![]() |
![]() |
নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আমি পথহারা পথিক...পথে পথে ঘুরে বেড়াই, পথের নেশায়....লোকের কথা শুনি, কখনো কখনো বলার চেষ্টাও করি। আমার কথা সবার ভাল লাগবে এমনটা আশা করি না। আমি বিশ্বাস করি, যে পথের নেশায় পথে পথে ঘুরে বেড়াই, সেই পথের দেখা আমি পাবই........
একটি জায়গায় দেশের ১৬ কোটি মানুষ মিলেছে এক বিন্দুতে। সেটি হচ্ছে খেলা। বিশেষ করে ক্রিকেট। ক্রিকেট বাংলাদেশকে যতটা দিয়েছে আর কোনো খেলাই ততটা দেয়নি। ক্রিকেট বিশ্বে বাংলাদেশ এখন উদীয়মান পরাশক্তি! ক্রিকেট এখন বাংলাদেশের প্রাণ ভ্রমরা!
এক সময়ের ফুটবল পাগল জাতি এখন ক্রিকেটে মগ্ন। ভারতে ক্রিকেটকে মনে করা হয় আরেক ঈশ্বর, দেবতা। বাংলাদেশেও ক্রিকেট পুরো জাতিকে বিনি সুতোর মালায় যেভাবে গেঁথে রাখে তা বিস্ময়করই বটে!
আজ খেলা দেখতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ডের মধ্যেকার টি-টোয়েন্টি ম্যাচ মাঠে বসে উপভোগ করবেন। থাকবেন পুরষ্কার বিতরণী মঞ্চে। ওয়ানডে সিরিজ জয়ের ট্রফি তুলে দেবেন টাইগার অধিনায়ক মুশফিকুর রহিমের হাতে। হয়তো সঙ্গে উঠতে পারে টি-টোয়েন্টি জয়ের ট্রফিটাও।
কিন্তু এই বিষয়টি নিয়ে আমি খানিকটা স্বপ্নপ্রবণ। ভাবছি, আজ যদি দুই নেত্রীই মাঠে থাকতেন! একসঙ্গে বসে খেলা দেখতেন! থাকতেন পুরষ্কার বিতরণী মঞ্চেও!
প্রধানমন্ত্রী এবং বিরোধী দলীয় নেত্রী দু’জনকে একসঙ্গে কবে দেখেছিলো জাতি সে স্মৃতিও প্রায় বিস্মৃত হতে চলেছে। সেনাকুঞ্জের সেই ছবিও স্মৃতির এ্যালবামে মলিন হতে বসেছে। জানিনা, আবার কবে আসবে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ!
ওয়ানডে সিরিজে নিউজিল্যান্ডকে ৩-০ ব্যবধানে হারানোর পর ক্রিকেট নিয়ে যেনো নতুন জোয়ার বইছে। আগের ৪-০ ব্যবধানকে ছাপিয়ে গেছে সাম্প্রতিক ৩-০। আর তাই টি-টোয়েন্টি নিয়ে আগ্রহের পারদ অতি তুঙ্গে। বাংলাদেশে বিশ্বকাপ ক্রিকেটও হয়ে গেছে। হবে আগামি বছরও।
কিন্তু টিকিট নিয়ে এতো আগ্রহ আগে কখনো দেখিনি। টিকিট নিয়ে বিক্ষোভ, ভাঙচুর আগেও হয়েছে। কিন্তু আজকের ম্যাচ নিয়ে যা হচ্ছে তা দেখিনি আগে। ধারণা করছি, হয়তো সবচেয়ে বেশি মানুষ আজ টিভির সামনে বসবেন বাংলাদেশের জয় দেখার জন্য।
এসময় দুই নেত্রীকে পাশে পেলে আমাদের আবেগের ভীতটা আরও শক্ত হতো। সব দ্বিধা ভুলে পেতাম এগিয়ে যাওয়ার সঞ্জীবণী।
চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে আমরা সাধারণ মানুষ শঙ্কিত। এভাবে আর কত হরতাল চলবে? অর্থনীতির উর্ধ্বমূখী সূচক নুইয়ে পড়ছে। শিল্প এবং উৎপাদনখাত স্থবির হচ্ছে। খেটে খাওয়া মানুষগুলো চোখে মুখে অন্ধকার দেখছেন। এভাবে কী চলতেই থাকবে?
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ফোন করেছিলেন বিরোধী দলীয় নেত্রীকে। কিন্তু বিএনপি এখনো সংলাপের আহ্বানে কার্যকরভাবে সাড়া দেয়নি। ব্যক্তিগতভাবে মনে করি এ আহ্বানে সাড়া না দিলে ব্যাকফুটে যেতে পারে বিএনপি। কিন্তু মাননীয় বিরোধী দলীয় নেত্রী যদি গণভবনে যেতেন, দাবি তুলে ধরতেন; লাভ হতো বিএনপির’ই।
কেন না, গণভবনে গেলেই বিএনপি’র সব দাবি আওয়ামী লীগ মেনে নিতো, এমটা হতো না। সব দাবি না মানলে জাতির সামনে বিএনপি’র কিছু বলার সুযোগ থাকতো। দেশবাসীকে তারা বলতে পারতেন সংলাপে গিয়েছিলাম, সরকার মানে নি। ভোটার বা জনমত নিজেদের পক্ষে টানার একটা উপলক্ষ হাতে পেতো বিএনপি। এখন প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণে সাড়া না দিলে নিরপেক্ষ ভোটারদের মনে একটা প্রশ্ন কিন্তু থেকেই যাবে।
বর্তমান পরিস্থিতিতে মনে হচ্ছে সংলাপ অনিশ্চিত। অনিশ্চিত সমঝোতাও। অনিশ্চিত দেশের ভবিষ্যত। এভাবে চলতে থাকলে হয়তো যেনতেন একটা নির্বাচনও হয়ে যাবে। নতুন সরকারও আসবে। সে সরকারের স্থায়িত্ব নিয়েও হয়তো প্রশ্ন থেকে যাবে।
অন্যদিকে নির্বাচনে অংশ না নিলে দল হিসেবে বিএনপিও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। কারণ এরকম পরিস্থিতিতে অনেকেই ক্ষমতার লোভে দল থেকে বেরিয়ে যেতে পারেন। নেতা-কর্মীরাও হতাশ হয়ে যেতে পারেন।
আজ খেলা। তাই রাজনীতি নিয়ে বিশ্লেষণে যাবো না। একমাত্র রাজনীতি ছাড়া সব ক্ষেত্রেই আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। পেছন হাঁটছি কেবল রাজনীতি সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রগুলোতে।
বাংলাদেশের ক্রিকেট যেমন সুবাস ছড়াচ্ছে, তেমনি একটি রাজনৈতিক সুবাসে সুবাসিত হোক দেশের মাটি, দেশের মানুষ। সেই প্রত্যাশা আমাদের।
তথ্য সুত্র: রাইজিংবিডি
২| ০৬ ই নভেম্বর, ২০১৩ দুপুর ১:২৮
এন ইউ এমিল বলেছেন: ভাই এই একটাইতো জায়গা যেখানে আমরা সবাই এক হতে পারি
কেন অই দুইজঙ্কে এইখানে টাইনা আইনা এই সেক্টরটাকেও ধংস করার কি দরকার?
০৬ ই নভেম্বর, ২০১৩ দুপুর ১:৫৩
পথহারা সৈকত বলেছেন: কেন অই দুইজঙ্কে এইখানে টাইনা আইনা এই সেক্টরটাকেও ধংস করার কি দরকার?
৩| ০৬ ই নভেম্বর, ২০১৩ দুপুর ২:১৯
নিজাম বলেছেন: ভাই এই দিবা স্বপ্ন দেখে সময় নষ্ট করার কোন মানে হয় না।
০৬ ই নভেম্বর, ২০১৩ দুপুর ২:২৪
পথহারা সৈকত বলেছেন: ভাই এই দিবা স্বপ্ন দেখে সময় নষ্ট করার কোন মানে হয় না।
©somewhere in net ltd.
১|
০৬ ই নভেম্বর, ২০১৩ দুপুর ১:০৫
মোঃ আনারুল ইসলাম বলেছেন: এটা স্বপ্নেই সম্ভব ।