| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সত্যচারী
সত্য সবসময় খুব নিষ্ঠুর হয়, সত্যচারী কখনো নিষ্ঠুর হয় না। তাই সত্যকে ঘৃণা কর, সত্যচারীকে নয়
গত মাসে গ্রামের বাড়ী গিয়েছিলাম বেড়াতে, বছরের শেষে হিম হিম ঠান্ডা হওয়া আবহাওয়া পাওয়াটা এখন বেশ কঠিন হয়ে পড়েছে। উত্তরবন্গের গরীব মানুষগুলো যেখানে শীতের কাছ থেকে পালিয়ে বেড়াচ্ছে, আমরা শহরবাসীরা সেখানে শীতের পেছনে ছুটে বেড়াচ্ছি, একেই হয়ত বলে কারো পৌষমাস-আর কারো সর্বনাশ, তবে এখন পৌষমাসেই যে শীত হবে এমন গ্যারান্টি যেহেতু নেই, সেহেতু কথাটার বিকল্প কিছু ভাবার সময় এসেছে, যাহোক, গ্রামের শীতে মোটামুটি ভালোই কাটছিলো, সকালে ঘুম থেকে উঠে পুকুরে গিয়ে গোসল করার শখ ছিল, কিন্তু বরফের ন্যায় ঠান্ডা পানি আমার সেই আশায় বালি ছিটিয়ে দিল, নিতান্তই অসহায়ের মত চোখে-মুখে পানি ছিটিয়ে এসে বসলাম উঠোনের এক কোনায় পাতা চুলোর পাশে। বড় চাচী কি যেন এক কুৎসিত কালো পিঠা বানচ্ছিলো, দেখতে কুৎসিত হলেও খাওয়ার পর অমৃতস্বাদ পেলাম। খাওয়া শেষে সাথে করে নিয়ে আসা ল্যাপটপটা নিয়ে বসলাম, আশায় ছিলাম যদি জিপি মডেমটা এখানে কাজে দেয় তো সময়টা ভালো কাটবে, কারন সমবয়সী যারা আছে তার সবাই ছোটবেলার নিত্যদিনের খেলার সাথী হলেও বয়সের কারনে একন সবাই শিশুসন্তানের পিতা, আর যারা কর্মহীন তারা বয়সে অনেক ছোট, তাদের সাথে অতটা গভীরভাবে মেলামেশা সম্ভব নয়, তাই এই ছোট্ট গ্রাম যাত্রায় ইন্টানেটই শেষ ভরসা ছিল, কিন্তু এখানেও জিপি মডেমটা স্বভাবসুলভ মীরজাফরের ভূমিকায়ই রইল, এই আছে তো এই নেই। কথা কাজে অমিল।
সারাদিনের নিরামিষ সময় কাটানোর পর এবার রাতের অপেক্ষায় রইলাম, রাতে কাজ-কর্ম সেরে সবাই নিশ্চই ঘরে ফিরবে, তখন সবাই একসাগে বসে তাস খেলা যাবে, সাথে চুটিয়ে আড্ডা, কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাস, আমার সেই আশা আশাই থেকে গেল। চাচাতো ভাই বেলাল মিয়া খুব হন্তদন্ত হয়ে আমার ঘরে ঢুকল, ব্যাপার কি জিগ্গেস করতেই বলল, খারা, কইতাসি, আগে দম লওনের টাইম দে, আমি তাকে দম নেবার টাইম দিয়ে অধীর আগ্রহে বসে আছি কিছু একটা শোনার আশায়, অতপর তার কাছ থেকে যে বৃতান্ত শুনলাম, সেটা হল বেলাল মিয়ার বড় ভাই দুলাল মিয়ার একমাত্র ছেলে মান্নার দুপুরের পর থেকেই ভীষন জ্বর, গ্রাম্য এক ডাক্তারকে ডাকা হয়েছিল, ডাক্তার ছোকরা কি যেন এক ঔষধ দিয়েছে, ঔষধ খাওয়ার পর থেকেই জ্বর গিয়েছে আরে বেড়ে। মাগরিবের নামাজের পর থেকে হঠাৎ উল্টা-পাল্টা বকা শুরু করেছে, মসজিদের ইমাম সাহেবকে ডাকা হয়েছিল, তিনি জরুরী ভিত্তিতে মেম্বার সাহেবের বাড়ীর মিলাদে উপস্তিত থাকছেন বলে তার সাগরেদ মুন্সি ইয়াজউদ্দিনকে পাঠিয়েছেন, ইয়াজুদ্দিন অত্যন্ত দুঃখের সাথে জানালেন এই কাজ কোন সাধারন জ্বীনের কাজ নয়, এই জ্বীন কোহেকাফের বাসিন্দা। কারন তার ভাষা সে কোনভাবেই বুঝতে পারছেনা, ইয়াজুদ্দিন এখনো কোহেকাফের ভাষা আয়ত্ত করতে পারেনি বলে সকলের কাছে সে নিজের অপারগতা তুলে ধরে ক্ষমা চাইল, তবে সে এর একটা সুরথাল করারও আশ্বাস দিয়ে গেল, কারন তার উস্তাদ মসজিদের ইমাম সাহেব কোহেকাফের ভাষায় মোটামুটি পারদর্ষী, সে দৌড়ে ইমাম সাহেবকে নিয়ে আসতে গেল। বেলাল মিয়ার কথা শুনে আমার বেশ কিছু দেশী বিদেশী ভূতের বইয়ের কথা মনে পড়ে গেল, সব বইতেই লেখকরা এ ধরনের সমস্যার ক্ষেত্রে রোগীর মানসিক সমস্যার কথা তুলে ধরেন। ভূত বলতে যে একটা ব্যাপার আছে সেটা কেউই স্বীকার করতে চান না। যাহোক জীবনে এই প্রথম ভূতের লাইভ শো দেখব সেই খুশীতে আমি বেলাল মিয়াকে সাথে নিয়ে ছুটলাম মান্নাকে দেখার জন্য। মান্নার কাছে পৌছতে আমাদের ১০ মিনিটের মত সময় লাগল, এই দশ মিনিটে হলিউডের প্রচুর হরর ফিল্মের কথা মনে পড়ল। ছমছমে পরিবেশ, শাওয়ার ছেড়ে নায়িকা গোসল করছে, শাওয়ারের পানির বদলে পড়ছে রক্ত...... ইত্যাদি ইত্যাদি। কিন্তু মান্নার কাছে পৌছে এবারো আশাহত হতে হয়েছে, ভেবেছিলাম মান্নার এলোমেলো চুল, চোখদুটো কোটর থেকে বেরিয়ে এসেছে, চোখের মনিগুলো রক্তবর্ন হয়ে আছে, গলার স্বর পশুদের মত হয়েছে। কিন্তু মান্না যেন ঠিক তার বিপরীত, তাকে বেশ শান্ত শিষ্ট মনে হয়েছিল। তবে চোখ দুটো খানিকটা ছোট হয়ে এসেছে। মান্না পুরোপুরি স্বাভাবিক একটা ছেলে। কিন্তু মান্না কথা বলছে এলোমেলো ভাবে, কথার অর্থগুলো ঠিক ধরতে পারছিনা। আমি অনেকক্ষন ধরে খুব খেয়াল করে শুনেও ঠিক ধরতে পারছিলাম না। ইমাম সাহেবও ইতিমধ্যে এসে পড়েছেন। এসেই হুংকার দিয়ে উঠলেন। নিম ভন ছাই, লক ছু মাইমা, বুঝলাম ইমাম সাহেব কোহেকাফের ভাষায় মোটামুটি পারদর্ষী। কিন্তু মান্নার কাছে আসা জ্বীন যে কোহেকাফের বাসিন্দা নয় তা পুরোপুরি স্পষ্ট হয়ে গেলাম, কারন কোহেকাফের বাসিন্দা হলে আমাদের মান্না নায়ক মান্নার ন্যায় গর্জন করে ওঠার কথা, উল্টো মান্না যেন স্বাভিক মানুষের মত বসে রইল, মনে হল ও কিছু শুনতেই পায়নি, প্রায় আধাঘন্টা চেষ্টা করার পর ইমাম সাহেব ক্ষান্ত দিতে বাধ্য হলেন, কারন মান্না তার কথায় রেগে উঠছিলানা, আবার ঘুমিয়েও পড়ছিলনা, সাধারন কেসের মত না হওয়ায় ইমাম সাহেব নিজেই বুঝতে পারছিলেন না কি করতে হবে, অবশেষে রনেভন্গ দিয়ে ইমাম সাহেব বললেন আজ বৃঃস্পতিবার, কাইল শুক্কুরবার, কাইল এরে উচিৎ শিক্ষা দিমু, জুম্মার নামাজের পর।
ইমাম সাহেব চলে যাওয়ার পর সবাই আস্তে-আস্তে সরে পড়ছিলো, মান্না আগের মত এলো-মেলো ভাবে কথা বলেই যাচ্ছিলো, আমি বেরিয়ে পড়ব এর মধ্যে মান্না আমাকে দেখিয়ে কি যেন বলছিল, আমি উৎসাহী হয়ে আরো কিছুক্ষন দাড়ালাম, এবারো কিছুই বুঝতে পারলাম না, তবে কথার এক পর্যায়ে কম্পিউটার আর ইন্টারনেট শব্দ দুটো শুনতে পেলাম, আমি বেশ অবাক হলাম, এই মান্নাতো জীবনে প্রাইমারী স্কুলেই যায়নি, তবে কম্পিউটার এর এ কি বুঝবে, আর ইন্টারনেটইবা সে জানলো কিভাবে, আস্তে আস্তে সবাই যখন বেরিয়ে পড়ল, আমি মান্নার কাছে বললাম, হ্যা কম্পিউটার কম্পিউটার, মান্নাও বলে উঠল, কম্পিউটার কম্পিউটার, ইন্টারনেট। আমি আৎকে উঠলাম, আরে সর্বনাশ, মনে পড়ল আমার ল্যাপটপটাতো অফ করে আসিনি, আমি দৌড়ে যাব এমন সময় মান্না আমার হাত টেনে ধরল, আমি এবার সত্যিই ভয় পেয়ে গেলাম, কি করব বুঝতে পারছিলাম না, কিন্তু সাহস পেলাম মান্নার করুন মুখ দেখে, বার-বার শুধু একটা কথাই বলছে ওনাকাগা সুইতেই মাস। আমি মান্নার করুন মুখ দেখে আর মান্নাকে মোটেও ভয় পাওয়ার কথা চিন্তা করলাম না, বরং মান্নাকে যেন ভিনগ্রহের কোন জীবের মত মনে হল। আমি বললাম মান্না কম্পিউটারটা অফ করে আসি, মান্না এবার বারবার মাথা ঝুকিয়ে উঠে দাড়াল। আমি বললাম আচ্ছা চল আমার সাথে। বেলাল মিয়াও হাতে একটা শক্ত লোহার রড নিয়ে বলল চল দেখি, কই নিয়ে যায়, যদিও মান্নার হাবভাব দেখে অতটা ক্ষিপ্ত মনে হয়নি, তারপরও বাইরে গিয়ে সে হিংস্র হয়ে যেতে পারে, সেই ভয়ে আমিও একটা লোহার রড নিয়ে নিলাম। বাড়ী ফিরে কম্পিউটার অফ করতে যাব, এমন সময় মান্না হাত নেড়ে বার বার কি যেন নিষেধ করছে, আর কিসব উল্টাপাল্টা বলে যাচ্ছে। মান্না এক পর্যায়ে আমার কম্পিউটার ধরতে চাইল, আমি এবার সত্যিই ভয় পেয়ে গেলাম, কারন মান্না আমার মাথায় একটা বাড়ী দিলেও আমি যতটানা কষ্ট পাব কম্পউটারটা একটা আছাড় মেরে বসলে তার চেয়েও বেশী কষ্ট পাব। এবার আমি ক্ষেপে গিয়ে মান্নাকে এক ধাক্কায় সরিয়ে দিলাম, এবারো মান্নার মুখ করুন হয়ে গেল, করুন মুখেই কিযেন বলল, কথার এক পর্যায়ে আমি অবাক হয়ে গেলাম যখন মান্না বলল গুগল ট্রান্সলেটর, এই জিনিষতো মান্নার জানার কথা নয়, বারবার কম্পিউটার দেখিয়ে মান্না ঐ কথায় বলছে। আমি কি করব ভেবে পেলাম না, মান্নার কথামত গুগল ট্রান্সলেটর খুললাম, এবার মান্না যেন কম্পিউটারের উপর ঝাপিয়ে পড়ল। মান্নার ঝাপিয়ে পরায় আমি ছিটকে পড়লাম বিছানায়, শুধু তাকিয়ে দেখলাম ল্যাপটপের কীবোর্ডের বাটনগুলোতে মান্নার আংগুলের নৃত্য। কিছুক্ষনের মধ্যে মান্না এক বিশাল রচনা লিখে ফেলল, এবার ল্যাপটপের মনিটর আমার দিকে ফিরিয়ে দিয়ে মুচকিমুচকি হাসছে, আমি পরের কয়েক মিনিটে যা পড়লাম তাতে নিজেকেই আমি বিশ্বাস করতে পারছিলাম না। মান্নার শরীরে আর মান্না নেই, যে আছে তার নাম মিং লী হং। সবাই মিং বলেই ডাকত, জাপানের অধিবাসী মরে গিয়েছে প্রায় ১০ বছর হতে চলল, মরার আগে বেশ কিছু সাইবার ক্রাইম করেছিল, তাই শাস্তি হিসেবে ডিজিটাল স্বর্গে ঢোকার আগে ৩০ বছর অনলাইনে তার আত্মা ঘুরে বেড়াবে। ঘুরতে ঘুরতে আমার এখানদিয়ে যাচছিলো, হঠাৎ করেই ব্যান্ডউইথ কমে যায়, এক পর্যায়ে লাইন ডিসকানেক্ট হয়ে যায়, মিং সাধারনত এরকম পরিস্থিতিতে ইউজারের শরীরে ঢুকে পড়ে, কিন্তু তৎখনাৎ আমি না থাকায় মান্না এসে কম্পিউটারে হাত বুলাচ্ছিলো, মিং উপায়ন্তর না দেখে মান্নার শরীরে ঢুকে পড়ে।
সে রাতে বেলাল কে পাঠিয়ে দিয়ে মান্না তথা মিং কে আমার কাছে রেখে দিলাম, উদ্দ্যেশ্য কিছু গল্প গুজব করা প্রায় অর্ধ রাত অবধি মিং এর সাথে গল্প করলাম, জানলাম মিং একজন কম্পিউটার প্রকৌশলী ছিল, সফ্টওয়্যার হার্ডওয়্যার নেটওয়ার্ক সহ প্রায় সকল ক্ষেতরেই মিং এর ছিল সমান দক্ষতা, যৌবনে বন্ধুদের সাথে পাল্লা দিতে গিয়ে কিছু সাইবার ক্রাইম করে, যার মধ্যে সবচাইতে ভয়াবহ একটি চ্যারিটি প্রতিষ্ঠানের সিস্টেম হ্যাক করে ফেলে মিং, সেটা কিছুটা নিজের অজান্তেই, আর সেই সাজাই ভোগ করছে মিং। আমি হতবাক হয়ে জিগ্গেস করলাম তবে রকম সাজা কেন? স্বর্গ নরক, সাপ-খোপ, অগ্নি ওখানেতো এসব থাকার কথা। মিং দীর্ঘ নিঃসাশ ছেড়ে বলল তোমাদের জন্য ওসব, কারন তোমরা ভূতে বিশ্বাসী জাতি, তাই তোমাদের শাস্তিগুলোও খুব সহজ শাস্তি, একটা কুন্ডলিতে বসে থাকবে আর আগুনে সেদ্ধ হবে, সেদ্ধ হওয়া শেষ হলেই কেউ একজন তোমাদের হয়ত খেয়ে ফেলবে, কিন্তু আমরা প্রযুক্তিতে বিশ্বাসী, আমাদের শাস্তিও ভয়াবহ, আমাদের সারা পৃথিবী দৌড়ে বেড়াতে হয়। অনেক কঠিন, ভাইরাসদের সাথে যুদ্ধ করতে হয় প্রতিনিয়ত, আবার কানেকশন না থাকলে আমদের অফলাইন হতে হয়, সেখানেও অনেক সমস্যা, যেমন আজকে তোমাদের বাড়ীতে হতে হল। এসব কথাই মিং এর সাথে হচ্ছিল গুগল ট্রান্সলেটর দিয়ে, এক পর্যায়ে বললাম তুমি এতো বড় একজন প্রকৌশলী ছিলে, তুমি ইংরেজী জানোনা কেন? মিং জানালো তার বাবা ছিলো ইংরেজ বিদ্বেসী, তাই তাকে কখনো ইংরেজী শিখতে দেয়নি, তবে কম্পিউটার নিয়ে যখন কাজ করেছিল, তখন ইংরেজী ব্যাবহার করতে হয়েছিল, তাই কিছুটা ইংরেজী সে নিজেও জানে, তবে ইচ্ছে করেই সে তখন ইংরেজী বলেনি, বললে সবাই তার কথা শুনতো, কিন্তু কেউ বিশ্বাস করত না, হয়ত মারপিট করত। মিং বলল তোমাদের দেখে মনে হল তোমরা ৫ ঘন্টা কাজ করার আগে ২ মিনিট ভেবে নাও, আর আমরা আগে ৫ ঘন্টা ভাবি, তারপর দু মিনিটেও কাজটা করে ফেলি, আমি বেশ লজ্জা পেয়ে গেলাম মিং এর এমন উক্তিতে, কিভাবে প্রতিশোধ নেব বুঝতে পারছিলাম না, বললাম আচ্ছা তুমি এমন কিছু করে দেখাও যা দিয়ে তোমার কথাগুলোর সত্যতা প্রমান পায়। মিং বলল কি করলে আমি বিশ্বাস করব, আমি বললাম জুলিয়ানতো আমেরিকার সব তথ্য ফাস করে দিয়েছে, এবার তুমি পারলে আমার দেশের এমন কিছু তথ্য হ্যাক করে আমায় দেখাও যা আগে কখনো প্রকাশ হয়নি। মিং বলল এতো মুড়ি মাখানোর মত সোজা কাজ, সে তৎক্ষনাৎ কীবোর্ডের বোতাম টেপা শুরু করল, তারপর হতাস চোখে আমার দিকে তাকিয়ে রইল, আমি বললাম, কি হে হ্যাকার, জাপানীজ হলেই কি চাপা মারতে হবে?? মিং বলল চাপা মারিনি, আমি সত্যিই খুলতে চেষ্টা করেছিলাম কিন্তু খোলার মত তেমন কিছুই তো পেলাম না, তোমাদের দেশের গুরুত্বপূর্ন কোন প্রতিষ্ঠানের তো ওয়েবসাইটই নেই, যেগুলো আছে, সেগুলো হয় ঠিক মত কাজ করছেনা, নয়তো হ্যাকিং এর অযোগ্য, অতি নিম্ম মানের, তবে হ্যা তুমি যেহেতু চাচ্ছ আমি তোমাকে একটা কাজ করে দিতে পারি, তোমার কানেকশন স্পীড আমি বাড়ি্যে দিতে পারি, আমি বললাম দেখাও তবে, মিং দু-চারটা বোতাম টিপে দিল, দেখলাম তরতর করে সব পেজগুলো খুলে যাচ্ছে। একটা ছবিও ডাউনলোড দিয়ে দিলাম, দেখলাম স্পীড ২ মেগাবাইটের মত, আমি যেন আলাদিনের চেরাগ হাতে পেলাম। সাথে সাথে ৪ ৫ টা মুভি ডাউনলোড দিয়ে দিলাম।
১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ৮:২০
সত্যচারী বলেছেন: সরি ভাই, একটু এডিট করতে গেসিলাম, দেখি পোষ্ট হাওয়া............. পরে বাধ্য হলাম রিপোষ্ট করতে
২|
১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১০ দুপুর ২:২৬
রোডায়া বলেছেন: ভালো৷ শেষটা আরেকটু নাটকীয় হতে পারতো৷
১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১০ বিকাল ৪:১১
সত্যচারী বলেছেন: তা ঠিক, ধন্যবাদ
৩|
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ২:০৬
শাহানা বলেছেন: শুরুতে বুঝতে পারিনি, এরকম গল্প লিখছেন। ভালো লিখেছেন। ![]()
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ৭:১৯
সত্যচারী বলেছেন: ধইন্যা,
বাজারে ধইন্যাপাতার দাম অনেক, তাই কেজি দুয়েক দিলাম....
৪|
২৮ শে ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ৯:৪৪
এ.টি.এম.মোস্তফা কামাল বলেছেন: বাইছা কি দ্যাশে আইছিলেন নি ? অন কি আবার জাগাত ছলি গেছেন নি ?
কিচ্ছা বালা লাইগছে। ফ্লাছ !!!!!
২৮ শে ডিসেম্বর, ২০১০ বিকাল ৩:৫৯
সত্যচারী বলেছেন: আহারে বাইছা, আর কইয়েন্না, দ্যেশে অনো আইতা হারিনো। ইনশাল্লাহ আগামী বছর।
আন্নের কি খবর??
৫|
৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১০ বিকাল ৩:১৬
জুন বলেছেন: খুব ভালোলাগলো সত্যচারী মজা পেলাম, এমন স্পীড বাড়ানোর জন্য মিং কে যদি পেতাম
তবে আমরাও কিছু ডাউনলোড করতে পারতাম
৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১০ বিকাল ৪:২১
সত্যচারী বলেছেন: আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ জুনাপু, আর সাথে ফ্রী নতুন বছরের শুভেচ্ছা
৬|
০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১১ দুপুর ২:১৮
এ.টি.এম.মোস্তফা কামাল বলেছেন: তারমানে ২০১২ সালে?
আমরা বালা আছি।
০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১১ বিকাল ৩:৪০
সত্যচারী বলেছেন: না মানে ২০১১ মনে হয়..................
আশা ছিল ২০১১ বিশ্বকাপ দেশে গিয়ে দেখব, :-< :-< :-<
৭|
০৭ ই জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১১:০৭
এ.টি.এম.মোস্তফা কামাল বলেছেন: দ্যাশে আইয়্যনের সময় এক্কানা আবাজ দিয়েন। দ্যাখা সাক্ষাতের এক্কানা শখ আছিলো।
০৮ ই জানুয়ারি, ২০১১ সকাল ৭:৩৮
সত্যচারী বলেছেন: ইনশাল্লাহ.................. এক দ্যাশের মানস, দেয়া ক্যান্নে না অয়??
©somewhere in net ltd.
১|
১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ৭:৫৪
মোসাব্বির বলেছেন: রিপোষ্ট করলেন মনে হলো