| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
হাতে একটা মাঝারি আকৃতির মিস
নিয়ে সোঝি মেশাম
পার্কে দাড়িয়ে আছে ।কিছুক্ষণ এর
মাঝেই মোর এসে যাবে,ওর জন্যেই
অপেক্ষা করছে । সোঝির হাতে যে মিস
টা রয়েছে তা এখনো ব্যবহার
করা হয়নি । আজ মোরের ১৬ এল এস
ডি পূর্ণ হয়েছে । তার
শুভেচ্ছা জানাতেই সোঝি এটা এনেছে ।
সোঝি তার এমসস্কুলের এক
ক্লাসে একবার পড়েছিল যে মানুষের সব
চেয়ে খুশির দিনের
একটি হচ্ছে জন্মদিন । আজ মোরের
জন্মদিন,মানে এল এস ডি নং ১৬। কিন্তু পৃথিবীর সবকিছুরসাথে সাথে এখন এই জিনিসটাও বদলে গেছে। এখন আর কারো জন্মের হিসেব দিন বা বছর গুনে করা হয়না ।এখন এটাকে হিসেব করা হয় ওয়েট দিয়ে, হুম নিজের দেহের ওয়েট দিয়ে ।জন্মদিন ও আর পালিত হয়না,এখন সবকিছুই বিচিত্র ।
সোঝি খুব আগ্রহ নিয়ে মেঘময়
আকাশে একটা সলিন চালিত কসিক বাইক দেখল । মোরের
বয়েসি একটা ছেলে মনের আনন্দে কসিক নিয়ে এখান থেকে ওখানে উড়ে বেড়াচ্ছে ।ইস ! সে যদি মোরকে একটা কসিক কিনে দিতে পারতো ।সলিন চালিত নয় খুব সাধারন একটা কসিক যা সবচেয়ে নিচ দিযে চলে ।হঠাত্ পেছন
থেকে ক্রিং ক্রিং শব্দ শোনা গেল ।হ্যাঁ একটা সাসাইকেল আসছে ।ইতিহাসের এক অনবদ্য সাক্ষী এই সাসাইকেল যা এখনো জনপ্রিয় হয়ে আছে ।সোঝি শুনেছে একসময় এটার নাম শুধু সাইকেল ছিল,কিংবা বাইসাইকেল ।কিন্ত এখন এটাকে বলা হয় সাসাইকেল । মোর
আসছে না ? হ্যাঁ হ্যাঁ মোর ই এসে গেছে।
হাই সোঝি !
মোর তুমি কি জানো আজ
যদি একটা বিশেষ দিন
না হতো তাহলে আমি তোমাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিতাম ।
মোর একটু হেসে বলল তাই নাকি ?
তা কেন ডেকেছো বলো ?
বলছি আগে তো সাসাইকেল থেকে নামো।
হুম নামছি দাড়াও ।
বাহ ! খুব সুন্দর সাসাইকেল তো ।
হ্যাঁ মা কিনে দিয়েছে। বলল আজ
নাকি কি এক বিশেষ দিন ফিন ।তাই
আমাকে এটা দিয়েছে ।
তুমি না বড্ডো বেখেয়ালি।আজ যে তোমার
জন্মদিন,তোমার মনে নেই ?
হুম তাই হয়তো হবে ।যাই হোক আমি এসবমনে রাখিনা ।
সোঝি খুব খুশিতে মোরকে মিসটা দিল ।
সে নিজে মোরের আঙ্গুলে মিস
পরিয়েদিল ।আর সাথে সাথে তার আশপাশ সব জায়গা রঙিন আলো ছড়িয়ে শীতল হয়ে গেল ।পুরো চারপাশ একটা স্নিগ্ধ শান্ত সুবাসে ভরে গেল ।মিস জিনিসটাই এমন ।
বহু বহু আগে এই জিনিসটার কথা কেউ
কল্পনাও করতে পারতো না । আর এখন
এটা খুব স্বাভাবিক একটা ব্যাপার ।মিস
নতুন পৃথিবীর এক অপুর্ব মানব সৃষ্টি ।
যখন মন খারাপ হয় তখন একটা মিস
থাকলে আর কোনো কথাই নেই।
মোর সোঝিকে বলল চল কিছুক্ষণ
ঘুরাঘুরি করি ।সোঝি রাজি হলো ।
সামনেই একটা সোঝি ট্রেই থেকে মোর
একটা ছোট সোঝি ছিড়ে বান্ধবী সোঝিকে দিল । কি সুন্দর যে ঘ্রাণ ।মহাকাল পুরুষদের সময় গোলাপ নামের যে ফুল ছিল তার সুবাস কেমন ছিল কে জানে ।সোঝির খুব জানতে ইচ্ছে করে ।
হাটতে হাটতে ওরা ওয়াটার মিউজিয়াম
এর সামনে চলে এসেছে । এখানে
ওরা পুসিকে দেখলো ।পুসি দাড়িয়ে আছে ।সে মিউজিয়ামে ঢুকবে ।পুসি মোর ও
সোঝি কে দেখে ডাক দিল এবং মিউজিয়ামে নিয়ে গেল ।ওয়াটার মিউজিয়ামে যেতে একধরনের পাস
ওয়ার্ড লাগে ।এবং চার্জ হিসেবে প্রাইসতো কেটে নেয়া হয় ।মোর কয়েকদিন আগে ১৬ প্রাইসতো দিয়ে অনেকবার ওয়াটার মিউজিয়ামে ঢুকেছে। ওরা তিনটা প্রাইসতো দিয়ে পাস
ওয়ার্ড দিল আর সাথে সাথে সয়ংক্রিয়
দরজাটা খুলে গেল, তারা ভেতরে ঢুকলো ।
©somewhere in net ltd.