| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
বাসে উঠে দেখি লোকজন ভরে গেছে,পিছনের দিকে ৫৫ উর্ধো এক লোকের সাথে বসে পড়লাম।লোকটাখুবই বিনয়ী,বসা মাত্র আমাকে বলে"তুমি চাইলে জানালার কাছে বসতে পারো।"আমি বললাম-না আঙ্কেল,অসুবিধা নেই।থ্যাংকস।'কিছুদুর যেতেই বাস থেমে গেলো,যাত্রাবাড় ির চিরপরিচিত জ্যাম! হঠাৎ পাশের লোকটা আমাকে বলল,"মা,তোমার কাছে পানি আছে?মুখে দিবো।"
▄ ▄ ▄সরি আঙ্কেল,আমার কাছে পানি নেই। লোকটা আকাশের দিকে তাকালো,একটুপর নিজের খেয়ালেই আমাকে বলা স্টার্ট করলো--"তোমার মতো আমার একটা মেয়ে আছে,হলে থাকে। আমি থাকি লালবাগ,ওখানে আমার একটা মুদি'র দোকান আছে।মেয়েটার মা নেই,বাড়িতে (গ্রামে)আমার ছোটছেলেটা থাকে তার চাচার সাথে।আমি প্রতিদিনই আমার মেয়ের সাথে কথা বলি,মেয়ে আমাকে জানায় সে ক্লাসে আছে অথবা লাইব্রেরীতে আছে নইলে পড়ছে। আমি খুব খুশী হই,এতো খুশী হই যে চোখে পানি চলে আসে।মেয়েটাকে আমি অনেক পড়ালেখা করাতে চাই,যতটুকু সামর্থ্য আছে তা দিযেই। মেয়ে'র কোন আশাই আমি অপূর্ন রাখিনি,যা চেয়েছে তাই দেবার চেষ্টা করেছি।গতকাল বিকেল থেকে মেয়েটার ফোন বন্ধ,তাই আমি হলের এক টিচার'কে ফোন দেই,সেই টিচার খোজখবর নিয়ে দেখে আমার মেয়ে ৫ দিন হলো হলে নেই,সে নাকি বাড়ি যাবার জন্য ছুটি নিয়েছে..।কথাটা শোনামাত্র আমি টিচারকে বললাম,আমার ভুল হয়েছে স্যার,আমি বাড়িতে ফোন না করেই আমাকে ফোন করেছি,আমি সত্যি দুঃখিত।"▄ ▄ ▄তারপর লোকটি আমার মুখের দিকে তাকিয়ে বলল,"আমার মেয়ে বাড়িতে যায়নি,কালও ওর সাথে আমার কথা হয়েছে,সে নাকি ক্লাসে ছিলো। গতরাতে আমি মোটেও ঘুমাতে পরিনি,অনেক খোজখবর নেবার পর মেয়ের বান্ধবী'র কাছে জানতে পারলাম আমার মেয়েটা নাকি এখন কক্স-বাজার আছে।এক ছেলের সাথে ৭ দিনের জন্য বেড়াতে গিয়েছে..তোমাকে কথাগুলো কেন বলছি জানি না মা,তুমি কি বিরক্ত হয়েছো?"
আমি মাথা নেড়ে'না'বললাম। --মাথাটা কাজ করছে না,কাউকে কিছু জানাতেও পারছি না,মেয়ের মান-সন্মান চলে যাবে।তাই তোমাকে বলে একটু হালকা হলাম,কিছু মনে কোরোনা..। এই কথা বলে লোকটা আবার আকাশের দিকে তাকালো। আমি স্পস্ট দেখলাম লোকটা কাদঁছে,তার শরীর কেপে কেপে উঠছে!
আমি মলিন চোখে এক বাবা'র কান্না দেখলাম,মেয়ে'র সন্মান চলে যাবার ভয়ে একজোড়া স্বপ্নমাখা চোখের কান্না দেখলাম।বাবা'র বুকের চিৎকার আরআর্তনাদ যেনো শুনতে পেলাম আমি,আর সাথে সাথে আম্মু'র মুখটা ভেসে উঠলো..আমি জীবনের অসংখ্যবারের মতো আবারও মনে মনে আম্মু'কে প্রমিজ করলাম। [ সংগৃহীত ]
২|
১৬ ই জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১২:১৮
তারান্নুম বলেছেন: মনটা খারাপ হয়ে গেল পড়ে..আজকাল বাবা-মার কথা তরুণ বয়সে কয়জনই ভাবে..অথচ আমাদের জন্যে তাদের করার শেষ নাই।এই বয়সটা কি আগেও এমন স্বার্থপর ছিলো না এখন এমন হয়েছে?মনে হয় এখন বাড়ছে।আরো বাড়বে।কিছুদিন পর বাবা-দিবস/মা-দিবস ছাড়া আমরাও পাশ্চাত্যের মতো ওদের দেখতেও যাবোনা..ধিক এই সভ্যতাকে..
৩|
১৬ ই জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১২:২০
শিক কাবাব বলেছেন: হা হা হা ....। ইন্টারেষ্টিংতো। কক্স বাজার গেছে। মজা লাগতাছে। যেমন বাপ, তেমন মেয়ে।
বাপতো মনে করছে ইউনিভার্সিটি মানে, বড় বড় পাথরের মত বড় বড় ডিগ্রি নিবো। বড় ডিগ্রি নিলে বড় চাকরী পাইবো। বড় মাল কামাইবো। বড় ডিগ্রি নিয়া বড় মাল কামাইতে হইলে মেয়ে তো আর বোরখা পড়ে অফিসে ডিউটি করবে না। ডিউটি করা যায়ও না। তাকে হবে হবে ফ্রি। সে ফ্রিনেসের প্রাকটিস এখন থেকেই শুরু কক্সবাজার দ্বারা।
বাপতো মুদিদার। ফলে সে তো ইউনিভার্সিটি বুঝবে না। যে মেয়ে ইউনিভার্সিটি পড়ছে, সে মেয়েকে মেয়ের উপরই ছেড়ে দিতে হবে।
বুঝেন নাই বোধহয়। যে মেয়ে ইউনিভার্সিটিতে বোরখা পড়ে ক্লাস করতে যায় না, সে মেয়ে পাশ করার পর কিভাবে বোরখা পড়ে চাকরী করবে। পাশ করার পর চাকরী করতে গেলে হতে হবে ওয়েষ্টার্ণ ষ্টাইল।
৪|
১৬ ই জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১২:৩৪
রাইসুল নয়ন বলেছেন: আসলে ছেলে / মেয়ে আমরা উভয় দল এতো স্মার্ট হয়ে গেছি যে যৌনতাকে লুডু খেলা মনে করে !!
ধিক্কার ওদের, ওদের মুখে থু দেই, যারা নিজের শরীর আগলে রাখতে জানে না,,
লেখাপড়া শেখে আর চরিত্রহীন হয়,
৫|
১৬ ই জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১২:৩৪
লাইলী আরজুমান খানম লায়লা বলেছেন: এখানে শুধু মেয়ে নয়,,,,,,,,,,, আজকালকার কিছু ছেলে এবং মেয়ে নিজেদেরকে আধুনিক করার নামে যা খুশি তাই করছে,,,,,,,,,,,,এটা মূল্যবোধের চরম অবক্ষয় বলে আমি মনে করি,,,,,,,
৬|
১৬ ই জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১২:৫৫
না পারভীন বলেছেন: একদিন লালবাগের কেল্লা দেখতে গিয়ে দেখলাম , অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ভাবে (আপত্তিকর ঘনিষ্ঠ) যেই জুটি গুলো বসে আছে মেয়েগুলি বেশীর ভাগ বোরখা পরা । মুখের পর্দা নামানো । এখান থেকে বের হওয়ার সময় তুলে দিবে ।
আইডেনটিটি হাইড করার জন্য বোরখা ও হিজাবের ব্যাবহার । এরা আরো আধুনিক ।@শিক কাবাব
৭|
১৬ ই জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ২:০৮
আরজু পনি বলেছেন:
থুবই দুঃখজনক ![]()
©somewhere in net ltd.
১|
১৬ ই জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১২:১৮
খাইয়া কামনাই বলেছেন: এরকম ঘটনা আমি প্রতি দিন প্রত্যক্ষ করি। আমাদের বিশ্ব- বিদ্যালয়ের হলে যে মেয়ে গুল থাকে তাদের অধিকাংশকেই দেখি তাদের বয় ফ্রেন্ড কে তারা প্রতিনিয়ত তাদের দেহ দান করছে!!! অথচ আমাদের পাবলিক বিশ্ব- বিদ্যালয় গুলোতে সাধারন মধ্য বিত্ত ঘরের মেধাবী ছেলে মেয়েরা পড়াশোনা করে।
তাদের পিতা মাতা অনেক স্বপ্ন নিয়ে তাদের এখানে পাঠায়। কিন্তু তাদের এই নৈতিক স্তলন তাদের পিতা মাতাদের স্বপ্ন কে ধূলিসাৎ করে দেয়।