নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সুন্ধর একটি দেশ গঠনে

আমাদের সবই আছে, এখন শুধু একজন মাহাথির মুহাম্মদ প্রয়োজন

মেককুমিল্লা

আমাদের সবই আছে এখন শুধু একজন মাহাথির মুহাম্মদ প্রয়োজন।

মেককুমিল্লা › বিস্তারিত পোস্টঃ

গুলিস্থান আমার জন্য একটি আতংকের নাম।

২১ শে মে, ২০১৪ দুপুর ২:১৮

২০১০ সালে আমার ব্যবসায়িক অফিসে পরিচয় হয় মাসুম আল ফরহাদের সাথে।সে গুলিস্থান গোলাপশাহ মসজিদের ইমাম। পরিচেয়র এক পর্যায়ে সে আমাকে একটি ব্যবসায়ের প্রস্তাব দেয়।ব্যবসাটি হল গোলাপশাহ মাজারে প্রতিদিন অনেক ছাগল, মোরগ মানত আসে, সে আমাকে এ গুলো অল্প লূল্যে প্রদান করবে, তবে তাকে আগে ২০০০০০(দুই লক্ষ) টাকা অগ্রীম প্রদান করিতে হবে।প্রস্তাবটি লোভনিয় হওয়ায় আমি ননজুডিশিয়াল স্টাম্পে চুক্তবদ্ধ হওয়ার শর্তে রাজি হলাম। কিন্তু সে লিখিত চুক্তিতে আপত্তি জানায়। বিশ্বস্ততার ব্যাপারে তার লেবাস ও ইমামতি পেশার দোহাই দেয়।অতপর তার লেবাসের কারনে আমি তাকে বিশ্বাস করি এবং ২০০০০০(দুই লক্ষ) টাকা প্রদান করি।

এর পর থেকে তার সাথে যোগাযোগ করা হলে সে আজ নয় কাল, কাল নয় পরশু এ ভাবে সময় ক্ষেপন করতে থাকে। এক পর্যায়ে আমি তাকে এ ব্যবসা করবোনা বলে জানাই এবং আমার ২০০০০০ টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য অনুরোধ করি।

সে নগর ভবনে নতুন স্যার এসেছেন বলে জানায়।এবং নতুন স্যার এ সব বিষয় শক্ত ভাবে মনিটরিং করছেন বিধায় কিচু দিন বন্ধ থাকবে বলে জানায়।এক পর্যায়ে আমাকে টাকা পেরত দেওয়ার ব্যাপারে অস্বিকৃতি জানায়, এবং বাড়াবাড়ি করলে আমাকে হত্যা করার হুমকি প্রদান করে। এ মর্রে আমি থানায় তার বিরুদ্ধে মামলা করতে গেলে আমার কাছে কোন প্রমান না থাকায় থানা মামলা নিতে অস্বিকৃতি জানায়। এ আবস্থায় প্রায় গত এক মাস আগে আমি আমার অর্থ সংকটের কারনে বায়তুল মোকাররম ফেমাস জুয়েলার্স এ আমার স্ত্রীর হাতের ভালাটি বিক্রি করে ফেরার সময় সে আমাকে ২০/২৫ জন লোক নিয়ে আটক করে আমার সকল টাকা পয়সা হাতিয়ে নেয়। এবং উল্টা আমার কাছে টাকা পাবে দাবি করে আমার কাছ থেকে ১৫০ টাকার সাদা স্টাম্পে স্বাক্ষর নেয়। এবং এর কয়েক দিন পর আমার আব্বাকে ফোন করে আমার কাছে ৪৫০০০০ টাকা পাবে বলে দাবি করে।এবং এ টাকা না দিলে আমি ও আমার পিতাকে গুলি করে হত্যা করবে বলে হুমকি প্রদান করে।

এ ফরহাদ নিবন্ধন বাতিলকৃত জামায়াত এর একজন নেতা হওয়া শর্তে ও সে সবসময় মাননীয় প‌্রধানমন্ত্রীর সাথে কোন একটি প্রোগ্রামের ছবি লেমেনেটিং করে তার পকটে রাখে। এবং তা পদর্শন করে বিভিন্ন জন থেকে সে ফায়দা হাসিল করে।

উল্লখ্য এ ফরহাদের গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার মনহরগঞ্জ থানার পেনুয়া গ্রামে।সে সহ তার পরিবারের সকল সদস্য জামায়াতের কোন না কোন স্তরে নেতৃত্ত প্রদান করে।

বর্তমানে আমি চরম আতংকে দিন-যাপন করছি।স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারছিনা।আমার মোবাইল ফোন অন করলেই সে বিভিন্ন লোক দিয়ে হূমকি দমকি প্রদান করে। তাই বাধ্য হয়ে আমার ফোনটি বন্ধ রাখি।

তাই সরকারের প্রতি আমার বিনীত অনুরোধ, এই ধরনের চাটুকার লোকদের চিহ্নিত করে এদের বিরূদ্দে ব্যবস্হা নিয়ে সাধারণ জনগনকে স্বস্তিতে চলাফেরার সুযোগ করে দিন ।

মন্তব্য ৫ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৫) মন্তব্য লিখুন

১| ২১ শে মে, ২০১৪ দুপুর ২:৩১

ঢাকাবাসী বলেছেন: আপনার মত বোকারা আছে বলেই ঐ প্রতারকরা বেঁচে আছে!@

২| ২১ শে মে, ২০১৪ বিকাল ৩:১১

ইমাম হাসান রনি বলেছেন: উপরের ঢাকাবাসীর সাথে সহমত । দুঃখ লাগলেও বলতে হচ্ছে এই ঘটনার জন্য আপনি নিজেই দায়ী । প্রথমত আপনি কেন লিখিত চুক্তি বা প্রমাণ রাখলেন না !!! আর্থিক ব্যাপারে কাউকেই সাধু ভাবার কোন কারন নেই । আর এত রকম ব্যবসা থাকতে মাজারের জিনিস কম মূল্যে কেনার ব্যাবসা নাও ভাবতে পারতেন ।

৩| ২১ শে মে, ২০১৪ বিকাল ৩:৩১

ফায়ারম্যান বলেছেন: "মাজারে প্রতিদিন অনেক ছাগল, মোরগ মানত আসে "

মাজারের মানত -এগুলোতো শিরকী হারাম জিনিস ।আর হারাম জিনিস নিয়া ব্যবসার স্বপ্ন দেখলে বাঁশ তো খাওয়ার সম্ভবনা থাকেই ।হয় ইহকালে নতুবা পরকালে । আফনের জন্য বোধহয় ইহকালেই বাঁশটা খাওয়া হইয়া গেছে :( :(

৪| ২১ শে মে, ২০১৪ বিকাল ৪:৩৮

নিশি মানব বলেছেন: মাজার হচ্ছে বাটপারদের মুল আস্তানা। এর কবরের ভিতরে মরা মানুষ থেকে শুরু মাজারে খিচুড়ি খেতে আসা ভিক্ষুকরা পর্যন্ত সব বাটপার। আর ঈমাম সাহেব- খাদেমতো আর বড় বাটপার।

এখন উশটা খাইছেন তাই কিছুই করার নাই। তবে স্ট্রং মানসিক নিয়ে চলাফেরা করুন। সে আবার ধরলে জোর প্রতিবাদ করুন। কোন কিছুকে ভয় পাবেননা। গুলিস্তানের মত জনবহুল এলাকায় আপনাকে দুইটা থাপ্পড় মারলে লোকজন জড়ো হয়ে যাবে। তো আপনাকে মেরে ফেলা এতো সহজ না।

ঘটনাটা আশে পাশে সবাইকে জানান। মসজিদের সামনে পিছনে সবাইকে। আশে মার্কেটে সবাইকে ঘটনা খুলে বলুন। অভিযোগ নিয়ে নয়। আলোচনার মনোভাব নিয়ে বলুন। সবার মাথার মধ্যে ঈমামের বাটপারির কথা ঢুকিয়ে দিন। দেখবেন যা করার ওরাই করবে।

স্থানীয় প্রভাবশালী কেউ থাকলে তাকে নিয়ে কমিটির সাথে আলাপ করুন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিচিত ছাত্র নেতা থাকলে তাকে নিয়ে পরিস্থিতি মোকাবেলা করুন। না পারলে টিভি চ্যানেলের সহায়তা নিন। "তালাশ" বা এসব জাতীয় ইভেন্টের সাথে যোগাযোগ করুন।

৫| ২২ শে মে, ২০১৪ দুপুর ১:৪৫

ফায়ারম্যান বলেছেন: ছাত্রলীগরে ভাড়া করেন, টেকা উইঠা আসবো । =p~ =p~

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.