকে বাঁচবার জন্য ছটফট করবেন সেই আল্লাহর বান্দাদেরকে দোযখের পথ অনুসরণ করার জন্য উৎসাহিত না করি।"

সহমত।

এ কারনেই মুসলিম ভাইদের ঈমানের হেফাজতের জন্য এগুলো তুলে ধরা আমার জন্য অপরিহার্য ছিল।

৩৭| ২১ শে মে, ২০১০ রাত ১১:০২

দুর্ধর্ষ বেদুইন বলেছেন: দেখুন-
উপমহাদেশের উলামায়ে কেরামের দৃষ্টিতে জামায়াতে ইসলামী ও মাওলানা মওদূদী।

৩৮| ২১ শে মে, ২০১০ রাত ১১:০৮

এস এইচ খান বলেছেন:

মুসলিম স্কলারদের খুত ধরার চাইলে কেউই বিতর্কের উর্ধে নয় । বিতর্কের উর্ধে নয় এ কারনে বলছি যে, মুসলিমরা আজ বহু দলে উপদলে বিভক্ত। আপনি স্বয়ং কোন পন্থী জানিনা তবে, এ রকম একটি ফোরামে খন্ডিত উপস্হাপনা অন্যায়। বিশেষ করে যেখানে নিকৃষ্ট নাস্তিক, বিশেষ সম্পদায় এবং ঘুষখোর বাপের বখে যাওয়া ডিজুস পোলাপাইন সারাক্ষণ ইসলামের ছিদ্রান্বেষনে ব্যস্ত । ছোট একটা উদাহরণ দেই, কিছু দিন আগে তাহসিব নামক লো গ্রেডের এক নাস্তিক যিনি আল্লাহর শাস্তি!!! নিয়ে একটি ব্যংগাত্বক পোষ্ট দেয় যেখানে আমি ওকে ধর্মের কথা বাদ দিয়েই প্রচলিত এবং কিছুটা স্ল্যাং ভাষায় (ওই আমাকে বাধ্য করেছিল) রুঢ় ভাবে এর প্রতিউত্তর করেছি যার পাল্টা উত্তর আর দেয়নি।

মজার ব্যপার হল, সেই তাহসিব আপনার এই পোষ্টে সাথে আছি বলে কমেন্ট করেছে। আপনাকে ব্যপারটা ভাবার জন্য অনুরোধ করছি।

২১ শে মে, ২০১০ রাত ১১:২৪

দুর্ধর্ষ বেদুইন বলেছেন: ঐ ব্যাক্তিটি আমাকে ভালকরেই চেনে....

আপনারাও যখন সালফে-সালেহীনদের অপদস্ত করেন তখনো দেখবেন তারা বলে- "সাথে আছি"।

৩৯| ২১ শে মে, ২০১০ রাত ১১:১৪

সৈয়দ মোহাম্মদ আলী কিবর বলেছেন: কেউ অথবা সবাই যদি একটি দল ত্যাগ করে তাহলে এর কারণে যে দল বিভ্রান্ত তা বলা ঠিক হবে না। মওদুদীর উপর যত অপপ্রচার এবং জামাতের ব্যাপারে যত কুপ্রচারণা তাতে মনে হয় এটাই সঠিক দল। ইসলাম বিরোধীরা যেমন জামাতকে শত্রু মনে করে ঠিক তেমনি ইসলামের মহান আলেম ও পীর জামাতকে কোন স্বিকৃতিউ প্রদান করে না।
তাই বলা যায় সম্পুর্ণ শয়তানের তাবেদারী থেকে মুক্ত এবং আল্লাহর একনিষ্ঠ আনুগত্যকারী হওয়ার কারণেই এই অবস্থা।

২১ শে মে, ২০১০ রাত ১১:২৬

দুর্ধর্ষ বেদুইন বলেছেন: ব্যাখ্যাটা ভালই লাগল!

৪০| ২২ শে মে, ২০১০ রাত ১২:০৩

তায়েফ আহমাদ বলেছেন: আপনি যেহেতু সিরিজ আকারে প্রকাশ করছেন তাই, এখনি মন্তব্য করাটা সমীচীন মনে করি নি। কিন্তু, ৩০ নং মন্তব্যের জবাবে আপনার "ভাই, "ইতিহাসের কাঠগড়ায় হযরত মুয়াবিয়া (রাঃ)" বইতে পাকিস্তানের আল্লামা জাস্টিস তাকী উসমানী এবং "ভুল সংশোধন" বইতে মাওলানা শামসুল হক ফরিদপুরী (রহ.) যে চ্যালেন্জ করে গিয়েছেন তা আজ পর্যন্ত কেউ খন্ডাতে পেরেছে কি?" কথাটা পড়ে একটু কথা না বলে পারছি না!

প্রথম কথা হচ্ছে, মাওলানা মওদূদী দোষে-গুনে ভরা মানুষই ছিলেন। তাঁর দ্বারা কোন ভুল বাক্য ব্যবহৃত হতেই পারে না- এমন ধারনা আমার নেই।
দ্বিতীয় কথা হচ্ছে, মাওলানা শামসুল ইসলাম ফরিদপুরী এবং মুফতী তক্বী উসমানীর উচ্চ মর্যাদা এবং সম্মানের প্রতি পূর্ণ আস্থা রেখেই আমি তাঁদের বই দু'টি অধ্যয়ন করেছি এবং তাতে রাষ্ট্রবিজ্ঞান এবং ধর্মতত্ত্বকে এক করে দেখার তাঁদের যে প্রবনতা লক্ষ করেছি তা অবৈজ্ঞানিক বলে মনে হয়েছে। একই কথা আল্লামা আজিজুল হকের বুখারী শরীফের পরিশিষ্ট অধ্যায়ের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।

যাই হোক। আমার টেবিলেই এখন দুইটি বই পড়ে রয়েছে।
১. মাওলানা মওদূদীর বিরুদ্ধে অভিযোগের তাত্ত্বিক পর্যালোচনা- মাওলানা মুফতী মুহাম্মাদ ইউসুফ এবং
২. খেলাফত ও রাজতন্ত্র গ্রন্থের উপর অভিযোগের পর্যালোচনা- জাস্টিস গোলাম আলী

দু'টো বইয়ের একটি ও আমি পুরো পড়ি নি। তবে, যদ্দুর পড়েছি তাতে দেখেছি যে, তাঁরা দুজনেই আপনার বিবৃত সেই সব চ্যালেঞ্জের জবাব পর্যাপ্ত রেফারেন্স সহকারেই দিয়েছেন।

আপনার প্রদত্ত তালিকার বেশীরভাগ বইই পড়ার সৌভাগ্য হয়েছে। এর উপর ভিত্তি করে একটি নিজস্ব চিন্তাধারাও দাঁড়িয়ে গিয়েছে। দেখা যাক, আপনি শেষ পর্যন্ত কী কী বলেন।:)

আপনার লেখাটা আপনি ইসলামের প্রতি আপনার ভালবাসা থেকেই লিখেছেন, আশা করি। সে ভালবাসার প্রতি শ্রদ্ধা রইল।

২২ শে মে, ২০১০ রাত ১:১১

দুর্ধর্ষ বেদুইন বলেছেন: মাশাআল্লাহ, আপনাকে ধন্যবাদ যে আপনি বেশ পড়াশোনা করেন। জাস্টিস গোলাম আলী সাহেবের বইটি এখন আমার সামনেই আছে। তবে আল্লামা জাস্টিস তাকী উসমানীর "ইতিহাসের কাঠগড়ায় হযরত মুয়াবিয়া (রাঃ)" বইটিতে "খেলাফত ও রাজতন্ত্র গ্রন্থের উপর অভিযোগের পর্যালোচনা"-বইয়ে উল্লেখিত সর্বশেষ যুক্তিসমূহ খন্ডন করা হয়।
আপনি দুটি বইয়ের যুক্তি, দলীল নিরপেক্ষ থেকে তুলনা করুন, আপনার বিবেক আপনার সাথে প্রতারণা করবে বলে মনে হয়না।

৪১| ২২ শে মে, ২০১০ রাত ১২:০৯

অকপট শুভ্র বলেছেন: আমি যত দূর জানি মওদুদীর তাফহীমুল কুরান থেকে শুরু করে প্রায় সব বই ই বিভিন্ন ভাষায় অনুদিত হয়েছে। আমি যেই ইউনিভার্সিটিতে এখন আছি (ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটি মালয়েশিয়া) তে উনার লেখা বই পরানো হয়। উস্তাদরা তাকে অনেক সম্মান দিয়ে কথা বলেন। তার বই মদিনা ও আল আজহার ইউনিভার্সিটিতে পরানো হয়। আর আপনে ফাউ প্যচাল পারতাসেন।
আমাদের উপমহাদেশের উলামারা কারে "মুরতাদ" বলে ফাতুয়া দেয় নাই? এমন কি জাকের নায়েক কে ও কাফির ও মুরতাদ বলে ফতোয়া দিসে এই ওলামারা।
http://www.youtube.com/watch?v=8wfREFRPWcc

এরা ইমাম ইবনে তাইমিয়া কে ও মুরতাদ বলেছিল...... অনেকে এখনও বলে। তাই আমি উপমহাদেশের উলামাদের ফতোয়া গুলো বিশ্বাস করি না। তাবে তাদের সম্মান করি।

২২ শে মে, ২০১০ রাত ১:৪৬

দুর্ধর্ষ বেদুইন বলেছেন: "মদিনা ও আল আজহার ইউনিভার্সিটিতে উনার লেখা বই পড়ানো হয়- এই তথ্য কই পেলেন, দয়া করে বলবেন কি?"
ভাই, আমাদের দেশে দুটি প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি আছে যেখানে মাও. মওদুদীর বইকে আসমানী কিতাবের মত মনে করা হয়। গত বি এন পি -জামাত সরকারের আমলে ফাজিল, কামিল শ্রেণিতে ও সরকারি ইসলামী ইউনিভার্সিটিতে রেফারেন্স বুক হিসাবে "তাফহিমুল কোরআন"-কে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল, সেটাও নিশ্চয়ই জানেন।
তাই বলে "তাফহিমুল কোরআন"-কে উলামায়ে কেরাম ছাড়পত্র দেননি কিন্তু!

৪২| ২২ শে মে, ২০১০ রাত ১:২৭

কথক পলাশ বলেছেন: আপনার এই পোস্টটি আশা করি কাজে লাগছে। অনেকেই দেখি বিরোধিতা করছে, কিন্তু মজার ব্যাপার হচ্ছে, তাঁদের কথায় কোন রেফারেন্স নেই। এতেই বোঝা যায়, আসল জায়গায় হাত দিয়েছেন। আপনি চালাতে থাকুন। এই পোস্ট যদি একজন বিপথগামীকেও রক্ষা করে, তবুও আমি বলব আপনার কষ্ট স্বার্থক।

৪৩| ২২ শে মে, ২০১০ রাত ১:৫৬

দুর্ধর্ষ বেদুইন বলেছেন: জ্বী, এই যে রাত জাগছি, মুল্যবান স্বাস্থ্য ও সময় ব্যয় করছি খামাখা তর্ক করার জন্য নয়, আমার একটি ভাইও যদি সঠিক পথে ফিরে আসে, তাহলেই কষ্ট স্বার্থক।

৪৪| ২২ শে মে, ২০১০ রাত ২:০৮

পারভেজ আলম বলেছেন: হুম। মওদুদির বিরুদ্ধে মুসলিম আলেম সমাজ এতো ক্ষিপ্ত কেনো সেটা এর আগে এবিষয়ক কিছু লেখা থেকে জেনেছি। আজকে আরো কিছু জানলাম। তবে তিনি গত শতকের একজন অন্যতম মুসলিম ধর্মতাত্ত্বিক ছিলেন, এই কথা মনে হয় তার শত্রুরাও স্বিকার করবে।

আমি অবশ্য তার ওপর ক্ষিপ্ত হওয়া এবং তাকে ঘৃণা করার জন্য তার রাজনৈতিক চরিত্র এবং বাঙালীদের বিরুদ্ধে তার রাজনৈতিক অবস্থানকেই যথেষ্ট মনে করি।

৪৫| ২২ শে মে, ২০১০ রাত ৩:২৬

কঠিনলজিক বলেছেন: মন্তব্যে বুঝা যাচ্ছে অনেকেই নাখোশ। কেও বলছেন ফেতনা কেও বলছেন বিভেদ সৃস্টির উদ্দেশ্য আবার এক জন কউমী মাদ্রাসার ইস্যু নিয়ে এসেছেন, কেও কেও লেখক কে ভাদা/হরিদাস পালও বলছেন ।

স্বাভাবীক ভাবেই জামাত-শিবির এই সমালোচনা ভাল চোখে দেখবেন না ।
যেহেতু মউদূদী জামাতের সাথে জড়ীত ব্যাক্তিত্য তাই গভিরে না গিয়ে অনেকে এটা জামাত বিরোধী বক্তব্য ধরে হাল্কা করে নিতে পারেন ।

তাই বলতে চাই আপাততঃ ধরে নেই মউদূদী না,
আমি যদি আজকে এই ব্লগে একটা পোস্টে লিখি
"হযরত নূহ (আ.) সম্পর্কে:
“হযরত নূহ (আ.) চিন্তাধারার দিক থেকে দ্বীনের চাহিদা হতে দূরে সরে গিয়েছিলেন। তার মধ্যে জাহিলিয়াতের জযবা স্থান পেয়েছিল।”

বা
হযরত মুহাম্মাদ (স.) সম্পর্কে:
“মহানবী (স.) মানবিক দূর্বলতা থেকে মুক্ত ছিলেন না। অর্থাৎ তিনি মানবিক দূর্বলতার বশীভূত হয়ে গুনাহ করেছিলেন।”

অথবা
হযরহ আদম (আ.) সম্পর্কে:
“হযরহ আদম (আ.) মানবিক দূর্বলতায় আক্রান্ত ছিলেন। তিনি শয়তানী প্রলোভন হতে সৃষ্ট তরি- জযবায় আত্মভোলা হয়ে নিজ নিয়ন্ত্রন হারিয়ে ফেলেন। ফলে আনুগত্যের উচ্চ শিখর হতে নাফারমানীর অতল গহ্বরে গিয়ে পড়েন।”


বিশেষ ভাবে জামাত-শিবির ব্লগারদের কাছে জানতে চাই,তা হলে আপনার মতামত/প্রতিক্রীয়া কি হবে ?

এটা মউদূদী লিখেছেন কি লেখেন নাই তার প্রমানের অভাব হবে না । আগে নিজেদের অবস্থান ঠিক করেন ।

৪৬| ২২ শে মে, ২০১০ রাত ১০:২৬

থাবা_বাবা বলেছেন: নবী-রাসুলরা মাসুম ছিলেন... এর থেকে হাস্যকর কথা আর কি হতে পারে!

৪৭| ২৩ শে মে, ২০১০ রাত ১২:৪০

আলী প্রাণ বলেছেন: চলুক...

৪৮| ২৩ শে মে, ২০১০ দুপুর ১:১২

ব্ল্যাকমেটাল বলেছেন: থাবা_বাবা বলেছেন: নবী-রাসুলরা মাসুম ছিলেন... এর থেকে হাস্যকর কথা আর কি হতে পারে!

এর থেকে হাস্যকর হতে পারে আপনার বক্তব্য!

২৪ শে মে, ২০১০ দুপুর ১২:৩২

দুর্ধর্ষ বেদুইন বলেছেন: ভাল বলেছেন।

৪৯| ২৩ শে মে, ২০১০ দুপুর ১:১৫

ব্ল্যাকমেটাল বলেছেন: কওমী মাদ্রাসাওলারা তো রাজনৈতিক দল গঠন করাকেই হারাম মনে করে, তারা ইস্লামী দলের ৯০ % সমর্থক হয় কিভাবে?
এখয়ানকার কোটগুলো অসম্পূর্ণ, কাজেই মোটেই নির্ভরযোগ্য বলে মনে হচ্ছে না।

৫০| ২৬ শে মে, ২০১০ বিকাল ৫:১৮

জুবায়ের হাসান বলেছেন: সত্য জানতে আগ্রহী। চলতে থাকুক

৫১| ২৮ শে মে, ২০১০ রাত ১২:৪৮

রাগ ইমন বলেছেন: ভাই, আপনি তো তাও জামাত ইসলামী পর্যন্ত পৌছাতে পেরেছেন। আমি তো ভাই শুরুতেই গোলমাল বাধিয়ে বসে আছি ।

১। পৃথিবীতে প্রথম মানুষ হইলো আদম (আঃ) আর বিবি হাওয়া (রাঃ) ।
২। সমস্ত মানব জাতি সৃষ্টি হয়েছে এই দুইজন থেকে ।


তার মানে এই দুইজনের গর্ভে যাঁদের জন্ম হয়েছে ইনারা সকলেই ভাই এবং বোন।

এর পরে ৩য়, ৪র্থ , ৫ম প্রজন্ম এসেছেন এঁদের থেকেই ।

আমি কুরান, হাদীস , বাইবেল, কিংবা অন্য কোন আব্রাহামিক ধর্ম গ্রন্থেই এক ঈসা (আঃ) ছাড়া অলৌকিক গর্ভধারনের কোন ইতিহাস পাই নাই । তার মানে আদম (আঃ) এর সময় থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত সকলেই যৌণ সঙ্গমের মাধ্যমেই জন্ম নিয়েছেন ।

তাই যদি হয় , যখন পৃথিবীতে কেবল আদম (আঃ) এবং বিবি হাওয়া (রাঃ) এর বাচ্চারা ছাড়া আর কোন মানব সন্তান ছিলেন না , সেই সময় ৩য় প্রজন্ম কিভাবে এসেছে ?

সহোদর ভাই ও বোনের যৌণ সঙ্গম এর মাধ্যমে?

পিতা ও কন্যার যৌণ সঙ্গমের মাধ্যমে?

মাতা ও পুত্রের যৌণ সঙ্গমের মাধ্যমে?

তখন কি তাহলে এই ধরনের মিলন জায়েজ ছিলো?

মানতে কষ্ট হচ্ছে , কিন্তু আর কোন ব্যাখ্যাও তো পাই না খুঁজে।

আপনি জানলে আমাকে একটু জানাবেন?

আরো বেশি ঝামেলা হইলো , মিশরে ভাই বোনের বিবাহ চালু ছিলো । এইজন্য এই ধরনের কিছু থাকলেও থাকতে পারে বলে প্রমান পাওয়া যায়। এখন কি বিশ্বাস করবো?

৫২| ২৮ শে মে, ২০১০ ভোর ৫:০৯

কঠিনলজিক বলেছেন: @ রাগইমনঃ পিতা ও কন্যার মাতা ও পুত্রের মিলন এ কখনো বৈধতা ছিল না ।
তবে হ্যাঁ সহোদর ভাই ও বোনের বিবাহ ও মিলন জায়েজ ছিলো ।
তবে তখনের প্রেক্ষাপটে মানে এক দম শুরুর দিকে । এবং আজকের মত চিন্তা করলে হবে না । তাদের সারিরিক ধরণ, আয়ু , বসবাসের ব্যাপ্তি চিন্তা করলে এত টা অস্বাভাবিক বোধ করবেন না ।
এই ধর্মীয় ব্যাখ্যার বিকল্প ডারউইন থিউরি আরো ভয়াবহ, সে খানে
সহোদর ভাই ও বোনের পিতা ও কন্যার মাতা ও পুত্রের মিলন এবং তা কয়েক মিলিয়ন বছর পর্যন্ত চলে সাধারন রীতি ছিল (বানর সম্প্রদায় ) বিবাহের তো কনসেপ্ট ই ছিল না, মানে হয়ত এক সন্তানের বাবা এক ভাই আরেক সন্তানের বাবা সন্তানের মার বাবা এবং অপর সন্তানের বাবা অপর ভাই বা ভাইয়ের ছেলে।

৫৩| ২৯ শে মে, ২০১০ রাত ১২:৫৭

দুর্ধর্ষ বেদুইন বলেছেন: @ রাগ ইমন, এ বিষয়ে জানার আগে আমিও আপনার মত কনফিউশানে ছিলাম। কঠিনলজিকের সাথে আমি আরেকটু ক্লিয়ার করছি- আদম আ. এর সন্তানগণ হত জোড়ায় জোড়ায়; এক ছেলে এক মেয়ে। আদম আ.এর শরিয়তে এক জোড়ার ছেলের সাথে অন্য জোড়ার মেয়ের বিবাহ অনুমোদিত ছিল। তবে একই জোড়ার ছেলে- মেয়ের মধ্যে বিবাহ বৈধ ছিলনা।

৫৪| ১২ ই মে, ২০১১ সকাল ১০:২৯

কাকপাখি ২ বলেছেন: ++++++++++++++

প্রিয়তে

৫৫| ২৮ শে মে, ২০১১ সকাল ১১:০৪

আেনায়ার এইচ ভূইয়া বলেছেন: মওলানা মওদুদী যে কথা বলেছিলেন সেগুলো সঠিক নয় এমন স্পষ্ট ব্যাখ্যা পাওয়া গেলনা।

৫৬| ২৩ শে আগস্ট, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:৫৫

মাহবুব মাসুম বলেছেন: মন্তব্যগুলোর একটা বিষয় লক্ষ করার মত, আফসার,পলাশ, মোজাম্মেল, মারুফ৫ এর মত ব্লগাররা যেভাবে মন্তব্য করেছেন তাতে তাদের দলীয় অবস্থান বুঝতে বাকি নেই। আমার মনে আছে ছাত্রাবস্থায় শিবিরের বন্ধুদের সাথে তর্ক লাগলে ওরা এভাবেই কথা বলতো। এক্ষণ প্রমাণ দে, কোন বইয়ে পাইছস, পুরাডা ক, ওইডা তো মুরতাদের লেখা। দ্বীনের সাথে সম্পর্ক না থাকলে যুক্তি বাতিল শেষমেষ অবধারিতভাবে যা বলা হবে তা হল, তুই কি আস্তিক নাকি নাস্তিক ? কোরান-হাদিস বিশ্বাস করস ?

চমৎকার তথ্যবহুল লেখার জন্য ইবনে হাবীবকে ধন্যবাদ, ধন্যবাদ দুর্ধর্ষ বেদুঈনসহ সত্য পথের সবাইকে।

৫৭| ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১১ বিকাল ৪:৫৮

কামরুজ্জামান (নয়ন) বলেছেন: ভাই তাফহিম তো তার মুখের কথা নয়, এতা কোরআন এর তাফসির?? আর তাফহিম কে পৃথিবীর সেরা ৩ টি তাফসির গ্রন্থের ১ টি ধরা হয়, না আমি ধরি না বরং পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের আলেমরা এমনটা মনে করেন। আপনার কথাগুলো ১০০% জ্ঞানপাপী দের সাথে মিলে যায়। সত্য কে মিথ্যা বললেই তা মিথ্যা হবে না।

৫৮| ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১১ বিকাল ৫:০০

কামরুজ্জামান (নয়ন) বলেছেন: তিনি আলেম সমাজের কাছে প্রত্যাখ্যাত হয়েছিলেন এই তথ্য আপনাকে কে দিল? আওয়ামীলীগ করেন নাকি? কারন ওদের কথায় কথায় মিথ্যা বলার অভ্যাস আছে।

৫৯| ০৩ রা মার্চ, ২০১২ রাত ২:০৯

আলোকন বলেছেন: কামরুজ্জামান (নয়ন) বলেছেন: ভাই তাফহিম তো তার মুখের কথা নয়, এতা কোরআন এর তাফসির?? আর তাফহিম কে পৃথিবীর সেরা ৩ টি তাফসির গ্রন্থের ১ টি ধরা হয়, না আমি ধরি না বরং পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের আলেমরা এমনটা মনে করেন। আপনার কথাগুলো ১০০% জ্ঞানপাপী দের সাথে মিলে যায়। সত্য কে মিথ্যা বললেই তা মিথ্যা হবে না।

বাকি ২টা তাফসির গ্রন্থের নাম কি বলবেন? কয়টা তাফসির গ্রন্থ পড়সেন আপনি? কোন পৃথিবীর কোন দেশের আলেমরা এমনটা মনে করেন? প্রমান দেন। আর চাপা মারতে হিশাব-নিকাশ করে মারেন।

৬০| ০৭ ই নভেম্বর, ২০১৩ রাত ১১:০০

বিচিত্র জিসান বলেছেন: হে হে হে অল্প বিদ্যা ভয়ংকরী সেটা আবারও প্রমান হয়ে গেল, গাজাখোরী একটা পোস্ট করেছেন। আমার মনে হয় আপনি শুনা কথায় বিশ্বাসী লোক। আপনি বলেছেন (তাফহীমুল কোরআন’কে আলেম সমাজ নিষিদ্ধের দাবী ) কোন দেশের আলেম সমাজ এটা নিষিদ্ধে দাবি করেছে, বাংলাদেশের আলেম সমাজ নিশ্চয়ই নয়, কারণ বাংলাদেশে এটা হলে আমরা অবশ্যই জানতাম।

মাওলানা মওদূদীর বিরুদ্ধে অভিযোগের তাত্ত্বিক পর্যালোচনা - মুফতী মুহাম্মাদ ইউসুফ দেওবন্দী, এই বইটা পরবেন।

৬১| ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১৩ সকাল ৭:২৪

রাশেদুল ইসলাম রাজ বলেছেন: পোস্টটি তথ্যবহুল না হলেও মন্তব্য গুলো মোটামুটি তথ্য বহুল ছিল। এখানে দুটি পক্ষ পাওয়া গেল। যাইহোক উভয় পক্ষের নিকট আমার একটি প্রশ্ন সুলা আন নসর এর একটি আয়াত হল- ফাসাব্বিহ রব্বিকা ওয়াসতাগফিরহু ইন্নাহু কানা তাওয়াবা। অর্থ সবাই জানেন। এই সূরার সম্পূর্ণ ব্যাখ্যাটা আমি তাফহীম, নুরূল কোরআন ও ইবনে কাসীর এ পড়েছি। প্রত্যেকটিতে যে বিষয়টা পরিস্কার তা হলো সূরাটি মূলত রাসূল সা. এর মৃত্যু সংবাদ বহন করে।কিন্ত ইবনে কাসির ও নুরূল কোরআনে উপরের আয়াত সম্পর্কিত কোনো স্ট্রেইট ব্যাখ্যা নেই ।আর তাফহীমে এই আয়াতের ব্যাখ্যা করতে গিয়ে লেখক যা উদ্বৃতি করেছেন তা বলা আছে। যেহেতু এটা আয়াতে মুহকামাত আমি এই আয়াতের স্ট্রেইট ব্যাখ্যা জানতে চাই। আছেন কি কেও????

৬২| ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১৩ সকাল ৭:২৮

রাশেদুল ইসলাম রাজ বলেছেন: কারেকশন: সূরা আন নসর।

৬৩| ১৫ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ২:১০

অতলের মাছ বলেছেন: আল্লামা মওদূদী সাহেবের বিরুদ্ধে অপবাদের
দাঁতভাঙ্গা জবাব : প্রসঙ্গঃ নবীদের
নিশ্পাপ হওয়া ।

মওদূদীর বক্তব্য : "এটি একটি সূক্ষর রহস্য
যে আল্লাহ ইচ্ছা করে প্রত্যেক
নবী থেকে কোন না কোন সময় তাঁর
হেফাজত উঠিয়ে নিয়ে দুএকটি ভুল
ত্রুটি হতে দিয়েছেন যাতে মানুষ
নবীদেরকে খোদা না বুঝে ।"
(তাফহীমাত ২/৪৩)
আশরাফ আলী থানবীর বক্তব্য : "কোন কোন
সময় নবীদের থেকে ভুল ত্রুটি হওয়ার
যে ঘটনাসমূহ কুরআনে উল্লেখিত
হয়েছে এগুলো প্রকৃতপক্ষে আল্লাহর হেকমত
ও রহমত । এর মধ্য এক বড় ফায়দা এও
যে মানুষের মনে যেন নবীদের খোদা হওয়ার
সন্দেহ না হয় ।"
(মাজালিসে হাকীমুল
উম্মাতঃ মুফতী শফী ৬৫ পৃষ্ঠা)
প্রিয় ব্লগারবৃন্দ মওদূদী আর থানবীর বক্তব্যের
মাঝে কি অমিল পাওয়া গেছে? না । তবুও
এই কারনে মওদূদী কাফের । কিন্তু
থানবী কাফের নন ।
উপমহাদেশের প্রখ্যাত আলেমজ
আল্লামা সুলাইমান নদভীর বক্তব্য : "মানুষ
হিসেবে তাদের থেকেও ভুল
ত্রুটি হতে পারে । কিন্তু আল্লাহ তাঁর ওহীর
দ্বারা এসমস্ত ভুল ত্রুটিরও সংশোধন
করে থাকেন ।"
(সিরাতুন্নবী ৪/৭০)
নদভীকে কিন্তু এই কথা বলার কারণে কেও
কাফের বা ভ্রান্ত বলেনা । কিন্তু
মওদূদী বললেই...
ফারায়েয শাস্ত্রের ইমাম ফখরুদ্দীন রাযীর
বক্তব্য : "আম্বিয়া কিরাম নবুওত প্রাপ্তির
পর থেকে ইচ্ছাকৃত কবীরা ও সগীরা গুনাহ
থেকে পবিত্র । কিন্তু ভুলবশতঃ কবীরা ও
সগীরা গুনাহ হতে পারে ।"
(ইছমতে আম্বিয়া ২৮ পৃষ্ঠা ।) "আদম
আঃ অবাধ্য ছিলেন । আর অবাধ্য
হওয়াকে আমরা কবীরা গুনাহ মনে করি ।" (৩৬
পৃষ্ঠা)
এই কথাটি মওদূদী বললে কেমন হত?
আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআতের
আকীদাঃ "ভুলবশতঃ কবীরা গুনাহ হওয়ার
ব্যপারে অধিকাংশ আলেমদের মত
হলো তা জায়েয ও সম্ভব । এমনকি জমহুর
উলামার মতে নবীদের থেকে ছগীরা গুনাহ
ইচ্ছাকৃতও হতে পারে ।"
(কওমী ও আলীয়া মাদ্রাসায় পাঠ্য আকীদার
কিতাব
শরহে আকাঈদে নসফীঃ ইছমতে আম্বিয়া)
ধৈর্য্যশীল পাঠক! চিন্তা করুন,
মওদূদী বলেছেন ভুল হতে পারে । তাতেই
তাঁকে ভ্রান্ত, কাফির ইত্যাদি বলা হয় ।
তাঁর বিরুদ্ধে একশ্রেণীর কওমী মূর্খ ও
মিথ্যাবাদি আলেম অপবাদ দেয়
তিনি নাকি নবীদেরকে নিশ্পাপ মনে করেন
নি! তাদের দলিলঃ উপরোল্লেখিত মওদূদীর
বক্তব্য । অথচ যেসকল ইমামরা গুনাহ
হতে পারে বলেছেন তাদেরকে কিছু
বলা হয়না ।

৬৪| ১৫ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ২:১৮

অতলের মাছ বলেছেন: মহানবী(স) কে কি আপনি মানুষ মনে করেন না?? নাকি আহলে শিন্নী ওয়াল জিলাপীদের মত নূরের তৈরী মনে করেন?? এ ব্যাপরে বিস্তারিত লেখার প্রয়োজন মনে করছি।কেননা খুব সেন্সেটিভ ব্যাপার।
“মওদূদী বলেন, আল্লাহ তা’য়ালার নিকট কাতর কন্ঠে এই আবেদন করুন, যে কাজের দায়িত্ব আপনাকে দেওয়া হয়েছিল তা সম্পন্ন করার ব্যাপারে আপনার দ্বারা যে ভুল ত্রুটি হয়েছে কিংবা তাতে যে অসম্পূর্ণতা রয়ে গেছে তা যেন তিনি ক্ষমা করে দেন।”-সূরা নসরের তাফসির। এছাড়াও উদ্ধৃতিটি পাওয়া যাবে কোরআন কি চার বুনিয়াদী এসত্যালাহে কিতাবের শেষ পৃষ্টায়। এমন ‍কুফরী কথা বলার পরে কেউ হক হয় কি করে ?”
.
মিথ্যাচারের জবাব দেওয়ার আগে একটি বিষয় পরিস্কার করে দেই যে, উপরের উদ্ধৃতিটি মওদূদীর (রহঃ) নিজের নয়, এটি তাফসিরে জালালাইন শরীফের সূরা নসরের তাফসির। যার হাতে এই মুহুর্তে জালালাইন শরীফ আছে তিনি দেখতে পারেন। তারপরেও এই অংশের ব্যাখ্যা দেওয়া জরুরী যে, নবীদের ত্রুটি বিচ্যুতি বলতে মওদূদী (রহঃ) কি বুঝিয়েছেন। আমরা আগেও বলেছি যে, মওদূদীর (রহঃ) কোন লেখার ভাব ‍বুঝতে ব্যর্থ হলে তাফহিমের অন্য অংশে তালাশ করে দেখা উচিত। অন্য কোন কিতাব দেখে নয় বরং মওদূদীর (রহঃ) অন্যান্য রচণাবলী থেকেই আমি প্রমাণ দিতে চাচ্ছি। প্রথমে সূরা মুহাম্মাদের একটি আয়াত নিয়ে চিন্তা করে দেখুন-
.
“অতএব, হে নবী! ভাল করে জেনে নাও, আল্লাহ ছাড়া আর কেউ ইবাদাতের যোগ্য নয়। নিজের ত্রুটির জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করো। এবং মু’মিন নারী ও পুরুষদের জন্যও। আল্লাহ তোমাদের তৎপরতা সম্পর্কে অবহিত এবং তোমাদের ঠিকানা সম্পর্কেও অবহিত। সূরা মুহাম্মাদ-১৯ ”
.
উপরোক্ত আয়াতে নবীকে (স) বলা হচ্ছে, তোমার গুনাহের জন্য ক্ষমাপ্রার্থনা করো। অত্যান্ত স্পষ্ট করে গোনাহ শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। নবীদের ইসমত সম্পর্কে নেতিবাচক কোন ধারণা নিতে চাইলে মওদূদী (রহ) এই আয়াত থেকেই নিতে পারতেন কিন্তু তিনি কি সেটা করেছেন ? তিনি কি লিখেছেন সেটা ভালো করে পড়লেই ‍বুঝা যায় যে তিনি ইসমতে আম্বিয়া সম্পর্কে পাঠকদের কতটা স্বচ্ছ ধারণা দিয়েছেন। সূরা মুহাম্মাদের এই আয়াতে ব্যাখ্যায় তিনি লিখেন-
.
“ইসলাম মানুষকে যেসব নৈতিকতা শিক্ষা দিয়েছে তার একটি হচ্ছে বান্দা তার প্রভুর বন্দেগী ও ইবাদাত করতে এবং তাঁর দীনের জন্য জীবনপাত করতে নিজের পক্ষ থেকে যত চেষ্টা-সাধনাই করুক না কেন, তার মধ্যে এমন ধারণা কখনো আসা উচিত নয় যে, তার যা করা উচিত ছিল তা সে করেছে । তার বরং মনে করা উচিত যে, তার ওপর তার মালিকের যে দাবি ও অধিকার ছিল তা সে পালন করতে পারেনি । তার উচিত সবসময় দোষ-ত্রুটি স্বীকার করে আল্লাহর কাছে এ দোয়া করা যে, তোমার কাছে আমার যে ক্রুটি-বিচ্যুতি ও অপরাধ হয়েছে তা ক্ষমা করে দাও ।’’
.
"হে নবী ( সা) তোমার ক্রুটি-বিচ্যুতি জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করো" আল্লাহর এ আদেশের অর্থ এ নয় যে, নবী ( সা) জেনে বুঝে প্রকৃতই কোন অপরাধ করেছিলেন । (নাউযুবিল্লাহ!) বরং এর সঠিক অর্থ হচ্ছে , আল্লাহর সমস্ত বান্দার মধ্যে যে বান্দা তার রবের বন্দেগী বেশী করে করতেন নিজের এ কাজের জন্য তাঁর অন্তরেও গর্ব ও অহংকারের লেশমাত্র প্রবেশ করতে পারেনি । তাঁর মর্যাদাও ছিল এই যে, নিজের এ মহামূল্যবান খেদমত সত্ত্বেও তাঁর প্রভুর সামনে নিজের অপরাধ স্বীকারই করেছেন । এ অবস্থা ও মানসিকতার কারণেই রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সবসময় বেশী বেশী ক্ষমা প্রার্থনা করতেন । আবু দাউদ, নাসায়ী, এবং মুসনাদে আহমাদের বর্ণিত হাদীসে নবীর ( সা) এ উক্তি উদ্ধৃত হয়েছে যে, "আমি প্রতিদিন আল্লাহর কাছে একশ, বার ক্ষমা প্রার্থনা করে থাকি"
”।
.
এর পরে আরো একটি আয়াতের দিকে তাকাতে পারেন। সূরা ফাতেহ’র প্রথম আয়াতে বলা হচ্ছে-
“হে নবী, আমি তোমাকে সুস্পষ্ট বিজয় দান করেছি যাতে আল্লাহ তোমার আগের ও পরের সব ক্রটি-বিচ্যুতি মাফ করে দেন,তোমার জন্য তাঁর নিয়ামতকে পূর্ণত্বা দান করেন- সূরা ফাতেহ-১-২।
.
এই আয়াতের ব্যাখ্যায় মাওলানা মওদূদী কি লিখেন তাও প্রনিধান যোগ্য কারণ নবী (স) কে গুনাহগার প্রমাণ করার জন্য এখানেও মালমশলা রয়েছে কিন্তু তিনি অত্যান্ত পরিস্কার ভাবে এই আয়াতের ব্যাখ্যায় লিখেন-
.
“যে পরিবেশ পরিস্থিতিতে একথাটি বলা হয়েছে তা মনে রাখলে স্পষ্ট বুঝা যায়, ইসলামের সাফল্য ও বিজয়ের জন্য রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নেতৃত্বের মুসলমানগণ বিগত ১৯ বছর ধরে যে চেষ্টা -সাধনা করে আসছিলেন তার মধ্যে যেসব ক্রুটি -বিচ্যুতি ও দুর্বলতা রয়ে গিয়েছিলো এখানে সেসব ক্রুটি -বিচ্যুতি ও দুর্বলতা ক্ষমা করার কথা বলা হয়েছে । এসব ক্রুটি-বিচ্যুতি কি তা কোন মানুষের জানা নেই । বরং মানবীয় বিবেক-বুদ্ধি এ চেষ্টা -সাধনার মধ্যে কোন ক্রুটি ও অপক্কতা খুঁজে পেতে একেবারেই অক্ষম । কিন্তু আল্লাহ তা'আলার দৃষ্টিতে পূর্ণতার যে অতি উচ্চ মানদণ্ড রয়েছে তার বিচারে ঐ চেষ্টা সাধনার মধ্যে এমন কিছু ক্রটি -বিচ্যুতি ছিল যার কারণে মুসলমানগণ আরবের মুশরিকদের বিরুদ্ধে এত দ্রুত চূড়ান্ত বিজয় লাভ করতে পারতেন না । আল্লাহ তা'আলার বাণীর তাৎপর্য হচ্ছে, তোমরা যদি ঐ সব ত্রুটি-বিচ্যুতি নিয়ে চেষ্টা সাধনা করতে তাহলে আবর বিজিত হতে আরো দীর্ঘ সময় দরকার হতো । কিন্তু এসব দুর্বলতা ও ক্রটি-বিচ্যুতি ক্ষমা করে কেবল নিজের মেহেরবানী দ্বারা আমি তোমাদের অপূর্ণতা দূর করেছি এবং হুদাইবিয়া নামক স্থানে তোমাদের জন্য সে বিজয় ও সফলতার দ্বার উন্মক্ত করে দিয়েছি যা স্বাভাবিকভাবে তোমাদের প্রচেষ্টা দ্বারা অর্জিত হতো না ।
.
এখানে একথাটিও ভালভাবে উপলব্ধি করা দরকার যে, কোন লক্ষ ও উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য যে দল চেষ্টা -সাধনা চালাচ্ছে তার ক্রুটি-বিচ্যুতির জন্য সে দলের নেতাকে সম্বোধন করা হয় । তার অর্থ এ নয় যে, ঐ সব ক্রুটি ও দুর্বলতা উক্ত নেতার ব্যক্তিগত ক্রুটি ও দুর্বলতা । গোটা দল সম্মিলিত ভাবে যে চেষ্টা-সাধনা চালায় ঐ সব ক্রুটি ও দুর্বলতা সে দলের সম্মিলিত চেষ্টা -সাধনার । কিন্তু নেতাকে সম্বোধন করে বলা হয়, আপনার কাজে এসব ক্রুটি -বিচ্যুতি বর্তমান ।
.
তা সত্ত্বেও যেহেতু রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে সম্বোধন করা হয়েছে এবং বলা হয়েছে যে, আল্লাহ তা'আলা তাঁর পূর্বপর সব ক্রুটি-বিচ্যুতি ক্ষমা করে দিয়েছেন, তাই সাধারণভাবে এ শব্দগুলো থেকেএ বিষয়টিও বুঝা যায় যে, আল্লাহর কাছে তাঁর রসূলের সমস্ত ক্রুটি-বিচ্যুতি ( যা কেবল তাঁর উচ্চ মর্যদার বিচারে ক্রুটি -বিচ্যুতি ছিল) ক্ষমা করে দেয়া হয়েছিল । এ কারণে সাহাবায়ে কিরামের যখন নবীকে ( সা) ইবাদাতের ক্ষেত্রে অস্বাভাবিক রকমের কষ্ট করতে দেখতেন তখন বলতেন , আপনার পূর্বাপর সমস্ত ক্রুটি-বিচ্যুতি তো ক্ষমা করা হয়েছে । তারপরও আপনি এত কষ্ট করেন কেন৷ জবাবে নবী ( সা) বলতেনঃ "আমি কি কৃতজ্ঞ বান্দাও হবো না৷" ( আহমাদ, বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ) ।”
.
এগুলো হলো মওদূদীর (রহঃ) নিজের লিখিত ব্যাখ্যা। এরপরেও কেউ যদি আম্বিয়াদের, বিশেষ করে হুজুর স কে গোনাহাগার বলার, এমন আজগুবী অভিযোগটি নিজের মুখে দ্বিতীয়বার আনার সাহস করেন তাহলে ধরেই নিতে হবে তিনি মানসিক রোগী, নয়তো মওদূদী আতংক নামক সিলিসিলার রোগে ভুগছেণ। এটা সিলসিলার প্রেমের ফসল হতে পারে যার কোন চিকিৎসা নেই।“মওদূদী বলেন, আল্লাহ তা’য়ালার নিকট কাতর কন্ঠে এই আবেদন করুন, যে কাজের দায়িত্ব আপনাকে দেওয়া হয়েছিল তা সম্পন্ন করার ব্যাপারে আপনার দ্বারা যে ভুল ত্রুটি হয়েছে কিংবা তাতে যে অসম্পূর্ণতা রয়ে গেছে তা যেন তিনি ক্ষমা করে দেন।”-সূরা নসরের তাফসির। এছাড়াও উদ্ধৃতিটি পাওয়া যাবে কোরআন কি চার বুনিয়াদী এসত্যালাহে কিতাবের শেষ পৃষ্টায়। এমন ‍কুফরী কথা বলার পরে কেউ হক হয় কি করে ?”
.
মিথ্যাচারের জবাব দেওয়ার আগে একটি বিষয় পরিস্কার করে দেই যে, উপরের উদ্ধৃতিটি মওদূদীর (রহঃ) নিজের নয়, এটি তাফসিরে জালালাইন শরীফের সূরা নসরের তাফসির। যার হাতে এই মুহুর্তে জালালাইন শরীফ আছে তিনি দেখতে পারেন। তারপরেও এই অংশের ব্যাখ্যা দেওয়া জরুরী যে, নবীদের ত্রুটি বিচ্যুতি বলতে মওদূদী (রহঃ) কি বুঝিয়েছেন। আমরা আগেও বলেছি যে, মওদূদীর (রহঃ) কোন লেখার ভাব ‍বুঝতে ব্যর্থ হলে তাফহিমের অন্য অংশে তালাশ করে দেখা উচিত। অন্য কোন কিতাব দেখে নয় বরং মওদূদীর (রহঃ) অন্যান্য রচণাবলী থেকেই আমি প্রমাণ দিতে চাচ্ছি। প্রথমে সূরা মুহাম্মাদের একটি আয়াত নিয়ে চিন্তা করে দেখুন-
.
“অতএব, হে নবী! ভাল করে জেনে নাও, আল্লাহ ছাড়া আর কেউ ইবাদাতের যোগ্য নয়। নিজের ত্রুটির জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করো। এবং মু’মিন নারী ও পুরুষদের জন্যও। আল্লাহ তোমাদের তৎপরতা সম্পর্কে অবহিত এবং তোমাদের ঠিকানা সম্পর্কেও অবহিত। সূরা মুহাম্মাদ-১৯ ”
.
উপরোক্ত আয়াতে নবীকে (স) বলা হচ্ছে, তোমার গুনাহের জন্য ক্ষমাপ্রার্থনা করো। অত্যান্ত স্পষ্ট করে গোনাহ শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। নবীদের ইসমত সম্পর্কে নেতিবাচক কোন ধারণা নিতে চাইলে মওদূদী (রহ) এই আয়াত থেকেই নিতে পারতেন কিন্তু তিনি কি সেটা করেছেন ? তিনি কি লিখেছেন সেটা ভালো করে পড়লেই ‍বুঝা যায় যে তিনি ইসমতে আম্বিয়া সম্পর্কে পাঠকদের কতটা স্বচ্ছ ধারণা দিয়েছেন। সূরা মুহাম্মাদের এই আয়াতে ব্যাখ্যায় তিনি লিখেন-
.
“ইসলাম মানুষকে যেসব নৈতিকতা শিক্ষা দিয়েছে তার একটি হচ্ছে বান্দা তার প্রভুর বন্দেগী ও ইবাদাত করতে এবং তাঁর দীনের জন্য জীবনপাত করতে নিজের পক্ষ থেকে যত চেষ্টা-সাধনাই করুক না কেন, তার মধ্যে এমন ধারণা কখনো আসা উচিত নয় যে, তার যা করা উচিত ছিল তা সে করেছে । তার বরং মনে করা উচিত যে, তার ওপর তার মালিকের যে দাবি ও অধিকার ছিল তা সে পালন করতে পারেনি । তার উচিত সবসময় দোষ-ত্রুটি স্বীকার করে আল্লাহর কাছে এ দোয়া করা যে, তোমার কাছে আমার যে ক্রুটি-বিচ্যুতি ও অপরাধ হয়েছে তা ক্ষমা করে দাও ।’’
.
"হে নবী ( সা) তোমার ক্রুটি-বিচ্যুতি জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করো" আল্লাহর এ আদেশের অর্থ এ নয় যে, নবী ( সা) জেনে বুঝে প্রকৃতই কোন অপরাধ করেছিলেন । (নাউযুবিল্লাহ!) বরং এর সঠিক অর্থ হচ্ছে , আল্লাহর সমস্ত বান্দার মধ্যে যে বান্দা তার রবের বন্দেগী বেশী করে করতেন নিজের এ কাজের জন্য তাঁর অন্তরেও গর্ব ও অহংকারের লেশমাত্র প্রবেশ করতে পারেনি । তাঁর মর্যাদাও ছিল এই যে, নিজের এ মহামূল্যবান খেদমত সত্ত্বেও তাঁর প্রভুর সামনে নিজের অপরাধ স্বীকারই করেছেন । এ অবস্থা ও মানসিকতার কারণেই রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সবসময় বেশী বেশী ক্ষমা প্রার্থনা করতেন । আবু দাউদ, নাসায়ী, এবং মুসনাদে আহমাদের বর্ণিত হাদীসে নবীর ( সা) এ উক্তি উদ্ধৃত হয়েছে যে, "আমি প্রতিদিন আল্লাহর কাছে একশ, বার ক্ষমা প্রার্থনা করে থাকি"
”।
.
এর পরে আরো একটি আয়াতের দিকে তাকাতে পারেন। সূরা ফাতেহ’র প্রথম আয়াতে বলা হচ্ছে-
“হে নবী, আমি তোমাকে সুস্পষ্ট বিজয় দান করেছি যাতে আল্লাহ তোমার আগের ও পরের সব ক্রটি-বিচ্যুতি মাফ করে দেন,তোমার জন্য তাঁর নিয়ামতকে পূর্ণত্বা দান করেন- সূরা ফাতেহ-১-২।
.
এই আয়াতের ব্যাখ্যায় মাওলানা মওদূদী কি লিখেন তাও প্রনিধান যোগ্য কারণ নবী (স) কে গুনাহগার প্রমাণ করার জন্য এখানেও মালমশলা রয়েছে কিন্তু তিনি অত্যান্ত পরিস্কার ভাবে এই আয়াতের ব্যাখ্যায় লিখেন-
.
“যে পরিবেশ পরিস্থিতিতে একথাটি বলা হয়েছে তা মনে রাখলে স্পষ্ট বুঝা যায়, ইসলামের সাফল্য ও বিজয়ের জন্য রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নেতৃত্বের মুসলমানগণ বিগত ১৯ বছর ধরে যে চেষ্টা -সাধনা করে আসছিলেন তার মধ্যে যেসব ক্রুটি -বিচ্যুতি ও দুর্বলতা রয়ে গিয়েছিলো এখানে সেসব ক্রুটি -বিচ্যুতি ও দুর্বলতা ক্ষমা করার কথা বলা হয়েছে । এসব ক্রুটি-বিচ্যুতি কি তা কোন মানুষের জানা নেই । বরং মানবীয় বিবেক-বুদ্ধি এ চেষ্টা -সাধনার মধ্যে কোন ক্রুটি ও অপক্কতা খুঁজে পেতে একেবারেই অক্ষম । কিন্তু আল্লাহ তা'আলার দৃষ্টিতে পূর্ণতার যে অতি উচ্চ মানদণ্ড রয়েছে তার বিচারে ঐ চেষ্টা সাধনার মধ্যে এমন কিছু ক্রটি -বিচ্যুতি ছিল যার কারণে মুসলমানগণ আরবের মুশরিকদের বিরুদ্ধে এত দ্রুত চূড়ান্ত বিজয় লাভ করতে পারতেন না । আল্লাহ তা'আলার বাণীর তাৎপর্য হচ্ছে, তোমরা যদি ঐ সব ত্রুটি-বিচ্যুতি নিয়ে চেষ্টা সাধনা করতে তাহলে আবর বিজিত হতে আরো দীর্ঘ সময় দরকার হতো । কিন্তু এসব দুর্বলতা ও ক্রটি-বিচ্যুতি ক্ষমা করে কেবল নিজের মেহেরবানী দ্বারা আমি তোমাদের অপূর্ণতা দূর করেছি এবং হুদাইবিয়া নামক স্থানে তোমাদের জন্য সে বিজয় ও সফলতার দ্বার উন্মক্ত করে দিয়েছি যা স্বাভাবিকভাবে তোমাদের প্রচেষ্টা দ্বারা অর্জিত হতো না ।
.
এখানে একথাটিও ভালভাবে উপলব্ধি করা দরকার যে, কোন লক্ষ ও উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য যে দল চেষ্টা -সাধনা চালাচ্ছে তার ক্রুটি-বিচ্যুতির জন্য সে দলের নেতাকে সম্বোধন করা হয় । তার অর্থ এ নয় যে, ঐ সব ক্রুটি ও দুর্বলতা উক্ত নেতার ব্যক্তিগত ক্রুটি ও দুর্বলতা । গোটা দল সম্মিলিত ভাবে যে চেষ্টা-সাধনা চালায় ঐ সব ক্রুটি ও দুর্বলতা সে দলের সম্মিলিত চেষ্টা -সাধনার । কিন্তু নেতাকে সম্বোধন করে বলা হয়, আপনার কাজে এসব ক্রুটি -বিচ্যুতি বর্তমান ।
.
তা সত্ত্বেও যেহেতু রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে সম্বোধন করা হয়েছে এবং বলা হয়েছে যে, আল্লাহ তা'আলা তাঁর পূর্বপর সব ক্রুটি-বিচ্যুতি ক্ষমা করে দিয়েছেন, তাই সাধারণভাবে এ শব্দগুলো থেকেএ বিষয়টিও বুঝা যায় যে, আল্লাহর কাছে তাঁর রসূলের সমস্ত ক্রুটি-বিচ্যুতি ( যা কেবল তাঁর উচ্চ মর্যদার বিচারে ক্রুটি -বিচ্যুতি ছিল) ক্ষমা করে দেয়া হয়েছিল । এ কারণে সাহাবায়ে কিরামের যখন নবীকে ( সা) ইবাদাতের ক্ষেত্রে অস্বাভাবিক রকমের কষ্ট করতে দেখতেন তখন বলতেন , আপনার পূর্বাপর সমস্ত ক্রুটি-বিচ্যুতি তো ক্ষমা করা হয়েছে । তারপরও আপনি এত কষ্ট করেন কেন৷ জবাবে নবী ( সা) বলতেনঃ "আমি কি কৃতজ্ঞ বান্দাও হবো না৷" ( আহমাদ, বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ) ।”
.
এগুলো হলো মওদূদীর (রহঃ) নিজের লিখিত ব্যাখ্যা। এরপরেও কেউ যদি আম্বিয়াদের, বিশেষ করে হুজুর স কে গোনাহাগার বলার, এমন আজগুবী অভিযোগটি নিজের মুখে দ্বিতীয়বার আনার সাহস করেন তাহলে ধরেই নিতে হবে তিনি মানসিক রোগী, নয়তো মওদূদী আতংক নামক সিলিসিলার রোগে ভুগছেণ। এটা সিলসিলার প্রেমের ফসল হতে পারে যার কোন চিকিৎসা নেই।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.