| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
Raiyan Nijam ঠিকই বলেছেন-পুরোনো বিশ্বাস আর ওহাবী ইয়াজীদী ঘরাণার নতুন বিশ্বাস একনয়। রাসুল সাঃ এর যামানা হতে ১২০০ (বারশত) বৎসর পর্যন্ত রাসুল সাঃকে নিয়ে বা তার মর্যাদা নিয়ে কোন বিতর্ক বা সন্দেহের অবকাশ ছিল না। শয়তানের শিংওয়ালা মোহাম্মদ বিন আবদ আল ওহাব নজদীর নব আবিস্কৃত সাত উসুল এবং তদকর্তৃক লিখিত ’কিতাবুত তাওহীদ’ নামক গ্রন্থ প্রকাশের পর হতেই রাসুল সাঃ নূরের না মাটির তৈরী বিতর্কটি মুখরোচক উপাদেয় হিসেবে বস্তুবাদীদের নিকট প্রিয় হয়ে উঠেছে। এরা কারা? যারা রাসুল সাঃকে নিয়ে দিনরাত গীবতে মশগুল, তিনি নূরনবী নন, হায়াতুন্নবী নন, গায়েব জানতেন না, তার শাফায়াতী ক্ষমতা নেই, তার মিলাদ কিয়াম শিরক বিদাত, তার মাজার জিয়ারত কুফরী ইত্যাদি। এ সকল প্রবক্তারা সালাফী নাম ধারণ করে বর্তমানে আরব দেশে রাজত্ব চালাচ্ছে। সৌদী বাদশাহদের জীবনাচার দেখুন, তারা ইহুদী খ্রিস্টানদের দালাল। লাম্প্যট্যের চরম সীমানায় উত্তীর্ণ। বাদশাহ আব্দুল্লাহর স্ত্রীর সংখ্যা ১০৫ (একশত পাঁচ) জন। গদী রক্ষার জন্য বৃটিশ এবং আমরিকান আর্মি ভাড়া করে পোষতেছে। ইসরাইলের বিমানকে ইরান আক্রমনের সময় রিফুয়েলিংয়ের জন্য সৌদী ভূমি ব্যবহারের চুক্তি সাক্ষর করেছে। বৃটিশ ইন্ডিয়া হতে খ্রিস্টানদের প্ররোচনায় ইসলামকে ধ্বংস করার জন্য সৃষ্ট কয়েকটি ফিরকার বিবরণ দিচ্ছিঃ ১। আহলে হাদিস-১৮৩৫ সনে আফগানিস্তান হতে ইসমাইল শহীদ নামক জনৈক ওহাবী কর্তৃক প্রচার শুরু; ২। ১৮৬৬ সনে কাশেম নানতুবী কর্তৃক দেওবন্দী দারুল ওলুম খারিজী মাদ্রসা চালু; ৩। ১৮৮৯ সনে মির্জা গোলাম আহমদ কাদিয়ানী কর্তৃক নবী দাবী; ৪। ১৯২০ সনে ইলিয়াছ কান্দেলভী কর্তৃক স্বপ্নাদিষ্ট হয়ে ভারতীয় সুন্নী মুসলমানদের মধ্যে তাবলীগের নামে ওহাবীবাদ প্রচার; ৫। ১৯৪১ সনে মওদুদীকে দিয়ে জামাতে ইসলাম প্রতিষ্ঠা ইত্যাদি। এদের প্রত্যেকেরই মূল উদ্দেশ্য রাসূল সাঃকে অপদস্ত করা। ইহুদী খ্রিস্টানগণ দারুন খুশী- এখন মুসলমান কর্তৃক বোমা মেরে মুসলমানদের্কেই হত্যা করা হচ্ছে। বাহ্ ! এটাইতো ওরা চেয়েছিল। এখন পর্যন্ত একমাত্র সুন্নী মুসলমানগণ আল্লাহ এবং রাসুল সাঃকে বিতর্কের উর্ধে রেখেছে। আল্লাহ যে একজন আছেন, এটা তো আমরা রাসূল সাঃএর নিকট হতেই শুনেছি, কোরান ওনার নিকট হতেই পেয়েছি, ফেরেশতা বেহেশত দোজখ ইত্যাদি তো ওনার নিকট হতেই জেনেছি। নামাজ রোজাসহ সকল শরীয়তই তো রাসুল সাঃ এর নিকট হতে পাওয়া। কোরানের প্রতিটি আয়াত উনার মুখ হতেই শ্রুত হয়েছে। তিনি বলেছেন যে, জিব্রাইল আঃ ওহী নিয়ে এসেছিল, কেউ তো জিব্রাইলকে দেখে নাই। রাসূল সাঃকে সত্য জেনে সব কিছু বিশ্বাস করেছে। তার যামানার পর বারশত বৎসরের মধ্যে তার মর্যাদা নিয়ে কোন বিতর্ক নেই। শুধু ওহাবী ও বৃটিশ কর্তৃক তৈরী ফিরকা দিনরাত রাসুল সাঃ এর গীবতে মশগুল। মুসলমানদের তিহাত্তুর ফিরকার কথা রাসুল সাঃ নিজেই গায়েবী বলে গিয়েছিলেন। এদের সংগে বিতর্ক নিষ্প্রয়োজন। ইনজেকশন দিলেও এদের মাথা হতে শয়তান বের হবে না। যেমন-রিয়ান নিজাম বলেছেনঃ বাপদাদার পুরোনো বিশ্বাস ইসলাম চলবেনা। তাহলে শুধু ইহুদী ও খ্রিস্টান বাবাদের ইসলাম চলবে। ডাঃ জাকির নায়েকের টাকার উৎস কোথায়? পীস টিভির ৪০ টিরও বেশী চ্যানেল চালু আছে কার টাকায়? ব্যাটা বৃটিশ মিশন এবং পেট্রোডলারের দালাল। সুন্নী ইসলামকে ধ্বংস করার কারনে ভারতের সুন্নী মুসলিমগণ তাকে কাফির ফতোয়া প্রদান করে মুরতাদ ঘোষণা করেছে।
২|
২২ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১০:২৪
মাহমুদডবি বলেছেন: রাসুলের মোহাব্বতের নামে ব্যাবসা কম হলো না। আপনাদের মত মূর্খরা ইসলামের ক্ষতিই করতে পারে কোন উপকার না। রাসুলের মোহাব্বত খালী আপনেরাই বুঝেন আর কেউ বুঝে না। রাসুল যে মাটির তৈরী তার জন্য দুরে যাওয়ার দরকার নাই ভালো করে দু চোখ খোলা রেখে কোরআন পড়ুন ।
সুরা আলইমরান ৫৯, সুরা ফুরকান ২০, সুরা কাহাফ ১৮:১১০, সুরা ইব্রহিম ১১, সুরা বনি ইসরাইল ৯৩, এই আয়াত গুলি কোরআনের । যদি মুসলিম হয়ে থাকেন এইটা নিয়া আর পেচাল পাইরেন না। সহিহ মুসলিমের ১৩১২ হাদিসটা পইড়েন এগুলি ওহাব কিংবা জাকির নায়েক লেখে নাই।এগুলি ২০০ বছর আগের না ১৪০০ বছর আগের লেখা।
৩|
২২ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১০:৩৮
রুম্মান৯৯ বলেছেন: পাগলের প্রলাপ ছাড়া কিছুই নেই এতে---গাজাখুরী পোস্ট--নিশ্চয়ই গাজা খেয়ে সবার বিরুদ্ধে যাতা বলে মিছে অপবাদ--- বিদাতীর বাচ্ছা।
৪|
২২ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১০:৫৩
আদনান ফায়সাল বলেছেন: গাঁজাখুরি না পড়ে কোরআন পড়েন, সঠিক পথ পাবেন ইনশা আল্লাহ্।
সূরা কাহফ ১৮:১১০
Say, "I am only a man like you, to whom has been revealed that your god is one God. So whoever would hope for the meeting with his Lord - let him do righteous work and not associate in the worship of his Lord anyone."
সূরা আহকাফ ৪৬:৯
Say, "I am not something original among the messengers, nor do I know what will be done with me or with you. I only follow that which is revealed to me, and I am not but a clear warner."
৫|
২২ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১০:৫৭
হুমায়ুন তোরাব বলেছেন: fal2 post.
minus....
৬|
২২ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১১:১১
মোঃ আলী হোসেন বলেছেন: মোঃ আলী হোসেন বলেছেন: উপরের মন্তব্যগুলো দেখলাম। সংযত এবং ভদ্র ভাষায় কথা বলা ইসলামী রীতি। আমি কোথাও বলিনি যে, রাসুল সাঃ নূরনবী বা মাটির নবী। আমি শুধু বলেছি বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক নিষ্প্রয়োজন। কিন্তু আমার নতুন ফিরকা সংক্রান্ত তথ্যগুলো যুক্তির মাধ্যমে খন্ডন না করে অভদ্র ভাষায় গালিগালাজ অসমীচীন। ঐতিহাসিক সত্যগুলো খন্ডন করুন। মনে রাখবেন-সত্য সর্বদাই অপ্রিয়।
৭|
২২ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১১:১১
ফ্রিঞ্জ বলেছেন: মানুষের শরীরে ৭০% এর বেশি পানি। তাই সব মানুষ পানির তৈরি।
পানি আবার অক্সিজেন আর হাইড্রোজেন এ তৈরি।
অক্সিজেন আর হাইড্রোজেন আর বাদ বাকি সব আবার ইলেক্ট্রন প্রোটন নিউট্রন এ তৈরি। আর যদি না ভাঙ্গাই তাইলে আমরা সবাই ইলেক্ট্রন প্রোটন আর নিউট্রন এ তৈরি
৮|
২২ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১১:২৭
মোঃ আলী হোসেন বলেছেন: ইলেক্ট্রন নিউট্রন আবার কার্ক ও এন্টি কার্কে তৈরী। প্রত্যেক কার্ক ও এন্টিকার্কের আবার ইমপালসিব ও রিপালসিব ফোর্স আছে। দু’টি কার্ক একত্র হলে বিস্ফোরণ ঘটে তৈরী হয় বিশাল অগ্নি স্ফুলিঙ্গ এবং সর্বশেষে ধ্বংস প্রাপ্ত হয়। তা’হলে শেষমেষ মানুষ আগুনের তৈরী নয় কি? মানুষের স্টেম সেলের ভিতরে থাকে েএকটি পূর্ণাঙ্গ অবয়ব-মেইল ফিমেল অর্গানসহ। সকল ফিজিওলজিক্যাল ও মেটাবলিক সিস্টেমসহ স্টেম সেল থেকে তৈরী মানুষই আল্লাহর কুদরত। নূর এবং মাটির বিতর্ক আসল কথা নয়; আসল কথা হলঃ রাসূল সাঃকে সম্মান করা এবং না করা। রাসূল সাঃকে সম্মান করার বিষয়ে কোরান পাকে কমপক্ষে সতেরটি আয়াত বিদ্যমান রয়েছে। অতএব, বিতর্ক নিষ্প্রয়োজন। ফ্রিঞ্জ ভাইকে সুন্দর মন্তব্যের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ।
৯|
২৩ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১:৪৫
ফ্রিঞ্জ বলেছেন: ঠিক। মানুষের সম্মান সে কি দিয়ে তৈরি তাতে না।
১০|
২৩ শে জানুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:০১
জামিল হাসান বলেছেন: আপনেরে ত মনে হয় ছুপা রাজারমাগি এই অপ্রাসঙ্গিক বিষয় টেনে এনে অযথা বিতর্ক উস্কে দিচ্ছেন আবার বলছেন আমি বিতর্ক করছি না । রসুল এর আদর্শ কায়েম করেন । ৯০ শতাংশ মানুষ নামাজ থেকে দূরে, কোরআন তেলাওয়াত কি জিনিষ ভুলে গেছে, এখন ভোঁর হলে বাড়িতে বাড়িতে কোরআনের পরিবর্তে গানের শব্দ শুনা যায় । অশ্লীলতা অনাচার সমাজ ছেয়ে গেছে ।উম্মতে উম্মতে মতের মিল নাই এর উপর আপনি ঘি ঢেলে দিচ্ছেন ওহাবই দেওবন্দি খারেজি ইত্যাদি বলে। আসলে আপনি বড় ফেরকাবাজ ।
১১|
০৫ ই আগস্ট, ২০১৫ রাত ৮:৫৭
মোঃ আলী হোসেন বলেছেন: হ্যা, ইসলাম এখন সবচে বিতর্কের এবং ফিরকার ধর্মে পরিণত। এত জঙ্গ আর কোন ধর্মেই নেই। জামিল হাসান বলেছেন ৯০ শতাংশ মানুষ নামাজ হতে দূরে। দূরে তো আপনাদের জন্য। নামাজের ফাঁকে আপনারা যে হিংস্রতা এবং জঙ্গিত্ব প্রকাশ করেন তাতে ইসলাম হতেই মানুষ ভীত হয়ে পড়েছে। নামাজ যার কাছ থেকে পাওয়া গেল তাকেই নিয়েই তো বিতর্ক। কোরআনও তো রাসুল সাঃএর নিকট হতেই পাওয়া, তো তাকে নিয়ে এত বিতর্ক কেন? রাসুল সাঃএর সম্মনের কথা উঠলেই ছ্যাৎ করে জ্বলে উঠেন ক্যান? সমাজে তো ওহাবীদের প্রাধান্য, তাহলে তাতে এত অশ্লীলতা কেন? আপনারা তো শিরক বিদাত করেন না, আপনাদের মধ্যে এত দুর্বৃত্তপরায়নতা কেন? আপনারা মুসলমান হয়ে অারেক মুসলমানকে জঘণ্য অশ্লীল ভাষায় গালি দিতে উন্মাদ কেন? যুক্তির ভাষার চেয়ে গায়ের জোরে কদর্য ভাষায় কথা বলেন কেন? নামাজ তো মানুষকে অশ্লীলতা হতে দূরে রাখার কথা। আপনারা এত নামাজী হওয়ার পরও আপনাদের ভাষা এত হিংস্র কেন? কারণ একটাই, রাসুল প্রেম হতে দূরে সরে গেলে তার অন্তর হয়ে যায় অন্ধকার ও শয়তানের আখড়া।
©somewhere in net ltd.
১|
২২ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১০:২০
হাবিবুল্লাহ শোয়েব বলেছেন: হাস্যকর পোস্ট । জবাব দেওয়ার ভাষা আমার জানা নাই।