নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

এমএআর আশিক

এমএআর আশিক › বিস্তারিত পোস্টঃ

কোটা ব্যাবস্থা

১৩ ই জুলাই, ২০১৩ রাত ১২:৪২

বাংলাদেশে পাঁচ শতাংশ

কোটা রাখা হয়েছে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর/উপজাতিদের জন্য, প্রতিবন্ধীদের জন্য

এক শতাংশ, মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের জন্য ত্রিশ শতাংশ, নারী কোটা দশ শতাংশ এবং জেলা কোটা দশ শতাংশ।

অর্থাৎ, কোটার জন্য বরাদ্দ আসন ৫৬ শতাংশ। বাকি থাকে ৪৪ শতাংশ। সাধারণভাবে যে কেউ বুঝতে পারবেন,

আমাদের দেশে সরকারী হিসেব

অনুসারে মুক্তিযোদ্ধা রয়েছেন দুই লক্ষাধিক। বলাই বাহুল্য তাদের অনেকে সন্তান-সন্ততি এই সুবিধাদি নেবারই অযোগ্য। এক প্রজন্ম হিসেব করলে সংখ্যাটা কয়েক লক্ষ

হতে পারে সর্বোচ্চ, ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীর সংখ্যাটি নেহায়েত নগন্য তবু তারা প্রমানিতভাবে সুবিধাবঞ্চিত। আর জেলা কোঠার বিষয়টি অসাড় ও

অযৌক্তিক! আবার যেখানে এইচএসসি/এসএসসি তে নারীরা শ্রেয়তর ফলাফল

করছে, সেখানে নারী কোটার

বিষয়টি তাদের জন্যেই অপমানের-অবমাননার! এটা রাখার কোন ধরনের

যুক্তি আমি খুঁজে পাই নি। আবেগের বশে মুক্তিযোদ্ধাদের

সন্তানদের ত্রিশ শতাংশ

কোটা দেয়া হয়েছে বটে কিন্তু তার সুবিধা/লাভের গুঁড় অসহায় মুক্তিযোদ্ধারা কতটুকু পান আর কতটুকু

অপচয় হয়ে মেধাবীদের জন্যে অভিশাপ হয়ে দাঁড়ায় তা বিচারে একটু কমনসেন্সই যথেষ্ট। মুক্তিযোদ্ধারা কোটার জন্যে যুদ্ধ করেন নাই, দেশের জন্যে, মাটির জন্য

করেছেন, সুবিধা বঞ্চিতরাও

কারো হাতে পায়ে ধরেনি কোটার জন্য। উপজাতি, প্রতিবন্ধী,

সুবিধা বঞ্চিতরা কোটার দাবীদার বটে কিন্তু তা যেন মেধাবীদের জীবন

গড়তে বাধা হয়ে না দাঁড়ায়

সে দিকে সবারই দৃষ্টি দিতে হবে।

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.