নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

গণমাধ্যমে প্রতিফলিত হোক সকল শ্রেণীর কণ্ঠস্বর

মোঃ মোশাররফ হোসেন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিকতা বিষয়ে পড়ালেখা শেষে বর্তমানে একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিষয়ে শিক্ষকতা করি। অবসরে বসে বসে ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখি। এবং তা বাস্তবায়েনর জন্য চেষ্টা করি। হয়তো সবগুলো বাস্তবায়ন হয় না। তবু চেষ্টা চালিয়ে যাই। কারণ আমি হেরে যাওয়ার জন্য স্বপ্ন দেখি না।

মোঃ মোশাররফ হোসেন › বিস্তারিত পোস্টঃ

কাসেম বিন আবুবাকারের উপন্যাসের মূল্যায়ন

২৮ শে এপ্রিল, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:১৫

ব্রিটেনের ডেইলি মেইলের কল্যাণে কাসেম বিন আবুবাকারের উপন্যাসের কথা বাংলাদেশের মানুষ ব্যাপকভাবে জানতে পেরেছে। কিন্তু কাসেম বিন আবুবাকার বাংলাদেশের তৃণমূল মানুষের কাছে আগের থেকেই পরিচিত ছিলেন্। তার উপন্যাসের পাঠক তারাই ছিলেন। সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমসহ বিভিন্ন আড্ডায় তার উপন্যাস নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা, তর্ক-বিতর্ক হচ্ছে। এক সময় আমিও কাসেম বিন আবুবাকারের বেশ কিছু উপন্যাস পড়েছি (৩০/৩৫টির কম হবে না) । সেটা ৮ম শ্রেণী থেকে একাদশ শ্রেণী পর্যন্ত (এই সময় আমি অবশ্য অন্যান্য লেখকদের উপন্যাস পড়েছি)। সময়টা ১৯৯৩ থেকে ১৯৯৭ সাল। সেই সময়ে চট্টগ্রামে আমার বন্ধু-বান্ধবদের (ছেলে/মেয়ে) একটি অংশ তার উপন্যাসের পাঠক ছিল। এছাড়া আমার গ্রামের বাড়ি নোয়াখালীতেও আমি কাসেম বিন আবুবাকারের উপন্যাসের পাঠক ব্যাপকভাবে দেখতে পেয়েছি।

আমার দৃষ্টিতে কাসেম বিন আবুবাকারের উপন্যাস জনপ্রিয় হওয়ার কারণ হচ্ছে:
১) তার উপন্যাসগুলো সহজ সরল ভাষায় লেখা। সাধারণ পাঠকের পক্ষে তাই তার উপন্যাস পড়া খুবই সহজ।
২) তার বইয়ের দাম তুলনামূলক কম ছিল। অফসেট কাগজের পাশাপাশি নিউজপ্রিন্টেও তার বই পাওয়া যেতো।
৩) উপন্যাসে ইসলামি শরীয়তের বিভিন্ন বিধি নিষেধের কথা বলা হতো। সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম সমাজ অনেক সময় উপন্যাসের মাধ্যমে ইসলামি বিধি নিষেধ শিখতে পারে (লেখকের মনে হয় এমন উদ্দেশ্য ছিল)।
৪) উপন্যাসের কাহিনীগুলোতে গ্রাম ও শহরের মধ্যবিত্ত সমাজের কথা বেশি বলা আছে। ফলে পাঠক সমাজ নিজের জীবনের প্রতিফলন উপন্যাসে দেখতে পেলেন।
৫) অনেক উপন্যাসের কাহিনী (লেখকের ভাষায়) সত্য ঘটনা অবলম্বনে। কিছু আবার আমাদের দেশের জনশ্রুতি বা রূপকথার সাথে মিলে যায়। যেমন: ‘অলৌকিক প্রেম’ উপন্যাসের নায়িকা হচ্ছে একজন পরী, নায়ক কিন্তু মানুষ। এই রকম পরী-মানুষের প্রেম কাহিনী আমি গ্রামের বাড়িতে অনেক শুনেছি।

মন্তব্য ১২ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (১২) মন্তব্য লিখুন

১| ২৮ শে এপ্রিল, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:২৮

মোহাম্মাদ আব্দুলহাক বলেছেন: এখান সব ইংলিসে লেখা আছে

২৮ শে এপ্রিল, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:৩৪

মোঃ মোশাররফ হোসেন বলেছেন: ডেইলি মেইলের লেখাটা আমি পড়েছি।

২| ২৮ শে এপ্রিল, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:৩০

খায়রুল আহসান বলেছেন: গণমাধ্যমে প্রতিফলিত হোক সকল শ্রেণীর কণ্ঠস্বর - আপনার পরিচিতিতে উল্লেখিত এ কথাটা ভাল লেগেছে।
কাসেম বিন আবু বাকারের উপন্যাস জনপ্রিয় হওয়ার কারণ সম্পর্কে আপনার অভিমতের উপর কোন মন্তব্য করতে পারছিনা, কারণ আমি এ যাবত ওনার কোন বই পড়ে দেখিনি। তবে আপনার এ মূল্যায়ন খুব স্পষ্ট ভাষায়, নিজ পাঠের অভিজ্ঞতা থেকে লেখা, তাই বোধ করি সঠিক হতে পারে।

২৮ শে এপ্রিল, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:৩৪

মোঃ মোশাররফ হোসেন বলেছেন: মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

৩| ২৮ শে এপ্রিল, ২০১৭ রাত ৮:৪২

রাবেয়া রাহীম বলেছেন: অনেক উপন্যাসের কাহিনী (লেখকের ভাষায়) সত্য ঘটনা অবলম্বনে। কিছু আবার আমাদের দেশের জনশ্রুতি বা রূপকথার সাথে মিলে যায়। যেমন: ‘অলৌকিক প্রেম’ উপন্যাসের নায়িকা হচ্ছে একজন পরী, নায়ক কিন্তু মানুষ। এই রকম পরী-মানুষের প্রেম কাহিনী আমি গ্রামের বাড়িতে অনেক শুনেছি।

এমন অনেক কাহিনি ছোট বেলায় আমিও শুনেছি ।
অনেক ধন্যবাদ।

২৮ শে এপ্রিল, ২০১৭ রাত ৯:০৯

মোঃ মোশাররফ হোসেন বলেছেন: মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

৪| ২৮ শে এপ্রিল, ২০১৭ রাত ৮:৪৮

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: ৩ নং নিয়েই আমার আপত্তি। কারণ, এটা ব্যবসার জন্য। এটা গ্রহণযোগ্য নয়। ইসলামী বিধিনিষেধ জানার জন্য প্রেমের উপন্যাস পড়তে হয় না। হাস্যকর...

২৮ শে এপ্রিল, ২০১৭ রাত ৯:০৯

মোঃ মোশাররফ হোসেন বলেছেন: হতে পারে ব্যবসার জন্য। এটা ঠিক যে ইসলামী বিধিনিষেধ জানার জন্য প্রেমের উপন্যাস পড়তে হয় না। তবে লেখকের ভাষ্য হচ্ছে, ‘আমি ইসলামি ভাবকে কাজে লাগিয়ে উপন্যাস লিখেছি। কোরআন-হাদিসের আলোকে রোমান্টিসিজমের কথা লিখেছি’।
লিংক পরের কমেন্টে আছে।

৫| ২৮ শে এপ্রিল, ২০১৭ রাত ৯:০৫

মোঃ মোশাররফ হোসেন বলেছেন: হতে পারে ব্যবসার জন্য। এটা ঠিক যে ইসলামী বিধিনিষেধ জানার জন্য প্রেমের উপন্যাস পড়তে হয় না। তবে লেখকের ভাষ্য হচ্ছে, ‘আমি ইসলামি ভাবকে কাজে লাগিয়ে উপন্যাস লিখেছি। কোরআন-হাদিসের আলোকে রোমান্টিসিজমের কথা লিখেছি’। লিংক

৬| ২৯ শে এপ্রিল, ২০১৭ সকাল ৯:২৮

আততায়ী আলতাইয়ার বলেছেন: কাশেম বিন আবুবকরের মেবি দুইটা বই পড়া হয়েছিলো যা আমার কাছে নিতান্তই গার্বেজ মনে হয়েছিলো এবং আমাদের অনেকের কাছে তা মনে হবে কিন্তু কথা হল আমাদের মত পাঠকদের জন্য কি কাশেম বিন আবুবকর কি ঠেকে আছে? সাহিত্যে কোয়ালিটি ব্যাপারটা আপেক্ষিক কিন্তু বিজনেস ব্যাপারটা ফিক্সড আর এই বিজনেস এ কাশেম বিন আবুবকর এগিয়ে আছে। বাংলাদেশে ৬৮ হাজার গ্রামে তার সাহিত্যের এক বিশাল বাজার তার এই বাজারের কাস্টমাররা ঠিক যে জিনিসটা চায় অর্থাৎ রক্ষনশীলতা নৈতিকতা ও রোমান্স সংমিশ্রনে এক হচপচ ফ্যান্টাসি সেই ব্যাপারটা কাশেম বিন আবুবকর সাপ্লাই দিয়ে যাচ্ছে গ্রাম গঞ্জের বই পড়ুয়াদের চিন্তা ভাবনা যেই যায়গায় কাশেম বিন আবুবকর ঠিক সেই যায়গায় স্ট্রোক দিচ্ছে, তার বাজার তৈরির জন্য তাকে প্রথম আলুতে জনপ্রিয় কথা সাহিত্যিক ব্যানারে কলাম লিখা লাগে নাই স্টেডিয়ামে গিয়ে মাশরাফিদের সাথে সেলফি তোলারও প্রয়োজন হয় নাই।
দিন শেষে কথা হল যে কাশেম বিন আবুবকর তো তার গেঁয়ো পাঠকদের কে তার বই গিলিয়ে ভালো টাকা উপার্জন করে নিজের ভাত কাপড়ের ব্যাবস্থা করেছে কিন্তু যেই সব শহুরে বটলার সাহিত্যিকরা আজ কাশেম বিন আবুবকরের সমালোচনা করতেসে তারা নিজেদের লেখা গুলো তাদের শহুরে প্রগতিশীল পাঠকদের কতটুকু গেলাতে পারছে, তাদের বই গুলো যতটুকু বিজনেস করছে তাতে এটলিস্ট চারুকলা বা আজিজ মার্কেটের চিপায় দাড়িয়ে গাঁজা টানার পয়সা আসছে তো?
এরা কাশেম বিন আবুবকর কে তাচ্ছিল্য করে আবার নিজেদের আলোচনায় আনার জন্য এই কাশেম বিন আবুবকর টপিকটাই বেছে নেয়
শেইম_অন

২৯ শে এপ্রিল, ২০১৭ বিকাল ৩:১৩

মোঃ মোশাররফ হোসেন বলেছেন: মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

৭| ৩১ শে জুলাই, ২০১৮ দুপুর ২:৪২

বিজন রয় বলেছেন: নতুন পোস্ট??

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.