| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
নীরব আত্মপক্ষ।
স্বাধীনতার জন্য সশস্ত্র আন্দোলনের মাসুল বাঙালি হিন্দুকে গুণে গুণে দিতে হয়েছিল ব্রিটিশকে । বাকিটা মুসলিম লীগ ও নেহেরুইয়ান কংগ্রেস মিলে যা করার করে গেছে। এবং পরবর্তীকাল থেকে মুসলিম লীগের সন্তানরা করেছে বাকি কাজ। আজও করে যাচ্ছে।২৮ থেকে ৭ শতাংশে নামিয়ে আনা গৌরবময় কাজ। আর করবে নাই বা কেন পড়ে পাওয়া চৌদ্দ আনার মত ভাগ্যবিড়ম্বিত অজ্ঞ হিন্দু বাঙালি ভাগাভাগির বিরোধিতা যেমন করেনি ভাগাভাগি অমান্যও করেনি।বিগত একশ বছর ইতিহাসে সে অত্যন্ত সরু হয়ে হেঁটে গেছে। তাই আজ বারে বারে রাজনৈতিক তোষণ বাক্যে প্রতারিত হয়ে সে পুনরায় আশায় বুক বাঁধে। সাতচল্লিশের আটাশ শতাংশ থেকে বর্তমান সাত শতাংশে নেমে আসার অর্থ অই নির্বোধেরা বুঝেও না-বোঝার ভান করে, ক্ষমতা বলয়ে দাবার বোড়ে হয়ে আত্মসুখ ভোগ করে। রাষ্ট্র কথাটির ভিন্ন অর্থ হলো ক্ষমতা। আজ পর্যন্ত এই সাত শতাংশ বাঙালি হিন্দু কি কোনো ভাবেই রাষ্ট্র ক্ষমতার অংশী হতে পেরেছে? না কখনোই না। যখন তিরিশ, আটাশ কুড়ি আঠারো শতাংশ ছিল তখনও ছিল না। দুচারটে দাবার বোড়ে হয়তো ছিল। কিন্তু কোনোভাবেই ক্ষমতার অংশী ছিল না। ফলে ৪৭ থেকেই তার নিরাপত্তা ছিল না এবং যা আজও বিন্দুমাত্র নেই। ক্ষমতার অংশ না হলে নিরাপত্তা পাওয়া বা দেওয়া কোনটাই ঘটে না। ক্ষমতার কাছে অবাঞ্ছিত মানেই তুমি রাষ্ট্রের কাছেও উপেক্ষিত। বিগত আশি বছরে এর অন্যথা হয়নি, তা আর কোনোদিন হবেও না। যুক্তি এড়িয়ে যাওয়ার উপায় নেই। কারো মনে প্রশ্ন থাকতেই পারে নিরাপত্তা না থাকলে এই সাত শতাংশ কীভাবে আছে? উত্তরদাতার মুখে হয়তো বিষণ্ণ হাসি থাকবে এবং নিচু গলায় বলবে ‘সদয় মানবিক উদার শিক্ষিত অশিক্ষিত নির্বিশেষে কিছু মুসলমান নাগরিকের সাহচর্যে এই সাত শতাংশ আজও টিকে আছে। অচিরেই তাঁরাও হয়তো বলবেন— না-পারছি আর দেখতে, না-পারছি আর সহ্য করতে, আপনারা দয়া করে দেশ ছাড়ুন, প্রাণ বাঁচান, মান বাঁচান—’
দেশ দেশ ক’রে এই উপমহাদেশের বাঙালি হিন্দু অলৌকিক কসাইখানার আকাশে আজও পাখি হয়ে আকাশে ওড়ে, কেউ দেখতে পায়, কেউ দেখতে পায় না।
২|
২৮ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: দেশ দেশ ক’রে এই উপমহাদেশের বাঙালি হিন্দু অলৌকিক কসাইখানার
আকাশে আজও পাখি হয়ে আকাশে ওড়ে, কেউ দেখতে পায়, কেউ দেখতে পায় না।
....................................................................................................................
আপনার এই লেখা একতরফা, কানা চোখে লেখা । এপারে যেমন ক্ষেত্র বিশেষে হিন্দুরা
কষ্ট পাচ্ছে , তেমনি চিকিৎসা বা ভ্রমনে যাওয়া মুসলমানরা দিল্লী, বোম্বে নিগৃহীত হচ্ছে ।
সুতরাং ওপারের মুসলমানরা যে ভালো নেই তার অনেক প্রমানই প্রতিদিন পত্রিকায় আসছে ।
©somewhere in net ltd.
১|
২৮ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ২:০৪
রাজীব নুর বলেছেন: আসলে আপনি কি বলতে চান?