| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মুঃ ফাহিম রহমান
জীবন্মমৃত পদগুলো অহক্ষন স্পেকটার মত শুষসে নিরেট পাথুরে চিত্তের লোহিত উদক
কি পেল বিবাহিত এই মন তোমার চোখে, কে জানে জানি না
আজকাল নিজেকে ঠিক চিনি না,কেমন যেন মুহর্মুহ অস্থিরতা
কেঁপেও উঠি হটাত হটাত,বিশেষ করে যখন আমার শিশুটির
কথা ভাবি,ওর কি হবে,তার ওপর স্ত্রীর ছেড়ে যাবার যন্ত্রণাটা
ঈশ আর সময় পেল না সব এক সাথে,এই হতভাগা নতুন প্রেম
আর তুমি কেমন করে রাজী হলে বল তো? তোমার আমার বয়সের
ব্যবধান,আমার সংসার,সন্তান সব সয়ে ও তুমি কিভাবে থাক?
সত্যিই তুমি মহীয়সী,হয়ত তাই,তোমার মাঝের এই গুন; প্রতিচ্ছবি
ফেলে চোখে,তাই অমন জ্বলজ্বল করে উঠে,আর সর্বক্ষণ অধরে ঝুলে
ওই সরল হাসিটি,একটা কথা বলি,চোখের উপর আসা এলো চুলগুলো
সরিও না,খুব টানে আমায়,আর তোমার নিশ্চুপ থাকা যেন কি বলে
যায় কানে কানে,ভাবছি, খুব ভাবছি ইদানীং কেমন করে তোমার ঘরে বা
আমার ঘরে এই কথা পারবো,আমি বুঝি না কেউ কি চেয়েও দেখে না,
আমার মনে যে নতুন সুর,সবই তো আর আগের মত নেই,এখন আর
সকাল হলে তো বাবুর উল্লসিত কণ্ঠে ঘুম না ভাঙলেও আমার গানে ভাঙ্গে,
কিন্তু মা ও একদিনও কিছু বললেন না,সত্যি বলতে কি ওই বেচারাদের
দুষে লাভ নেই,ওরা ভাবছে ওদের পুত্রবধূ ফিরে আসবে,আবার নাতনী
ছুটে দাদুর চশমা ভাঙ্গবে,দাদির সাথে ঝগড়া করবে,ওরা এখন নিজের
দুখেই অসার,আমাদের আরও বেশ কিছুদিন অপেক্ষায় যাবে,আর কাগজ
ও তো এখনও পাইনি,তোমায় অবশ্য বলেছিও আমি তাই চাই না,আমি
চাই ও ফিরে আসুক,আমার সন্তান আমার বুকেই থাকুক,শুধুই তোমায়
কেন যে বলতে গেলাম ওই কথাটা,আর কেইবা জানতো তুমিও হেসে উঠে
বলবে: বেশ তো,আমারও খারাপ লাগে না তোমায়,বরং হয়তো তুমি না বললে
আমিই তোমায় বলতাম একদিন,যেহেতু একটা সুযোগ এসেছে তোমার স্ত্রীর কারণে।
ঈশ কি যে খুশ হয়েছিলাম সেদিন,অমন বড় ক্ষত টা যেন এক মুহূর্তে ভরে গেল
যাক পরে কথা হবে,সত্যি খুব অপরাধ বোধে ভুগছি,ও ফিরবে না হয়তো,তাও
আমার একা থাকাটাই বেশ ছিলও,তোমায় জরিয়ে যে কেন কষ্ট দিতে গেলাম,
ক্ষমা চাইবো না,ওহো বউ কে বললাম তোমার কথা,শুনে সেকি খুশি,জানি না কেন,
আমায় ছেড়ে যাওয়ার অপরাধ বোধে,না সত্যিই ও চায় আমি আবার সংসারী হই,
ছয়টা মাস আমি সময় চাই,যদি মানসিক ভাবে নিজেকে ক্ষমা করতে, তবে দেখা হবে,
সে যাই হোক এর মাঝে যদি দেখা আর হয়তো আমরা বন্ধুই থাকবো,ওসব আর নয়।
©somewhere in net ltd.