নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মানবী

মানবী › বিস্তারিত পোস্টঃ

'শিরক ও মূর্তিপূজা হারাম'- সত্য কথা

১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১:০৯

কথা সত্য, মূর্তি পূজা শিরক, যা ইসলাম ধর্মের ভাবধারার চূড়ান্ত পরিপন্থী।







মুসলিমদের মূর্তিপূজায় উৎসাহিত করা হচ্ছে এমন কিছু কোন ভাবেই মেনে নেয়া যায়না।







তবে, প্রশ্ন হলো.. লালনের মূর্তি কি পূজার উদ্দেশ্যে নির্মিত হচ্ছিলো?

দেশে অগুনিত ব্যক্তির মূর্তি থাকতে ঠিক এই মূর্তিটি নিয়ে এমন গোপন পরিকল্পনার কথা মাত্র কিছু ভন্ডহুজুর জানলেন কিভাবে?





ভন্ড হুজুর বলছি তার কারন ব্যাখ্যা করছি।



মৌলবাদীরা তবু ধর্ম সম্পর্কে কিছু জানেন, কেউ কেউ যখন ধর্মের কিছু অংশ নিয়ে বাড়াবাড়ির পর্যায়ে চলে যায় তখন তাকে আমরা মৌলবাদী বা ফ্যানাটিক বলি।



দুঃখজনক হলেও সত্য, আমাদের দেশে কিছুদিন পর পর এই "ইসলামের জাত গেলো" বোল তুলে একদল ভন্ডের আস্ফালন শুরু হয় তারা আদৌ ইসলামের প্রতি শ্রদ্ধাশীল বলে মনে হয়না।



প্রথমত, বাংলাদেশে এটাই তো প্রথম ভাস্কর্য নয়।

দ্বিতীয়ত, মূর্তি, ভাস্কর্য বা ছবি নিয়ে যদি পূজো বা বাড়াবাড়ির পর্যায়ে কিছু হয়ে থাকে, তা কিন্তু শেখ মুজিব ও জিয়াউর রহমানের ছবি নিয়ে তাদের দলের অনুসারীরা দীর্ঘ দিন ধরে করে আসছেন। এসব নিয়ে এই ভন্ডদের কখনো টুঁ শব্দটি করতে দেখা যায়না। বরং এসব দলের চরনে ঠাঁই পাবার আপ্রাণ প্রচেষ্টাই এদের প্রধান সাধনা বলে মনে হয়। দুটি দলের সাথে কোননা কোন পর্যায়ে এদের অতি সখ্যতা এবং রেষারেষি হয়েছে, কখনো এপ্রসঙ্গে কিছু বলতে শুনিনি।





ইসলাম ধর্মে শুধু ভাস্কর্যের বিরুদ্ধে বলা আছে? দরিদ্র মজলুম মানুষদের সাহায্য করার কথা বলা নেই? দরিদ্র প্রতিবেশীকে অভুক্ত রেখে নিজে আহার করা কি জায়েজ? এই যে যারা কিছুদিন পর পর ইসলামের ঝান্ডা তুলে দেশে অশান্তির তান্ডব সৃষ্টি করে, এদের অর্ধাংশ যদি সত্যিকারের মুসলিম হতো, তাহলে আমাদের দেশে অনেক সমস্যা কমে যেতো। এরা ক'জন নিজ প্রতিবেশী অভুক্ত আছেন কিনা সে বিষয়ে খোঁজ রাখে?





ইসলামে মূর্তিপূজা হারাম, আর সুদ কি হালাল? কিছুদিন পূর্বে সুদি মহাজনের নির্যাতনে একজন দরিদ্র রিক্সাচালক প্রাণ হারালেন, ইসলামের ঝান্ডাধারী ভাইদের তো একটি শব্দ করতে শোনা গেলোনা? ক্ষমতার লোভ করলে অবশ্য এসব মহাজনদের বিরুদ্ধে অবস্থান গ্রহন না করাই ভালো, মহাজনদের কৃ্পাদৃষ্টি ক্ষমতার কাছাকাছি থাকতে সাহায্য করে। পথে ঘাটে অসহায় দরিদ্র মানুষদের নির্মম ভাবে হত্যা করা হয়, এসব মৃত্যু কে "হায়াৎ মওত আল্লাহ্'র হাতে" বলে এড়িয়ে যাওয়া, আর নিজ দলের কেউ প্রতিপক্ষের আক্রমনে নিহত হলে কিছুদিন পর পর তার জের তুলে "মাতম" করা এই ভন্ডদের কাজ।





ঠিক আছে মেনে নিলাম, ঘুষ, চাঁদাবাজী, মাস্তানী এমনকি সুদ গ্রহন ও হত্যা সব কিছুর চেয়ে মূর্তিপূজা ও শিরক গুরুপাপ, মহাপাপ।

আমাদের দেশে বিভিন্ন স্থানে পীর ফকিরের মাজারের নামে শিরকের কুপ্রথা চালু আছে, এর বিরুদ্ধে এসব ভন্ডদের কোন দিন সোচ্চার হতে দেখা যায়না কেনো? কোন কোন জীবিত পীর তার মুরিদদের দিয়ে পায়ে চুমু দেয়ানো, তাকে সেজদা করানোর মতো ধৃষ্টতাপূর্ণ কাজ করে। এসব খবর গণমাধ্যমে তুলে ধরার পরও এসবের বিরুদ্ধে এই (?)মৌলবাদী দলগুলোকে কোন অবস্থান নিতে দেখা যায়না কেনো? "মাজার পূজা", "কবর পূজা" পূজা নয়?

দেশে রাষ্ট্রীয় ভাবে "ঈদে মিলাদুন্নবী:, "শবে বরাত" এর মতো কুপ্রথা ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের সাথে পালন করা হয়, ইসলামের ঝান্ডাধারী এসব ভন্ডদের এ নিয়ে কোন বিকার নেই, ক্ষমতার কাছাকাছি থেকেও সংশোধনের চেষ্টা নেই।

কারনটি অবশ্য স্পষ্ট, যারা এই কুপ্রথাগুলো প্রচলন করে যাচ্ছে তারা এই আস্ফালনকারী দলগুলোর প্রধান ভোটার। তাই ইসলামকে পাশে সরিয়ে রেখে, ইসলামের মূল্যবোধকে অগ্রাহ্য করে কুপ্রথা লালনকারীদের তুষ্ট করাই এই ভন্ডদের প্রধান কাজ।





তারচেয়ে বরং, কোন কার্টুনিস্টের ভাবনাকে কল্পণা করে নিয়ে তার উপর হামলে পড়ে দেশে অরাজকতা সৃষ্টি করা সহজ, একজন মুসলিমকে নাস্তিক বলে ঘোষনা দেবার ধৃষ্টতা করা সহজ! হজ্জ যাত্রীদের হাজার ভোগান্তির সমাধানের চেষ্টা না করে, লালনের মূর্তিকে ইস্যুকরে দেশে হৈচৈ শুরু করা সহজ ও কম ঝুঁকিপূর্ণ- অন্তত ভোটারদের ভোট হারাবার ভয় নেই।





জাতীয়তাবাদের চেতনা, মুক্তি যুদ্ধের চেতনা, ইসলাম ধর্মের চেতনা এসব শুধু আড্ডার টেবিলে চায়ের কাপে (এবং ব্লগে)ঝড় তোলা আলোচনা আর প্রতিপক্ষের উপর হামলে পড়ার শ্লোগান বিশেষ।

এসব চেতনার বিন্দুমাত্র এসব কর্মীরা ধারন করলে দেশে এমন অরাজকতা বিরাজ করতোনা। অগুনিত নারী প্রতিদিন লান্ছিত, ধর্ষিত হতোনা, অব্দুর রশিদের মতো হত দরিদ্রকে নৃশংস ভাবে হত্যা করে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেবার ধৃষ্টতা কেউ দেখাতো না। দুঃখজনক হলো, হতভাগ্য আব্দুর রশিদের সাথে এমন অন্যায় করার পর এসব চেতনাধারীদের কাউকে তাঁর দুর্দশাগ্রস্থ পরিবারটির পাশে দেখা যায়নি। এমনকি, পূঁজিবাদীদের এই বিভৎসরূপ উন্মোচনের পর আমাদের সমাজতান্ত্রিক কমরেড ভাইদের কোন উচ্চবাচ্য করতে দেখা যায়নি, প্রতিবাদ দূরের কথা।





কারো কোন আদর্শ, চেতনা, মূল্যবোধ নেই.. শুধু একটিই লক্ষ্য- দেশের ক্ষমতা দখল।





লালনের ভাস্কর্য বিমান বন্দরের সামনে থাকবে কি সরিয়ে ফেলা হবে তা আমার কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ কিছু নয়। দৃষ্টি নন্দন হলে থাকবে, দৃষ্টি কটূ হলে সরে যাবে। তবে ইসলাম ধর্মের অজুহাতে আর সব ছেড়ে এই মূর্তির উপর এমন আক্রমণ স্বাভাবিক মনে হলোনা।



আজ হঠাৎ লালনের ভাস্কর্যের উপর এমন হামলার পিছনে কোন রাজনৈতিক উদ্দেশ্য আছে বলে নিশ্চিত। দেশে কিছু অস্থিরতা সৃষ্টি করে বোকা মানুষগুলোর দৃষ্টি অন্য দিকে সরিয়ে কি অপকর্ম এরা করতে যাচ্ছে, মহান সৃষ্টিকর্তা জানেন।।







মন্তব্য ১০৯ টি রেটিং +৫৪/-১১

মন্তব্য (১০৯) মন্তব্য লিখুন

১| ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১:১১

শিরোনামহীন বলেছেন: দেশে কিছু অস্থিরতা সৃষ্টি করে বোকা মানুষগুলোর দৃষ্টি অন্য দিকে সরিয়ে কি অপকর্ম এরা করতে যাচ্ছে, মহান সৃষ্টি কর্তা জানেন।।



২| ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১:১৩

রাতমজুর বলেছেন: ওরা হলো ধর্মব্যাবসায়ী, একটা ইস্যু দরকার, বানিয়েছে। ধর্মটাও একটা ব্যাবসায়ীক ইস্যু ওদের কাছে। দুখ: একটাই, দোজখে এইসব কাঠমোল্লাদের সাথে থাকতে হবে।

৩| ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১:১৪

বিডি আইডল বলেছেন: পুরোটাই রাজনৈতিক..ইলেকশন ডেট কাছাইয়া আসলে এইরকম আরো গেম দেখা যাবে

৪| ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১:১৫

ড্রাকুলা বলেছেন: ইসলামে কোন মানুষের, খুব সম্ভবত কোন জীবের মূর্তি তৈরি করাই হারাম।

৫| ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১:১৬

বুড়া শাহরীয়ার বলেছেন: সুন্দর লিখেছেন। প্লাস.........ইসলামি জ্ঞ্যান আহরন হোক সকল মুসলমানের কর্তব্য।

৬| ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১:১৬

মানুষ বলেছেন: নির্বুদ্ধিতা পীড়া দেয়

৭| ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১:১৬

নিবিড় অভ্র বলেছেন: সহমত। আপনি সত্য বলেছেন।

৮| ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১:১৮

ড্রাকুলা বলেছেন: তবে আপনার লেখা খুব ভালো লাগলো।

৯| ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১:১৯

অমাবশ্যার চাঁদ বলেছেন: দেশে রাষ্ট্রীয় ভাবে "ঈদে মিলাদুন্নবী:, "শবে বরাত" এর মতো কুপ্রথা ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের সাথে পালন করা হয়। আমি একমত নই।

"ঈদে মিলাদুন্নবী", "শবে বরাত" কুপ্রথা নয়। দয়া করে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানে এরকম মন্তব্য করবেন না। আরেকটি কথা আমি জামাত শিবির কুত্তাদের দলের নই।

১০| ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১:১৯

মানবী বলেছেন: শিরোনামহীন, পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

রাতমজুর, সবগুলোই ব্যবসায়ী। সবকটা দলের রঙীন রঙীন মুখোশের পিছনের চেহারা এক ও অভিন্ন মনে হয়। সাধারন মানুষ এদের কাছে মানুষ নয়, শুধু নিজেদের সমর্থকরা জনগন।ধন্যয়াদ আপনাকে।


বিডি আইডল, ভালো বলেছেন। ধন্যবাদ


ড্রাকুলা, সত্য, তবে এই উপলদ্ধি আক হঠাৎ!! এটাই অবাক করে! ধন্যবাদ।


বুড়া শাহরীয়ার, ধন্যবাদ।


মানুষ, ভালো বলেছেন, ধন্যবাদ।



নিবিড় অভ্র, ধন্যবাদ সহমতের জন্য।

১১| ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১:২১

অমাবশ্যার চাঁদ বলেছেন: এ অংশটুকুছাড়া আপনার পুরো লেখার সাথে একমত।

১২| ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১:২২

মাহমুদ রহমান বলেছেন: আপনার পোস্ট খুবই যৌক্তিক। অনেকগুলো সুন্দর বিষয় সামনে এনেছেন যেসব ব্যাপারে সত্যিকার অর্থে ভূমিকা রাখার কথা থাকলেও তা রাখা হচ্ছে না।

যদি ভন্ড আলেমরায় এসব নিয়ে উচ্চবাচ্য করে থাকে (আপাতদৃষ্টিতে তা-ই মনে হচ্ছে), তবে অবশ্যই এক্ষেত্রে তাদেরকে ছেড়ে দেয়া ঠিক হয়নি। এঁদের উদ্দেশ্য ভিন্নও হতে পারে। এ বিষয়ে সচেতন নাগরিক হিসাবে আমাদেরই সোচ্চার হওয়া উচিত ছিল। আদতে এধরনের স্ট্যাচু নির্মাণ কোন কল্যাণ তো বয়ে আনেই না, উল্টো বিতর্ক তৈরি করে।

এমন কতো শতো জরুরি প্রয়োজন পড়ে রয়েছে যেখানে আমাদের কাজের যথেষ্ট সুযোগ ও প্রয়োজন রয়েছে। আমরা এসব কাজে মনোযোগী হই। সরকার এটাকে সরিয়ে নিয়ে সঠিক কাজটি করেছে।

১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১:২৫

মানবী বলেছেন:
রাজনৈতিক দলগুলো যেন সমর্থকদের মানুষ হিসেবে, বাংলাদেশী হিসেবে, মুসলিম হিসেবে অস্তিত্ব বিলোপ করে দলীব মন্ত্র দিয়ে মগজ ধোলাই করে রেখেছে।


আপনার নিরপেক্ষ ও যৌক্তিক ভাবনা ভালো লাগলো।
দলমতের বাইরে এসে একজন মানুষ হিসেবে ভাবতে আমরা অধিকাংশ অক্ষম।

১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ২:৫৯

মানবী বলেছেন: মাহমুদ রহমান, আপনার মন্তব্যটি পুরোপুরি না পড়র জবাব দেয়ায় আন্তরিক ভাবে দুঃখিত!

"সরকার এটাকে সরিয়ে নিয়ে সঠিক কাজটি করেছে।"
-আপনি এটা কি বলেছেন! পোস্টটিকে যৌক্তিক বলায় বক্তব্যের সাথে সহমত ধরে নিয়েছিলাম, এখন দেখলাম শেষে অন্যকিছু যা আমার বক্তব্যের বিপরীত।

বুঝতে পারছিলাম না, যৌক্তিক মনে করলে কেউ মাইনাস দিবে কেনো? :-)

আপনার মন্তব্যের উত্তরে আমার প্রথম জবাবটি প্রত্যাহার করছি, দুঃখিত।

১৩| ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১:২৩

আছহাবুল ইয়ামিন বলেছেন: অবশ্যই অনেক অনেক ধন্যবাদ। মূর্তি পূজা করা আর কোন ব্যক্তিকে সম্মান প্রদর্শনপূর্বক তার প্রতিকৃতি তৈরী করা কিভাবে এক হয়? আর তা রোধ করতে লেলিয়ে দেয়া হলো অপ্রাপ্তবয়স্ক মাদ্রাসা ছাত্রদের। অন্তত মূর্তি ভাঙতে আসা মানুষের বয়সই বলে দেয় তারা নিজেদের জ্ঞান ব্যবহার করে কিংবা বিবেকের তাগিদে আসেনি।

মোল্লারা তাই করবে যা তাদের শক্তিমাত্রা প্রদর্শন করে, ন্যায়-অন্যায় নিয়ে তাদের মাথাব্যাথা নেই। আমাদের নবী জ্ঞান অর্জনের জন্য সূদুর চীনদেশে গমনের কথা বলা হয়েছে। এই চীন দেশে নিশ্চই ধর্ম জ্ঞান আহরন করতে যেতে বলেননি। অথচ আমাদের মোল্লাদের কথা-বার্তায় মনে হবে ধর্মীয় জ্ঞান অর্জনই জীবনের একমাত্র লক্ষ্য। সন্তানের ভালোর জন্য সকল সন্তানকে তারা হাফিজিয়া মাদ্রাসায় পাঠাতে পরামর্শ দিবেন!!!

১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১:৩০

মানবী বলেছেন: "অথচ আমাদের মোল্লাদের কথা-বার্তায় মনে হবে ধর্মীয় জ্ঞান অর্জনই জীবনের একমাত্র লক্ষ্য।"

- সত্য বলতে ধর্মীয় জ্ঞানটিও সঠিক ভাবে অর্জিত হলে খুব মন্দ হতোনা। দুঃখজনক হলেও সত্য আমাদের অধিকাংশ মোল্লারা নিজেরাই ইসলাম সম্পর্কে স্পষ্ট জ্ঞান রাখেননা বলে মনে হয়। দেশ জুড়ে সত্যিকারের ইসলাম, তার মূল্যবোধ ছেড়ে শুধু বিকৃতি আর কুপ্রথার প্রচলন।


কোন ধর্ম মানুষের ক্ষতি করতে শিখায়না। সব ধর্মের একটিই লক্ষ্য- মানব কল্যান.. বকধার্মিকরা সেই মূল্যবোধকে পাশে সরিয়ে রেখে বিচ্ছিন্ন অংশ তুলে এনে তা নিয়ে অশান্তি সৃষ্টি করে।


নিরীহ লালনের উপর এই আচমকা আক্রঞণ সত্যিই বিস্ময়কর!!

ধন্যবাদ আপনাকে।

১৪| ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১:২৬

ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন: আপনার মতের সাথে একমত। প্রতিটা কথাতেই সমর্থন দিচ্ছি।

১৫| ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১:২৬

সেলিম জাহাঙ্গীর বলেছেন: আপনার লেখাটা পড়ে ভালো লাগলো খুব সুন্দর লেখেছেন। আমি আপনার সাথে একমত। আমিও আমার এই লেখায় বলেছি কারা এই মাজারে থাকে কি তাদের উদ্দেশ্য


এই শিরক রুখবে কে?


দেখিয়াছি আমি অনেক মাজার
শিরক চলে প্রতিদিন,
সেজদায় পড়ে আকুতি জানাই
পয়সা মানত সব কিছু ফানাই।
কেউ বলে বাবা ক্ষামা করে দিবা
পাপ করিয়াছি ঢের,
ব্যবসা আমার মন্দা গিয়াছে
ব্যাপারীর কাছে শত ঋন আছে:
একটু তুমি সুবিচার করা
জগৎ ফুড়িয়া যেন হতে পারি বড়।
মাজারের সেবায় এতো আয়োজন
টাকা ওঠে দেখ কত মিলিয়ন:
ছাগল-গরু কেউ দেয় হাঁস
মাজারের সেবাই কত শত দাস।
চির নিদ্রায় মগ্ন যে সে
এত টাকা খরচ করবে সে কিসে,
নেই তার খাওয়া নেই তার পাওয়া
তবুও প্রতিদিন কেন টাকা চাওয়া।
ধর্মের কথা যারা বলে হাই
তাদের দেখা ওখানেতে পাই,
মরা পীরের মাজারেতে পড়ে
সেবার নামে টাকা পকেটেতে পুরে।
ধর্ম যদি সকলেই জানি
ধর্মের কথা নিতে হবে মানি,
গরীব-গুনা যে দুঃখী জন
তাদের সেবাই দিতে হবে মন:
আদৌ যে আছে পৃথিবীতে বেঁচে
স্বজন কিংবা নিঃস্ব ফকির:
তার সেবা কর ইতিহাস গড়
হাতের কাছে সেই বড় পীর।


লেখা সেলিম জাহাঙ্গীর

১৬| ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১:২৭

ড্রাকুলা বলেছেন: একমত@ অমাবশ্যার চাঁদ

১৭| ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১:২৭

শয়তান বলেছেন: সম্পুর্ন ঘটনাটাই রাজনৈতিক ঈমান তারল্য সংকটজনিত । এখানে সত্যিকারের ধর্মভাব অনুপস্থিত।

১৮| ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১:৩৪

মানবী বলেছেন: অমাবশ্যার চাঁদ, আমি যদি বলি এসব কে ইসলাম ধর্মের অংশ হিসেবে পালন করা একজন ধার্মিক মুসলিম হিসেবে আমার ধর্মীয় অনুভূতি আঘাত করে? কুরআন ও সহীহ্ হাদীসের আলোকে এর অস্তিত্ব প্রমান করুন, আমি মেনে নিবো। বিশ্বের কয়টি মুসলিম দেশে এসব পালন দূরের কথা, এসব সম্পর্কে অবগত আছে সেটা ভাবনার বিষয়।

বাকী অংশের সাথে সহমতের জন্য ধন্যবাদ।



ছন্নছাড়ার পেন্সিল, আন্তরিক ধন্যবাদ সহমতের জন্য।


সেলিম জাহাঙ্গীর, ধন্যবাদ সহমতের জন্য।


শয়তান, :-)

১৯| ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১:৪৩

মনজুরুল হক বলেছেন: হিপোক্র্যাসি আরো আছে।একসময় বলা হতো-ছবি তোলা হারাম। যখন হ্বজ্বের জন্য দরকার পড়ল,তখন ফতোয়া দেয়া হলো-জায়েজ !

বলা হতো-ছায়াছবি দেখা, টেলিভিশন দেখা হারাম। যখন টেলিভিশনে চেহারা মুবারক দেখিয়ে প্রচার এবং টু-পাইসের ব্যাপার আসল, তখন বলা হলো জায়েজ !!

বলা হতো নারী নেতৃত্ব হারাম। কিন্তু খালেদার পাশে বসা হালাল শুধু নয় সুন্নৎ !!!

এই পাষন্ডরা কী জানে সৌদি আরব ছাড়া পৃথিবীর সকল মুসলিম দেশে শত-সহস্র ভাষ্কর্য আছে ?

মজার ব্যাপার হলো এসব কোন ইস্যু নয়, স্রেফ পলিটিক্যালি মানুষের দৃষ্টি অন্য দিকে ডাইভার্ট করার হীন ইস্যু।

১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৩:০০

মানবী বলেছেন: "ব্যাপার হলো এসব কোন ইস্যু নয়, স্রেফ পলিটিক্যালি মানুষের দৃষ্টি অন্য দিকে ডাইভার্ট করার হীন ইস্যু। "

- আমারো তেমন মনে হয়, ধন্যবাদ।

২০| ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১:৫০

অমাবশ্যার চাঁদ বলেছেন: আপনি দয়া করে "কুপ্রথা" শব্দটির ব্যাখ্যা দিবেন কি?

ঈদে মিলাদুন্নবীতে রাসূল(সাঃ) এর প্রতি দরূদ পাঠ এবং শবে বরাতে সারারাত আল্লাহ্‌তায়ালার ইবাদত বন্দেগী করা কোনভাবেই কুপ্রথা হতে পারে না।

১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৩:১৪

মানবী বলেছেন: ইসলামে বি'দাত শব্দটির ব্যাখ্যা জানেন আশা করি। এই ব্যাখ্যাটী জানলে "কুপ্রথা"র ব্যাখ্যা আলদা ভাবে প্রয়োজন হবেনা।
আমার মতো অধমের ব্যাখ্যা বা যুক্তি আপনার কাছে গ্রহণযোগ্য না হবার সম্ভাবনা বেশি, একজন স্কলারের বক্তব্য যদি মানতে পারেন।



প্রশ্নের পিঠে প্রশ্ন না দিয়ে কুরআন ও সহীহ্ হাদীসে এসবের অস্তিত্বের সন্ধান দিলে এই প্রসঙ্গটি নিয়ে আলোচনা করা যেতো, অহেতুক তর্ক করতে আগ্রহী নই, দুঃখিত।

২১| ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ২:০৮

প্যাঁচনাই বলেছেন: পৃথিবীতে সব কিছুর দুইটা দিক আছে
তেমনি হুজুররাও দুই ধরনের
১. ভাল
২.ভন্ড

ভন্ডের দলেরা সব সময়ে ছিদ্রান্বেষণে ব্যস্ত থাকে খারাপ দিকে । এমনকি ছোট ছোট বাচ্চারাও এদের হাত থেকে রেহাই পায় না
"মরা মুরগী খাওয়া হারাম,ঝোল খাওয়া জায়েজ"

২২| ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ২:১১

রাসেল ( ........) বলেছেন: মাহমুদ রহমান বলেছেন: আদতে এধরনের স্ট্যাচু নির্মাণ কোন কল্যাণ তো বয়ে আনেই না, উল্টো বিতর্ক তৈরি করে

লেখক বলেছেন:


আপনার নিরপেক্ষ ও যৌক্তিক ভাবনা ভালো লাগলো।
দলমতের বাইরে এসে একজন মানুষ হিসেবে ভাবতে আমরা অধিকাংশ অক্ষম।
--------------------------------------------------

মন্তব্য ভালো লাগলো।

২৩| ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ২:৩১

লাল মিয়া বলেছেন: আমার তেমন কিছু কওয়ার নাই যা কওয়ার সাধু কইছে

২৪| ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ২:৪৯

এরশাদ বাদশা বলেছেন: প্রত্যেকটি বাক্যের সাথে সহমত পোষন করছি। ভন্ডদের বিরুদ্ধে নিন্দা জানানোর ভাষা নেই।

২৫| ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৩:০৯

মানবী বলেছেন: প্যাঁচনাই, ভালোই বলেছেন, ধন্যবাদ।


লাল মিয়া, পড়ার জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।


এরশাদ বাদশা, সহমতের জন্য অনেক ধন্যবাদ।

২৬| ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৩:২৮

ফয়সল নোই বলেছেন: মানবী,লালনের যে ভাস্কর্য নিয়ে মোল্লাদের উৎপাত তা থেকে ৩ কিলোমিটারের মধ্যের একটা ঘটনা বলি।যেটা মুফতি নূরানী যে মসজিদের ঈমাম (ফায়দা বাদ মসজিদ) সেখান থেকেও খুব কাছে।সরকার অবৈধ স্থাপনা ভেঙ্গে ফেলার অভিযানের সময় টঙ্গী ব্রিজের ডান পাশের মসজিদটির সামনের কিছু অংশ ভেঙ্গে দেয়া হয় । কোন হুজুর টু শব্দটিও করেননি তখন।
আমারও মনে হয় এই জোসের পেছনে অন্য কোন ধান্ধা আছে কেঠোদের।(:))
মোল্লারা জুলুম নির্যাতনের বিরুদ্ধে ...ঠিক বলেছেন,কমই দেখা যায়।সামাজিক কর্মকান্ডে ওরা ফতোয়া দেয়া ছাড়া ভূমিকা কি মনে আসছে না।অন্যায়ের বিরুদ্ধে মোল্লাদের হাজি শরীয়তউল্লার পরে আর কেউ দেখেছে বলে মনে হয় না।:)দাড়াবে কি সবতো উম্মাদনায় অস্থির। এই বোমা মারে,এই জিএমবি সাজে,এই লালনের মূর্তি ভাঙ্গে...মহামারি অবস্থা:)
কলিযুগ বলে কথা!

আপনার সাহসী কথা ও স্পষ্ট চিন্তা ভাল লেগেছে,মানবী।ধন্যবাদ। ভাল থাকবেন। শুভেচ্ছা।

১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৬:১৪

মানবী বলেছেন: অবৈধ স্থাপনা হলে টুঁ শব্দ না করাই ভালো :-)
অবৈধ কাজ তো সবার জন্যই অবৈধ!


"দাড়াবে কি সবতো উম্মাদনায় অস্থির। এই বোমা মারে,এই জিএমবি সাজে,এই লালনের মূর্তি ভাঙ্গে..."
- ভালো বলেছেন। এদের ভাব দেখে মনে হয় এধরনের উন্মাদনা, আস্ফালনই যেন ইসলাম রক্ষা ও প্রতিষ্ঠার একমাত্র পথ। সত্যিকারের ইসলামের চর্চা, পালন থেকে এদের অবস্থান বহুদূরে।


জঙ্গীবাদীদের কিছু কিছু ইসলাম পরিপন্থী আচরন, ইসলাম বিদ্বেষীদের আচরনকেও হার মানায়।

মন্তব্যের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ আপনাকে।

২৭| ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৩:৪৬

কঁাকন বলেছেন: দেশে কিছু অস্থিরতা সৃষ্টি করে বোকা মানুষগুলোর দৃষ্টি অন্য দিকে সরিয়ে কি অপকর্ম এরা করতে যাচ্ছে, মহান সৃষ্টি কর্তা জানেন।।

২৮| ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৩:৪৭

তানজু রাহমান বলেছেন: আপু কি সুন্দর করে কথাগুলো লিখেছেন। একমত। কিন্তু এ কথা যে দেশের মানুষ কেন বুঝে না! কষ্ট লাগে।

২৯| ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৩:৫১

মিঞা ভাই বলেছেন: এটা কোন রাজনৈতিক চাল। সাধারন মানুষকে ডাইভার্ট করা হচ্ছে। এই রাজনীতি নিষিদ্ধ করা দরকার।

৩০| ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৪:১১

প্রবাস কন্ঠ বলেছেন: সুন্দর পোষ্ট +

৩১| ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৪:৪৫

বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: মানুষ বলেছেন: নির্বুদ্ধিতা পীড়া দেয়

৩২| ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৪:৫৮

এস্কিমো বলেছেন: ভাল বলছেন। যে দেশে পাঁচ ধারার শিক্ষা পদ্ধতি সমান্তরালে চলে সেই দেশের মানুষ একই ভাষায় কথা বললেও একজন আরেকজনের কথা বুঝে না। একজন বলে ভাস্কর্য আরকেজন বলে মুর্তি। কি আর করা।

ইসলামের নাম নিয়ে পানি ঘোলা করার ঘটনাতো নতুন নয়। একটা একধারার আধুনিক শিক্ষা পদ্ধতি চালু হলে আগামী শতকে হয়তো এই ধরনের ঘটনা থেকে দেশ মুক্ত হবে।

১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৬:৩১

মানবী বলেছেন: "একজন বলে ভাস্কর্য আরকেজন বলে মুর্তি। "

- এই পোস্টটিতে দুটোই উল্লেখ করা আছে, কারো যেন বুঝতে সমস্যা না হয় :-)


যারা পানি ঘোলা করার তারা একধারার শিক্ষা পদ্ধতি করলেও হয়তো জল ঘোলা করা বন্ধ করবেনা। এসব দেশে ঙিক মাদ্রাসা শিক্ষা না হলেও ক্যাথলিক স্কুল, জুয়িশ স্কুলের মাধ্যমে রক্ষণশীল ধর্মীয় শিক্ষার প্রচলন আছে, এমন কি ইসলামিক স্কুলও। সেসব থেকে তো জঙ্গীবাদ ছড়িয়ে পড়ছেনা। মাদ্রাসা শিক্ষাকে যারা জঙ্গীবাদের নোংরা থাবায় কলুষিত তাদের প্রতিরোধ করা সবচেয়ে জরুরী মনে হয়।

ছোট ছোট শিশু কিশোরদের পড়াশুনা, ধর্মশিক্ষা ছেড়ে ধ্বংসের খেলায় লেলিয়ে দিচ্ছে, এরা কিভাবে নিজেদের ইসলামের ধারক বাহক বলে!!!



আপনাকে ধন্যবাদ।

৩৩| ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৬:০৯

রাশেদ বলেছেন: সেটাই।

১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৬:৩২

মানবী বলেছেন: কোনটাই?

৩৪| ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৬:০৯

মানবী বলেছেন: কঁাকন, ধন্যবাদ সহমতের জন্য।


তানজু রাহমান, আমরাই তো দেশের মানুষ :-) আপনি, আমি, আমরা সবাই বুঝ।এ একদিন দেশের অধিকাংশ মানুষ বুঝবে ইনশাহ্আল্লাহ্ :)সহমতের জন্য ধন্যবাদ ভাইয়া।


মিঞা ভাই, ভালো বলেছেন, ধন্যবাদ আপনাকে।


প্রবাস কন্ঠ, ধন্যবাদ।


বিষাক্ত মানুষ, কার নির্বুদ্ধিতা? :-*



৩৫| ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৬:২০

মনজুরুল হক বলেছেন: @অমাবশ্যার চাঁদ।

সিরাতুন্নবী,শব-ই-বরাত,মিলাদ শরীফ,জিক্কির আশকান এর কোনটাই কুরআনে নির্দেশিত নয়। এখনো উপমহাদেশ এবং কিছু পূর্ব এশিয় দেশ ছাড়া কোথাও মিলাদ নেই।মিলাদ সংযোজন করা হয় ক্রসেডের সময়। ওয়াহাবী ডক্ট্রিনে মিলাদের অবস্থান নেই। খেয়াল করবেন জামাতীরা মিলাদ পড়ে না।

এ বিষয়ে সূত্র চাইলে পরে দেয়া যাবে।

৩৬| ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৯:২৫

অমাবশ্যার চাঁদ বলেছেন: @ মানবী "দেশে রাষ্ট্রীয় ভাবে "ঈদে মিলাদুন্নবী", "শবে বরাত" এর মতো কুপ্রথা ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের সাথে পালন করা হয়।"

এ অংশটুকুছাড়া আপনার পুরো লেখার সাথে একমত।

যেহেতু কুপ্রথা শব্দটি আপনি "ঈদে মিলাদুন্নবী" ও "শবে বরাত" এর ক্ষেত্রে ব্যবহার করেছেন তাই আপনার কাছে অনুরোধ আপনি কুরআন ও সহীহ্ হাদীসের আলোকে এটা প্রমাণ করবেন। অন্যথায় আপনার লেখা থেকে এ অংশটুকু প্রত্যাহার করে নিবেন প্লিজ।

আপনি লিখেছেন:
"অহেতুক তর্ক করতে আগ্রহী নই, দুঃখিত।"

তর্কটা আপনি সৃষ্টি করে এর দায়ভার এড়িয়ে যেতে পারেন না।



১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১০:৪২

মানবী বলেছেন: কুরআন হাদীসে যে দিবসের অস্তিত্ব নেই তেমন মন গড়া দিবসকে ইসলামের ভাব গাম্ভির্যের সাথে পালন সমর্থন করছেন অথচ কোন রেফারেন্স দিতে পারছেননা। বিতর্ক সৃষ্টির চেষ্টা করে আপনি নিজেই দায়িত্ব এড়িয়ে যাচ্ছেন।


হাদীস ও কুরআনের আলোকে এই বিদাতের ব্যাখ্যার অডিও লিংক জানাবর পর ও মনে হলো এড়িয়ে গেলাম, ভালো বলেছেন!!!! এই অডিওর বক্তা স্কলার আমার চেয়ে অনেক বেশি ধর্মীয় জ্ঞান রাখেন, তাঁর কথা আপনি মানতে না পারলে, আমার কিছু বলার নেই।

আর যারা মানুষের মনগড়া প্রথাকে ইসলাম ধর্মের অংশ বললে মনে করে, তাদের সাথে তর্ক করার আগ্রহবোধ করিনা।


মহান আল্লাহ্ আমাদের সকলকে হেদায়েত করুন।

৩৭| ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৯:৫৪

মাহমুদ রহমান বলেছেন: @ মানবী আপু, খুব সম্ভবত পোস্টে মাইনাস দেয়ায় আপনি একটু আহত হয়েছেন। মুর্তি সংস্কৃতির বিরুদ্ধে আমার অবস্থান বলে মাইনাস দিয়েছি।

আপনি পোস্টে যেসব বিষয় এনেছেন সবগুলির সংস্কারের সাথে আমি একমত, এরমধ্যে আবার ভাস্কর্য আমদানির বিষয় আনাটাকে ঠিক মনে হয়নি।

এগুলিকে (মুর্তি নির্মাণকে) আমার কেবল অর্থহীনই মনে হয় না, বিশৃংখলা সৃষ্টিরও নামান্তর। আমি বলতে চেয়েছি, এছাড়াও অনেক বিষয় রয়েছে যেখানে আমাদের মনোযোগ দেয়ার সুযোগ এবং প্রয়োজন রয়েছে যেগুলি মুর্তি নির্মানের মত অর্থহীন কাজের চেয়ে অনেক বেশি জরুরি।

১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১০:৪৭

মানবী বলেছেন: জ্বিনা, মাইনাসের জন্য মন খারাপ করিনি! মন খারাপ করলে সাতটি মাইনাস যারা দিয়েছেন তাদের নামগুলো জানিয়ে দিতাম, আমি সবারটাই লক্ষ্য করেছি :-)


আমি সেসময় খুব অল্প সময়ের জন্য এসেছিলাম, মন্তব্যগুলো পর পর আসছিলো, মনোযোগ দিয়ে পুরোপুরি না পড়ে প্রায় শুধু প্রথম লাইনটির ভিত্তিতে মন্তব্যটির জবাব দিয়েছিলাম। পরে আবার পড়ে মতপার্থক্যটি বুঝতে পেরে আগের জবাবটি প্রত্যাহার করেছি। :-)



মতভেদ থাকলে মাইনাস দিতেই পারেন, আপনি যে আপনার বক্তব্যটি জানিয়েছেন সেজন্য ধন্যবাদ।

৩৮| ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১০:০০

মাহমুদ রহমান বলেছেন: @অমাবস্যার চাঁদ, শবে বরাত এবং ঈদে মিলাদুন্নবী নামে কিছুই রাসুল এবং সাহাবীদের সময় উদযাপিত হয়নি এবং এধরনের কোন দিবসেরও অস্তিত্ব নেই ইসলামে। এটা কিভাবে আবিস্কার করা হলো, আবিস্কারকরায় কেবল বলতে পারেন।

# শবে বরাত - ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া (১ম কিস্তি) - আব্দুর রহমান রাযীন

৩৯| ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১০:০৬

অচেনা সৈকত বলেছেন: অমাবশ্যার চাঁদ@"ঈদে মিলাদুন্নবী", "শবে বরাত" কে অনেক ইসলামী চিন্তাবিদ বিদআত বলে অভিহিত করেছেন।যদিও এটা নিশ্চয়ই এই পোস্টের উদ্দেশ্য না।
মানবী@আপনার পোস্টের সাথে সহমত।দেশে ব্যাঙের ছাতার মত মাদ্রাসা বানিয়েছে সরকার নিজেই।এখন মাদ্রাসাগুলোর কূপমন্ডুক শিক্ষাব্যবস্হার ফসল ফ্রাংকেনস্টাইনের দানব হয়ে সমাজকে গ্রাস করতে উদ্যত।মাদ্রাসা বন্ধ করতে বলব না, কিন্তু শিক্ষার নামে যখন ধর্মান্ধ একদল দাবার ঘুঁটি তৈরী করা হয় তখন আপত্তি আছে বৈকি।আর দেশটাকে সেকুলারিজম থেকে ফ্যানাটিসিজমের দিকে নিয়ে যেতে একদল লোক সর্বদাই সচেষ্ট।আমি-আপনি যদি আজই রুখে না দাঁড়াই তাহলে পরবর্তী প্রজন্মের জন্য আমরা উপহার দিব মধ্যযুগীয় এক দেশ, ধর্মই যেখানে অধর্মের হাতিয়ার।

৪০| ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১০:২৪

অমাবশ্যার চাঁদ বলেছেন: মাহমুদ রহমান আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

৪১| ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১০:২৮

মাহমুদ রহমান বলেছেন: @ অমাবশ্যার চাঁদ, আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ।

৪২| ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১০:৪৯

রাফা বলেছেন: আমি আপনার সাথে সম্পূর্ণ একমত।পোষ্টটি প্রিয়তে রাখলাম।

@আমাবশ্যার চাদ ,অনুগ্রহ পুর্বক বলবেন কি শবে বরাত যদি এতই মহিমান্নিত রাত হতো তাহলে এটা সম্পর্কে পাক-কোরআনে একটি শব্দও নাই কেনো ? অথচ শবে মেরাজের পুরো বর্ণনাই কিন্তু কোরআন শরিফে রয়েছে।

৪৩| ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১০:৫২

মানবী বলেছেন: মনজুরুল হক, ধন্যবাদ আপনাকে।


অচেনা সৈকত, সহমতের জন্য অনেক ধন্যবাদ।


রাফা, পোস্টের সাথে পূর্ণ সহমতের জন্য ধন্যবাদ।

৪৪| ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১০:৫২

মাহবুব সুমন বলেছেন: আপনার সাহসী কথা ও স্পষ্ট চিন্তা ভাল লেগেছে,মানবী।ধন্যবাদ। ভাল থাকবেন। শুভেচ্ছা।

৪৫| ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১১:০৮

রাজর্ষী বলেছেন: একমত

৪৬| ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১১:১৭

আইরিন সুলতানা বলেছেন: মৌলবাদীরা হুমকি দিল, ডেডলাইন দিল, আর ওমনি সরকার সুরসুর করে মূর্তি বানানোর কাজ বন্ধ করে দিল !!!!!! এটা খুব অবাক লাগে.... আরো অবাক লাগে বাকী দলগুলো এর বিপক্ষে উচ্চবাচ্য তেমন করছে না .....এমনকি আমাদের সুশীল সমাজ , সংস্কৃতি প্রেমীরা, যারা একটু বিদেশী চ্যানেল দেখলেই এখনকার প্রজন্মকে নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েন তারাও কেমন যেন মরা মরা এরকম একটা স্পর্শকাতর বিষয়ে...!!!!!

৪৭| ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১১:৪৭

চিটি (হামিদা রহমান) বলেছেন: আপনার সাথে সহমত। একটা বিষয় পেলে সেটা নিয়ে তুলকালাম করা আমাদের স্বভাব। দেশের মানুষের পেঠে খাবার নেই সে দিকে খেয়াল নেই..............
চমৎকার একটা বিষয় তুলে ধরার জন বিনীত ধন্যবাদ জানাই।

৪৮| ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:৫৪

সীমান্ত আহমেদ বলেছেন: অনেক দিন পর ব্লগে আসলাম।
দেশে এত কিছু হইতেসে দেশে থেকেও টের পাচ্ছি না।
আপনার কথাগুলো ভালো লাগলো।
পোস্টে প্লাস।

১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১১:০৮

মানবী বলেছেন: ভাইয়া আপনি যে সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন সেই শোকের তুলনায় এসব বিষয় নিতান্তই তুচ্ছ। এমন একটি সময় এসব টের না পাওয়াটাই স্বাভাবিক।

পোস্ট পড়ে ভালো লেগেছে জেনে ভালো লাগলো, ধন্যবাদ আপনাকে।


আপনার মা'র আত্মার শান্তি কামনা করছি। আপনি ভালো থাকুন ভাইয়া।

৪৯| ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১১:০৫

মানবী বলেছেন: মাহবুব সুমন, ধন্যবাদ। আপনার জন্যও শুভেচ্ছা।


রাজর্ষী, সহমতের জন্য ধন্যবাদ।


আইরিন সুলতানা, ভালো বলেছেন। ধন্যবাদ।


চিটি (হামিদা আখতার), আপনার ধন্যবাদ বিনয়ের সাথে গ্রহন করা হলো:-)
দেশের মানুষের পেটে খাবার নেই, এসব নিয়ে এরা চিন্তা ভাবনা করলে দেশ জুড়ে অস্থিরতা আর উন্মাদনা করবে কারা!! ধন্যবাদ আপনাকে।

৫০| ২১ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১০:৪৯

রোবোট বলেছেন: আপনার পোস্টে একটা অটো+ এর ব্যবস্থা করা যায় না? মডুদের বলতে হবে।

২২ শে অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৬:০৯

মানবী বলেছেন: :)



পোস্টটি পড়ার ও মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ :-)

৫১| ২২ শে অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৬:২৫

হাইগ্যানী হাবাজন ব্যবিলন বলেছেন: আমার আরো প্রশ্ন জাগরিত হয়, যাহারা এই আন্দোলনকে ইগনাইট করিয়াছেন, যাহারা 'দেশের সকল মূর্তি' ভাঙিয়া ফেলার জোশীয়ান আওয়াজ তোলেন তাহাদের বগলে যে পাসপোর্টখানা আছে সেইটা কীরূপ? তাহাদের কয়েকজন আবার আটলান্টিকের এস্পার-ওস্পার করিয়াছেন। শুনিয়াছি ঐসব দেশে তশরিফ আনিতে হইলে এক বিশেষ ধরনের ছবি (ওরফে প্রতিকৃতি ওরফে মূর্তি ওরফে ভাস্কর্য) তুলিতে হয়। উহাতে মুমিনের আভ্রু খুলিয়া যাইবার সমূহ সম্ভাবনা থাকিয়া যায়। এই কল্পে বিমানবন্দর হইতে ভাস্কর্য হটাইয়া দেওয়া ইসলামী জোশীয়ান নেতাগণ কীরূপে নিজেদের অবস্থান জাস্টিফাই করিয়াছেন?

ইহা বাদ দিলাম নাহয়। মুদ্রার ব্যাপারে আসা যাক। আমেরিকান ডলার, বৃটিশ পাউন্ড স্টার্লিং, সৌদী রিয়েল কিংবা ইয়োরোপের ইউরো সহ অনেক দেশের কারেন্সী নোটেই মনুষ্য অথবা নিদেন পক্ষে একটি প্রানীর প্রতিকৃতি বিদ্যমান। এমতাবস্থায় এই রকম নন-ইসলামী নোট বহন করা কীরূপে জায়েজ হইয়া যায় তাহাদের তরে? (বাংলাদেশের টাকা গোণায় ধরিলাম না, বাংলাদেশ তো হিন্দুয়ানী দেশ।) কিন্তু বৈদেশ হইতে যে সাহায্য আসে, তাহা তো ঐ নাজায়েজ ডলার-পাউন্ড-রিয়েল-ইউরোর বরকতেই আসে! তাহা হইলে ঐখানে ধর্ম-কর্ম রক্ষা হয় কীরূপে?

আর হাজী সাহেবরা তো আর মহান সৌদী আরবে পদার্পন করিয়া বাংলা টাকায় ঐখানে খোর্মা কিনিতে পারিবেন না। তাহাদেরকে তো বাদশাহের প্রতিকৃতিযুক্ত রিয়েলই পকেটে নিয়া ঘুরিতে হইবে! তখন ইসলাম যাইবে না? নাকি সৌদী বাদশাহ'র প্রতিকৃতি সম্বলিত বলিয়া রিয়েলকে সকাল বিকাল কপালে-চোখে-ঠোটে ছোঁয়াইয়া সযতনে রাখিতে হইবে?

এয়ারপোর্টের সন্মুখে বাংলার বাউল ঐতিহ্যের সহিত আগন্তুককে পরিচয় করাইয়া দিবার নিমিত্তে যদি একখানা "খাঁচার ভেতর অচিন পাখি" স্থাপন করা হয় তাহা হইলেই কেবল উহাদের জাত গেলো জাত গেলো বলে রব উঠিয়া যায়। ক্ষমতার অন্ধলোভে তাহারা এইটাও ভুলিয়া যায় যে তাহারা যে ধর্মের কথা বলিতে চাহিতেছে পরিণামে তাহারা সেই ধর্মকে ধর্ষণ করিতেছে। তাহাদের সেমি সমর্থক, প্রায় সমর্থক ও পাতি সমর্থকেরাও দলীয় শীর্ষস্থানীয় পিতাদের অন্ধঅনুকরণে নিজের বিবেকবোধকেও ছাপাইয়া যায়।

ইহা ত কাম্য নহে। ইহা কোন মতেই কাম্য নহে।

২৩ শে অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৫:২৬

মানবী বলেছেন: "আর হাজী সাহেবরা তো আর মহান সৌদী আরবে পদার্পন করিয়া বাংলা টাকায় ঐখানে খোর্মা কিনিতে পারিবেন না। তাহাদেরকে তো বাদশাহের প্রতিকৃতিযুক্ত রিয়েলই পকেটে নিয়া ঘুরিতে হইবে! তখন ইসলাম যাইবে না?"

- যাঁরা হজ্জে যান তাঁরা এমন উদ্ভট বিষয় নিয়ে আদৌ কোন আপত্তি তুলেছেন বা তুলবেন বলে মনে হয়না, নিতান্তই এসব কাঠমোল্লাদের দু একজন তাদের আন্তর্ভুক্ত হলে হয়তো কিছু বলতে পারে।
বাংলাদেশের হজ্জযাত্রীদের হাজারো ভোগান্তি, তাঁরা সেসব সমস্যায় জর্জরিত, লালনের ভাস্কর্য নিয়ে তামাশা করার মতো মানসিকতা তাঁদের থাকেনা বলেই মনে হয়।

আমাদের দেশে ইসলাম ধর্মের অপব্যবহারকারী ফায়দাবাজরা কখনো সেসব সমস্যার সমাধান বা ভোগান্তির দূর করার ব্যাপারে আগ্রহী নয়। অপ্রয়োজনীয় উদ্ভট সব দেশে অস্থিরতা ও উন্মাদনা সৃষ্টি করাটাই তাদের প্রধান কাজ বলে মনে হয়।


বিমান বন্দরের সামনে লালনের ভাস্কর্য আমার কাছেও বাংলাদেশের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির একটি নিদর্শন মাত্র মনে হয়েছে, কোন ভক্তি শ্রদ্ধা বা কারো প্রতি সন্মান জানিয়ে অর্ঘ্যদান মনে হয়নি। যে নিদশর্নটি নিতান্তই পথের ধুলোবালির মাঝে পড়ে থাকবে, তাতে কাক পক্ষী জনমানুষের আবর্জনাও হয়তো সময়ের সাথে সাথে জমবে, তা "পূজার উদ্দেশ্যে নির্মিত" এমন ভাবনা কারো মনে কিভাবে আসতে পারে বোধগম্য নয়!!!


ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।

৫২| ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১:০২

তানজিলা হক বলেছেন: আপা কেমন আছেন?

৫৩| ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৯:১১

দূরন্ত বলেছেন: আজ হঠাৎ লালনের ভাস্কর্যের উপর এমন হামলার পিছনে কোন রাজনৈতিক উদ্দেশ্য আছে বলে নিশ্চিত।
একমত।

৫৪| ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৯:৫৩

েজবীন বলেছেন: ভোটের সময় নির্দিষ্ট গোষ্ঠিদের দৃষ্টি আকর্ষনের জন্যই বোধকরি এই হঠাৎ ধর্মভাব জেগে উঠেছে.........

৫৫| ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১১:১৩

মানবী বলেছেন: তানজিলা হক, আল্লাহ্'র রহমতে ভালো আছি। ধন্যবাদ। আপনি ভালো আছেন আশা করি।


দূরন্ত, সহমতের জন্য ধন্যবাদ।


েজবীন, ভালো বলেছেন। ইসলাম ধর্মের প্রতি এদের নুন্যতম শ্রদ্ধাবোধ আছে বলে মনে হয়না, আজ জানলাম হাজ্জিক্যাম্পে গিয়ে সভা সমাবেশ করেছে!!ব কতোখানি ধৃষ্টতা হলে ধর্মের ধুয়োতুলে এমন নীচু মানসিকতার পরিচয় দিতে পারে!!
ধন্যবাদ আপনাকে।


৫৬| ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১১:৩৬

মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: চমৎকার লিখেছেন , সেদিনই পড়েছি ।

জানিনা কেন এমন হয় , আপনি আমার মনের কথাগুলোই লিখে ফেলেন

৫৭| ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১১:৫১

হমপগ্র বলেছেন: মানবী,

নানা কারণে আপনি এই ব্লগের একজন সোচ্চার মানবতা কর্মী। অন্তত আমি মনে করি। এবং আপনার সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে উতসরিত এই লেখাকে আমি স্বাগত জানাই।

কিন্তু এখানে একটা দ্বিমত আছে। আমি এইটাকে কোন রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরীর ক্ষেত্র হিসেবে দেখতে চাই না। আমরা এইসব ঘটনাকে বার বার রাজনৈতিক অস্থিরতা বলে চোখ হাত দিয়ে ঢেকে ফেলছি। রাজনৈতিক অস্থিরতা মানে কী? দুইদিন পর ইলেকশন হয়ে গেলে তা শেষ হয়ে যাবে!

কিন্তু এই সমস্যা দুইদিন পর আবছে মিলিয়ে যাবার নয়। চোখে হাত দিয়ে বললে হবে না আমি কিছুই দেখি নাই। এ টা কিসের আলামত আপনাকে বুঝতে হবে। এটা রাজনৈতিক ঘটনা নয়, এটা বিচ্ছিন্নতাবাদীদের ঘটনা।

আমাদের দেশে অবাধ ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন করতে দেওয়ার কুফল এটা। ওয়াজ মাহফিল থেকে শুরু করে যাবতীয় ধর্মীয় অনুষ্ঠানে মাদ্রাসার ছাত্র তথাপি ভালো মনের মানুষকে এই ছবক দেওয়া হয় যে মূর্তি নির্মাণ হারাম। এইসব উপর দিয়ে আর বন্ধ করা যাবে না। যা হবার তাই হয়ে গেছে।

দেখেন আর দুই বছর পর একুশে ফেব্রুয়ারীতে ফুল দেওয়া নিষেধ করে দেবে সরকার। ব্যাপারটিকে অনৈসলামিক বলে আখ্যা দেওয়া হয়েছে অনেক ওয়াজ মাহফিলে। এখন আপনি বলুন ব্যাপারটা কতটা গুরুতর!

২৬ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১:৫৭

মানবী বলেছেন: আমার মতো একজন অতি সাধারন ব্লগার, আপনার দৃষ্টিতে "সোচ্চার মানবতা কর্মী" জেনে ভালো লাগলো ধন্যবাদ।


"আমরা এইসব ঘটনাকে বার বার রাজনৈতিক অস্থিরতা বলে চোখ হাত দিয়ে ঢেকে ফেলছি। রাজনৈতিক অস্থিরতা মানে কী? দুইদিন পর ইলেকশন হয়ে গেলে তা শেষ হয়ে যাবে!
কিন্তু এই সমস্যা দুইদিন পর আবছে মিলিয়ে যাবার নয়। চোখে হাত দিয়ে বললে হবে না আমি কিছুই দেখি নাই। এ টা কিসের আলামত আপনাকে বুঝতে হবে। এটা রাজনৈতিক ঘটনা নয়, এটা বিচ্ছিন্নতাবাদীদের ঘটনা।"

- আমার মন হয়না বিচ্ছিনন্নতাবাদীদের ঘটনা। আর, উদ্দেশ্যমূলক ভাবে রাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টির জন্য এসব ভন্ডদের আস্ফালন সম্পর্কে দেশের মানুষ সত্যিকার অর্থে সচেতন হলে, ইলেকশনের পর ভুলে যাবার কোন কারন নেই।



"দেখেন আর দুই বছর পর একুশে ফেব্রুয়ারীতে ফুল দেওয়া নিষেধ করে দেবে সরকার।"

- আমার মনে হয়না দু বছর পর এমন কিছু ঘটবে। প্রথমত এই সরকার দুবছর ক্ষমতায় থাকবেনা। আর যেই ক্ষমতায় আসুক, এসব ভন্ডদের তারা একটি নির্দিষ্ট সীমা পর্যন্ত আস্কারা দেয় বলে মনে হয়, না হলে গত ৩৭ বছরে অনেক কিছুই ঘটে যেতে পারতো। শহীদমিনারে ফুল দেয়া/না দেয়া নিয়ে অতীতে অনেক বিতর্ক হয়েছে, তাতে কিন্তু কোন কিছু এসে যায়নি।

বর্তমানে বাংলাদেশ কে বিপকে ফেলার জন্য একদল কুলাঙ্গার সবচেয়ে ঘৃণ্য যে অপবাদটি দেবার চেষ্টা করছে তা হলো, "বাংলাদেশ কে একটি সন্ত্রাসী রাষ্ট্র হিসেবে প্রমান করা"।। এতো বছর পর হঠাৎ ভাস্কর্য/মূর্তি নিয়ে আস্ফালন সেসব ষড়যন্ত্রকে প্রশ্রয় দেবার ঘৃণ্য প্রচেষ্টা মনে হয়।(আমার ধারনা ভুল ও হতে পারে)।।

৫৮| ২৬ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ২:০৩

নিহন বলেছেন: কিছু বলার নেই আপু ,,,,,,,,,,,,,

৫৯| ২৬ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ২:০৯

নোবেলজয়ী বলেছেন: ভন্ড হুজুর দের "বিপ" কে "বিপ"

আপনাকে ১০০+

৬০| ২৬ শে অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৬:০৫

তাত্ত্বিক বলেছেন:
কথা সত্য আপু।
+

আমরা স্বার্থের তাগিদে বিন্দু কে সিন্ধু বানাই - আর তাল কে করি তিল।

এ আমাদের রক্তে মিশে গেছে মানবী আপু।

একটি ভাস্কর্যকে শিল্পের আঙ্গিনায় স্থির না রেখে এ শতাব্দীতে এসেও গোঁড়ামির সাথে একে মিলিয়ে সহজ ভাবে গ্রহন করতে না পারা টা আমাদের ব্যর্থতা বলেই মেনে নিলাম।


ধর্ম নিয়ে আমাদের অল্প বিদ্যা আমাদের করে রাখে দ্বিধান্বিত আর কখনো বা সংকুচিত।

দোওয়া করি সবাই জ্ঞানের আলোয় উদ্ভাসিত হই।
সাধুবাদ জানাই আপনার সত্য ভাষনে।

ভাল থাকুন- এই কামনায়।

২৬ শে অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১:৫৪

মানবী বলেছেন: পোস্টের বক্ত্যের সাথে সহমেত জন্য ধন্যবাদ।


"আমরা স্বার্থের তাগিদে বিন্দু কে সিন্ধু বানাই - আর তাল কে করি তিল।"
- ভালো বলেছেন। ধর্ম নিয়ে অল্প বিদ্যা অথবা শূণ্যবিদ্যা সম্পন্নরাই ধর্মের নাম ভাঙ্গিয়ে এধরনের উন্মাদনার সৃষ্টি করে বলে মনে হয়।


আপনিও ভালো থাকুন ভাইয়া।

৬১| ২৬ শে অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১:৫২

মানবী বলেছেন: মেহরাব শাহরিয়ার, পোস্টের বক্তব্য আপনার মনের কথা জেনে ভালো লাগলো :-)
ধন্যবাদ ভাইয়া।


নিহন, পড়ার জন্য ধন্যবাদ :-)



নোবেলজয়ী, "বিপ"??? :-* :-* :-*
আচ্ছা, সেটা ভন্ড হুজুরদের সমস্যা!
১০০ টা + এর জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।

৬২| ২৬ শে অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৩৬

সাংবাদিক বলেছেন: মানবী ভাই, এখন প্রকৃত মুসলমানের চেয়ে,,,, ইসলাম ব্যবসায়ীদের প্রাধান্যতা দেখা যাচ্ছে বেশি...............তাদের বয়কট করা কি উচিত নয়?
...................................................................................
‌'সাংবাদিক' - মুক্ত মনের প্রতিচ্ছবি

হাটি হাটি পা করে পথ চলতে শুরু করেছে নতুন গ্রুপ 'সাংবাদিক' এর। সুচিন্তিত মতামত প্রকাশকারী ব্লগারদের এই গ্রুপে স্বাগতম জানাই। আমাদের ডাকে সাড়া দিয়ে যরা ঐকবদ্ধ্য হয়েছে, তাদের জানাই অভিনন্দন ও ধন্যবাদ আমাদের সাথে থাকার জন্য। সত্যের পক্ষে অন্যায়ের বিরুদ্ধে কলম চালাতে আমরা দ্বিধাবোধ করি না। আমরা যা দেখি তাই লেখি কারণ আমাদের চোখ সবসময় প্রস্তুত সত্য উদঘাটনে আর আমাদের হাত সব সময় প্রস্তুত সত্য প্রকাশে। তো আর দেরী কেন? যদি হোন সাহসী সাংবাদিক, লেখক কিংবা সমমনা ব্যক্তি, তবে এক্ষুণিই ঐক্যবদ্ধ হোন আমাদের সাথে। সদস্যপদ গ্রহণ করুন আমরা তো আছিই আপনার সাথে। আর হ্যাঁ, আরেকটি শুভ সংবাদ হচ্ছে শীঘ্রই আত্মপ্রকাশ পাচ্ছে আন্তর্জাতিক মানের নিউজ পোভাইডার সার্ভিস ইউকে বিডি নিউজ। ইতিমধ্যে এই কার্যক্রমে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা বাংলাদেশী সাংবাদিকরা। এ ব্যাপারে আপনার মূল্যবান মন্তব্য ও পরামশ আমাদের কাম্য। আমাদের কাছে মেইল করুন : [email protected]
শুভ হোক আপনাদের প্রতিটি ক্ষণ।
সাংবাদিক গ্রুপের জন্য ক্লিক করুন : http://www.somewhereinblog.net/group/Sangbadik

৬৩| ২৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১:০১

উত্তরাধিকার বলেছেন:
অনেকদিন পর এলাম।

এসে আপনার বাড়ী যথারীতি চমৎকার একটা লেখা পড়লাম।

ধন্যবাদ আপনাকে।

সত্যিকার ধর্ম - জ্ঞানের আলোয় আলোকিত।
আমাদের সে আলোর প্তহ চিনে নিতে হয়।
সে পথ পাড়ি দিয়ে চাই একাগ্রতা এবং উন্মুক্ত মন।

অনেক শুভ কামনা রইলো।

২৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৮:৫৩

মানবী বলেছেন: অনেক দিন পর এসে আমার ব্লগ ভিজিট করেছেন জেনে ভালো লাগলো, ধন্যবাদ :-)

শীঘ্রই আপনার নতুন কবিতা পোস্ট করবেন আশা করি, ভালো থাকুন।।

৬৪| ৩১ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১:১৮

কালপুরুষ বলেছেন: পোস্টটা চোখ এড়িয়ে গেছে। পড়বো সময় করে। আপনি কেমন আছেন? বেশ কিছুদিন ব্লগে অনুপস্থিত। শরীর, মন ভালোতো? ভাল থাকুন।

৩১ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১:৩৬

মানবী বলেছেন: অতি অতি সাধারন মানের এই পোস্ট, চোখ এড়িয়ে যাওয়াটাই স্বাভাবিক :-)
ব্লগে অনুপস্থিত নই বোধহয়, গত কিছুদিনে প্রায় প্রতিদিন নিয়মিত বলা যায় :)

আল্লাহ্'র রহমতে ভালো আছি, খোঁজ নেবার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ। আপনি ভালো আছেন আশা করি।

ভালো থাকুন।

৬৫| ৩১ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৯:৩১

আবু সালেহ বলেছেন:
আপনার যুক্তিগুলো ভালো লেগেছে....

তবে আমার কথা হলো....একটা মুসলিম প্রধান দেশে (যদিও খাটি মুসলমানের সংখ্যা নগন্য) যে জিনিস বিতর্ক সৃষ্টি করবে তা কেন করা হলো আর কারাই বা করলো....এমন একটা স্থানে যার পাশে হাজি ক্যাম্প রয়েছে.....

আর এই মূর্তি যা আমাদের কোন কল্যানে আসে না তা করেই বা কি লাভ....

আমি ১০০ % নিশ্চিত লালনের সম্মানে এই ভাস্কর্য যদি অন্য কোথাও করা হতো তা হলে এ ধরনের কোন পরিস্থিতি সৃষ্টি হতো না.....


এটা উদ্দ্যেশ্যমূলক....

৩১ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৯:৪৩

মানবী বলেছেন: "একটা মুসলিম প্রধান দেশে(যদিও খাটি মুসলমানের সংখ্যা নগন্য)" মিলাদ, শবে ই বরাত, ঈদেমিলাদুন্নবীর মতো (যা শুধু বিতর্ককিত নয় বরং মুসলিম বিশ্বের অধিকাংশ দেশে বর্জনীয়) কুপ্রথা বছরের পর বছররাষ্ট্রীয় ভাবে পালন করা হয়। সেখানে একটি ভাস্কর্য স্থাপন হঠাৎ বড় হয়ে দেখা দিলো কেন বোধগম্য নয়।


হাজি ক্যাম্পের পাশে নাচ গানের আসর বসানো হলে নিন্দনীয় হতো, ভাস্কর্য স্থাপন যা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সামনে স্থাপিত- তা কোন ভাবে অযৌক্তিক মনে হচ্ছেনা!!



হাজীরা যেসব বিমানে হজ্জ যাত্রা করেন, সেখানে কিন্তু ভাস্কর্যের চেয়েও আপত্তিকর দৃশ্য দেখতে হয় অনেক সময়, সেসবকেও কি উদ্দেশ্যমুলক বলবেন?

উন্মাদনা করতে চাইলে যে কোন কিছুকেই হয়তো যুক্তি বলে চালিয়ে দেয়া যায়।

পড়ার জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।

৬৬| ৩১ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৯:৫৭

আবু সালেহ বলেছেন:
"হাজি ক্যাম্পের পাশে নাচ গানের আসর বসানো হলে নিন্দনীয় হতো, ভাস্কর্য স্থাপন যা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সামনে স্থাপিত- তা কোন ভাবে অযৌক্তিক মনে হচ্ছেনা!!"

আপনার কাছে অযৌক্তিক মনে হচ্ছে না.....!!! কথা শুনে একটু অবাকই লাগলো....


"উন্মাদনা করতে চাইলে যে কোন কিছুকেই হয়তো যুক্তি বলে চালিয়ে দেয়া যায়।"

আপনার এই কথার সাথে ১০০% সহমত ...কারন এর ফলাফল বছর দুয়েক আগ থেকেই আমরা দেখছি....আর এটা এ দেশের মানুষের রক্তে ঢুকে গেছে.....

সে যাক সবার মতের মিল থাকেনা ... আপনার উপরের কোট করা উক্তির সাথে আমার মতের মিলবে না.....

তাই এই পযন্তই....থেমে গেলাম....

গঠনমূলক মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ....

৬৭| ৩১ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১০:০৫

মানবী বলেছেন: :)




বাংলাদেশ ও ইসলাম ধর্ম, এই দুই বিষয়ে আমি প্রচন্ড সংবেদনশীল!! কেউ এই দুয়ের কোন একটিকে আঘাত করতে চাইলে বা আঘাত করে কথা বললে আমি তা মনে প্রাণে ঘৃণা করি। সেই অবস্থান থেকেই আবারো বলছি, আমার কাছে লালনের ভাস্কর্য স্থাপন কোন ভাবে ইসলামধর্ম কে হেয় করার উদ্দেশ্যে মনে হয়নি।


ধন্যবাদ আপনাকেও। ভালো থাকুন :-)

৬৮| ৩১ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১০:০৯

আবু সালেহ বলেছেন:
"বাংলাদেশ ও ইসলাম ধর্ম, এই দুই বিষয়ে আমি প্রচন্ড সংবেদনশীল!! কেউ এই দুয়ের কোন একটিকে আঘাত করতে চাইলে বা আঘাত করে কথা বললে আমি তা মনে প্রাণে ঘৃণা করি।"

শুনে খুশি হলাম.....

আপনিও ভালো থাকুন.....

৬৯| ০১ লা নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:৫৮

চিটি (হামিদা রহমান) বলেছেন: কেমন আছেন? ম্যালা দিন পর আপনাকে দেখলাম।
ভালো থাকুন।

০১ লা নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:০০

মানবী বলেছেন: আল্লাহ্'র রহমতে ভালো আছি, ধন্যবাদ আপু।
আপনি কেমন আছেন? আমি গতকিছু দিন ব্লগে বেশ নিয়মিত :-)

৭০| ০২ রা নভেম্বর, ২০০৮ রাত ২:১৯

চিকনমিয়া বলেছেন: আফা কেমন আছেন?

০২ রা নভেম্বর, ২০০৮ রাত ২:৩৫

মানবী বলেছেন: আল্লাহ্'র রহমতে ভালো আছি ভাইয়া, ধন্যবাদ।
আপনি কেমন আছেন?

৭১| ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:৪২

মুনীর উদ্দীন শামীম বলেছেন: ভাল লাগলো................সহমত পোস্টের সাথে

৭২| ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:০৪

ফেরারী পাখি বলেছেন: ধন্যবাদ চমৎকার পোষ্টের জন্য।

আমার কাছে একটা বিষয অদ্ভূত লাগে, ইসলামিক জীবন যাপনের জন্য যারা জান দিয়ে দিচ্ছে!? বা জান নিয়ে নিচ্ছে তাদের কি সুস্থ জীবন যাপনের জন্য আর কাজ নেই?

আর কোনই কাজ নেই? আর কোনই কাজ নেই? আসলে এই সব অরাজকতা বা অস্থিরতা তৈরী করে ওদের কি লাভ হচ্ছে?

এসব করে ওরা আসলে কি চায়? খুব জানতে ইচ্ছা করে। ক্ষমতায় যাবার লোভ তো ক্ষমতায় যা,
একটা নিরীহ মূর্তি?! (ভাস্কর্য) নিয়ে মারামারি, আসলে মূর্তি ওদের লক্ষ্য ? না মানুষের খন্ডিত মস্তিষ্ক ওদের পছন্দের বিষয়, সেটাই ভাববার বিষয়।
লেখাটা অনেক এলোমেলো এবং খুব না ভেবে নিজের আবেগের প্রকাশ করলাম।

৭৩| ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:১৮

মানবী বলেছেন: মুনীর উদ্দীন শামীম, সহমতের জন্য ধন্যবাদ।


ফেরারী পাখি, "ইসলামিক জীবন যাপনের জন্য" এদের কাউকে জান দিতে দেখিনা বরং মগজধোলাইকৃত এই কৃতদাসরা তাদের রাজনৈতিক প্রভুদের ক্ষুদ্র স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য পথে নেমে উন্মাদনা আর ধ্বংসযজ্ঞে মেতে উঠে, ক্ষমতালোভীদের এসব কৃতদাসরা নিজেদের মাঝে মারামারি করে নিহত হয় আর কি অদ্ভুত ভাবে তাদের সঙ্গীরা তাদের "শহীদ" বলে অভিহিত করে!!

ইসলামের প্রতি নুন্যতম সন্মানবোধ থাকলে এসব স্বার্থন্বেষী লড়াইয়ে মৃত ব্যক্তিদের কেউ শহীদ বলতে পারে বলে মনে হয়না। রাজনৈতিক প্রভুদের নির্দেশে এদের কাছে ইসলামের ব্যাখ্যা, অর্থও বিকৃত ভিন্ন রূপ নেয়।

মন্তব্যটি এলোমেলোমনে হয়নিতো, আবেগের প্রকাশ স্পষ্ট হয়েছে :-)
ধন্যবাদ আপনাকে।

৭৪| ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:৫১

সরকার মারুফ বলেছেন: ইসলামের অনেক মৌলিক ধারণা সম্পর্কে আপনার স্বচ্ছ ধারণা দেখে খুব ভালো লাগল। আমার মতে দু'টি কারণে লালনের মূর্তি বানানোর কোনো প্রয়োজন নেই। প্রথমত, মূর্তি বানানো ইসলামের দৃষ্টিতে বৈধ নয়। রাসুল (সা.) বলেছেন, আমি মূর্তি ভাঙার জন্যেই প্রেরিত হয়েছি। সুতরাং, মুসলিম প্রধান দেশ হিসেবে এখানে ইসলামের ধারণার বড় রকমের গুরুত্ব রয়েছে।

দ্বিতীয়ত, মূর্তি বানানোর চাইতে অনেক প্রয়োজনীয় কাজ পড়ে আছে, যেদিকে সরকারের কোনো দৃষ্টি নেই। মূর্তি বানালে দেশের মানুষের ভাগ্য উন্নয়নের কোনো অগ্রগতি হয় কি?

সব মিলিয়ে, আমাদের মতো দরিদ্র একটি দেশের পক্ষে সৌন্দর্য্য বর্ধনের নামে মুসলিম চেতনার পরিপন্থী কোনো উদ্যোগ গ্রহণ না করাই ভালো। ধর্মীয় নেতারা কী করছে না করছে, তার অঙ্কপাত না করাই শ্রেয় এ ব্যাপারে।

০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৩৮

মানবী বলেছেন: "ইসলামের অনেক মৌলিক ধারণা সম্পর্কে আপনার স্বচ্ছ ধারণা দেখে খুব ভালো লাগল। "
- খুব ভালো লাগায় মাইনাস দিয়েছেন? :)


"প্রথমত, মূর্তি বানানো ইসলামের দৃষ্টিতে বৈধ নয়। রাসুল (সা.) বলেছেন, আমি মূর্তি ভাঙার জন্যেই প্রেরিত হয়েছি।"

- সত্যকথা তবে রাসুল(সঃ) কোন মূর্তির কথা বলেছেন তা কি আমরা জেনেও না জানার ভান করতে পারি? যেসব মূর্তিকে স্রষ্টার শরিক করা হয়েছিলো, আল্লাহ্'র একাত্ববাদ ভুলে যেসকল মূর্তির উপাসনা করা হতো, সেসব মূর্তির কথাই তিনি বলেননি কি?

এটা সত্য যেকোন "মূর্তি বানানো" ইসলামধর্ম অনুৎসাহিত করে, তবে শিরককে কি তারচেয়ে বেশি অনুৎসাহিত এবং ঘৃণা করেনা? যে ভাস্কর্যটি পথের ধুলোয় নিতান্ত অবহেলায় পড়ে থাকবে, যেখানে সময়ের সথে হয়তো পশু পাখি আর মানুষের আবর্জনার স্তুপ জমে উঠতো- ইসলামের দোহাই দিয়ে সেই ভাস্কর্যটি নিয়ে আস্ফালন আর উন্মাদনার আগে এসব(!!)ইসলাম প্রেমীদের কি উচিৎ নয় পীর পূজা, মাজার পূজার মতো শিরকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেয়া? একটি মুসলিম প্রধান দেশে শিরকের মতো সেসব কুপ্রথাকে নির্মুল করা?

আমাদের মতো দরিদ্র একটি দেশে যেখানে পথে ঘাটে অগুনিত অভুক্ত মানুষ, তাঁদের উপেক্ষা করে হাজার হাজার, লাখ লাখ টাকা খরচ করে প্যান্ডেল আর স্টেক সাজিয়ে আড়ম্বরপূর্ণ মিটিং আর ওয়াজ মাহফিলের আয়োজন কি 'মুসলিম চেতনার পরিপন্থী" নয়???

৭৫| ২৫ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:১২

|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন: প্রিয়তে।

৭৬| ২৮ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ২:২৩

রাঙা মীয়া বলেছেন: প্রিয় মানবী, আপনার সার্বিক সচেতনতা ও বলিষ্ঠ বক্তব্যের একজন গুনমুগ্ধ হয়ে গেলাম। এর চেয়ে বেশী কিছু বলার নাই।

প্রতিটি ক্ষেত্রেই অগ্রণী ভূমিকা রাখুন।

৭৭| ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৬

সচেতন বলেছেন: প্রিয় মানবী, আপনার সার্বিক সচেতনতা ও বলিষ্ঠ বক্তব্যের একজন গুনমুগ্ধ হয়ে গেলাম।

৭৮| ২১ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১২:০৪

সোহায়লা রিদওয়ান বলেছেন: এই জোস পোস্টটার পঞ্চাশ্তম যোগ চিহ্ন টা আমি দিয়ে গেলাম ! ওই সময় আমি ব্লগের খুব কম ই বুঝতাম ! মানবী আপুটাকেও সেভাবে চেনা ছিলোনা!! :-)

মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: চমৎকার লিখেছেন , ..........................

জানিনা কেন এমন হয় , আপনি আমার মনের কথাগুলোই লিখে ফেলেন

৭৯| ২১ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:৩১

মদন বলেছেন: এতো সুন্দর পোষ্ট চোখ এড়ালো কেমনে?

+

২৪ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:১৮

মানবী বলেছেন: ইয়ে.. মানে.. ৭৮ নং মন্তব্যে সোহায়লা পরিসংখ্যান দিয়ে গেছেন যে ৫০ তম + টি তাঁর দেয়া, ভাবছি ৭৯ নং মন্তব্যকারীর + কোন বানর খেয়ে ফেলেছে!!! :-* B-)




অনেক ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।

৮০| ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:১৪

মানবী বলেছেন: |জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| , আন্তরিক ধন্যবাদ আপনাকে।
জবাব দিতে কিভাবে যেনো খুব দেরী হলো, খুব দুঃখিত! ভালো থাকুন সবসময়।



রাঙা মীয়া, খুব সন্মানিত বোধ করছি এমন মন্তব্য পেয়ে যদিও আমার প্রাপ্য নয়। আপনি মুগ্ধ হয়েছেন এ আপনার মহানুভবতা। দেরীতে জবাব দেবার জন্য আন্তরিক ভাবে দুঃখিত!
মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ, ভালো থাকুন।


সচেতন, খুব সন্মানিতবোধ করছি। নিজ মহানুভবতায় পোস্টটি আপনার ভালো লেগেছে, আন্তরিক ধন্যবাদ।



সোহায়লা রিদওয়ান , মানবী আপুটাকে সেভাবে চেনা না থাকলে পোস্টে মন্তব্য করা যায়না বুঝি!!! :) .....................Just kidding :-)
মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ আপু।


৮১| ০৮ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ২:০২

দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন: দেরীতে পড়লাম।
যখন লিখেছিলেন তখন যে আমি ব্লগেই ছিলাম না! =p~

আপনার সৌজন্য একটি ভালো পোস্ট পড়লাম। ধন্যবাদ।

৮২| ০৮ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ২:১৯

মুকুট বিহীন সম্রাট বলেছেন: সময়টা এই পোষ্ট গ্রহন করেছে।

৮৩| ১২ ই এপ্রিল, ২০১০ সকাল ৮:৩০

মানবী বলেছেন: দুরন্ত স্বপ্নচারী, লেখাটি আপনার ভালো লেগেছে জেনে ভালো লাগলো, ধন্যবাদ।


মুকুট বিহীন সম্রাট, মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।

৮৪| ১২ ই জানুয়ারি, ২০১৬ রাত ১২:৩৩

খায়রুল আহসান বলেছেন: ইসলামে মূর্তিপূজা হারাম, আর সুদ কি হালাল? -- দুটোই হারাম, দুটোই পরিত্যাজ্য। একটা দিয়ে আরেকটাকে জাস্টিফাই করা যায় না। বা একপক্ষ একটা গুনাহ'র কাজ করলে অপর পক্ষের জন্য অপর গুনাহ'র কাজটি করা জায়েজ হয়ে যায়, এমন কোন কথা নেই।
এটা ঠিক যে একমাত্র মাজার পূজার দ্বারা এদেশের অনেক ধর্মপ্রাণ মুসলমান তাদের অজ্ঞতার কারণে কবীরা গুনাহ'র কাজ প্রতিনিয়তই করে চলেছে এবং তাদের জীবনের সকল নেক আমল নষ্ট করে চলেছে। দেশে ইসলাম ভীরু সরকার থাকলে এই মাজার পূজার বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেবে, এটাই কাম্য ছিল।
দেশে রাষ্ট্রীয় ভাবে "ঈদে মিলাদুন্নবী:, "শবে বরাত" এর মতো কুপ্রথা ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের সাথে পালন করা হয়, ইসলামের ঝান্ডাধারী এসব ভন্ডদের এ নিয়ে কোন বিকার নেই, ক্ষমতার কাছাকাছি থেকেও সংশোধনের চেষ্টা নেই। -- এখানে আমি আরেকটু সহনশীল হতে চাই। "ঈদে মিলাদুন্নবী এবং "শবে বরাত" পালন বা উদযাপনকে আমি কুপ্রথা মনে করিনা। কিভাবে পালন করা হচ্ছে সেটা আসল কথা। এসব পালন করতে গিয়ে আতসবাজী পোড়ানো, সারাদিন ধরে হালুয়া রুটি বানাতে গিয়ে মা বোনদের শুধু নফল কেন, ফরজ ইবাদতও মিস হয়ে যাওয়া, ইত্যাদি নিঃসন্দেহে কুপ্রথা এবং গুনাহ'র কাজ। তবে এ ধরার বুকে মানব জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানের আগমন উপলক্ষে আনন্দিত বোধ করা এবং এতদুপলক্ষে খুশী হয়ে ফকির মিসকিন খাওয়ানো কিংবা নফল ইবাদত করা দোষণীয় নয় বলে আমি মনে করি। অনেক আরবদেশে মুসলমানরা কামনা করে থাকে এই দিনে তাদের সন্তান জন্ম লাভ করে থাকুক, এবং সে হিসেবে তারা পরিকল্পনা গ্রহণ করে থাকে।
শাবান মাসের ১৪ তারিখ দিবাগত রাতে শবে বরাত পালিত হয়। হাদিসে আছে, হযরত মোহাম্মদ (সঃ) স্বয়ং এই রাতে মাগরিবের নামাযের পর জান্নাতুল বাকীতে গিয়ে তথায় শায়িত শহীদ ও অন্যান্য মরহুমদের জন্য দোয়া করেছিলেন। এ ছাড়াও প্রতি আরবী মাসের ১৩,১৪ও ১৫ তারিখ রাতকে পবিত্র হিসেবে গণ্য করা হয়। অনেকে এসব রাতে, বিশেষ করে ১৪তম রাতে নফল ইবাদত করেন এবং পরদিন নফল রোযা রাখেন। আমাদের পিতা, পিতামহ এবং তাদের পূরুষেরাও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের সাথে এ রাতটিতে নফল ইবাদতে মশগুল হতেন। সৌদি আরবে ওহাবিজম আসার পর থেকে এসব ধর্মীয় আচারকে বি'দাত বলে ঘোষণা করা হয়। আমাদের উপমহাদেশে এসব আচার এসেছিল সম্ভবতঃ ইরান বা তুরস্ক থেকে, এবং এগুলোকে বৈধতা দেওয়া হয় ভারতের দেওবন্দ মাদ্রাসা কর্তৃক, ইজমা, কিয়াস আর ইজতেহাদ এর পর।

২৬ শে জানুয়ারি, ২০১৬ রাত ১২:৫৬

মানবী বলেছেন: ইসলাম একটিই ধর্ম, বিশ্বের যেকোন প্রান্তের প্রতিটি মুসলিম এক ও অভিন্ন ভাবে এর পালন করবে কুরআন ফলো করে। ওয়াহাবি, হানাফি, শিয়া সুন্নি ধরনের বিভাজনের স্থান ইসলামে নেই। এধরনের বিভাজন আমাদের তৈরী যা শুধুই বিভাজন, বিতর্ক আর হানাহানি সৃষ্টি করে।

উল্লেখিত পয়েন্টগুলোর জবাব আগের মন্তব্যের জবাবে আলোচনা হয়েছে। শুধু স্মরন করিয়ে দিবো, হযরত মুহম্মদ (সঃ) বিদায় হজ্জের সময় বলেছিলেন কুরআন সম্পূর্ণ করে ইসলাম ধর্মকে পরিপূর্ণ করা হয়েছে। সেখানে নতুন কিছু সংযোজন বা বাদ দেবার অবকাশ নেই। তাই তাঁর জন্ম উপলক্ষ্যে হোক অথবা মৃত্যু, নিয়ম করে সকলে মিলে তা ধর্মীয়ভাবে উদযাপন ধর্মের অংশ করার প্রয়াস অবশ্যই যা কখনও ইসলাম ধর্মে গ্রহনযোগ্য নয়।

কুরআন মুলসিমদের সম্পূর্ণ জীবন বিধান, তার ব্যাখ্যায় নির্দিষ্ট কয়েকটি হাদীসকে সহীহ মনে করা হয় যার কোনটিতে শবে বরাতের উল্লেখ নেই। সবচেয়ে বড় কথা, শবে বরাতের যে মহিমা কেউ কেউ বর্ণনা বকরে থাকে তা সত্য হলে নিঃসন্দেহে কুরাআনে এর উল্লেখ করা হতো। এত বড় বরকতময় রাত মহান সৃষ্টিকর্তা নিশ্চয় তাঁর প্রিয় রসুল(সঃ) ও নিজের বান্দাদের কাছ থেকে আড়াল করে রাখবেননা... তাইনা?
আর হযরত মুহম্মদ (সঃ) তাঁর উন্মতদেরও সে সম্পর্কে সারাসরি জানিয়ে যেতেন।

শবে বরাত সম্পর্কে মেশকাতে অস্পষ্টভাবে একবার উল্লেখ আছে আর কয়েকটি অতি দুর্বল হাদীস আছে, এমনটা শুনেছি। কোন সহীহ হাদিসে সেভাবে উল্লেখ নেই।

সহমত না হলেও আপনার ভাবনা শেয়ার করার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ খায়রুল আহসান।
অনেক ভালো থাকুন।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.