| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
![]()
জলপাই, চিরসবুজ গাছ। গ্রীক পুরাণে জলপাইকে পবিত্র ও শান্তির প্রতীকে বিবেচনা করা হয়। তাইতো আজও বিজয়ীর মাথায় জলপাই পাতার মুকুট পড়ানো হয়। তার আরেক পরিচয় পুষ্টিসমৃদ্ধ গুণের ফল জলপাই। জলপাইয়ের নাম শুনলে কার না জিভে পানি আসে। আমাদের দেশে সবুজ জলপাই সহজলভ্য। এছাড়া পৃথিবীর অনেক দেশে কালো জলপাই ও জন্মে। দেশের প্রায় সব জায়গায় জলপাই গাছ জন্মে থাকে। জলপাই খায় না বা পছন্দ করে করেন না এমন মানুষের সংখ্যা খুবই কম বলে মনে হয়। আসুূন জানি পুষ্টিসমৃদ্ধ ফল জলপাই এর উপকারীতা।![]()
নানাভাবে জলপাই খাওয়া যায়। জলপাইয়ে খাদ্যশক্তিও বেশ কিছু ফলের চেয়ে বেশি আছে বলে বিষেজ্ঞরা জানান। জলপাইয়ে খনিজ পদার্থের পরিমান অনেক ফলের চেয়ে বেশি থাকে। জলপাইয়ে আয়রণ ও ক্যালসিয়ামের পরিমান পাকা আম, পাকা পেঁপে, আনারস, পেয়ারা, লিচু, বরই, তরমুজ, কামরাঙ্গা, জাম্বুরা, বাঙি, বেল, আমলকি, আপেল, এবং আঙ্গুরের চেয়ে বেশি। এই ফলে রয়েছে উচ্চমানের ভিটামিন-সি, ভিটামিন-এ, ভিটামিন-ই। এই ভিটামিন গুলো দেহের রোগজীবাণু ধ্বংস করে, উচ্চরক্তচাপ কমায়, রক্তে চর্বি জমে যাওয়ার প্রবণতা কমিয়ে হৃৎপিন্ডের রক্তপ্রবাহ ভালো রাখে। হৃৎপিন্ড থেকে অধিক পরিশোধিত রক্ত মস্তিষ্কে পৌছায়, মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়ে। ত্বকের কাটাছেড়া দ্রুত শুকাতে সাহায্য করে। উচ্চরক্তচাপ ও রক্তে চিনির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে এর রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। সেদ্ধ জলপাইয়ের চেয়ে কাচা জলপাইয়ের পুষ্টিমূল্য অধিক। এই ফলের আয়রন রক্তের আরবিসির কর্মশক্তি বৃদ্ধি করে। জলপাইয়ের খোসায় রয়েছে আঁশজাতীয় উপাদান। এই আঁশ কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে, ত্বকের ঔজ্জ্বল্য বাড়ায়, কোলনের পাকস্থলীর ক্যান্সার দূর করতে রাখে অগ্রণী ভূমিকা।
জলপাইয়ের পাতারও রয়েছে যথেষ্ট ঔষধি গুণ। এই পাতা ছেচে কাঁটা, ক্ষতস্থানে লাগালে কাঁটা স্থান দ্রুত শুকায়। বাতের ব্যথা, ভাইরাসজনিত জ্বর, ক্রমাগত মোটা হয়ে যাওয়া, জন্ডিস, কাশি, সর্দিজ্বরে জলপাই পাতার গুড়া জরুরি পথ্য হিসেবে কাজ করে। মাথার উকুন তাড়াতে, ত্বকের ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাকজনিত সমস্যা দূর করার জন্য এই পাতার গুড়া ব্যবহৃত হয়। জলপাই আচার আমরা সবাই জানি যে, জলপাই টক জাতীয় ফল। ফলে এই জলপাই দিয়ে বিভিন্ন রকমের আচার তৈরি করা যায় যা খেতে খুবই সুস্বাদু।
জলপাইয়ের তেল ব্যবহারের প্রচলনও কারও অজানা নয়। জলপাইয়ের তেলে প্রচুর ভিটামিন ‘এ’ বিদ্যমান আর ভিটামিন ‘সি’ আছে যা অধিকাংশ ফলের চেয়ে অনেক বেশি। রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিসে জলপাই পাতার গুড়া ও জলপাইয়ের তেল ব্যবহারে হাড় ও মাংসপেশির ব্যথা কমে। জলপাইয়ের তেল কুসুম গরম করে চুলের পুষ্টি ও বৃদ্ধি ভালো হয়, চুলের ঝরে যাওয়া তুলনামূলকভাবে কমে।
আমাদের দেশে প্রায় অনেক কৃষক জলপাই চাষ করে অর্থনৈতিক দিক দিয়ে লাভবান হচ্ছেন। যার ফলে শীতকালে জলপাইয়ের প্রচলন খুব বেশিই দেখা যায়।
২|
২৪ শে জানুয়ারি, ২০১১ দুপুর ১২:৩৫
একলোটন বলেছেন: আহা জলপাই তেল বড়ই উপাদেয় ![]()
লেখাতে প্লাস।
৩|
২৪ শে জানুয়ারি, ২০১১ দুপুর ১২:৫০
রেজোওয়ানা বলেছেন: ছবির জলপাইএর সাথে আমাদের দেশী জলপাইয়ের চেহারা মেলে না কেন?
আমাদের এগুলো কি ভিন্ন কোন প্রজাতি?
আমাদের দেশী গুলোট পাতা গুলো আরও চওড়া, এক সময়ে লাল হয়ে যায়!!
পোস্ট ভাল লাগছে ![]()
৪|
০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ বিকাল ৫:১৬
সালাহউদ্দীন আহমদ বলেছেন:
চমৎকার পোস্ট।
©somewhere in net ltd.
১|
১৮ ই জানুয়ারি, ২০১১ সকাল ৯:৫৪
এস এইচ খান বলেছেন: চমৎকার পোস্ট। শেয়ারের জন্য ধন্যবাদ।