নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সরদার বদিয়ার

কাজই মানুষের ধর্ম

সরদার বদিয়ার › বিস্তারিত পোস্টঃ

‘সংশোধিত ট্রাইব্যুনাল বিলে সমর্থন জানাতে বিএনপিকে আহবান’

১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ৮:৫৭

সরদার বদিয়ার

বিএনপিও যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চায়- দলটির নেতাদের এমন বক্তব্যের জবাবে আওয়ামী লীগের যুগ্ন্ সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ বলেছেন, আপনারা যদি যুদ্ধাপরাধীদের সত্যিকারের বিচার চান, তাহলে সংশোধিত ট্রাইব্যুনাল বিল সংসদে উত্থাপন হচ্ছে সংসদে গিয়ে তার সমর্থন জানান। যদি আপনারা সংসদে গিয়ে এই বিলের সমর্থন না করেন তাহলে আবারো প্রমাণিত হবে আপনার যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চান না।



আজ শুক্রবার বঙ্গবন্ধু এভিনিউস্থ ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। ১৫ ফেব্রুয়ারি ভোটারবিহীন প্রহসনের নির্বাচন কলো দিবস উপলক্ষে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগে এই আলোচনা সভার আয়োজন করে।



ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এম এ আজিজের সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন- আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক এ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান সিরাজ, ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, বীর বিক্রম, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক ও আইন প্রতিমন্ত্রী কামরুল ইসলাম, নেতা সুজিত রায় নন্দী, এনামুল হক শামীম প্রমুখ।



মাহবুব-উল- আলম- হানিফ বলেন, আপনাদের মধ্য থেকে অনেকেই বলেন, আমরাও যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই। যদি বিচার চান তাহলে জামায়াত শিবিরের নৈরাজ্যমূলক কর্মকা-কে ঘৃণা করুন। আজ শাহবাগের আন্দোলন আবার প্রমাণিত করেছে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার জনগনের দাবি। তারপরও বিএনপি বিচারকে বাধাগ্রস্থ করতে ষড়যন্ত্র করছে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সঙ্গে হলমার্ক কে তুলনা করে বিএনপি প্রমাণ করলো তারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাস করে না। তারা দেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করতে জামায়াত শিবিরকে উস্কে দিচ্ছে।



বিএনপি নেতা মীর্জা ফখরুল ইসলামের বক্তব্যের জবাবে আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, দেশে ছাত্র সংগঠনগুলোর মধ্যে গণতান্ত্রিকভাবে রাজনীতি করার অধিকার একমাত্র ছাত্রলীগেরই আছে। ছাত্রলীগ বৈধ সংগঠন। এদেশের জন্য তাদের ভূমিকা অনেক। ৫২ এর ভাষা আন্দোলন, ৬৯ এর গণ অভ্যুত্থান থেকে শুরু করে এ পর্যন্ত ছাত্রলীগের গৌরবোজ্জল ইতিহাস। সুতরাং গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে রাজনীতি করার অধিকার থাকলে তা কেবল ছাত্রলীগেরই আছে।



মীর্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সমালোচনা করে হানিফ বলেন, সরকারের যখন ছয় মাস বয়স ছিল তখন থেকে বহুবার আপনারা সরকারের পতন ঘটিয়েছেন। অথচ এখনো সরকার বহাল তবিয়তে রয়েছে। দয়া করে আর পতন ঘটানোর কথা বলে নিজেকে হাস্যকর মানুষ হিসেবে উপস্থাপন করবেন না। আপনাদের আন্দোলনের মাধ্যমে সরকারের পতন ঘটানোর ক্ষমতা কতটুকু আছে তা আমরাসহ দেশবাসী ভালো করেই জানে। আপনার বক্তব্যের অঙ্গ ভঙ্গি দেখে অনেকেই প্রশ্ন তুলেছে আপনার কোন সমস্যা আছে কি না।



উল্লেখ্য ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি বিএনপি সরকার একদলীয় নির্বাচন করে। এই নির্বাচন মধ্য দিয়ে জনগণের ভোটাধিকার হরণের এক নজিরবিহীন কালো অধ্যায় সৃষ্টি করেছিল। ফ্রিডম পার্টি ছাড়া এই নির্বাচনে কোন রাজনৈতিক দলই অংশগ্রহণ করেনি। জনগণের দাবির মুখে খালেদা জিয়া সরকার ৩০ মার্চ পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়। বিজয় হয় জনতার। জনগণের ভোটাধিকার হরণের এই দিনটি আওয়ামী লীগ কালো দিবস হিসেবে পালন করে আসছে। ####

মন্তব্য ১ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (১) মন্তব্য লিখুন

১| ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ৯:৫১

িশশু দর্পন বলেছেন: বিএনপি’র ঠেকা পড়ছে । সব বিলই তোমরা একা একা পাশ করছো । এই বিলও তোমরা একক ভাবে পাশ করাও ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.