| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সানি খান
সৎ ভাবে জীবন যাপন করার খুব ইচ্ছা । আর মানুষের জন্য কাজ করতে চাই,জীবনের শেষ সময় পর্যন্ত দেশকে ভালোবাসবো।
বাংলা আমাদের মায়ের ভাষা,,এই ভাষার জন্য ১৯৫২ সালের রক্ত দেওয়া বা জীবন দেওয়া শহীদের প্রতি আমার দেশের মানুষের পক্ষ থেকে লক্ষ কোটি সালাম।।তাদের ত্যাগের কারনে আজ পেয়েছি আমাদের বাংলা ভাষা।।মাতৃভাষার জন্য ত্যাগের সঠিক ইতিহাস জানা আমাদের প্রতিটা বাংলার মানুষের দায়িত্ব।।
"বাংলা মায়ের বুকে জন্ম আমার,,ধন্য জীবনটা আমার ধন্য"।
মায়ের ভাষাকে ভালোবেসে তারা জীবনের চিন্তা না করে যা করেছে তা আমাদের যুগ যুগ স্বরন করা দায়িত্ব।। তারা তাদের কর্মের দ্বারা সম্মান পাওয়ার যোগ্য।।আমরা তো বাঙ্গালী,,সারা বছর তাই তাদের কথা ভুলে থাকি।।৩৬৪ দিন মনে করার সময় নেই আমাদের।।দেশকে ভালোবাসলে কখনো বছরে এক দিন ফুল দিয়ে সম্মান করার মাধ্যমে আমাদের দ্বায়িত্ব শেষ হতে পারে না।।
আজ যখন সারা পৃথিবী আমাদের মায়ের ভাষার ত্যাগকে সম্মান করছে,,শহীদ দের সম্মান করছে।।তখন আমাদের শহীদমিনার গুলোতে চলছে গাজার আড্ডা,,এবং কি সারা বছর কিছু কিছু শহীদমিনারে মল ত্যাগের কথা ও সকলে জানে।।সত্যি জানি না এ গুলো কেমন শহীদের প্রতি ভালোবাসা বা সম্মানের প্রকাশ।। অনেক স্থানে তো শহীদমিনার আছে কিন্তু সারা বছর তা দেখার মতো কেউ নেই।।বছরে ২১শে ফেব্রু..আসলে এক দিনের জন্য শহীদের প্রতি সম্মান দেখাতে কত নাটক করে অনেকে,,আবার অনেকে তো ফেবুতে ছবি দেওয়ার জন্য ও ফুল দিতে যায়।।
এ সব ছোট ছোট কাজে কখনো আমাদের দায়িত্ব শেষ হয় না।।আমাদের বাংলা ভাষার যে ইতিহাস তা অন্য কোন দেশ বা কোন ভাষার নেই,,এটাই ছিল আমাদের প্রথম জাতীয়তাবাদের সূচনা।।১৯৫২ ছাড়া হয়তো কখনো আসতো না ১৯৭১,,আমরা স্বাধীনতা পেতাম না।।সেই রফিক,সালাম,জব্বার দের রক্তকে কেউ ছোট করে দেখবেন না দয়া করে।।শুধু বছরে এক দিন তাদের কথা না মনে করে সব সময় সম্মান দেওয়াটা প্রয়োজন।।
এই দেশের অনেক মানুষতো আজ ও রাস্তাতে থাকে তাই আমার সীমিত বুদ্ধি থেকে বলি,,ফুল দিয়ে নাটক না করে গরীবদের এক বেলা খাওয়ান,,পাশে থাকেন,,সাহায্য করেন তাহলে হয়তো দেশটা পরিবর্তন হবে,,আর এ সব করে ফেবুতে ছবি দেওয়ার ও প্রয়োজন নেই বলে মনে করি,,কারন সব থেকে বড় পাওয়া গরীবের দোয়া। 
©somewhere in net ltd.